প্রথম অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৯৯৯

وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من لم يدع قول الزور والعمل به فليس للٰه حاجة فى ان يدع طعامه وشرابه». رواه البخارى

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (সিয়ামরত অবস্থায়) মিথ্যা কথা বলা ও এর উপর ‘আমাল করা ছেড়ে না দেয়, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। (বুখারী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০০

وعن عائشة رضي اللٰه عنها قالت: كان رسول اللٰه ﷺ يقبل ويباشر وهو صائم وكان أملككم لأربه. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমরত অবস্থায় (নিজের স্ত্রীদেরকে) চুমু খেতেন এবং (তাদেরকে) নিজের শরীরের সাথে মিশিয়ে ধরতেন। কেননা তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রয়োজনে নিজেকে তোমাদের চেয়ে অনেক বেশী নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ ছিলেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০১

وعن عائشة رضي اللٰه عنها قالت: كان رسول اللٰه ﷺ يدركه الفجر فى رمضان وهو جنب من غير حلم فيغتسل ويصوم. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান (রমজান) মাসে ভোর পর্যন্ত অপবিত্র অবস্থায় থাকতেন। এ অপবিত্রতা স্বপ্নদোষের কারণে নয়। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গোসল করতেন ও সওম পালন করতেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০২

وعن ابن عباس قال: إن النبى ﷺ احتجم وهو محرم واحتجم وهو صائم. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। ঠিক এভাবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সায়িম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৩

وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من نسى وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه اللٰه وسقاه». (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সওম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়ে বা পান করে ফেলে, সে যেন সওম পূর্ণ করে। কেননা এ খাওয়ানো ও পান করানো আল্লাহর তরফ থেকেই হয়ে থাকে। (বুখারী, মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৪

وعن أبي هريرة قال: بينما نحن جلوس عند النبى ﷺ إذ جاءه رجل فقال: يا رسول الله هلكت. قال: «مالك؟» قال: وقعت على امرأتى وأنا صائم. فقال رسول اللٰه ﷺ: «هل تجد رقبة تعتقها؟». قال: لا قال: «فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين؟» قال: لا. قال: «هل تجد إطعام ستين مسكينا؟» قال: لا. قال: «اجلس» ومكث النبى ﷺ فبينا نحن علٰى ذٰلك أتى النبى ﷺ بعرق فيه تمر والعرق المكتل الضخم قال: «أين السائل؟» قال: أنا. قال: «خذ هٰذا فتصدق به». فقال الرجل: أعلٰى أفقر منى يا رسول اللٰه؟ فواللٰه ما بين لابتيها يريد الحرتين أهل بيت أفقر من أهل بيتى. فضحك النبى ﷺ حتٰى بدت أنيابه ثم قال: «أطعمه أهلك». (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমরা এক সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বসেছিলাম। হঠাৎ করে এক ব্যক্তি (সালামাহ্ ইবনু সাখর আল বায়াযী) তাঁর কাছে হাযির হলো ও বলতে লাগল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি! তিনি বললেন, তোমার কি হয়েছে? সে বলল, আমি সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে বসেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কি কোন গোলাম আছে যাকে তুমি মুক্ত করে দিতে পার? লোকটি বলল, না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি একাধারে দু’ মাস সিয়াম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে? সে বলল, না। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি বসো। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও এখানে কিছুক্ষণ বসে রইলেন। ঠিক এ সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি ‘আরাক’ নিয়ে আসা হলো। এতে ছিল খেজুর। ‘আরাক’ একটি বড় ভাণ্ড বা গাঁইটকে বলা হয় (যা খেজুরের পাতা দিয়ে তৈরি; এতে ষাট থেকে আশি সের পর্যন্ত খেজুর ধরে)। এটা দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়? লোকটি বলল, এই তো আমি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটি নিয়ে নাও। এগুলো সদাকাহ্ করে দাও। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি এগুলো আমার চেয়েও গরীবকে দান করব? আল্লাহর কসম, মাদীনার উভয় প্রান্তে এমন কোন পরিবার নেই, যারা আমার পরিবারের চেয়ে বেশী অভাবী। মাদীনার উভয় প্রান্ত বলতে সে দু’টি কঙ্করময় এলাকা বুঝিয়েছে। (তার কথা শুনে) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে ফেললেন। এমনকি তাঁর সামনের পাটির দাঁতগুলো দেখা গেল। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আচ্ছা এ খেজুরগুলো তোমার পরিবার-পরিজনকে খাওয়াও। (বুখারী, মুসলিম)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৫

عن عائشة: أن النبى ﷺ: كان يقبلها وهو صائم ويمص لسانها. رواه أبو داود

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সায়িম অবস্থায় চুমু খেতেন এবং তিনি তাঁর জিহবা লেহন করতেন। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৬

وعن أبى هريرة إن رجلا سأل النبى ﷺ عن المباشرة للصائم فرخص له. وأتاه اٰخر فسأله فنهاه فإذا الذى رخص له شيخ وإذا الذى نهاه شاب. رواه أبو داود

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সায়িম অবস্থায় স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তা করার অনুমতি দিলেন। এরপর আরো এক ব্যক্তি এসে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। এ ব্যক্তিকে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা করতে নিষেধ করলেন। যাকে তিনি অনুমতি দিয়েছিলেন সে ছিল বৃদ্ধ। আর যাকে নিষেধ করেছিলেন সে ছিল যুবক। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৭

وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من ذرعه القيء وهو صائم فليس عليه قضاء ومن استقاء عمدا فليقض». رواه الترمذى وأبو داود وابن ماجه والدارمى. وقال الترمذى: هٰذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عيسى بن يونس. وقال محمد يعنى البخاري لا أراه محفوظا

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির সায়িম অবস্থায় (অনিচ্ছায়) বমি হবে তার সওম কাযা করতে হবে না। আর যে ব্যক্তি গলার ভিতর আঙ্গুল বা অন্য কিছু ঢুকিয়ে দিয়ে ইচ্ছাকৃত বমি করবে তাকে কাযা আদায় করতে হবে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ, দারিমী। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গরীব। কারণ ‘ঈসা ইবনু ইউনুস ছাড়া এ হাদীসটি আর কারো বর্ণনায় রয়েছে তা আমরা জানি না। ইমাম বুখারীও এ হাদীসটিকে মাহফূয [সংরক্ষিত] মনে করেন না, অর্থাৎ- হাদীসটি মুনকার।)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৮

وعن معدان بن طلحة أن أبا الدرداء حدثه أن رسول اللٰه ﷺ قاء فأفطر. قال: فلقيت ثوبان فى مسجد دمشق فقلت: إن أبا الدرداء حدثنى أن رسول اللٰه ﷺ قاء فأفطر. قال: صدق وأنا صببت له وضوءه. رواه أبو داود والترمذى والدارمى

তিনি আবূ দারদা (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সওম অবস্থায়) বমি করেছেন। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওম ভেঙ্গে ফেলেছেন। মা‘দান বলেন, এরপর আমি (দামেশকের মাসজিদে) সাওবান-এর সাথে মিলিত হই। তাকে আমি বলি যে, আবূ দারদা আমাকে এ হাদীসটি শুনিয়েছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) বমি করেছেন। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সওম ভেঙ্গে ফেলেছেন। সাওবান (এ কথা শুনে) বললেন, আবূ দারদা (রাঃ) পুরোপুরি সত্য বলেছেন। আর সে সময় আমিই তাঁর জন্য উযূর পানির ব্যবস্থা করেছিলাম। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, দারিমী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০০৯

وعن عامر بن ربيعة قال: رأيت النبى ﷺ ما لا أحصى يتسوك وهو صائم. رواه الترمذى وأبو داود

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সওম অবস্থায় এতবার মিসওয়াক করতে দেখেছি যে, তা আমি হিসাব করতে পারি না। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০১০

وعن أنس قال: جاء رجل إلى النبى ﷺ قال: اشتكيت عينى أفأكتحل وأنا صائم؟ قال: «نعم». رواه الترمذى وقال: ليس إسناده بالقوى وأبو عاتكة الراوى يضعف

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, আমার চোখে অসুখ। এ কারণে আমি কি সায়িম অবস্থায় চোখে সুরমা লাগাতে পারি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। (তিরমিযী; তিনি বলেন, এ হাদীসের সানাদ মজবুত নয়। আর এক বর্ণনাকারী আবূ ‘আতিকাহ্-কে দুর্বল মনে করা হয়।)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০১১

وعن بعض أصحاب النبى ﷺ قال: لقد رأيت النبى ﷺ بالعرج يصب علٰى رأسه الماء وهو صائم من العطش أو من الحر. رواه مالك وأبو داود

একজন সাহাবী বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আরজ’-এ (মক্কা মাদীনার মাঝখানে একটি জায়গার নাম) সায়িম অবস্থায় পিপাসা দমনের জন্য অথবা গরম কমানোর জন্য মাথায় পানি ঢালতে দেখেছি। (মালিক ও আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০১২

وعن شداد بن أوس: أن رسول اللٰه ﷺ أتٰى رجلا بالبقيع وهو يحتجم وهو اٰخذ بيدى لثمانى عشرة خلت من رمضان فقال: «أفطر الحاجم والمحجوم». رواه أبو داود وابن ماجه والدارمى. قال الشيخ الإمام محيى السنة رحمه اللٰه عليه: وتأوله بعض من رخص فى الحجامة: أى تعرضا للإفطار: المحجوم للضعف والحاجم لأنه لا يأمن من أن يصل شىء إلٰى جوفه بمص الملازم

তিনি বলেন, রমাযান (রমজান) মাসের আঠার তারিখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাক্বী‘তে (মাদীনার কবরস্থানে) এমন এক লোকের কাছে আসলেন, যে শিঙ্গা লাগাচ্ছিল। এ সময় তিনি আমার হাত ধরেছিলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যে শিঙ্গা লাগায় ও যে শিঙ্গা দেয় উভয়েই নিজেদের সওম ভেঙ্গে ফেলেছে। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০১৩

وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «من أفطر يوما من رمضان من غير رخصة ولا مرض لم يقض عنه صوم الدهر كله وإن صامه». رواه أحمد والترمذى وأبو داود وابن ماجه والدارمى والبخارى فى ترجمة باب وقال الترمذى: سمعت محمدا يعنى البخارى يقول. أبو المطوس الراوى لا أعرف له غير هٰذا الحديث

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন শার‘ঈ কারণ কিংবা কোন রোগ ছাড়া রমাযানের কোনদিন ইচ্ছা করে সওম পালন না করে, তাহলে সারা জীবন সওম রেখেও তার কাযা আদায় হবে না। (আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ, দারিমী, তারজামাতুল বাব, বুখারী। ইমাম তিরমিযী বলেন, আমি মুহাম্মাদ অর্থাৎ- ইমাম বুখারীকে বলতে শুনেছি, আবূল মুত্বও্য়িস নামক রাবী এ হাদীস ছাড়া অন্য কোন হাদীস বর্ণনা করেছেন বলে জানি না।)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ২০১৪

وعن أبى هريرة قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «كم من صائم ليس له من صيامه إلا الظمأ وكم من قائم ليس له من قيامه إلا السهر». رواه الدارمى

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অনেক সায়িম এমন আছে যারা তাদের সওম দ্বারা ‘ক্ষুধার্ত থাকা ছাড়া’ আর কোন ফল লাভ করতে পারে না। এমন অনেক কিয়ামরত (দন্ডায়মান) ব্যক্তি আছে যাদের রাতের ‘ইবাদাত নিশি জাগরণ ছাড়া আর কোন ফল আনতে পারে না। (দারিমী)[১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية