যে হাঁচি দিবে সে আলহামদু লিল্লাহ বললে তার উত্তর দেওয়া মুস্তাহাব। নচেৎ তা অপছন্দনীয়। হাঁচির উত্তর দেওয়া, হাঁচি ও হাই তোলা সম্পর্কিত আদব-কায়দা - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > যে হাঁচি দিবে সে আলহামদু লিল্লাহ বললে তার উত্তর দেওয়া মুস্তাহাব। নচেৎ তা অপছন্দনীয়। হাঁচির উত্তর দেওয়া, হাঁচি ও হাই তোলা সম্পর্কিত আদব-কায়দা

রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৩

وعن أبو موسي رضي الله عنه قال‏:‏ كان اليهود يتعاطسون عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يرجون أن يقول لهم‏:‏ يرحمكم الله، فيقول‏:‏ ‏‏‏"‏يهديكم الله ويصلح بالكم‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود، والترمذي وقال‏:‏ حديث حسن صحيح‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা হাঁচি ভালবাসেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। অতএব তোমাদের কেউ যখন হাঁচবে এবং ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়বে তখন প্রত্যেক মুসলিম শ্রোতার উচিত হবে যে, সে তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলবে। আর হাই তোলার ব্যাপারটা এই যে, তা হচ্ছে শয়তানের পক্ষ থেকে (আলস্য ও ক্লান্তির লক্ষণ)। অতএব কেউ যখন হাই তুলবে তখন সে যেন যথাসাধ্য তা রোধ করে। কেননা, যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন শয়তান তা দেখে হাসে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৪

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏إذا تثاءب أحدكم فليمسك بيده علي فيه، فإن الشيطان يدخل‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমাদের কেউ হাঁচবে, তখন সে যেন বলে, ‘আলহামদু লিল্লাহ।’ (তা শুনে) তার ভাই বা সাথীর বলা উচিত, ‘য়্যারহামুকাল্লাহ।’ সুতরাং যখন জবাবে ‘য়্যারহামুকাল্লাহ’ বলবে, তখন যে (হাঁচি দিয়েছে) সে বলবে, ‘য়্যাহদীকুমুকাল্লাহু অ য়্যুস্‌লিহু বালাকুম।’ (অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদেরকে সুপথ দেখান ও তোমাদের অন্তর সংশোধন করে দেন।)’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৫

عن أبي الخطاب قتادة قال‏:‏ قلت لأنس‏:‏ أكانت المصافحة في أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏؟‏ قال‏:‏ نعم‏‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যখন তোমাদের কেউ হাঁচবে এবং ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বলবে, তখন তার উত্তর দাও। যদি সে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ না বলে, তাহলে তার উত্তর দিয়ো না।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৬

وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ لما جاء أهل اليمن قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ “قد جاءكم أهل اليمن، وهم أول من جاء بالمصافحة‏‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد صحيح‏)‏‏)‏‏.‏"

দু’জন লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে হাঁচল। তিনি তাদের মধ্যে একজনের উত্তর দিলেন। আর দ্বিতীয় জনের উত্তর দিলেন না। যে ব্যক্তির উত্তর দিলেন না সে বলল, ‘অমুক ব্যক্তি হাঁচল তো তার উত্তর দিলেন, আর আমি হাঁচলাম, কিন্তু আপনি আমার উত্তর দিলেন না!?’ তিনি বললেন, ‘‘ঐ ব্যক্তি ‘আলহামদু লিল্লাহ’ পড়েছে। আর তুমি ‘আলহামদু লিল্লাহ’ পড়নি তাই।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৭

وعن البراء رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏ما من مسلمين يلتقيان فيتصافحان إلا غفر لهما قبل أن يفترقا‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাঁচতেন তখন নিজ হাত অথবা কাপড় মুখে রাখতেন এবং তার মাধ্যমে শব্দ কম করতেন।’ (আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান সহীহ)


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৮

وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ قال رجل‏:‏ يا رسول الله، الرجل منا يلقي أخاه أو صديقه، أينحني له قال‏:‏ ‏‏لا‏"‏ قال‏:‏ أفيلتزمه ويقبله‏؟‏فال‏:‏ ‏"‏لا‏"‏ قال‏:‏ فيأخذ بيده ويصافحه‏؟‏ قال‏:‏‏"‏نعم‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ইয়াহুদী সম্প্রদায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে কৃত্রিমভাবে হাঁচতো এই আশায় যে, তিনি তাদের জন্য ‘য়্যারহামুকাল্লাহ’ (অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়া করুন) বলবেন। কিন্তু তিনি (তাদের হাঁচির জবাবে) বলতেন, ‘য়্যাহদীকুমুল্লাহু অয়্যুসলিহু বালাকুম’ (অর্থাৎ আল্লাহ তোমাদেরকে সৎপথগামী করুন ও তোমাদের অন্তরসমূহকে সংশোধন করে দেন।) (আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান সহীহ)


রিয়াদুস সলেহিন ৮৮৯

وعن صفوان بن عسال رضي الله عنه قال‏:‏ قال يهودي لصاحبه‏:‏ اذهب بنا إلي هذا النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلم فأتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فسألاه عن تسع آيات بينات؛ فذكر الحديث إلي قوله‏:‏ فقبلا يده ورجله، وقالا‏:‏ نشهد أنك نبي‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وغيره بأسانيد صحيحة‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমাদের কেউ হাই তুলবে, তখন সে যেন আপন হাত দিয়ে নিজ মুখ চেপে ধরে রাখে। কেননা, শয়তান (মুখে) প্রবেশ করে থাকে।’’


রিয়াদুস সলেহিন > সাক্ষাৎকালীন আদব

রিয়াদুস সলেহিন ৮৯০

وعن ابن عمر، رضي الله عنهما، قصة قال فيها‏:‏ فدنونا من النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم فقبلنا يده‏‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ‘আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের মধ্যে কি মুসাফাহা (করমর্দন) করার প্রথা ছিল?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯১

وعن عائشة رضي الله عنها قالت‏:‏ قدم زيد بن حارثة المدينة ورسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي، فأتاه فقرع الباب، فقام إليه النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم يجر ثوبه، فاعتنقه وقبله‏‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, যখন ইয়ামানবাসীরা আগমন করল, তখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে উঠলেন, ‘‘ইয়ামানবাসীরা তোমাদের নিকট আগমন করেছে।’’ (আনাস বলেন,) এরাই সর্বপ্রথম মুসাফাহা আনয়ন করেছিল।


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯২

وعن أبي ذر، رضي الله عنه، قال‏:‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏لا تحقرن من المعروف شيئاً، ولو أن تلقي أخاك بوجه طليق‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘দু’জন মুসলিম সাক্ষাৎকালে মুসাফাহা করলেই একে অপর থেকে পৃথক হবার পূর্বেই তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেওয়া হয়।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৩

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ قبل النبي،صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم الحسن بن على، رضي الله عنهما، فقال الأقرع بن حابس‏:‏ إن لي عشرة من الولد ما قبلت منهم أحداً‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏من لا يرحم لا يرحم‏!‏‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

তিনি বলেন, একটা লোক বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য থেকে কোন লোক তার ভাইয়ের সাথে কিংবা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করলে তার সামনে কি মাথা নত করবে?’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ সে বলল, ‘তাহলে কি তাকে জড়িয়ে ধরে চুমা দেবে?’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ সে বলল, ‘তাহলে কি তার হাত ধরে তার সঙ্গে মুসাফাহা করবে?’ তিনি বললেন, ‘‘হ্যাঁ।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৪

عن البراء بن عازب رضي الله عنهما قال‏:‏ أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعيادة المريض، واتباع الجنازة، وتشميت العاطس، وإبرار المقسم، ونصر المظلوم، وإجابة الداعى، وإفشاء السلام” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

এক ইয়াহূদী তার সাথীকে বললঃ এসো আমরা এই নাবীর নিকট যাই। ফলে তারা দু’জন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এল এবং তাঁকে নয়টি সুস্পষ্ট নিদর্শন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল। হাদীসের বর্ণনাকারী শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন যে, তারপর তারা দু’জন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে ও পায়ে চুমা দিল এবং বলল, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি নিঃসন্দেহে আপনি নাবী। এ হাদীস ইমাম তিরমিযী প্রমুখ সহীহ সানাদ সহকারে বর্ণনা করেছেন। (তিরমিযী ও অন্যরা সহীহ সনদে) (ইমাম নাবাবী বলেনঃ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী প্রমুখ বিভিন্ন সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন। আমি (আলবানী) বলছি: ইমাম তিরমিযী এবং অন্য কারো নিকট একটি সনদ ব্যতীত দ্বিতীয় কোন সনদ নেই। তা সত্ত্বেও এ সনদে আব্দুল্লাহ্ ইবনু সালেমাহ্ আলমুরাদী রয়েছেন যার সম্পর্কে মতভেদ করা হয়েছে। তিনিই হচ্ছেন ‘জুনবী ব্যক্তি কর্তৃক কুরআন তিলাওয়াত করা নিষিদ্ধ’ মর্মে বর্ণিত হাদীস আলী (রাযি) হতে বর্ণনাকারী। তাকে মুহাক্কিক হাফিযগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। যেমনটি লেখক নিজেই বলেছেন। যারা তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন তাদের মধ্যে ইমাম আহমাদ, শাফে‘ঈ, বুখারী প্রমুখ রয়েছেন। যেমনটি ‘‘য‘ঈফু আবী দাঊদ’’ গ্রন্থে (নং ৩০) বিস্তারিত দেখবেন। আল্লামাহ্ যাইলা‘ঈ ‘‘নাসবুর রায়া’’ গ্রন্থে (৪/২৫৮) ইমাম নাসাঈর উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইমাম তিরমিযীর হাদীসটি সম্পর্কে বলেনঃ এ হাদীসটি মুনকার। তিনি আরো বলেনঃ মুনযেরী বলেনঃ সম্ভত তার মুনকার সাব্যস্ত করার ব্যাপারে কথা রয়েছে।


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৫

وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏حق المسلم علي المسلم خمس‏:‏ رد السلام، وعيادة المريض، واتباع الجنائز، وإجابة الدعوة، وتشميت العاطس” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏.‏"

তিনি তাতে বলেছেন, অতঃপর আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম এবং তাঁর হাতে চুম্বন দিলাম। হাদীসটি আবূ দাউদ বর্ণনা করেছেন। যঈফ। (এ নম্বরের হাদীসটি দুর্বল।)


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৬

وعنه قالك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏‏عن الله عزو جل يقول يوم القيامة‏:‏ ‏"‏يا ابن آدم مرضت فلم تعدني‏!‏ قال‏:‏ يا رب كيف أعودك وأنت رب العالمين‏؟‏‏!‏ قال‏:‏ أما علمت أن عبدي فلاناً مرض فلم تعده‏؟‏ أما علمت أنك لو عدته لوجدتني عنده‏؟‏ يا ابن آدم استطعمتك فلم تطعمني‏!‏ قال‏:‏ يا رب كيف أطعمك وأنت رب العالمين‏؟‏‏!‏ قال‏:‏ أما علمت أنه استطعمك عبدي فلان فلم تطعمه، أما علمت أنك لو أطعمته لوجدت ذلك عندي‏؟‏ يا ابن آدم استسقيتك فلم تسقني‏!‏ قال‏:‏ يارب كيف أسقيك وأنت رب العالمين‏؟‏‏!‏ قال‏:‏ استسقاك عبدي فلان فلم تسقه‏!‏ أما علمت أنك لو سقيته لوجدت ذلك عندي‏؟‏‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

যাইদ ইবনু হারিসা (রাঃ) মদীনায় এলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে ছিলেন। যাইদ (দেখা করার জন্য) তাঁর কাছে এলেন এবং দরজায় টোকা মারলেন। নিজের কাপড় টানতে টানতে উঠে গিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে কোলাকুলি করলেন এবং তাকে চুমা দিলেন। (তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৭

وعن أبي موسي الأشعري رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ، “ عودوا المريض، وأطعموا الجائع، وفكوا العاني‏‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘‘কোন পুণ্য কাজকে তুমি অবশ্যই তুচ্ছ মনে করো না, যদিও তা তোমার ভাইয়ের সাথে সহাস্য বদনে সাক্ষাৎ করার পুণ্যই হোক না কেন।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৮৯৮

وعن ثوبان، رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم الله عليه وسلم الله عليه وسلم ، قال‏:‏ ‏‏إن المسلم إذا عاد أخاه المسلم لم يزل في خرفة الجنة حتي يرجع‏"‏ قيل‏:‏ يا رسول الله وما خرفة الجنة‏؟‏ قال‏:‏ ‏"‏جناها” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ইবনে আলী (রাঃ)-কে চুম্বন দিলেন। (তা দেখে) আক্বরা’ ইবনে হাবেস বলে উঠল, ‘আমার তো দশটি সন্তান আছে, তাদের মধ্যে কাউকে আমি চুমা দিইনি।’ (তা শুনে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না।’’


ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية