জানাযার নামাযে যে সব দুয়া পড়া হয় - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > জানাযার নামাযে যে সব দুয়া পড়া হয়

রিয়াদুস সলেহিন ৯৪০

عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏أسرعوا بالجنازة، فإن تك صالحة، فخير تقدمونها إليه، وإن تك سوي ذلك، فشر تضعونه عن رقابكم‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ ‏(‏‏(‏وفي رواية لمسلم‏:‏ ‏"‏فخير تقدمونها عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক জানাযায় নামায পড়লেন। আমি তাঁর দুআ মুখস্থ করে ফেললাম। সে দুআ হল এইঃ- ‘আল্লা-হুম্মাগফির লাহু অরহামহু অআ-ফিহী অ‘ফু আনহু অআকরিম নুযুলাহু অঅসসি‘ মুদখালাহু, অগ্সিলহু বিলমা-ই অস্সালজি অল-বারাদ। অনাক্কিহী মিনাল খাত্বায়্যা কামা নাক্কাইতাস সাউবাল আবয়্যাদা মিনাদ দানাস। অ আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহী অ আহলান খাইরাম মিন আহলিহী অযাওজান খাইরাম মিন যাওজিহ। অ আদখিলহুল জান্নাতা অ আইয্হু মিন আযা-বিল ক্বাবরি অমিন আযা-বিন্নার।’ অর্থ- হে আল্লাহ ! তুমি ওকে ক্ষমা করে দাও এবং ওকে রহম কর। ওকে নিরাপত্তা দাও এবং মার্জনা ক’রে দাও, ওর মেহেমানী সম্মানজনক কর এবং ওর প্রবেশস্থল প্রশস্ত কর। ওকে তুমি পানি, বরফ ও শিলাবৃষ্টি দ্বারা ধৌত করে দাও এবং ওকে গোনাহ থেকে এমন পরিষ্কার কর, যেমন তুমি সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছ । আর ওকে তুমি ওর ঘর অপেক্ষা উৎকৃষ্ট ঘর, ওর পরিবার অপেক্ষা উত্তম পরিবার, ওর জুড়ী অপেক্ষা উৎকৃষ্ট জুড়ী দান কর। ওকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং কবর ও দোযখের আযাব থেকে রেহাই দাও । (বর্ণনাকারী সাহাবী আউফ ইবন মালেক (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যখন এই দুআ বলতে শুনলাম) তখন আমি এই কামনা করলাম যে, যদি আমি এই মাইয়্যেত হতাম !


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪১

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال‏:‏ كان النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم يقول‏:‏ ‏‏إذا وضعت الجنازة، فاحتملها الرجال علي أعناقهم، فإن كانت صالحة، قال‏:‏ قدموني، وإن كانت غير صالحة، قالت لأهلها‏:‏ يا ويلها أين تذهبون بها‏؟‏ يسمع صوتها كل شيء إلا الأنسان، ولو سمع الأنسان لصعق” ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক জানাযার নামায পড়ার সময় এই দুআ পড়লেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফির লিহাইয়িনা অমাইয়িতিনা অস্বাগীরিনা অকাবীরিনা অযাকারিনা অউনসা-না অ শা-হিদিনা অগা-য়িবিনা, আল্লা-হুম্মা মান আহয়্যাইতাহু মিন্না ফাআহয়িহি ‘আলাল ইসলাম, অমান তাওয়াফ্ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফ্ফাহু ‘আলাল ঈমান, আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহ, অলা তাফতিন্না বা‘দাহ।’ অর্থ- হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, ছোট-বড়, পুরুষ ও নারী, উপস্থিত ও অনুপস্থিতকে ক্ষমা ক’রে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে যাকে তুমি জীবিত রাখবে তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখ এবং যাকে মরণ দিবে তাকে ঈমানের উপর মরণ দাও। হে আল্লাহ ! ওর সওয়াব থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করো না এবং ওর পরে আমাদেরকে ফিতনায় ফেলো না। (তিরমিযী আবূ হুরাইরা ও আশহালী হতে, আবূ দাঊদ আবূ হুরাইরা ও আবূ ক্বাতাদাহ হতে । হাকেম বলেছেন, আবূ হুরাইরার হাদীস বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ । তিরমিযী বলেন, বুখারী বলেছেন, এ হাদীসের সবচেয়ে সহীহ বর্ণনা হল আশহালীর বর্ণনা । বুখারী বলেন, এ বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ হল আওফ ইবন মালেকের হাদীস । )


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪২

عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏نفس المؤمن معلقة بدينه حتي يقضي عنه‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏)‏‏)‏‏‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক জানাযার নামায পড়ার সময় এই দুআ পড়লেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফির লিহাইয়িনা অমাইয়িতিনা অস্বাগীরিনা অকাবীরিনা অযাকারিনা অউনসা-না অ শা-হিদিনা অগা-য়িবিনা, আল্লা-হুম্মা মান আহয়্যাইতাহু মিন্না ফাআহয়িহি ‘আলাল ইসলাম, অমান তাওয়াফ্ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফ্ফাহু ‘আলাল ঈমান, আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহ, অলা তাফতিন্না বা‘দাহ।’ অর্থ- হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, ছোট-বড়, পুরুষ ও নারী, উপস্থিত ও অনুপস্থিতকে ক্ষমা ক’রে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে যাকে তুমি জীবিত রাখবে তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখ এবং যাকে মরণ দিবে তাকে ঈমানের উপর মরণ দাও। হে আল্লাহ ! ওর সওয়াব থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করো না এবং ওর পরে আমাদেরকে ফিতনায় ফেলো না। (তিরমিযী আবূ হুরাইরা ও আশহালী হতে, আবূ দাঊদ আবূ হুরাইরা ও আবূ ক্বাতাদাহ হতে । হাকেম বলেছেন, আবূ হুরাইরার হাদীস বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ । তিরমিযী বলেন, বুখারী বলেছেন, এ হাদীসের সবচেয়ে সহীহ বর্ণনা হল আশহালীর বর্ণনা । বুখারী বলেন, এ বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ হল আওফ ইবন মালেকের হাদীস । )


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৩

وعن حصين بن وحوح رضي الله عنه أن طلحة بن البراء رضي الله عنه مرض، فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم يعوده فقال‏:‏ إني لا أري طلحة إلا قد حدث فيه الموت فآذوني به وعجلوا به، فإنه لا ينبغي لجيفة مسلم أن تحبس بين ظهراني أهله‏‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক জানাযার নামায পড়ার সময় এই দুআ পড়লেন, ‘আল্লা-হুম্মাগফির লিহাইয়িনা অমাইয়িতিনা অস্বাগীরিনা অকাবীরিনা অযাকারিনা অউনসা-না অ শা-হিদিনা অগা-য়িবিনা, আল্লা-হুম্মা মান আহয়্যাইতাহু মিন্না ফাআহয়িহি ‘আলাল ইসলাম, অমান তাওয়াফ্ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফ্ফাহু ‘আলাল ঈমান, আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহ, অলা তাফতিন্না বা‘দাহ।’ অর্থ- হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, ছোট-বড়, পুরুষ ও নারী, উপস্থিত ও অনুপস্থিতকে ক্ষমা ক’রে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে যাকে তুমি জীবিত রাখবে তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখ এবং যাকে মরণ দিবে তাকে ঈমানের উপর মরণ দাও। হে আল্লাহ ! ওর সওয়াব থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করো না এবং ওর পরে আমাদেরকে ফিতনায় ফেলো না। (তিরমিযী আবূ হুরাইরা ও আশহালী হতে, আবূ দাঊদ আবূ হুরাইরা ও আবূ ক্বাতাদাহ হতে । হাকেম বলেছেন, আবূ হুরাইরার হাদীস বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ । তিরমিযী বলেন, বুখারী বলেছেন, এ হাদীসের সবচেয়ে সহীহ বর্ণনা হল আশহালীর বর্ণনা । বুখারী বলেন, এ বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ হল আওফ ইবন মালেকের হাদীস । )


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৪

عن علي رضي الله عنه قال‏:‏ كنا في جنازة في بقيع الغرقد فأتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقعد، وقعدنا حوله ومعه مخصرة فنكس وجعل ينكت بمخصرته، ثم قال‏:‏ ما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من النار ومقعده من الجنة” فقالوا‏:‏ يا رسول الله أفلا نتكل علي كتابنا‏؟‏ فقال‏:‏ ‏ ‏اعملوا فكل ميسر لما خلق له‏" ‏ وذكر تمام الحديث‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে বলতে শুনেছি, ‘‘যখন তোমরা মৃতের জানাযা পড়বে, তখন তার জন্য আন্তরিকতার সাথে দুআ করো।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৫

عن أبي عمرو -وقيل‏:‏ أبو عبد الله، وقيل‏:‏ أبو ليلى- عثمان بن عفان رضي الله عنه قال‏:‏ كان النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم إذا فرغ من دفن الميت وقف عليه، وقال‏:‏ ‏ ‏استغفروا لأخيكم وسلوا له التثبيت، فإنه الآن يسأل‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে জানাযার নামাযের সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। জানাযার নামাযে তিনি নিম্নে উল্লেখিত দু’আ তিলাওয়াত করতেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা আনতা রব্বুহা ওয়া আনতা খালাক্বতাহা, ওয়া আনতা হাদাইতাহা লিল ইসলামে, ওয়া আনতা ক্বাবাযতা রূহাহা, ওয়া আনতা অ‘লামু বিসিররিহা ওয়া ‘আলানিয়্যাতিহা, জি’নাকা শুফা‘আ- লাহু ফাগফির লাহু’’ (হে আল্লাহ! তুমিই তার প্রভূ-পালনকর্তা, তাকে তুমিই সৃষ্টি করেছো, তুমিই তাকে ইসলামের পথে হিদায়াত দিয়েছো, তুমিই তার জান কবজ করেছো এবং তার গোপন ও প্রকাশ্য (বিষয়াবলী) সম্বন্ধে তুমিই ভাল অবগত। আমরা তার পক্ষে সুপারিশের লক্ষ্যে তোমার কাছে এসেছি। তাই তাকে তুমি ক্ষমা কর)।


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৬

وعن عمرو بن العاص رضي الله عنه قال‏:‏ إذا دفنتمونى، فأقيموا حول قبري قدر ما تنحر جذور، ويقسم لحمها حت أستأنس بكم، وأعلم ماذا أراجع به رسل ربي‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏.‏ وقد سبق بطوله‏)‏‏)‏‏.‏ وقال الشافعي رحمه الله‏:‏ ويستحب أن يقرأ عنده شيء من القرآن، وإن ختموا القرآن عنده كان حسناً‏.‏ وقال الشافعي رحمه الله‏:‏ ويستحب أن يقرأ عنده شيء من القرآن، وإن ختموا القرآن عنده كان حسناً‏.‏"

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে এক মুসলিম ব্যক্তির জানাযার নামায পড়ালেন। সুতরাং আমি তাঁকে এই দুআটি বলতে শুনলাম, ‘আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলা-নাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা অহাবলি জিওয়ারিক, ফাক্বিহী ফিতনাতাল ক্বাবরি অ আযা-বান্নার, অ আন্তা আহলুল অফা-ই অলহামদ, ফাগ্ফির লাহু অরহামহু ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রাহীম ।’ অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয় অমুকের পুত্র অমুক তোমার দায়িত্বে এবং তোমার আমানতে । অতএব ওকে তুমি কবর ও দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর । তুমি প্রতিশ্রুতি পালনকারী ও প্রশংসার পাত্র । সুতরাং ওকে তুমি মাফ ক’রে দাও এবং ওর প্রতি দয়া কর । নিঃসন্দেহে তুমিই মহাক্ষমাশীল অতি দয়াবান ।


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৭

وعن عائشة رضي الله عنها أن رجلاً قال للنبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ إن أمي افتلتت نفسها وأراها لو تكلمت، تصدقت، فهل لها أجر إن تصدقت عنها‏؟‏ قال‏:‏ ‏ ‏نعم‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

তাঁর এক মেয়ের জানাযায় চার তাকবীর দিলেন। অতঃপর তিনি চতুর্থ তাকবীরের পর দুই তাকবীরের মধ্যস্থলে যতটা সময় লাগে ততক্ষণ দাঁড়িয়ে তার (কন্যার) জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ করলেন । তারপর তিনি বললেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই রকমই করতেন ।’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি চার তাকবীর বলার পর কিছুক্ষণ থেমে গেলেন, এমনকি আমি ধারণা করলাম যে, তিনি পাঁচ তাকবীর বলবেন । অতঃপর তিনি তাঁর ডানে ও বামে সালাম ফিরলেন । তারপর তিনি যখন নামায শেষ করলেন, তখন আমরা তাঁকে বললাম, ‘একী ! ?’ তিনি বললেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে যা করতে দেখেছি, তার চেয়ে বেশী করব না’ অথবা ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ রকমই করেছেন।’ (হাকেম সহীহ সূত্রে)


রিয়াদুস সলেহিন > লাশ শীঘ্র (কবরস্থানে) নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে

রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৮

وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “إذا مات الأنسان انقطع عمله إلا من ثلاث‏:‏ صدقة جارية، أو علم ينتفع به، أو ولد صالح يدعو له‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা জানাযার (লাশ) নিয়ে যেতে তাড়াতাড়ি কর । কেননা, সে যদি পুণ্যবান হয়, তাহলে ভালো ; ভালোর দিকেই তোমরা তাকে পেশ করবে । আর যদি তা এর উল্টো হয়, তাহলে তা মন্দ; যা তোমরা তোমাদের ঘাড় থেকে নামিয়ে দেবে ।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৯৪৯

عن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ مروا بجنازة، فأثنوا عليها خيراً، فقال النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم ‏:‏ ‏‏وجبت”، ثم مروا بأخرى، فأثنوا عليها شراً، فقال النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏وجبت‏"‏ فقال عمر بن الخطاب رضي الله عنه‏:‏ ما وجبت‏؟‏ قال‏:‏ ‏"‏هذا أثنيتم عليه خيراً، فوجبت له الجنة، وهذا أثنيتم عليه شراً فوجبت عليه النار، أنتم شهداء الله في الأرض” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, ‘‘যখন জানাযা (খাটে) রাখা হয় এবং লোকেরা তা নিজেদের ঘাড়ে উঠিয়ে নেয়, তখন সে সৎ হলে বলে, ‘আমাকে আগে নিয়ে চল ।’ আর অসৎ হলে তার পরিবার-পরিজনদের উদ্দেশ্যে বলে, ‘হায় আমার দুর্ভোগ ! তোমরা (আমাকে) কোথায় নিয়ে যাচ্ছ ?’ মানুষ ছাড়া তার এই আওয়াজ সব জিনিসই শুনতে পায় । যদি মানুষ তা শুনতো, তবে নিশ্চয় বেঁহুশ হয়ে যেত ।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية