নফল রোযাদারের সামনে খাবার এসে গেলে যখন সে রোযা ভাঙ্গতে প্রস্তুত নয়, তখন সে কী বলবে? - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > নফল রোযাদারের সামনে খাবার এসে গেলে যখন সে রোযা ভাঙ্গতে প্রস্তুত নয়, তখন সে কী বলবে?

রিয়াদুস সলেহিন ৭৪২

عن جبلة بن سحيم قال: أصابنا عام سنةٍ مع ابن الزبير، فرزقنا تمراً، وكان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما يمر بنا ونحن نأكل، فيقول: لا تقارونوا، فإن النبى نهى عن الإقران، ثم يقول: إلا أن يستأذن الرجل أخاه" متفق عليه

, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমাদের কাউকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন সে যেন তা (কোন আপত্তিকর ব্যাপার না থাকলে সাদরে) গ্রহণ করে। আর সে যদি রোযা অবস্থায় থাকে, তাহলে (দাওয়াতকারীর জন্য) দো‘আ করে। আর যদি রোযা অবস্থায় না থাকে, তাহলে যেন আহার করে .


রিয়াদুস সলেহিন > নিমন্ত্রিত ব্যক্তির কেউ সাথী হলে সে নিমন্ত্রণদাতাকে কী বলবে?

রিয়াদুস সলেহিন ৭৪৩

عن وحشى بن حرب رضى الله عنه أن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا‏:‏ يا رسول الله ، إنا نأكل ولا نشبع قال‏:‏ ‏‏فلعلكم تفترقون‏"‏ قالوا‏:‏ نعم‏.‏ قال‏:‏ فاجتمعوا على طعامكم، واذكروا اسم الله ، يبارك لكم فيه‏"‏ ‏‏‏"

তিনি বলেন, একটি লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাবারের জন্য দাওয়াত দিল, যা সে পাঁচ জনের জন্য প্রস্তুত করেছিল, যার পঞ্চম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। (রাস্তায়) এক (অনাহূত) ব্যক্তি তাঁদের অনুগামী হল। যখন তাঁরা বাড়ির দরজায় পৌঁছলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমন্ত্রণকারীকে) বললেন, ‘‘এ ব্যক্তি আমাদের সাথে চলে এসেছে। তুমি চাইলে ওকে অনুমতি দিতে পার, না চাইলে ও ফিরে যাবে।’’ কিন্তু সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! বরং আমি তাকে অনুমতি দিলাম।’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية