মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২৬২৩
عن قدامة بن عبد اللٰه بن عمار قال: رأيت النبى ﷺ يرمى الجمرة يوم النحر علٰى ناقة صهباء ليس ضرب ولا طرد وليس قيل: إليك إليك. رواه الشافعى والترمذى والنسائى وابن ماجه والدارمى
তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুরবানীর দিন একটি লাল-সাদা মিশ্রিত রংয়ের উষ্ট্রীর উপর চড়ে জামারায় পাথর মারতে দেখেছি। সেখানে কাউকে আঘাত করা ব্যতীত, হাঁকানো ব্যতীত এবং ‘সরে যাও সরে যাও’ শব্দ ব্যতীত (পাথর মেরেছেন)। (শাফি‘ঈ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২৬২৪
وعن عائشة عن النبى ﷺ قال: «إنما جعل رمى الجمار والسعى بين الصفا والمروة لإقامة ذكر اللٰه». رواه الترمذى والدارمى وقال الترمذى: هٰذا حديث حسن صحيح
তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ (জামারায়) পাথর মারা ও সাফা মারওয়ার মধ্যে সা‘ঈ করা আল্লাহ যিকির কায়িম করার জন্যই প্রবর্তিত হয়েছে। (তিরমিযী ও দারিমী; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২৬২৫
وعنها قالت: قلنا: يا رسول اللٰه ألا نبني لك بناء يظلك بمنى؟ قال: لا منى مناخ من سبق. رواه الترمذى وابن ماجه والدارمى
তিনি বলেন, আমরা (সাহাবীগণ) অনুনয় করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি আপনার জন্য মিনায় একটি বাড়ী তৈরি করে দেবো, যা সবসময় আপনাকে ছায়াদান করবে? জবাবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। মিনায় সে ব্যক্তিই তাঁবু খাটাবে যে প্রথমে সেখানে আসবে। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২৬২৬
عن نافع قال: إن ابن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر اللٰه ويسبحه ويحمده ويدعو اللٰه ولا يقف عند جمرة العقبة. رواه مالك
তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) প্রথম দুই জামারায় দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন এবং আল্লা-হু আকবার, সুবহা-নাল্ল-হ ও আল হাম্দুলিল্লা-হ (অর্থাৎ- আল্লাহর মহিমা, পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করতেন) বলতেন এবং দু‘আ করতেন। কিন্তু জামারাতুল ‘আক্বাবার নিকট অবস্থান করতেন না। (মালিক)[১]