মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার কাফন-দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা প্রসঙ্গে । কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করা কর্তব্য - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার কাফন-দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা প্রসঙ্গে । কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করা কর্তব্য

রিয়াদুস সলেহিন ৯৫০

وعن أبي الأسود قال‏:‏ قدمت المدينة، فجلست إلي عمر بن الخطاب رضي الله عنه فمرت بهم جنازة، فأثني علي صاحبها خيراً فقال عمر‏:‏ وجبت، ثم مر بأخرى، فأثني علي صاحبها خيراً، فقال عمر‏:‏ وجبت، ثم مر بالثالثة، فأثني علي صاحبها شراً، فقال عمر‏:‏ وجبت‏:‏ قال أبو الأسود‏:‏ فقلت‏:‏ وما وجبت يا أمير المؤمنين‏؟‏ قال‏:‏ قلت كما قال النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم ‏:‏ “أيما مسلم شهد له أربعة بخير، أدخله الله الجنة‏:‏ فقلنا‏:‏ وثلاثة‏؟‏ قال‏:‏ “وثلاثة‏‏ فقلنا‏:‏ واثنان‏؟‏ قال‏:‏ ‏"‏واثنان‏"‏ ثم لم نسأله عن الواحد‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘ঋণ পরিশোধ অবধি মু’মিনের আত্মা ঝুলানো থাকে ।’’ (অর্থাৎ, তার জান্নাতে অথবা জাহান্নামে যাওয়ার ফায়সালা হয় না ।)


রিয়াদুস সলেহিন ৯৫১

عن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏ما من مسلم يموت له ثلاثة لم يبلغوا الحنث إلا ادخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏‏

ত্বালহা ইবনুল বারাআ (রাঃ) রোগগ্রস্ত হয়ে পড়লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে দেখতে গেলেন । তিনি বললেনঃ ত্বালহার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, তার বিষয়ে এছাড়া আমি আর কিছুই চিন্তা করি না । আমাকে তার মৃত্যুর খবর জানাবে । আর তার দাফন-কাফনের কাজ দ্রুত সমাধা করবে । কারণ, মুসলিমের লাশ তার পরিবারবর্গের নিকট আটকে রাখা উচিত নয় । (আবূ দাঊদ) (আমি (আলবানী) বলছিঃ এর সনদটি দুর্বল যেমনটি ‘‘আহকামুল জানায়েয’’ গ্রন্থে (পৃ ১৩-১৪) এবং ‘‘য‘ঈফাহ্’’ গ্রন্থে (৩২৩২) আলোচনা করেছি। এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন । হুসাইন ইবনু অহ্অহ্ এর নিচের বর্ণনাকারীদেরকে চেনা যায় না । হাফিয ইবনু হাজার ‘‘উরওয়া ইবনু সা‘ঈদ আনসারী এবং তার পিতা সম্পর্কে বলেনঃ তারা উভয়েই মাজহূল (অপরিচিত) । আর সা‘ঈদ ইবনু উসমান বালাবি হচ্ছেন মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) (অর্থাৎ মুতাবা‘য়াত পাওয়া যাওয়ার শর্তে)। এ ছাড়াও বালাবী থেকে ঈসা ইবনু ইউনুস ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি । আর ইবনু হিব্বান ছাড়া অন্য কেউ তাকে নির্ভরযোগ্যও আখ্যা দেননি ।


রিয়াদুস সলেহিন > কবরের নিকট উপদেশ প্রদান

রিয়াদুস সলেহিন ৯৫২

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ “لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد لا تمسه النار إلا تحلة القسم‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏"

আমরা এক জানাযার সাথে বাক্বীউল গারক্বাদ (কবর স্থানে) ছিলাম । অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তাঁর আশপাশে বসে গেলাম । তাঁর সাথে একটি ছড়ি ছিল, তিনি মাথা নীচু করে তা দিয়ে (চিন্তাগ্রস্তের মত) মাটিতে আঁক কাটতে লাগলেন । তারপর তিনি বললেন, ‘‘তোমাদের প্রত্যেকের জাহান্নামে ও জান্নাতে ঠিকানা লিখে দেওয়া হয়েছে ।’’ সাহাবীরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল ! তাহলে আমরা কি আমাদের (ভাগ্য) লিপির উপর ভরসা করব না ?’ তিনি বললেন, ‘‘(না, বরং) তোমরা কর্ম করতে থাক । কেননা, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সে কাজ সহজ হয়, যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية