তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৫৯

عن عطاء قال: سمعت جابر بن عبد اللٰه فى ناس معى قال: أهللنا أصحاب محمد بالحج خالصا وحده قال عطاء: قال جابر: فقدم النبى ﷺ صبح رابعة مضت من ذى الحجة فأمرنا أن نحل قال عطاء: قال: حلوا وأصيبوا النساء. قال عطاء: ولم يعزم عليهم ولكن أحلهن لهم فقلنا لما لم يكن بيننا وبين عرفة إلا خمس أمرنا أن نفضى إلٰى نسائنا فنأتى عرفة تقطر مذاكيرنا المنى. قال : يقول جابر بيده، كأني أنظر إلٰى قوله بيده يحركها. قال: فقام النبي - ﷺ- فينا، فقال: «قد علمتم أنى أتقاكم للٰه وأصدقكم وأبركم ولولا هديي لحللت كما تحلون ولو استقبلت من أمرى ما استدبرت لم أسق الهدى فحلوا» فحللنا وسمعنا وأطعنا قال عطاء: قال جابر: فقدم على من سعايته فقال: بم أهللت؟ قال بما أهل به النبى ﷺ فقال له رسول اللٰه ﷺ: «فأهد وامكث حراما» قال: وأهدٰى له على هديا فقال سراقة بن مالك بن جعشم: يا رسول اللٰه ألعامنا هٰذا أم لأبد؟ قال: لأبد. رواه مسلم

তিনি বলেন, আমি এবং আমার সাথে কতিপয় লোকের মধ্যে জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘‘আমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ কেবলমাত্র হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলাম।’’ ‘আত্বা বলেন, জাবির (রাঃ) বলেছেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজের চার তারিখ পার হবার পর সকালে মাক্কায় আসলেন এবং আমাদেরকে ইহরাম ছেড়ে হালাল হতে নির্দেশ দিলেন। ‘আত্বা জাবিরের মাধ্যমে বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (এ কথাও) বলেছেন, ‘‘তোমরা হালাল হও এবং স্বীয় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করো’’। ‘আত্বা আরো বলেন, এতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে বাধ্য করলেন না; বরং স্ত্রীদেরকে তাদের জন্য হালাল করে দিলেন। (জাবির বলেন,) তখন আমরা পরস্পর বলাবলি করতে লাগলাম, আমাদের ও ‘আরাফাতে উপস্থিত হবার মধ্যে যখন মাত্র পাঁচদিন বাকী, এমন সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে স্ত্রীর সাথে মিলতে অনুমতি দিলেন, তবে কি আমরা ‘আরাফাতে উপস্থিত হবো আর আমাদের লিঙ্গ থেকে শুক্র ঝরতে থাকবে? ‘আত্বা বলেন, তখন জাবির (রাঃ) নিজের হাত নেড়ে ইশারা করলেন, আমি যেন তাঁর হাত নাড়ার ইঙ্গিত এখনো দেখছি। জাবির (রাঃ) বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন (ভাষণ দানের উদ্দেশে) আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং বললেন, ‘‘তোমরা জানো যে, আমি তোমাদের অপেক্ষা আল্লাহকে বেশি ভয় করি, তোমাদের অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী এবং তোমাদের অপেক্ষা অধিক পুণ্যবান। আমি যদি কুরবানীর পশু সাথে না আনতাম, আমিও তোমাদের ন্যায় ইহরাম ভেঙ্গে হালাল হয়ে যেতাম। আর আমি যদি আমার ব্যাপারে পূর্বে বুঝতে পারতাম, যা আমি পরে বুঝেছি, তাহলে আমি কক্ষনো কুরবানীর পশু সাথে নিয়ে আসতাম না। সুতরাং তোমরা (ইহরাম ভেঙ্গে) হালাল হয়ে যাও।’’ তাই আমরা হালাল হয়ে গেলাম এবং তাঁর কথা শুনলাম ও তাঁর কথামোতো কাজ করলাম। ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন, এ সময় ‘আলী (রাঃ) তাঁর কর্মস্থল হতে আসলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কিসের ইহরাম বেঁধেছো। ‘আলী (রাঃ) বললেন, ‘‘আমি ইহরাম বেঁধেছি, যার জন্যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম বেঁধেছেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তবে তুমি কুরবানী কর এবং ইহরাম অবস্থায় থাক। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আলী (রাঃ) তার সাথে কুরবানীর পশু সাথে নিয়ে এসেছিলেন। (জাবির (রাঃ) বলেন) এ সময় সুরাক্বাহ্ ইবনু মালিক ইবনু জু‘শুম দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (হজের সাথে ‘উমরা করা কি) আমাদের শুধু এ বছরের জন্য, নাকি চিরকালের জন্যে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, চিরকালের জন্য। (মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬০

وعن عائشة رضي اللٰه عنها أنها قالت: قدم رسول اللٰه ﷺ لأربع مضين من ذى الحجة أو خمس فدخل على وهو غضبان فقلت: من أغضبك يا رسول اللٰه أدخله اللٰه النار. قال: أو ما شعرت أنى أمرت الناس بأمر فإذا هم يترددون ولو أنى استقبلت من أمرى ما استدبرت ما سقت الهدى معى حتٰى اشتريه ثم أحل كما حلوا. رواه مسلم

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজ্জ মাসের চার বা পাঁচ তারিখে আমার কাছে রাগান্বিত অবস্থায় আসলেন। এ সময় আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লার রসূল! কে আপনাকে রাগান্বিত করলো? আল্লাহ তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করুন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি জান না, আমি (কিছু) লোকদেরকে একটা বিষয়ে আদেশ করেছি? আর তারা এ ব্যাপারে দ্বিধাবোধ করছে। যদি আমি আমার ব্যাপারে প্রথমে বুঝতে পারতাম যা পরে বুঝেছি, তাহলে কক্ষনো আমি কুরবানীর পশু সাথে করে নিয়ে আসতাম না; বরং পরে তা কিনে নিতাম। অতঃপর আমিও তাদের ন্যায় হালাল হয়ে যেতাম। (মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬১

عن نافع قال: إن ابن عمر كان لا يقدم مكة إلا بات بذى طوى حتٰى يصبح ويغتسل ويصلى فيدخل مكة نهارا وإذا نفر منها مر بذى طوى وبات بها حتٰى يصبح ويذكر أن النبى ﷺ كان يفعل ذٰلك. (متفق عليه)

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) যখনই মাক্কায় আসতেন ‘যী তুওয়া’ নামক স্থানে সকাল না হওয়া পর্যন্ত রাত যাপন করতেন। এরপর তিনি গোসল করতেন এবং (নফল) সালাত আদায় করতেন। তারপর দিনের বেলায় মাক্কায় প্রবেশ করতেন যখন তিনি মক্কা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন আর তখন ‘যী তুওয়া’র পথেই ফিরতেন এবং সেখানে রাত কাটাতেন যতক্ষণ না সকাল হতো এবং তিনি আরো বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করতেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬২

وعن عائشة رضي اللٰه عنها قالت: إن النبى ﷺ لما جاء إلٰى مكة دخلها من أعلاها وخرج من أسفلها. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাক্কায় আসতেন, উঁচু দিক হতে প্রবেশ করতেন এবং নিচু দিক দিয়ে বের হতেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৩

وعن عروة بن الزبير قال: قد حج النبى ﷺ فأخبرتنى عائشة أن أول شىء بدأ به حين قدم مكة أنه توضأ ثم طاف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم حج أبو بكر فكان أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم تكن عمرة ثم عمر ثم عثمان مثل ذٰلك. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ করলেন, (আমার খালা) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাক্কায় প্রবেশ করে প্রথমে উযূ করলেন। অতঃপর বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করলেন। তবে তা ‘উমরায় পরিণত করলেন না (অর্থাৎ- ইহরাম খুললেন না)। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) হজ্জ করেছেন, তিনিও প্রথমে যে কাজ করেছেন তা হলো বায়তুল্লাহর তাওয়াফ। তিনি এ তাওয়াফকে ‘উমরায় পরিণত করেননি। অতঃপর ‘উমার, তারপর ‘উসমান (রাঃ) এই একইভাবে হজ্জ সম্পাদন করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৪

وعن ابن عمر رضي اللٰه عنهما قال: كان رسول اللٰه ﷺ إذا طاف فى الحج أو العمرة ما يقدم سعٰى ثلاثة أطواف ومشٰى أربعة ثم سجد سجدتين ثم يطوف بين الصفا والمروة. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ বা ‘উমরা করতে এসে প্রথমে যখন তাওয়াফ করতেন তিন পাক জোরে পদক্ষেপ করতেন, আর চার পাক স্বাভাবিকভাবে চলতেন। তারপর (মাকামে ইবরাহীমের কাছে) দু’ রাক্‘আত (তাওয়াফের) সালাত আদায় করতেন এবং সাফা মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করতেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৫

وعنه قال: رمل رسول اللٰه ﷺ من الحجر ثلاثا ومشٰى أربعا وكان يسعٰى ببطن المسيل إذا طاف بين الصفا والمروة. رواه مسلم

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজারে আসওয়াদ থেকে শুরু করে আবার হাজারে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন পাক রমল (দ্রুতবেগে) তাওয়াফ করেছেন এবং চার পাক স্বাভাবিকভাবে করেছেন। এভাবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সাফা মারওয়ার মাঝেও সা‘ঈ করতেন তখন বাত্বনিল মাসীলে মাঝখানে (নিচু জায়গায়) দ্রুতবেগে চলতেন। (মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৬

وعن جابر قال: إن رسول اللٰه ﷺ لما قدم مكة أتى الحجر فاستلمه ثم مشٰى علٰى يمينه فرمل ثلاثا ومشٰى أربعا. رواه مسلم

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কায় এলেন, হাজারে আসওয়াদের নিকট গেলেন এবং একে স্পর্শ করলেন। তারপর এর ডানদিকে ঘুরে তিন চক্কর রমল (কা‘বাকে বামে রেখে) করলেন আর চার চক্কর স্বাভাবিকভাবে হেঁটে তাওয়াফ করলেন। (মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৭

وعن الزبير بن عربى قال: سأل رجل ابن عمر عن استلام الحجر فقال: رأيت رسول اللٰه ﷺ يستلمه ويقبله. رواه البخارى

তিনি বলেন, একবার এক ব্যক্তি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে হাজারে আসওয়াদে ‘চুমু দেয়া’ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলো। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) জবাবে বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা স্পর্শ করতে ও চুমু দিতে দেখেছি। (বুখারী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৮

وعن ابن عمر قال: لم أر النبى ﷺ يستلم من البيت إلا الركنين اليمانيين. (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তু্ল্লাহর ইয়ামানী দিকের দুই কোণ ছাড়া অন্য কোন কোণকে স্পর্শ করতে দেখিনি। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৬৯

وعن ابن عباس قال: طاف النبى ﷺ فى حجة الوداع علٰى بعير يستلم الركن بمحجن. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজে উটের উপর থেকে তাওয়াফ করেছেন, মাথা বাঁকা লাঠি দিয়ে হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭০

وعنه أن رسول اللٰه ﷺ طاف بالبيت علٰى بعير كلما أتٰى على الركن أشار إليه بشىء فى يده وكبر. رواه البخارى

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের উপর সওয়ার অবস্থায় বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেছেন। হাজারে আসওয়াদের কাছে পৌঁছেই নিজের হাতের কোন জিনিস (লাঠি) দিয়ে ইশারা করতেন এবং (আল্লা-হু আকবার) তাকবীর দিয়েছেন। (বুখারী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭১

وعن أبى الطفيل قال: رأيت رسول اللٰه ﷺ يطوف بالبيت ويستلم الركن بمحجن معه ويقبل المحجن. رواه مسلم

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার সময় তাঁর হাতের বাঁকা লাঠি দিয়ে হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করতে এবং বাঁকা লাঠিকে চুমু দিতে দেখেছি। (মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭২

وعن عائشة قالت: خرجنا مع النبى ﷺ لا نذكر إلا الحج فلما كنا بسرف طمثت فدخل النبى ﷺ وأنا أبكى فقال: «لعلك نفست؟» قلت: نعم قال: «فإن ذٰلك شىء كتبه اللٰه علٰى بنات اٰدم فافعلى ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفى بالبيت حتٰى تطهرى». (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে (হজের উদ্দেশে) রওনা হলাম। তখন আমরা হজ্জ ছাড়া অন্য কিছুর (‘উমরার) তালবিয়াহ্ পড়তাম না। আমরা ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছলে আমার ঋতুস্রাব শুরু হয়ে গেলো। এমন সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসলেন। আমি হজ্জ করতে পারবো না বিধায় কাঁদছিলাম। (কাঁদতে দেখে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, মনে হয় তোমার ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। আমি বললাম, হ্যাঁ! তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা এমন বিষয় যা আল্লাহ তা‘আলা আদাম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন। তাই হাজীগণ যা করে তুমিও তা করতে থাকো, তবে পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তুমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ থেকে বিরত থাকো। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২৫৭৩

وعن أبى هريرة قال: بعثنى أبو بكر فى الحجة التى أمره النبى ﷺ عليها قبل حجة الوداع يوم النحر فى رهط أمره أن يؤذن فى الناس: ألا لا يحج بعد العام مشرك ولا يطوفن بالبيت عريان. (متفق عليه)

তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের (এক বছর) আগে যে হজে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর (রাঃ)-কে হজ্জের আমির বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন, সে হজে আবূ বাকর কুরবানীর দিনে আরো কিছু লোকসহ আমাকে লোকদের মাঝে ঘোষণা দিতে আদেশ করে পাঠালেন- সাবধান! এ বছরের পর আর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহর হজ্জ করতে পারবে না এবং কেউ কক্ষনো উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারবে না। (বুখারী ও মুসলিম)[১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية