মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০২৫
عن أنس بن مالك الكعبى قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «إن اللٰه وضع عن المسافر شطر الصلاة والصوم عن المسافر وعن المرضع والحبلٰى». رواه أبو داود والترمذى والنسائى وابن ماجه
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মুসাফির থেকে অর্ধেক সলাত কমিয়ে দিয়েছেন। এভাবে মুসাফির, দুগ্ধবতী মা ও গর্ভবতী নারীদের জন্য সওম (আপাতত) মাফ করে দিয়েছেন। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০২৬
وعن سلمة بن المحبق قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من كان له حمولة تأوى إلٰى شبع فليصم رمضان من حيث أدركه». رواه أبو داود
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (সফরের সময়) যে ব্যক্তির কাছে এমন সওয়ারী থাকবে, যা তাকে তার গন্তব্য পর্যন্ত অনায়াসে ও আরামে পৌঁছে দিতে পারে (অর্থাৎ- সফরে কষ্ট না হয়); যে জায়গায়ই রমাযান (রমজান) মাস আসুক সে ব্যক্তি যেন সওম পালন করে। (আবূ দাঊদ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০২৭
عن جابر: أن رسول اللٰه ﷺ خرج عام الفتح إلٰى مكة فى رمضان فصام حتٰى بلغ كراع الغميم فصام الناس ثم دعا بقدح من ماء فرفعه حتٰى نظر الناس إليه ثم شرب فقيل له بعد ذٰلك إن بعض الناس قد صام. فقال: «أولٰئك العصاة أولٰئك العصاة». رواه مسلم
তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান (রমজান) মাসে (মাদীনাহ্ হতে) মক্কা অভিমুখে রওনা হলেন। তিনি (মক্কা মাদীনার মধ্যবর্তী স্থান ‘উসফানের কাছে) ‘‘কুরা-‘আল গমীম’’ পৌঁছা পর্যন্ত সওম রাখলেন। অন্যান্য লোকেরাও সওমে ছিলেন। (এখানে পৌঁছার পর) তিনি পেয়ালায় করে পানি চেয়ে আনলেন। পেয়ালাটিকে (হাতে উঠিয়ে এতো) উঁচুতে তুলে ধরলেন যে, মানুষেরা এর দিকে তাকাল। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পানি পান করলেন। এরপর কিছু লোক আরয করল যে, (এখনো) কিছু লোক সওম রেখেছে (অর্থাৎ- রসূলের অনুসরণে সওম ভাঙেনি)। (এ কথা শুনে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এসব লোক পাক্কা গুনাহগার, এসব লোক পাক্কা গুনাহগার। (মুসলিম)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০২৮
وعن عبد الرحمٰن بن عوف قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «صائم رمضان فى السفر كالمفطر فى الحضر». رواه ابن ماجه
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাযান (রমজান) মাসে সফরের সায়িম, নিজের বাসস্থানে সায়িম না থাকার মতো। (ইবনু মাজাহ)[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ২০২৯
وعن حمزة بن عمرو الأسلمي أنه قال: يا رسول اللٰه إنى أجد بى قوة على الصيام فى السفر فهل على جناح؟ قال: «هى رخصة من اللٰه عز وجل فمن أخذ بها فحسن ومن أحب أن يصوم فلا جناح عليه». رواه مسلم
তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসূল! সফর অবস্থায় আমি সওম পালনে সমর্থ। (না রাখলে) আমার কী কোন গুনাহ হবে? তিনি বললেন, এ ক্ষেত্রে আল্লাহ ‘আযযা ওয়াজাল্লা তোমাকে অবকাশ দিয়েছেন। যে ব্যক্তি এ অবকাশ গ্রহণ করবে, সে উত্তম কাজ করবে। আর যে ব্যক্তি সওম রাখা পছন্দ করবে (সে রাখবে), তার কোন গুনাহ হবে না। (মুসলিম)[১]