প্রথম অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৩

عن عامر بن سعد بن أبى وقاص أن سعد بن أبى وقاص قال في مرضه الذى هلك فيه: ألحدوا لى لحدا وانصبوا على اللبن نصبا كما صنع برسول الله ﷺ. رواه مسلم

তিনি বলেন, তার পিতা সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্বক্বাস (রাঃ) মৃত্যুশয্যায় রোগাক্রান্ত অবস্থায় বলেন, আমাকে দাফন করার জন্য লাহ্‌দ (বগলী) ক্ববর তৈরী করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাফন করার জন্য যেভাবে ক্ববর খোঁড়া হয়েছিল, সেভাবে আমার উপরেও কাঁচা ইট দাঁড় করিয়ে দেবে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৪

وعن ابن عباس قال: جعل فى قبر رسول الله ﷺ قطيفة حمراء. رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ক্ববরে একটি লাল চাদর বিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৫

وعن سفيان التمار: أنه رأى قبر النبي ﷺ مسنما. رواه البخاري

তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ক্ববরকে উটের পিঠের মত (মুসান্নাম) উঁচু দেখেছেন। (বুখারি) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৬

وعن أبي الهياج الأسدي قال: قال لي علي: ألا أبعثك على ما بعثنى عليه رسول الله ﷺ: أن لا تدع تمثالا إلا طمسته ولا قبرا مشرفا إلا سويته. رواه مسلم

তিনি বলেন, “আলী (রাঃ) আমাকে বলেছেন, “আমি কি তোমাকে এমন একটি কাজের জন্য পাঠাব না, যে কাজের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে পাঠিয়েছিলেন? তা হলো, যখন তোমার চোখে কোন মূর্তি পড়বে, তা একেবারে নিশ্চিহ্ন না করে ছাড়বে না। আর উঁচু কোন ক্ববর দেখলে তাকে সমতল না করে রাখবে না। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৭

وعن جابر قال: نهى رسول الله ﷺ أن يجصص القبر وأن يبنى عليه وأن يقعد عليه. رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরে চুনকাম করতে, এর উপর ঘর বানাতে এবং বসতে নিষেধ করেছেন। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৮

وعن أبى مرثد الغنوي قال: قال رسول الله ﷺ: «لا تجلسوا على القبور ولا تصلوا إليها» . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ক্ববরের উপর বসবে না এবং ক্ববরের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করবে না। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৯

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: «لأن يجلس أحدكم على جمرة فتحرق ثيابه فتخلص إلى جلده خير له من أن يجلس على قبر» . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো অঙ্গারের উপর বসা, আর এ অঙ্গারে (পরনের) কাপড়-চোপড় পুড়ে শরীরে পৌছে যাওয়া তার জন্য উত্তম হবে ক্ববরের উপর বসা হতে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০০

عن عروة بن الزبير قال: كان بالمدينة رجلان أحدهما يلحد والاخر لا يلحد. فقالوا: أيهما جاء أولا عمل عمله. فجاء الذى يلحد فلحد لرسول الله ﷺ. رواه في شرح السنة

তিনি বলেন, মাদীনায় দু’ ব্যক্তি ছিলেন (তারা ক্ববর খুঁড়তেন)। তাদের একজন (আবূ ত্বলহাহ্ আল আনসারী) লাহ্‌দী (বুগলী) ক্ববর খুঁড়তেন আর দ্বিতীয়জন (আবূ ‘উবায়দাহ্ ইবনুল জাররাহ্) লাহ্‌দী ক্ববর খুঁড়তেন না (বরং সিন্ধুকী ক্ববর খুঁড়তেন)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকাল হলে সাহাবীগণ (সম্মিলিতভাবে বললেন), এ দু’ ব্যক্তির যিনি আগে আসবেন তিনিই তার মতো করে ক্ববর খনন করবেন। পরিশেষে তিনিই আগে আসলেন যিনি লাহ্‌দী ক্ববর খুঁড়তেন (অর্থাৎ আবূ ত্বলহাহ্ আল আনসারী)। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য লাহ্‌দী ক্ববর খুঁড়লেন। (শারহুস্ সুন্নাহ্) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০১

وعن ابن عباس قال: قال رسول الله ﷺ: «اللحد لنا والشق لغيرنا» رواه الترمذي وأبو داود وابن ماجه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লাহ্‌দী ক্ববর আমাদের জন্য। আর শাক্ক্ (সিন্ধুকী) ক্ববর আমাদের অপরদের জন্য। (তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০২

ورواه أحمد عن جرير بن عبد الله

আর ইমাম আহমাদ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৩

وعن هشام بن عامر أن النبي ﷺ قال يوم أحد: «احفروا وأوسعوا وأعمقوا وأحسنوا وادفنوا الاثنين والثلاثة فى قبر واحد وقدموا أكثرهم قرانا» . رواه أحمد والترمذي وأبو داود والنسائي وروى ابن ماجه إلى قوله وأحسنوا

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদের যুদ্ধের দিন বলেছেন, ক্ববর খনন কর, ক্ববরকে প্রশস্ত কর, বেশ গভীর করে খনন কর এবং এগুলোকে ভালো করে কর, অর্থাৎ মাটি এবং ধূলিকণা থেকে পরিষ্কার কর। এক-একটি ক্ববরে দু’ দু’, তিন তিন জন করে দাফন করো। আর তাদের মধ্যে যার বেশী করে কুরআন হিফ্‌জ আছে তাকে ক্ববরে আগে রাখো। (আহ্‌মাদ, তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসায়ী এবং ইমাম ইবনু মাজাহ ‘ওয়া আহসিনূ’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৪

وعن جابر قال: لما كان يوم أحد جاءت عمتى بأبى لتدفنه فى مقابرنا فنادى منادى رسول الله ﷺ: «ردوا القتلى إلى مضاجعهم» . رواه أحمد والترمذي وأبو داود والنسائي والدارمي ولفظه للترمذي

তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধের দিন আমার ফুফু আমার পিতার (‘আবদুল্লাহর) লাশ আমাদের ক্ববরস্থানে দাফন করার জন্য নিয়ে আসলেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ থেকে একজন আহবানকারী জানালেন, শাহীদদেরকে তাঁদের শাহাদাতের জায়গায় পৌছিয়ে দাও। (আহ্‌মাদ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, নাসায়ী, দারিমী; হাদীসের শব্দগুলো হলো তিরমিযীর)। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৫

وعن ابن عباس قال: سل رسول الله ﷺ من قبل رأسه. رواه الشافعي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ক্ববরে নামানোর সময় মাথার দিক দিয়ে নামানো হয়েছে। (শাফি’ঈ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৬

وعن ابن عباس: أن النبي ﷺ دخل قبرا ليلا فأسرج له بسراج فأخذ من قبل القبلة وقال: «رحمك الله إن كنت لأواها تلاء للقران» . رواه الترمذي وقال فى شرح السنة: إسناده ضعيف

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার রাতের বেলা মৃতকে রাখার জন্য ক্ববরে নামলেন। তার জন্য চেরাগ জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল। তিনি মাইয়্যিতকে ক্বিবলার দিক থেকে ধরলেন (তাকে ক্ববরে রাখলেন) এবং এ দু’আ পড়লেন, “রহিমাকাল্ল-হু ইন্ কুন্‌তা লাআও্ওয়া-হান তাল্লা-আন লিল কুরআ-ন” [অর্থাৎ আল্লাহ তোমার ওপর রহম করুন। (তুমি আল্লাহর ভয়ে) কাঁদতে, আর কুরআনে কারীম বেশী বেশী পড়তে (এ দু’টি কারণে তুমি রহ্‌মাত ও মাগফিরাতের উপযোগী)] ( তিরমিযী; শারহুস্ সুন্নাহ্‌য় বলা হয়েছে এ বর্ণনার সনদ দুর্বল)। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৭

وعن ابن عمر أن النبي ﷺ كان إذا أدخل الميت القبر قال: «بسم الله وبالله وعلى ملة رسول الله» . وفى رواية: «وعلى سنة رسول الله». رواه أحمد والترمذي وابن ماجه وروى أبو داود الثانية

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন মৃত ব্যক্তিকে ক্ববরে রাখতেন, বলতেন, “বিসমিল্লা-হ, ওয়াবিল্লা-হি ওয়া ‘আলা- মিল্লাতি রসূলিল্লা-হ”। অন্য এক বর্ণনায় আছে, “ওয়া ‘আলা- সুন্না-তি রসূলিল্লা-হ” (অর্থাৎ আল্লাহর নামে ও আল্লাহর হুকুম মুতাবিক রসূলুল্লাহর মিল্লাতের উপর ক্ববরে নামাচ্ছি)। অন্য বর্ণনায় ‘মিল্লাতি রসূলিল্লা-হ’-এর জায়গায় ‘সুন্নাতি রসূলিল্লা-হ’ বর্ণিত হয়েছে। (আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ; আবূ দাঊদ দ্বিতীয়াংশটি) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৮

وعن جعفر بن محمد عن أبيه مرسلا أن النبي ﷺ حثا على الميت ثلاث حثيات بيديه جميعا وأنه رش على قبر ابنه إبراهيم ووضع عليه حصباء. رواه في شرح السنة وروى الشافعي من قوله: رش

তিনি তাঁর পিতা হতে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের দু’ হাতের মুষ্টি ভরে মাটি নিয়ে মাইয়্যিতের ক্ববরের উপর তিনবার দিয়েছেন। তিনি তার পুত্র ইব্রাহীমের ক্ববরে পানি ছিটিয়েছেন এবং (চিহ্ন রাখার জন্য) ক্ববরের উপর কংকর দিয়েছেন। (শারহুস্ সুন্নাহ্; ইমাম শাফি’ঈ “পানি ছিটিয়েছেন” থেকে [শেষ পর্যন্ত] বর্ণনা করেছেন) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭০৯

وعن جابر قال: نهى رسول الله ﷺ أن تجصص القبور وأن يكتب عليها وأن توطأ. رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরে সিমেন্ট চুন দিয়ে কোন কাজ করতে, তার উপর কিছু লিখতে অথবা খোদাই করে কিছু করতে নিষেধ করেছেন। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭১০

وعن جابر قال: رش قبر النبي ﷺ وكان الذى رش الماء على قبره بلال بن رباح بقربة بدأ من قبل رأسه حتى انتهى إلى رجليه. رواه البيهقي. فى دلائل النبوة

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ক্ববরের উপর পানি ছিটিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাঁর ক্ববরে বিলাল ইবনু রাবাহ (রাঃ) পানি ছিটিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি মশক দিয়ে তাঁর মাথা থেকে আরম্ভ করে পা পর্যন্ত পানি ছিটিয়ে দেন। (বায়হাক্বী- দালায়িলুল নিবুওয়াহ্) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭১১

وعن المطلب بن أبى وداعة قال: لما مات عثمان ابن مظعون أخرج بجنازته فدفن أمر النبي ﷺ رجلا أن يأتيه بحجر فلم يستطع حملها فقام إليه رسول الله ﷺ وحسر عن ذراعيه. قال المطلب: قال الذى يخبرنى عن رسول الله ﷺ: كأنى أنظر إلى بياض ذراعي رسول الله ﷺ حين حسر عنهما ثم حملها فوضعها عند رأسه وقال: «أتعلم بها قبر أخى وأدفن إليه من مات من أهلى» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, যখন ‘উসমান ইবনু মায্’ঊন (রাঃ)-এর মৃত্যুবরণ করেন, তখন তার লাশ বের করা হয় এবং তা দাফন করা হয়। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ক্ববরের চিহ্ন রাখার জন্য এক ব্যক্তিকে হুকুম দিলেন একটি বড়) পাথর আনার জন্য। লোকটি পাথর উঠিয়ে আনতে পারলেন না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা উঠিয়ে আনার জন্য উঠে দাঁড়ালেন এবং নিজের দু’ হাতের আস্তিন গুটিয়ে নিলেন। হাদীসের রাবী বলেন, যে ব্যক্তি আমার কাছে রসূলের এ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলতেন, যখন তিনি হাতা গুটাচ্ছিলেন- মনে হচ্ছে এখনো আমি রসূলের পবিত্র বাহুদ্বয়ের শুভ্রতার চমক অনুভব করছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে পাথরটি উঠিয়ে এনে ‘উসমানের ক্ববরের মাথার দিকে রেখে দিলেন এবং বললেন, আমি এ পাথর দেখে আমার ভাইয়ের ক্ববর চিনতে পারব। এখন আমার পরিবারের যে মারা যাবে তাকে এর পাশে দাফন করব।“ (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭১২

وعن القاسم بن محمد قال: دخلت على عائشة فقلت: يا أماه اكشفى لى عن قبر النبي ﷺ وصاحبيه فكشفت لى عن ثلاثة قبور لا مشرفة ولا لا طئة مبطوحة ببطحاء العرصة الحمراء. رواه أبو داود

তিনি বলেন, আমি একবার উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। আরয করলাম, হে আমার মা! যিয়ারত করার জন্য আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দু’ সাথী (আবূ বাক্‌র ও ‘উমারের) ক্ববর খুলে দিন। তিনি তিনটি ক্ববরই খুলে দিলেন। আমি দেখলাম, তিনটি ক্ববরই না খুব উঁচু না মাটির সাথে একেবারে সমতল। বরং মাটি হতে এক বিঘত উঁচু ছিল। আর এ ক্ববরগুলোর উপর (মাদীনার পাশের) আরসা ময়দানের লাল কংকর বিছানো ছিল। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭১৩

وعن البراء بن عازب قال: خرجنا مع رسول الله ﷺ في جنازة رجل من الأنصار فانتهينا إلى القبر ولم يلحد بعد فجلس النبي ﷺ مستقبل القبلة وجلسنا معه. رواه أبو داود والنسائي وابن ماجه وزاد في اخره: كأن على رؤوسنا الطير

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আনসারদের এক ব্যক্তির জানাযার জন্য বের হলাম। আমরা ক্ববরস্থানে পৌঁছে দেখলাম (এখনো ক্ববর তৈরি না হওয়ার কারণে) দাফনের কাজ শুরু হয়নি। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিবলার দিকে মুখ করে বসে গেলেন, আমরাও তাঁর সাথে বসে গেলাম। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ; ইবনু মাজাহ হাদীসের শেষে বাড়িয়েছেন, অর্থাৎ মনে হচ্ছিল আমাদের মাথার উপর পাখি বসেছে ।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৭১৪

وعن عائشة: أن رسول الله ﷺ قال: «كسر عظم الميت ككسره حيا» . رواه مالك وأبو داود وابن ماجه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তির হাড় ভাঙ্গা, জীবিতকালে তার হাড় ভাঙ্গারই মতো। (মালিক, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية