লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান

রিয়াদুস সলেহিন ৬৮৬

وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن عمر رضي الله عنه حين تأيمت بنته حفصة قال‏:‏ لقيت عثمان بن عفان رضي الله عنه ، فعرضت عليه حفصة فقلت‏:‏ إن شئت أنكحتك حفصة بنت عمر‏؟‏ قال‏:‏ سأنظر في أمري‏.‏ فلبثت ليالي، ثم لقيني فقال ‎‏:‏ قد بدا لي أن لا أتزوج يومي هذا‏.‏ فلقيت أبا بكر الصديق رضي الله عنه، فلم يرجع إلى شيئاً‏!‏ فكنت عليه أوجد مني على عثمان، فلبثت ليالي، ثم خطبها النبي صلى الله عليه وسلم، فأنكحتها إياه‏.‏ فلقيني أبو بكر فقال‏:‏ لعلك وجدت حين عرضت على حفصة فلم أرجع إليك شيئاً‏؟‏ فقلت‏:‏ نعم‏.‏ قال‏:‏ فإنه لم يمنعني أن أرجع إليك فيما عرضت على إلا أني كنت علمت أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكرها، فلم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولوتركها النبى صلى الله عليه وسلم لقبلتها ‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه البخارى‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসার ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। যিনি তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তাকে ছেড়ে দাও। কেননা, লজ্জা ঈমানের অঙ্গ।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৮৭

وعن عائشة رضي الله عنها قالت‏:‏ كن أزواج النبى صلى الله عليه وسلم عنده، فأقبلت فاطمة رضي الله عنها تمشى، ما تخطئ من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئاً، فلما رآها رحب بها وقال‏:‏ “مرحباً بابنتى” ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديداً، فلما رأى جزعها سارها الثانية فضحكت، فقلت لها‏:‏ خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين نسائه بالسرار، ثم أنت تبكين ‏!‏ فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها‏:‏ ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏؟‏ قالت‏:‏ ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره‏.‏ فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت‏:‏ عزمت عليك بما لي عليك من الحق، لما حدثتني ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم‏؟‏ فقالت‏:‏ أما الآن فنعم، أما حين سارني في المرة الأولى فأخبرني “أن جبريل كان يعارضه القرآن في كل سنة مرة أو مرتين، وأنه عارضه الآن مرتين، وإني لا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقى الله واصبرى، فغنه نعم السلف أنا لك” فبكيت بكائى الذى رأيت‏.‏ فلما رأى جزعى سارنى الثانية، فقال‏:‏ ‏ ‏يا فاطمة أما ترضين أن تكونى سيدة نساء المؤمنين، أو سيدة نساء هذه الأمة” فضحكت ضحكى الذى رأيت‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏(‏‏(‏وهذا لفظ مسلم‏)‏‏)‏‏‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘লজ্জা মঙ্গলই বয়ে আনে।’’ (মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে, ‘‘লজ্জার সবটুকু মঙ্গলই মঙ্গল”।) (বিঃদ্রঃ কিন্তু গুপ্ত সমস্যায় শরীয়তের সমাধান জানার ব্যাপারে লজ্জা করা ঠিক নয়।)


রিয়াদুস সলেহিন ৬৮৮

وعن ثابت عن أنس، رضي الله عنه قال‏:‏ أتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ألعب مع الغلمان، فسلم علينا، فبعثنى في حاجةٍ، فأبطأت على أمي‏.‏ فلما جئت قالت‏:‏ ما حبسك‏؟‏ فقلت‏:‏ بعثنى رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة، قالت‏:‏ ما حاجته‏؟‏ قلت‏:‏ إنها سر‏.‏قالت‏:‏ لا تخبرن بسر رسول الله صلى الله عليه وسلم أحداً‏.‏ قال أنس‏:‏ والله لو حدثت به أحداً لحدثتك به يا ثابت‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم، وروى البخارى بعضه مختصراً‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘ঈমানের সত্তর অথবা ষাট অপেক্ষা কিছু বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম শাখা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন শাখা পথ থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেওয়া। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৮৯

وعن أبي هريرة رضي الله عنه ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏آية المنافق ثلاث‏:‏ إذا حدث كذب، وإذا وعد أخلف، وإذا اؤتمن خان‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏.‏ زاد في ‏(‏‏(‏رواية لمسلم‏)‏‏)‏‏:‏ ‏"‏وإن صام وصلى وزعم أنه مسلم‏"‏‏.‏"

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্তঃপুরবাসিনী কুমারীর চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি কোন জিনিস অপছন্দ করতেন আমরা তাঁর চেহারায় তা বুঝতে পারতাম।’ (বুখারী ও মুসলিম) আলেমগণ বলেন, ‘লজ্জাশীলতার প্রকৃতত্ব হল এমন সৎচরিত্রতা, যা নোংরা বর্জন করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এবং অধিকারীর অধিকার আদায়ে ত্রুটি প্রদর্শন করতে বিরত রাখে। আবুল কাসেম জুনাইদ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, ‘লজ্জাশীলতা হল, নিয়ামত লক্ষ্য করা এবং সেই সাথে (তার কৃতজ্ঞতায়) ত্রুটি লক্ষ্য করা। এই দুয়ের মাঝে যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তাকেই লজ্জা বলা হয়।’


রিয়াদুস সলেহিন > গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব

রিয়াদুস সলেহিন ৬৯০

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏أربع من كن فيه كان منافقا خالصاً‏.‏ ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها ‏:‏ إذا اؤتمن خان ، وإذا حدث كذب، وإذا عاهد غدر، وإذا خاصم فجر‏" ‏‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏‏

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ সেই ব্যক্তি হবে, যে স্ত্রীর সঙ্গে মিলন করে এবং স্ত্রী তার সঙ্গে মিলন করে। অতঃপর সে তার (স্ত্রীর) গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৯১

وعن جابر رضي الله عنه قال‏:‏ قال لي النبى صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏ ‏لو قد جاء مال البحرين أعطيتك هكذا وهكذا وهكذا‏" ‏ فلم يجئ مال البحرين حتى قبض النبى صلى الله عليه وسلم، فلما جاء مال البحرين أمر أبو بكر رضي الله عنه فنادي‏:‏ من كان له عند رسول صلى الله عليه وسلم عدة أو دين فليأتنا‏‏ فأتيته وقلت له‏:‏ إن النبى صلى الله عليه وسلم قال لى كذا وكذا، فحثى لى حثية، فعددتها، فإذا هى خمسمائة، فقال لى‏:‏ خذ مثلها‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏‏

যখন উমার (রাঃ)-এর কন্যা হাফসা (রাঃ) বিধবা হয়ে গেলেন, তখন তিনি বললেন যে, আমি ‘উসমান ইবনে ‘আফ্‌ফানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং হাফসাকে বিবাহ করার জন্য দরখাস্ত দিয়ে তাঁকে বললাম, ‘আপনি ইচ্ছা করলে আপনার বিবাহ আমি উমারের কন্যা হাফসার সাথে দিয়ে দিচ্ছি?’ তিনি বললেন, ‘আমি আমার (এ) ব্যাপারে বিবেচনা করব।’ সুতরাং আমি কয়েকটি রাত্রি অপেক্ষা করলাম। অতঃপর তিনি আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, ‘আমার এখন বিয়ে না করাটাই ভাল মনে করছি।’ (উমার বলেন,) অতঃপর আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে বললাম, ‘যদি আপনি ইচ্ছা করেন, তাহলে আমি আপনার বিবাহ হাফসার সাথে দিয়ে দিই।’ আবূ বকর চুপ থাকলেন এবং কোন উত্তর দিলেন না। সুতরাং আমি ‘উসমান অপেক্ষা তাঁর প্রতি বেশী দুঃখিত হলাম। তারপর কয়েকটি রাত্রি অপেক্ষা করলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং তাকে বিবাহের পায়গাম দিলেন। ফলে আমি হাফসার বিবাহ তাঁর সাথেই দিয়ে দিলাম। তারপর আবূ বকর আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, ‘আপনি আমাকে হাফসাকে বিবাহ করার দরখাস্ত দিয়েছিলেন এবং আমি কোন উত্তর দিইনি। সেজন্য হয়তো আপনি আমার উপর দুঃখিত হয়েছেন? আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ‘আমার আপনাকে উত্তর না দেওয়ার কারণ এই ছিল যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাকে বিবাহ করার ব্যাপারে আলোচনা করেছিলেন। সুতরাং আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রকাশ করতে চাচ্ছিলাম না। যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাকে বর্জন করতেন, তাহলে নিশ্চয়ই আমি তাকে গ্রহণ করতাম।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৯২

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال‏:‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ يا عبد الله ، لا تكن مثل فلان، كان يقوم الليل فترك قيام الليل ‏!‏‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীরা সকলেই তাঁর কাছে ছিল। ইত্যবসরে ফাতেমা (রাঃ) হেঁটে (আমাদের নিকট) এল। তার চলন এবং আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চলনের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে স্বাগত জানালেন এবং বললেন, ‘আমার কন্যার শুভাগমন হোক।’ অতঃপর তিনি তাকে নিজের ডান অথবা বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তাকে কানে কানে গোপনে কিছু বললেন। ফাতেমা (রাঃ) জোরেশোরে কাঁদতে আর‎ম্ভ করলেন। সুতরাং তিনি তার অস্থিরতা দেখে পুনর্বার তাকে কানে কানে কিছু বললেন। ফলে (এবার) সে হাসতে লাগল। (আয়েশা বলেন,) অতঃপর আমি ফাতেমাকে বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের মাঝে (তাদেরকে বাদ দিয়ে) তোমাকে গোপনে কিছু বলার জন্য বেছে নেওয়া সত্ত্বেও তুমি কাঁদছ?’ তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উঠে গেলেন, তখন আমি তাকে বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বললেন?’ সে বলল, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রকাশ করব না।’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুবরণ করলে আমি ফাতেমাকে বললাম, ‘তোমার প্রতি আমার অধিকার রয়েছে। তাই আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি যে, তুমি আমাকে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বলেছিলেন?’ সে বলল, ‘এখন বলতে কোন অসুবিধা নেই।’ আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমবারে কানাকানি করার সময় আমাকে সংবাদ দিয়েছিলেন যে, ‘‘জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম প্রত্যেক বছর একবার (অথবা দু’বার) করে কুরআন শোনান। কিন্তু এখন তিনি দু’বার শুনালেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারছি যে, আমার মৃত্যু সন্নিকটে। সুতরাং তুমি (হে ফাতেমা!) আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্য ধারণ করো। কেননা, আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগামী।’’ সুতরাং আমি (এ কথা শুনে) কেঁদে ফেললাম, যা তুমি দেখলে। অতঃপর তিনি আমার অস্থিরতা দেখে দ্বিতীয়বার কানে কানে বললেন, ‘‘হে ফাতেমা! তুমি কি এটা পছন্দ কর না যে, মু’মিন নারীদের তুমি সর্দার হবে অথবা এই উম্মতের নারীদের সর্দার হবে?’’ সুতরাং (এমন সুসংবাদ শুনে) আমি হাসলাম, যা তুমি দেখলে।’ (বুখারী, শব্দাবলী মুসলিমের)


রিয়াদুস সলেহিন ৬৯৩

عن عدي بن حاتم رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ ‏اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ ‏‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন যখন আমি বালকদের সাথে খেলা করছিলাম। অতঃপর তিনি আমাদেরকে সালাম দিয়ে আমাকে কোন কাজে পাঠালেন। সুতরাং আমার মায়ের নিকট আসতে বিলম্ব হয়ে গেল। তারপর যখন আমি (বাড়ি) এলাম, তখন মা বললেন, ‘কিসে তোমাকে আটকে রেখেছিল?’ আমি বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কোন প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন।’ মা বললেন, ‘তাঁর কী প্রয়োজন ছিল?’ আমি বললাম, ‘সেটা তো ভেদের কথা।’ তিনি বললেন, ‘তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ খবরদার (কাউকে) বলবে না।’ আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর কসম! যদি আমি (এ ভেদ) কাউকে বলতাম, তাহলে তোমাকে বলতাম হে সাবেত!’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية