মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০৩৪
عن نافع عن ابن عمر عن النبى ﷺ قال: «من مات وعليه صيام شهر رمضان فليطعم عنه مكان كل يوم مسكين». رواه الترمذى وقال: والصحيح أنه موقوف علٰى ابن عمر
তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে অথচ তার ওপর সওম আদায়ের দায়িত্ব ছিল, এমতাবস্থায় তার তরফ থেকে (তার ওয়ারিসগণকে) প্রতিটি সওমের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাবার খাইয়ে দিতে হবে। (তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটির ব্যাপারে সঠিক কথা হলো, এটি ইবনু ‘উমার পর্যন্ত মাওকূফ। এটি তাঁর কথা [অর্থাৎ- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা নয়]।)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০৩৫
عن مالك بلغه أن ابن عمر كان يسأل: هل يصوم أحد عن أحد أو يصلى أحد عن أحد؟ فيقول: لا يصوم أحد عن أحد. ولا يصلى أحد عن أحد. رواه فى الموطأ
তাঁর পর্যন্ত এ বর্ণনাটি পৌঁছেছে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হত, কোন ব্যক্তি কি অন্য কোন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সওম আদায় করে দিতে পারে, কিংবা সলাত আদায় করে দিতে পারে? এ প্রশ্নের জবাবে ইবনু ‘উমার বলতেন, কোন লোকের পক্ষ থেকে কেউ না সলাত আদায় করতে পারে আর না কেউ সওম রাখতে পারে। (মুয়াত্ত্বা)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০৩৬
عن عائشة قالت: كان رسول اللٰه ﷺ يصوم حتٰى نقول: لا يفطر ويفطر حتٰى نقول: لا يصوم وما رأيت رسول اللٰه ﷺ استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته فى شهر أكثر منه صياما فى شعبان. وفى رواية قالت: كان يصوم شعبان كله، كان يصوم شعبان إلا قليلا. (متفق عليه)
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (নফল) সওম রাখা শুরু করতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি এখন সওম বন্ধ করবেন না। আবার তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সওম রাখা ছেড়ে দিতেন আমরা বলতাম, এখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি আর সওম রাখবেন না। রমাযান (রমজান) ছাড়া অন্য কোন মাসে তাঁকে পূর্ণ মাস সওম রাখতে দেখিনি। আর শা‘বান ছাড়া অন্য কোন মাসে তাঁকে আমি এত বেশী সওম রাখতে দেখিনি। আর একটি বর্ণনায় রয়েছে তিনি [‘আয়িশাহ্ (রাঃ)] বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু দিন ছাড়া শা‘বানের গোটা মাস সওম পালন করতেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]