দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৪৬

عن سمرة بن جندب قال: قال رسول الله ﷺ: «المسائل كدوح يكدح بها الرجل وجهه فمن شاء أبقى على وجهه ومن شاء تركه إلا أن يسأل الرجل ذا سلطان أو فى أمر لا يجد منه بدا» . رواه أبو داود والترمذي والنسائي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: পরের কাছে হাত পাতা একটি রোগ, যার দ্বারা মানুষ নিজের মুখকে রোগাক্রান্ত করে। যে ব্যক্তি (নিজের মান সম্মান) অক্ষুণ্ন রাখতে চায় সে যেন (হাত পাততে) লজ্জা অনুভব করে, মান ইয্‌যত রক্ষা করে। আর যে ব্যক্তি (মান ইয্‌যত) অক্ষুণ্ন রাখতে চায় না সে মানুষের কাছে হাত পেতে নিজের মান সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করতে পারে। তবে মানুষ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হাত পাততে পারে। অথবা এমন সময়ে (কারো কাছে) কিছু চাইবে যা চাওয়া খুবই প্রয়োজন। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৪৭

وعن عبد الله بن مسعود قال: قال رسول الله ﷺ: من سأل الناس وله ما يغنيه جاء يوم القيامة ومسألته في وجهه خموش أو خدوش أو كدوح» . قيل يا رسول الله وما يغنيه؟ قال: «خمسون درهما أو قيمتها من الذهب . رواه أبو داود والترمذي والنسائي وابن ماجه والدارمي

তিনি বলেন, রাসুলুললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও মানুষের নিকট হাত পাতে , তাকে ক্বিয়ামাতের দিন এ অবস্থায় উঠানো হবে যে, এ অভ্যাস তার মুখের উপর ‘খুমূশ’ ‘খুদূশ’ অথবা ‘কুদূহ’ রূপে প্রকাশ পাবে। নিবেদন করা হলো , হে আল্লাহর রসূল ! কি পরিমান সম্পদ তাকে অমুখাপেক্ষী করবে? তিনি বললেন, পঞ্চাশ দিরহাম অথবা এ মূল্যের সোনা। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ, দারিমী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৪৮

وعن سهل بن الحنظلية قال: قال رسول الله ﷺ: «من سأل وعنده ما يغنيه فإنما يستكثر من النار» . قال النفيلي. وهو أحد رواته في موضع اخر: وما الغنى الذى لا ينبغى معه المسألة؟ قال: «قدر ما يغديه ويعشيه» . وقال فى موضع اخر: «أن يكون له شبع يوم أو ليلة ويوم» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অমুখাপেক্ষী থাকার মত সম্পদের মালিক হয়েও যে ব্যক্তি মানুষের কাছে হাত পাতে, সে মূলত বেশী আগুন চায়। এ হাদিসের এক বর্ণনাকারী নুফায়লী অন্য এক স্থানে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলের কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কি পরিমান সম্পদ থাকলে অন্য কারো কাছে কিছু চাওয়া সমীচীন হবে না। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সকাল সন্ধ্যার পরিমান খাদ্য মজুদ থাকলে। নুফায়লী অন্য এক স্থানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বরাতে এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, তার কাছে একদিন অথবা একদিন এক রাতের পরিমান খাদ্য মওজুদ থাকলে। অথবা বর্ণনাকারীর সন্দেহ, তিনি শুধু একদিনের কথা বলেছেন। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৪৯

وعن عطاء بن يسار عن رجل من بنى أسد قال: قال رسول الله ﷺ: «من سأل منكم وله أوقية أو عدلها فقد سأل إلحافا» . رواه مالك وأبو داود والنسائي

যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এক উক্বিয়্যাহ্ পরিমাণ (অর্থাৎ চল্লিশ দিরহাম) অথবা এর সমমূল্যের (সোনা ইত্যাদি ) মালিক হওয়ার পরও মানুষের কাছে হাত পাতে, সে যেন বিনা প্রয়োজনে (মানুষের কাছে) হাত পাতল। (মালিক, আবূ দাঊদ ও নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫০

وعن حبشي بن جنادة قال : قال رسول الله ﷺ: «إن المسألة لا تحل لغني ولا لذى مرة سوي إلا لذى فقر مدقع أو غرم مفظع ومن سأل الناس ليثري به ماله: كان خموشا في وجهه يوم القيامة ورضفا يأكله من جهنم فمن شاء فليقل ومن شاء فليكثر». رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কারো কাছে কিছু চাওয়া ধনী, সুস্থ সবল ও সুস্থ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সম্পন্ন লোকের জন্য হালাল নয়। তবে ঐ ফকিরের জন্য তা হালাল, যে ক্ষুধা পিপাসার কারনে মাটিতে পড়ে গেছে। এভাবে ওই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্যও হাত পাতা হালাল যে ভারী ঋণের বোঝায় জর্জরিত। মনে রাখবে যে ব্যক্তি শূধু সম্পত্তি বাড়াবার জন্য মানুষের কাছে ঋণ চায়, তার এ চাওয়া ক্বিয়ামতের দিন আহতের চিহ্নরূপে তার মুখে ভেসে উঠবে। তাছাড়াও জাহান্নামে তার খাদ্য হিসেবে গরম পাথর দেয়া হবে। অতএব যার ইচ্ছা সে কম হাত পাতুক অথবা বেশী হাত পাতুক। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫১

وعن أنس بن مالك: أن رجلا من الأنصار أتى النبي ﷺ يسأله فقال: «أما فى بيتك شيء؟» قال بلى حلس نلبس بعضه ونبسط بعضه وقعب نشرب فيه من الماء. قال: «ائتنى بهما» قال فأتاه بهما فأخذهما رسول الله ﷺ بيده وقال: «من يشترى هذين؟» قال رجل أنا اخذهما بدرهم قال: «من يزيد على درهم؟» مرتين أو ثلاثا قال رجل أنا اخذهما بدرهمين فأعطاهما إياه وأخذ الدرهمين فأعطاهما الأنصاري وقال: «اشتر بأحدهما طعاما فانبذه إلى أهلك واشتر بالاخر قدوما فأتنى به» . فأتاه به فشد فيه رسول الله ﷺ عودا بيده ثم قال له «اذهب فاحتطب وبع ولا أرينك خمسة عشر يوما». فذهب الرجل يحتطب ويبيع فجاء وقد أصاب عشرة دراهم فاشترى ببعضها ثوبا وببعضها طعاما فقال رسول الله ﷺ: «هذا خير لك من أن تجيء المسألة نكتة فى وجهك يوم القيامة إن المسألة لا تصلح إلا لثلاثة لذى فقر مدقع أو لذى غرم مفظع أو لذى دم موجع» . رواه أبو داود وروى ابن ماجه إلى قوله: «يوم القيامة

তিনি বলেন, একদিন আনসারের এক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে তাঁর কাছে কিছু চাইলেন। তিনি বললেন, ‘তোমার ঘরে কি কোন জিনিস নেই?’ লোকটি বলল, একটি কমদামী কম্বল আছে। এটার একাংশ আমি গায়ে দেই, আর অপর অংশ বিছিয়ে নিই। এছাড়া কাঠের একটি পেয়ালা আছে। এ দিয়ে আমি পানি পান করি।’ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দু’টো জিনিস আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি এ জিনিস দু‘টি নাবীর কাছে নিয়ে এলো। জিনিসটি নিজের হাতে নিয়ে নাবীজী বললেন এ দু’টি কে কিনবে? এক ব্যক্তি বলল, আমি এক দিরহামের বিনিময়ে কিনতে প্রস্তুত। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বললেনঃ এক দিরহামের বেশী দিয়ে কে কিনতে চাও? এ কথাটি তিনি ‘দু’ কি তিনবার’ বললেন। (এ সময়) এক ব্যক্তি দু’ দিরহাম বললে তিনি দু’ দিরহাম নিয়ে আনসারীকে দিয়ে দিলেন। অতঃপর তাকে বললেন, এ এক দিরহাম দিয়ে খাদ্য কিনে পরিবারের লোকজন কে দিবে। দ্বিতীয় দিরহামটি দিয়ে একটি কুঠার কিনে আমার কাছে আসবে। সে ব্যক্তি কুঠার কিনে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি নিজ হাতে কুঠারের একটি মজবুত হাতল লাগিয়ে দিয়ে তাকে বললেন, এটা দিয়ে লাকড়ী কেটে বিক্রি করবে। এরপর আমি এখানে তোমাকে পনের দিন যেন দেখতে না পাই। লোকটি চলে গেল। বন থেকে লাকড়ী কেটে জমা করে (বাজারে) এনে বিক্রি করতে লাগল। (কিছু দিন পর) সে যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এলো তখন সে দশ দিরহামের মালিক। এ দিরহামের কিছু দিয়ে সে কিছু কাপড়-চোপড় কিনল আর কিছু দিয়ে খাদ্যশস্য কিনল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তার অবস্থার এ পরিবর্তন দেখে)বললেন, ক্বিয়ামতের দিন ভিক্ষাবৃত্তি তোমার চেহারায় ক্ষত চিহ্ন হয়ে ওঠার চেয়ে এ অবস্থা কি উত্তম নয়?(মনে রাখবে), শুধু তিন ধরনের লোক হাত পাততে পারে, ভিক্ষা করতে পারে। প্রথমতঃ ফকীর যাকে কপর্দকহীনতা মাটিতে শুইয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়তঃ ঋণগ্রস্থ ব্যক্তি যে ভারী ঋণে লাঞ্ছিত হবার পর্য়ায়ে। তৃতীয়তঃ রক্তপন আদায়কারী, যা তার যিম্মায় আছে (অথচ তার সামর্থ্য নেই)। (আবূ দাঊদ; ইবনু মাজাহ এ হাদিসটি ‘ইলা-ইয়াওমিল ক্বিয়া-মাহ্’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫২

وعن ابن مسعود قال: قال رسول الله ﷺ: «من أصابته فاقة فأنزلها بالناس لم تسد فاقته. ومن أنزلها بالله أوشك الله له بالغنى إما بموت عاجل أو غنى اجل». رواه أبو داود والترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কঠিন অভাবে জর্জরিত, সে মানুষের সামনে প্রয়োজন পূরনের ইচ্ছা প্রকাশ করলে এ অভাব দূর হবেনা। আর যে ব্যক্তি তার অভাবের কথা শুধু আল্লাহর কাছে বলে, আল্লাহই তার জন্য যথেস্ট। হয় তাকে তাড়াতাড়ি মৃত্যু দিয়ে অভাব থেকে মুক্তি দিবেন অথবা তাকে কিছুদিনের মধ্যে ধনী বানিয়ে দিবেন। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৩

عن ابن الفراسي أن الفراسي قال: قلت لرسول الله ﷺ أسأل يا رسول الله؟ فقال النبي ﷺ: «لا وإن كنت لابد فسل الصالحين» . رواه أبو داود والنسائي

তিনি বলেন, (আমার পিতা) ফিরাসী(রাঃ) বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি কি মানুষের কাছে হাত পাততে পারি? নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না। (বরং সর্বাবস্থায়) আল্লাহর উপর ভরসা করবে। তবে (কোন কঠিন প্রয়োজনে) কিছু চাওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়লে নেক মানুষের কাছে চাইবে। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৪

وعن ابن الساعدي المالكيى أنه قال: استعملنى عمر بن الخطاب رضي الله عنهم على الصدقة فلما فرغت منها وأديتها إليه أمر لى بعمالة فقلت إنما عملت لله وأجرى على الله فقال خذ ما أعطيت فإني قد عملت على عهد رسول الله ﷺ فعملنى فقلت مثل قولك فقال لى رسول الله ﷺ: «إذا أعطيت شيئا من غير أن تسأل فكل وتصدق» . رواه مسلم وأبو داود

তিনি বলেন, উমার (রাঃ) আমাকে যাকাত আদায়কারী নিযুক্ত করলেন। আমি যাকাত আদায়ের কাজ শেষ করলাম। যাকাতের মাল ‘উমারের কাছে পৌঁছিয়ে দিলে তিনি আমাকে যাকাত আদায়ের বিনিময় গ্রহন করতে বললেন। (এ কথা শুনে ) আমি বললাম, এ কাজ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য আমি করেছি। তাই এ কাজের বিনিময় আল্লাহর যিম্মায়। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে যা দেয়া হচ্ছে গ্রহন করো। কারণ আমিও রসূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় যাকাত আদায় করেছি। তিনি এর বিনিময় দিতে চাইলে আমিও এ কথাই বলেছিলাম, যা আজ তুমি বলছ। (তখন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, যখন কোন জিনিস চাওয়া ছাড়া তোমাকে দেয়া হবে, তা গ্রহন করে খাবে। (আর খাবার পর যা তোমার নিকট বেঁচে থাকবে) তা আল্লাহর পথে খরচ করবে। (মুসলিম, আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৫

وعن علي أنه سمع يوم عرفة رجلا يسأل الناس فقال: أفي هذا اليوم: وفى هذا المكان تسأل من غير الله؟ فخفقه بالدرة. رواه رزين

তিনি ‘আরাফার দিন এক ব্যক্তিকে লোকজনের কাছে হাত পেতে কিছু চাইতে শুনলেন। তিনি তাকে বললেন, আজকের এই দিনে এই জায়গায় তুমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে হাত পাতছো? তারপর তিনি তাকে চাবুক দিয়ে মারলেন। (রযীন)


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৬

وعن عمر قال: تعلمن أيها الناس أن الطمع فقر وأن الإياس غنى وأن المرء إذا يئس عن شيء استغنى عنه. رواه رزين

তিনি লোকদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে লোকেরা! মনে রাখবে লোভ লালসা এক রকমের মুখাপেক্ষিতা । আর মানুষ থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা, ধনী হবার লক্ষণ। মানুষ যখন অন্যের কাছে কিছু আশা করা ত্যাগ করে , তখন সে স্বনির্ভর হয়। (রযীন)


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৭

وعن ثوبان قال: قال رسول الله ﷺ: «من يكفل لي أن لا يسأل الناس شيئا فأتكفل له بالجنة؟» فقال ثوبان: أنا فكان لا يسأل أحدا شيئا. رواه أبو داود والنسائي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বলেছেন, যে আমার সাথে এ ওয়া‘দা করবে যে, সে কারো কাছে ভিক্ষার হাত বাড়াবে না। আমি তার জন্য জান্নাতের ওয়া‘দা করতে পারি। সাওবান বলেন, আমি। ফলে তিনি কারো কাছে কোন কিছু চাইতেন না (বস্ততঃ সাওবান যত অভাবেই থাকুন, কারো কাছে আর কোনদিন হাত পাতেননি) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৮৫৮

وعن أبى ذر قال: دعانى رسول الله ﷺ وهو يشترط علي: «أن لا تسأل الناس شيئا» قلت: نعم. قال: «ولا سوطك إن سقط منك حتى تنزل إليه فتأخذه» . رواه أحمد

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদিন) ডেকে এনে আমার ওপর শর্তারোপ করে বললেন, তুমি কারো কাছে কোন কিছুর জন্য হাত পাতবে না। আমি বললাম, আচ্ছা। তারপর তিনি বললেন, এমনকি তোমার হাতের লাঠিটাও যদি পড়ে যায় কাউকে উঠিয়ে দিতে বলবে না। বরং তুমি নিজে নেমে তা উঠিয়ে নেবে।(আহমাদ) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية