রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন শ্রবণ করেও ক্ৰন্দন করতেন - শামায়েলে তিরমিযি | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

শামায়েলে তিরমিযি > রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন শ্রবণ করেও ক্ৰন্দন করতেন

শামায়েলে তিরমিযি ২৪৮

حدثنا محمود بن غيلان ، قال : حدثنا معاوية بن هشام ، قال : حدثنا سفيان ، عن الأعمش ، عن إبراهيم ، عن عبيدة ، عن عبد الله بن مسعود ، قال : قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم : " اقرأ علي " فقلت : يا رسول الله ، أقرأ عليك وعليك أنزل ، قال : " إني أحب أن أسمعه من غيري " ، فقرأت سورة النساء ، حتى بلغت وجئنا بك على هؤلاء شهيدا سورة النساء آية 41 ، قال : فرأيت عيني رسول الله تهملان .

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, আমাকে কুরআন পাঠ করে শুনাও। আমি বললাম, আমি আপনাকে পাঠ করে শুনাব, যা আপনার উপর নাযিল হয়েছে! তিনি বললেন, আমি তা অপরের কাছ থেকে শুনতে পছন্দ করি। ফলে আমি সূরা নিসা পাঠ করতে শুরু করলাম। অতঃপর যখন আমি এ আয়াত পর্যন্ত পৌছলাম- وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاءِ شَهِيدًا অর্থাৎ আপনাকে ডাকব তাদের উপর সাক্ষীরূপে।[১] তখন আমি দেখতে পেলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চক্ষুদ্বয় হতে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে।[2]


শামায়েলে তিরমিযি > রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদাতে গেলেও ক্ৰন্দন করতেন

শামায়েলে তিরমিযি ২৪৯

حدثنا قتيبة ، قال : حدثنا جرير ، عن عطاء بن السائب ، عن أبيه ، عن عبد الله بن عمرو ، قال : انكسفت الشمس يوما على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم , فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي ، حتى لم يكد يركع ثم ركع ، فلم يكد يرفع رأسه ، ثم رفع رأسه ، فلم يكد أن يسجد ، ثم سجد فلم يكد أن يرفع رأسه ، ثم رفع رأسه ، فلم يكد أن يسجد ، ثم سجد فلم يكد أن يرفع رأسه ، فجعل ينفخ ويبكي ، ويقول : " رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وأنا فيهم ؟ رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وهم يستغفرون ؟ ونحن نستغفرك " . فلما صلى ركعتين انجلت الشمس ، فقام فحمد الله تعالى , وأثنى عليه ، ثم قال : " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته ، فإذا انكسفا , فافزعوا إلى ذكر الله تعالى " .

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে একবার সূর্য গ্রহণ হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সালাতে দণ্ডায়মান হন। এতে তিনি এত বিলম্ব করলেন যে, মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর রুকূতে যাবেন না। যখন রুকূতে গেলেন, তখন মনে হচ্ছিল, তিনি যেন আর মাথা তুলবেন না। তারপর যখন মাথা উঠালেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর সিজদায় যাবেন না। তারপর তিনি যখন সিজদায় গেলেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর মাথা উঠাবেন না। তারপর যখন মাথা উঠালেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর সিজদায় যাবেন না। তারপর যখন সিজদায় গেলেন। তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর মাথা উঠবেন না। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলেন আর ক্ৰন্দন করছিলেন এবং দুআ পাঠ করছিলেন যে, হে আমার রব! তুমি কি এ মর্মে প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, আমার উপস্থিতিতে আমার উম্মতকে শাস্তি দেবে না? আমরা তোমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি। রাসূলুল্লাহ যখন ২ রাক’আত সালাত শেষ করলেন, তখন সূর্যও বের হয়ে আসল। অতঃপর তিনি কিছু বলার জন্য দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর হামদ ও ছানার পর বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দুটি নিদর্শন। কারো জন্ম বা মৃত্যুর সঙ্গে চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের কোন সম্পর্ক নেই। যখন চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ হয়, তখন তোমরা আল্লাহর যিকর-এ লিপ্ত হও।[১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية