মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৩৭
وعن ابن مسعود قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «سلوا اللٰه من فضله فإن اللٰه يحب أن يسأل وأفضل العبادة انتظار الفرج». رواه الترمذى وقال هٰذا حديث غريب
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ কামনা করো। কেননা আল্লাহ তাঁর কাছে প্রার্থনা করাকে পছন্দ করেন। আর ‘ইবাদাতের (দু‘আর) সর্বোত্তম দিক হলো স্বচ্ছলতার অপেক্ষা করা। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৩৮
وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من لم يسأل اللٰه يغضب عليه». رواه الترمذى
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কামনা (দু‘আ) করে না, আল্লাহ তার ওপর রাগান্বিত হন। (তিরমিযী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৩৯
وعن ابن عمر رضي اللٰه عنهما قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من فتح لهٗ منكم باب الدعاء فتحت لهٗ أبواب الرحمة وما سئل اللٰه شيئا يعنى أحب إليه من أن يسأل العافية». رواه الترمذى
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যার জন্য দু‘আর দরজা খোলা, তার জন্য রহমতের দরজাও খোলা। আর আল্লাহর নিকট কুশল ও নিরাপত্তা কামনা করা ব্যতীত আর কোন কিছু কামনা করা এত প্রিয় নয়। (তিরমিযী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪০
وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من سرهٗ أن يستجيب اللٰه لهٗ عند الشدائد فليكثر الدعاء فى الرخاء». رواه الترمذى وقال: هٰذا حديث غريب
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চায় বিপদাপদে আল্লাহ তার দু‘আ কবূল করুন। সে যেন তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়েও আল্লাহর নিকট বেশি বেশি দু‘আ করে। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪১
وعنه قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «ادعوا اللٰه وأنتم موقنون بالإجابة واعلموا أن اللٰه لا يستجيب دعاء من قلب غافل لاه». رواه الترمذى وقال: هٰذا حديث غريب
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা দু‘আ কবূল হওয়ার দৃঢ়তা ও নিশ্চয়তা মনে রেখেই আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আ কর। জেনে রেখ, আল্লাহ তা‘আলা অবহেলাকারী আস্থাহীন মনের দু‘আ কবূল করেন না। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪২
وعن مالك بن يسار قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «إذا سألتم اللٰه فاسألوه ببطون أكفكم ولا تسألوه بظهورها
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে, তখন হাতের ভিতরের (তালুর) দিক দিয়ে দু‘আ করবে, হাতের উপরের দিক (পিছন দিক) দিয়ে দু‘আ করবে না।[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৩
وفى رواية ابن عباس قال: سلوا اللٰه ببطون أكفكم ولا تسألوه بظهورها فإذا فرغتم فامسحوا بها وجوهكم. رواه داود
তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কাছে হাতের তালুর দিক দিয়ে দু‘আ করো, হাতের পিছনের দিক দিয়ে করো না। আর দু‘আ শেষ হবার পর হাতকে মুখম-লের সাথে মুছে নিবে। (আবূ দাঊদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৪
وعن سلمان قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «إن ربكم حيي كريم يستحيى من عبده إذا رفع يديه إليه أن يردهما صفرا». رواه الترمذى وأبو داود والبيهقى فى الدعوات الكبير
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রতিপালক অত্যন্ত লজ্জাশীল ও দয়ালু। বান্দা যখন তাঁর কাছে কিছু চেয়ে হাত উঠায় তখন তার হাত (দু‘আ কবূল না করে) খালি ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, বায়হাক্বী- দা‘ওয়াতুল কাবীর)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৫
وعن عمر قال: كان رسول اللٰه ﷺ إذا رفع يديه فى الدعاء لم يحطهما حتٰى يمسح بهما وجهه. رواه الترمذى
বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আর জন্য হাত উঠাতেন, (দু‘আ শেষে) হাত দিয়ে তিনি নিজের মুখমন্ডল মুছে নেয়া ছাড়া হাত নামাতেন না। (তিরমিযী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৬
وعن عائشة رضي اللٰه عنها قالت: كان رسول اللٰه ﷺ يستحب الجوامع من الدعاء ويدع ما سوٰى ذٰلك. رواه أبو داود
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিপূর্ণ (ব্যাপক অর্থবোধক দুনিয়া এবং আখিরাতকে শামিল করে) দু‘আ করাকে পছন্দ করতেন এবং এছাড়া অন্য দু‘আ অধিকাংশ সময় পরিহার করতেন। (আবূ দাঊদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৭
وعن عبد اللٰه بن عمرو قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «إن أسرع الدعاء إجابة دعوة غائب لغائب». رواه الترمذى وأبو داود
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অনুপস্থিত লোকের জন্য অনুপস্থিত লোকের দু‘আ খুব তাড়াতাড়ি কবূল হয়। (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৮
وعن عمر بن الخطاب قال استأذنت النبى ﷺ فى العمرة فأذن لى وقال: «أشركنا يا أخى فى دعائك ولا تنسنا». فقال كلمة ما يسرنى أن لى بها الدنيا. رواه أبو داود والترمذى وانتهت روايته عند قوله «ولا تنسنا
তিনি বলেন, একবার আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ‘উমরাহ্ করার অনুমতি চাইলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে ‘উমরার জন্য অনুমতি দিলেন এবং বললেন, হে আমার ছোট ভাই! তোমার দু‘আয় আমাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করো এবং আমাদেরকে ভুলে যেও না। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এমন একটি কথা বললেন, যার বিনিময়ে আমাকে সারা দুনিয়া দিয়ে দেয়া হয়, তবুও আমি এত খুশি হতাম না। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী; কিন্তু তিরমিযীতে ‘আমাকে ভুলে যেও না’ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৪৯
وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «ثلاثة لا ترد دعوتهم: الصائم حين يفطر والإمام العادل ودعوة المظلوم يرفعها اللٰه فوق الغمام وتفتح لها أبواب السماء ويقول الرب: وعزتى لأنصرنك ولو بعد حين». رواه الترمذى
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন লোকের দু‘আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (১) সায়িমের (রোযাদারের) দু‘আ- যখন সে ইফতার করে, (২) ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু‘আ এবং (৩) মাযলূমের বা অত্যাচারিতের দু‘আ। অত্যাচারিতের দু‘আকে আল্লাহ তা‘আলা মেঘমালার উপর উঠিয়ে নেন এবং তার জন্য আকাশের দরজা খুলে দেয়া হয়। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার ইজ্জতের কসম! নিশ্চয়ই আমি তোমায় সাহায্য করব কিছু সময় দেরি হলেও। (তিরমিযী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫০
وعنه قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «ثلاث دعوات مستجابات لا شك فيهن: دعوة الوالد ودعوة المسافر ودعوة المظلوم». رواه الترمذى وأبو داود وابن ماجه
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিঃসন্দেহে তিন লোকের দু‘আ কবূল হয়। (১) পিতার দু‘আ, (২) মুসাফিরের দু‘আ এবং (৩) মাযলূমের (পীড়িতের) দু‘আ। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫১
عن أنس قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «ليسأل أحدكم ربه حاجته كلها حتٰى يسأله شسع نعله إذا انقطع
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেই যেন স্বীয় প্রতিপালকের কাছে তার সকল প্রয়োজনের ব্যাপারে প্রার্থনা করে। এমনকি যখন তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে যায়, সে সময়ও যেন তাঁর কাছে চায়।[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫২
زاد فى رواية عن ثابت البنانى مرسلا «حتٰى يسأله الملح وحتٰى يسأله شسعه إذا انقطع». رواه الترمذى
এর এক মুরসাল বর্ণনায় এ অংশটুকু বেশি রয়েছে যে, তাঁর কাছে যেন লবণও প্রার্থনা করে, এমনকি নিজের জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলেও যেন তাঁর নিকট প্রার্থনা করে। (তিরমিযী)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৩
وعن أنس قال: كان رسول اللٰه ﷺ يرفع يديه فى الدعاء حتٰى يرٰى بياض إبطيه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুয়ার সময় নিজের হাত উঠাতেন এমনকি তখন তাঁর বগলের উজ্জ্বলতা প্রকাশ পেত। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৪
وعن سهل بن سعد عن النبى ﷺ قال: كان يجعل أصبعيه حذاء منكبيه ويدعو
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাতের আঙ্গুল কাঁধ সমান উঠিয়ে দু‘আ করতেন।[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৫
وعن السائب بن يزيد عن أبيه أن النبى ﷺ كان إذا دعا فرفع يديه مسح وجهه بيديه. روى البيهقى الأحاديث الثلاثة فى «الدعوات الكبير
তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত উঠিয়ে দু‘আ করার সময় হাত দিয়ে মুখমন্ডলে মাসাহ করতেন। উপরোল্লিখিত তিনটি হাদীস ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ) তাঁর ‘‘দা‘ওয়াতুল কাবীর’’-এ বর্ণনা করেছেন।[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৬
وعن عكرمة عن ابن عباس رضي اللٰه عنهما قال: المسألة أن ترفع يديك حذو منكبيك أو نحوهما والاستغفار أن تشير بأصبع واحدة والابتهال أن تمد يديك جميعا. وفى رواية قال: والابتهال هكذا ورفع يديه وجعل ظهورهما مما يلى وجهه. رواه أبو داود
তিনি বলেছেন, আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়ার নিয়ম হলো, নিজের হাত দু’টি কাঁধ পর্যন্ত অথবা কাঁধের কাছাকাছি পর্যন্ত উঠাবে। আর আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার বা ক্ষমা চাওয়ার নিয়ম হলো, নিজের (শাহাদাত) আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করবে এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার নিয়ম হলো, তোমার পুরো হাত প্রসারিত করবে। অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেছেন, প্রার্থনা করবে এভাবে- এরপর তিনি নিজের দু’হাত উপরের দিকে উঠিয়ে ধরলেন এবং হাতের তালুর দিক নিজের মুখমন্ডলে মাসাহ করলেন। (আবূ দাঊদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৭
وعن ابن عمر أنه يقول: إن رفعكم أيديكم بدعة ما زاد رسول اللٰه ﷺ علٰى هٰذا يعنى إلى الصدر. رواه أحمد
তিনি বলেন, (দু‘আর সময়) তোমাদের হাত বেশি উপরে উঠিয়ে ধরা বিদআত (বিদাত)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কক্ষনো সিনা থেকে বেশি উপরে হাত উঠাতেন না। (আহমদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৮
وعن أبى بن كعب قال: كان رسول اللٰه ﷺ إذا ذكر أحدا فدعا له بدأ بنفسه رواه الترمذى وقال هٰذا حديث حسن غريب صحيح
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো জন্য দু‘আ করার সময় প্রথমে নিজের জন্য দু‘আ করতেন। (তিরমিযী; তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব ও সহীহ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৫৯
وعن أبى سعيد الخدرى أن النبى ﷺ قال: «ما من مسلم يدعو بدعوة ليس فيها إثم ولا قطيعة رحم إلا أعطاه اللٰه بها إحدٰى ثلاث: إما أن يعجل له دعوته وإما أن يدخرها له فى الاٰخرة وإما أن يصرف عنه من السوء مثلها» قالوا: إذن نكثر قال: «الله أكثر». رواه أحمد
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম দু‘আ করার সময় কোন গুনাহের অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের দু‘আ না করলে অবশ্যই আল্লাহ তা‘আলা তাকে এ তিনটির একটি দান করেন। (১) হয়তো তাকে তার কাঙ্ক্ষিত সুপারিশ দুনিয়ায় দান করেন, (২) অথবা তা তার পরকালের জন্য জমা রাখেন এবং (৩) অথবা তার মতো কোন অকল্যাণ বা বিপদাপদকে তার থেকে দূরে করে দেন। সাহাবীগণ বললেন, তবে তো আমরা অনেক বেশি লাভ করব। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ এর চেয়েও বেশি দেন। (আহমদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২২৬০
وعن ابن عباس رضي اللٰه عنهما عن النبى ﷺ قال «خمس دعوات يستجاب لهن: دعوة المظلوم حتٰى ينتصر ودعوة الحاج حتٰى يصدر ودعوة المجاهد حتٰى يقعد ودعوة المريض حتٰى يبرأ ودعوة الأخ لأخيه بظهر الغيب». ثم قال: «وأسرع هٰذه الدعوات إجابة دعوة الأخ لأخيه بظهر الغيب». رواه البيهقى فى الدعوات الكبير
তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচ লোকের দু‘আ কবূল করা হয়। (১) মাযলূম বা অত্যাচারিতের দু‘আ- যতক্ষণ পর্যন্ত প্রতিশোধ গ্রহণ করা না হয়, (২) হজ সমাপনকারীর দু‘আ- বাড়ী ফিরে না আসা পর্যন্ত, (৩) মুজাহিদের দু‘আ- যতক্ষণ না বসে পড়ে, (৪) রোগীর দু‘আ- যতক্ষণ না সে সুস্থতা লাভ করে এবং (৫) এক মুসলিম ভাইয়ের দু‘আ অপর মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এ সব দু‘আর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত কবূল হয় এক (মুসলিম) ভাইয়ের দু‘আ তার আর এক ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে। (বায়হাক্বী- দা‘ওয়াতুল কাবীর)[১]