দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৪

عن المهاجر المكى قال: سئل جابر عن الرجل يرى البيت يرفع يديه فقال قد حججنا مع النبى ﷺ فلم نكن نفعله. رواه الترمذى وأبو داود

তিনি বলেন, একবার জাবির -কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহকে দেখে (দু‘আ পাঠের সময়) নিজের দুই হাত উঠাবে। জবাবে জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ্জ করেছি, কিন্তু কক্ষনো আমরা এরূপ করিনি। (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৫

وعن أبى هريرة قال: أقبل رسول اللٰه ﷺ فدخل مكة فأقبل إلى الحجر فاستلمه ثم طاف بالبيت ثم أتى الصفا فعلاه حتٰى ينظر إلى البيت فرفع يديه فجعل يذكر اللٰه ما شاء ويدعو. رواه أبو داود

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাহ্ হতে (হজ্জ/হজ ও ‘উমরা পালনের জন্য) মাক্কায় প্রবেশ করে হাজারে আসওয়াদের দিকে অগ্রসর হলেন, একে চুমু খেলেন। তারপর বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলেন, এরপর সাফা পাহাড়ের দিকে এলেন এবং এর উপর উঠলেন যাতে বায়তুল্লাহ দেখতে পান। তারপর দু’ হাত উঠালেন এবং উদারমনে আল্লাহর যিকির ও দু‘আ করতে লাগলেন। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৬

وعن ابن عباس أن النبى ﷺ قال: «الطواف حول البيت مثل الصلاة إلا أنكم تتكلمون فيه فمن تكلم فيه فلا يتكلمن إلا بخير». رواه الترمذى والنسائى والدارمى وذكر الترمذى جماعة وقفوه على ابن عباس

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বায়তুল্লাহর চারদিকে তাওয়াফ করা সলাতেরই মতো, তবে এতে তোমরা কথা বলতে পারো। তাই তাওয়াফের সময় ভালো কথা ব্যতীত আর কিছু বলবে না। (তিরমিযী, নাসায়ী ও দারিমী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৭

وعنه قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بنى اٰدم». رواه أحمد والترمذى وقال: هٰذا حديث حسن صحيح

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাজারে আসাওয়াদ যখন জান্নাত হতে নাযিল হয়, তখন তা দুধের চেয়েও বেশি সাদা ছিল। অতঃপর আদাম সন্তানের গুনাহ একে কালো করে দেয়। [আহমাদ ও তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।][১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৮

وعنه قال: قال رسول اللٰه ﷺ فى الحجر: واللٰه ليبعثنه اللٰه يوم القيامة له عينان يبصر بهما ولسان ينطق به يشهد علٰى من استلمه بحق. رواه الترمذى وابن ماجه والدارمى

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজারে আসওয়াদ সম্পর্কে বলেছেন, আল্লাহর কসম! ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ এটিকে উঠাবেন, তখন এর দু’টি চোখ থাকবে যা দিয়ে সে দেখতে পাবে। তার একটি জিহবা থাকবে ও এই জিহবা দিয়ে সে কথা বলবে এবং যে তাকে ঈমানের সাথে চুমু দিয়েছে তার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে । (তিরমিযী, ইনু মাজাহ ও দারিমী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৯

وعن ابن عمر قال: سمعت رسول اللٰه ﷺ يقول: «إن الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس اللٰه نورهما ولو لم يطمس نورهما لأضاءا ما بين المشرق والمغرب». رواه الترمذى

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, হাজারে আসওয়াদ ও মাকামে ইব্রাহীম জান্নাতের ইয়াকূতসমূহের মধ্যে দু’টি ইয়াকূত। আল্লাহ এদের নূর (আলো) দূর করে দিয়েছেন। যদিও এ দু’টির নূর (আলো) আল্লাহ তা‘আলা দূর করে না দিতেন। তবে এরা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তের মধ্যে যা আছে তাকে আলোকময় করে দিতো। (তিরমিযী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮০

وعن عبيد بن عمير: أن ابن عمر كان يزاحم على الركنين زحاما ما رأيت أحدا من أصحاب رسول اللٰه ﷺ يزاحم عليه قال: إن أفعل فإنى سمعت رسول اللٰه ﷺ يقول: إن مسحهما كفارة للخطايا وسمعته يقول: من طاف بهٰذا البيت أسبوعا فأحصاه كان كعتق رقبة. وسمعته يقول: لا يضع قدما ولا يرفع أخرٰى إلا حط اللٰه عنه بها خطيئة وكتب له بها حسنة. رواه الترمذى

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) দু’ রুকনের (হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর) কাছে যেভাবে ভীড় করতেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের আর কাউকে এমনভাবে (প্রতিযোগিতামূলকভাবে) ভীড় করতে দেখিনি। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি যদি এরূপ করি (তাতে দোষের কোন বিষয় নয়), কেননা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয়ই এদের স্পর্শ করা গুনাহের কাফফারাহ্। আমি তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে) আরো বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর চারদিকে সাতবার তাওয়াফ করবে ও তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করবে, তবে তা তার জন্য গোলাম মুক্ত করে দেবার সমতুল্য হবে। এটা ছাড়াও তাঁকে (ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে) বলতে শুনেছি, কোন লোক এতে এক পা ফেলে অপর পা উঠানোর আগেই বরং আল্লাহ তা‘আলা তার একটি গুনাহ মাফ করে দেন ও তার জন্যে একটি সাওয়াব নির্ধারণ করেন। (তিরমিযী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮১

وعن عبد الله بن السائب قال: سمعت رسول اللٰه ﷺ يقول ما بين الركنين: ﴿ربنا اٰتنا فى الدنيا حسنة وفى الاٰخرة حسنة وقنا عذاب النار﴾. رواه أبو داود

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’ রুকনের (হাজারে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী) মধ্যবর্তী স্থানে এ দু‘আ পড়তে শুনেছি- ‘‘রব্বানা- আ-তিনা ফিদ্‌দুন্ইয়া- হাসানাতাওঁ ওয়াফিল আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান্না-র’’ (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান কর এবং জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা কর।)। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮২

وعن صفية بنت شيبة قالت: أخبرتنى بنت أبى تجراة قالت: دخلت مع نسوة من قريش دار اٰل أبى حسين ننظر إلٰى رسول اللٰه ﷺ وهو يسعٰى بين الصفا والمروة فرأيته يسعٰى وإن مئزره ليدور من شدة السعى وسمعته يقول: اسعوا فإن اللٰه كتب عليكم السعى. رواه فى شرح السنة ورواه أحمد مع اختلاف

তিনি বলেন, আবূ তুজরাহ্-এর মেয়ে আমাকে বলেছেন, আমি কুরায়শ গোত্রের কিছু মহিলার সাথে আবূ হুসায়ন পরিবারের একটি ঘরে প্রবেশ করলাম যাতে আমরা সাফা মারওয়ার সা‘ঈর সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখতে পাই। তখন আমি তাঁকে সা‘ঈ করতে দেখলাম, জোরে জোরে পা ফেলার কারণে তাঁর চাঁদর এদিকে-সেদিকে দুলছিল। আর তখন আমি তাঁকে এ কথাও বলতে শুনেছি, ‘‘তোমরা সা‘ঈ করো’’। কেননা সা‘ঈ করা আল্লাহ তোমাদের জন্য লিপিবদ্ধ (নির্ধারণ) করেছেন। (বাগাবীর শারহুস্ সুন্নাহ এবং আহমাদ কিছু ভিন্নতার সাথে)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৩

وعن قدامة بن عبد اللٰه بن عمار قال: رأيت رسول اللٰه ﷺ يسعٰى بين الصفا والمروة علٰى بعير لا ضرب ولا طرد ولا إليك. رواه فى شرح السنة

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উটের পিঠে চড়ে সাফা মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করতে দেখেছি। কিন্তু কাউকেও মারতে বা হাঁকাতে দেখিনি এবং এমনকি আশেপাশে ‘সরো’ ‘সরো’ বলতেও শুনিনি। (শারহুস্ সুন্নাহ্)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৪

وعن يعلى بن أمية قال: إن رسول اللٰه ﷺ طاف بالبيت مضطبعا ببرد أخضر. رواه الترمذى وأبو داود وابن ماجه والدارمى

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সবুজ চাদর ইযত্বিবা হিসেবে গায়ে দিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেছেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৫

وعن ابن عباس أن رسول اللٰه ﷺ وأصحابه اعتمروا من الجعرانة فرملوا بالبيت ثلاثا وجعلوا أرديتهم تحت اٰباطهم ثم قذفوها علٰى عواتقهم اليسرٰى. رواه أبو داود

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ জি‘রানাহ্ হতে ‘উমরা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বায়তুল্লাহর তাওয়াফে তিনবার জোরে জোরে চলেছেন এবং তাঁদের চাদরসমূহ ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর রেখেছেন। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৬

عن ابن عمر قال: ما تركنا استلام هذين الركنين: اليمانى والحجر فى شدة ولا رخاء منذ رأيت رسول اللٰه ﷺ يستلمهما. (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমরা এ দু’টি কোণ তথা রুকনে ইয়ামানী ও হাজারে আসওয়াদ কষ্টে ও আরামে কোন অবস্থাতেই স্পর্শ করতে ছাড়িনি যখন থেকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ দু’ কোণ (রুকন) স্পর্শ করতে দেখেছি। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৭

وفى رواية لهما: قال نافع: رأيت ابن عمر يستلم الحجر بيده ثم قبل يده وقال: ما تركته منذ رأيت رسول اللٰه ﷺ يفعله. (متفق عليه)

নাফি‘ (রহঃ) বলেছেনঃ আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে হাজারে আসওয়াদ নিজ হাতে স্পর্শ করে হাত চুমু খেতে দেখেছি। আর তাঁকে এটা বলতে শুনেছি, যখন থেকে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এটা করতে দেখেছি, তখন থেকে এটা কক্ষনো পরিত্যাগ করিনি। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৮

وعن أم سلمة قالت: شكوت إلٰى رسول اللٰه ﷺ أنى أشتكى. فقال: «طوفى من وراء الناس وأنت راكبة» فطفت ورسول اللٰه ﷺ يصلى إلٰى جنب البيت يقرأ بـ (الطور وكتاب مسطور). (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অভিযোগ করলাম যে, আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি সওয়ার হয়ে মানুষের পেছনে পেছনে তাওয়াফ করো। তিনি [উম্মু সালামাহ (রাঃ)] বলেন, আমি তাওয়াফ করলাম। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল্লাহর পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন এবং সলাতে সূরা ‘‘ওয়াত্ তূর ওয়া কিতা-বিম্ মাসতূর’’ পড়ছিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৮৯

وعن عابس بن ربيعة قال: رأيت عمر يقبل الحجر ويقول: وإنى لأعلم أنك حجر ما تنفع ولا تضر ولولا أنى رأيت رسول اللٰه ﷺ يقبل ما قبلتك. (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে হাজারে আসওয়াদ চুমু দিতে দেখেছি এবং তাঁকে বলতে শুনেছি- আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একটি পাথর মাত্র, যা কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারো না। আমি যদি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তোমাকে চুমু দিতে না দেখতাম তবে আমি কক্ষনো তোমাকে চুমু দিতাম না। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৯০

وعن أبى هريرة أن النبى ﷺ قال: وكل به سبعون ملكا يعنى الركن اليمانى «فمن قال: اللٰهم إنى أسألك العفو والعافية فى الدنيا والاٰخرة ﴿ربنا اٰتنا فى الدنيا حسنة وفى الاٰخرة حسنة وقنا عذاب النار﴾ قالوا: اٰمين». رواه ابن ماجه

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রুকনে ইয়ামানীর সাথে সত্তরজন মালাক (ফেরেশতা) নিয়োজিত রয়েছেন। যখন কোন ব্যক্তি বলে, হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষমা ও কুশল প্রার্থনা করছি। হে রব! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান কর, আখিরাতেও কল্যাণ দান করো এবং জাহান্নামের ‘আযাব হতে রক্ষা করো। তখন সেসব মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) বলে ওঠেন, ‘আমীন’ (আল্লাহ কবূল কর)। (ইবনু মাজাহ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৯১

وعنه أن النبى ﷺ قال: من طاف بالبيت سبعا ولا يتكلم إلا بـ: سبحان اللٰه والحمد للٰه ولا إلٰه إلا اللٰه واللٰه أكبر ولا حول ولا قوة إلا باللٰه محيت عنه عشر سيئات وكتب له عشر حسنات ورفع له عشر درجات. ومن طاف فتكلم وهو فى تلك الحال خاض فى الرحمة برجليه كخائض الماء برجليه». رواه ابن ماجه

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ সাতবার তাওয়াফ করে এবং ‘‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হি ওয়ালা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার, ওয়ালা- হাওলা ওয়ালা- ক্যুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ’’ (অর্থাৎ- আল্লাহ পবিত্র, সকল প্রশংসা আল্লাহরই, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন উপাস্য নেই, আল্লাহ মহান, আল্লাহ ছাড়া কারো উপায় বা শক্তি নেই।) দু‘আটি পড়া ব্যতীত আর কোন কথা না বলে তার দশটি গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়, তার (‘আমালনামায়) দশটি নেকী লিপিবদ্ধ করা হয় এবং তার দশটি মর্যাদাও বৃদ্ধি করা হয়। আর যে ব্যক্তি তাওয়াফ করা অবস্থায় কথাবার্তা বলবে সে আল্লাহ তা‘আলার রহমাতে তার পা দিয়ে ঢেউ উঠিয়েছে যেমন কোন ব্যক্তি নিজের পা দিয়ে পানিতে ঢেউ উঠিয়ে থাকে। (ইবনু মাজাহ)[১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية