রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর রোযা - শামায়েলে তিরমিযি | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

শামায়েলে তিরমিযি > রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর রোযা

শামায়েলে তিরমিযি ২২৪

حدثنا قتيبة بن سعيد ، قال : حدثنا حماد بن زيد ، عن أيوب ، عن عبد الله بن شقيق ، قال : سألت عائشة ، عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم ، قالت : " كان يصوم حتى نقول قد صام ، ويفطر حتى نقول قد أفطر " . قالت : " وما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم , شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا رمضان " .

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তাতে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ক্রমাগত) রোযা রাখতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি বুঝি অনবরত রোযা রেখেই যাবেন। আর যখন ইফতার করতেন, তখন আমরা বলতাম, তিনি হয়তো আর রোযা রাখবেন না। আয়েশা (রাঃ) বলেন, মদিনায় হিজরতের পর রমযান মাস ছাড়া আর কোন সময় তিনি পূর্ণ মাস রোযা রাখতেন না।[১]


শামায়েলে তিরমিযি ২২৫

حدثنا علي بن حجر ، قال : حدثنا إسماعيل بن جعفر ، عن حميد ، عن أنس بن مالك ، أنه سئل عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم ، فقال : " كان يصوم من الشهر حتى نرى أن لا يريد أن يفطر منه ، ويفطر منه حتى نرى أن لا يريد أن يصوم منه شيئا . وكنت لا تشاء أن تراه من الليل مصليا إلا رأيته مصليا ، ولا نائما إلا رأيته نائما " .

আনাস (রাঃ) কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মাসে এমনভাবে রোযা রাখতেন যে, আমরা মনে করতাম- তিনি হয়তো এ মাসে আর রোযা ছাড়বেন না। আবার অনেক সময় এমনভাবে রোযা ছেড়ে দিতেন যে, আমরা মনে করতাম— তিনি আর রোযা রাখবেন না। অবস্থা এমন ছিল যে, তুমি যদি তাঁকে সালাতরত অবস্থায় দেখতে চাইতে, তবে তাঁকে সালাতরত অবস্থায়-ই দেখতে পেতে। আর যদি নিদ্রিত অবস্থায় দেখতে চাইতে, তবে তাঁকে নিদ্রিত অবস্থায়-ই দেখতে পেতে।[১]


শামায়েলে তিরমিযি ২২৬

حدثنا محمود بن غيلان ، قال : حدثنا أبو داود ، قال : حدثنا شعبة ، عن أبي بشر ، قال : سمعت سعيد بن جبير ، عن ابن عباس ، قال : " كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول ما يريد أن يفطر منه ، ويفطر حتى نقول ما يريد أن يصوم منه ، وما صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا رمضان " .

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো এমনভাবে রোযা রাখতেন যে, আমরা বলতাম, এ মাসে হয়তো তিনি আর রোযা ভাঙ্গবেন না। যখন রোযা ছেড়ে দিতেন, তখন (তাঁর অবস্থা দেখে) আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর রোযা রাখবেন না। মদিনায় হিজরতের পর রমযান মাস ছাড়া তিনি আর কখনো পূর্ণ মাস রোযা রাখেননি।[১]


শামায়েলে তিরমিযি ২২৭

حدثنا محمد بن بشار ، قال : حدثنا عبد الرحمن بن مهدي ، عن سفيان ، عن منصور ، عن سالم بن أبي الجعد ، عن أبي سلمة ، عن أم سلمة ، قالت : " ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرين متتابعين إلا شعبان ورمضان " .

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রমযান ও শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে একাধিক্রমে রোযা রাখতে দেখিনি।[১]


শামায়েলে তিরমিযি ২২৮

حدثنا هناد ، قال : حدثنا عبدة ، عن محمد بن عمرو ، قال : حدثنا أبو سلمة ، عن عائشة ، قالت : " لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم , يصوم في شهر أكثر من صيامه لله في شعبان ، كان يصوم شعبان إلا قليلا , بل كان يصومه كله " .

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে শাবান মাস ছাড়া আর কোন মাসে এত অধিক রোযা রাখতে দেখিনি। তিনি শাবান মাসের অধিকাংশ দিনই রোযা রাখতেন। বরং প্রায় সারা মাসই তাঁর রোযা অবস্থায় কাটত।[১]


শামায়েলে তিরমিযি > রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি মাসে ৩টি করে রোযা রাখতেন

শামায়েলে তিরমিযি ২২৯

حدثنا القاسم بن دينار الكوفي ، قال : حدثنا عبيد الله بن موسى ، وطلق بن غنام ، عن شيبان ، عن عاصم ، عن زر بن حبيش ، عن عبد الله ، قال : " كان رسول الله صلى الله عليه وسلم , يصوم من غرة كل شهر ثلاثة أيام , وقلما كان يفطر يوم الجمعة " .

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি মাসের প্রথমদিকে তিনটি করে রোযা রাখতেন। জুমু’আর দিন খুব কমই ইফতার করতেন।[১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية