তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮০

عن عبد الرحمن بن أبى ليلى قال: كان ابن حنيف وقيس ابن سعد قاعدين بالقادسية فمر عليهما بجنازة فقاما فقيل لهما: إنها من أهل الأرض أي من أهل الذمة فقالا: إن رسول الله ﷺ مرت به جنازة فقام فقيل له: إنها جنازة يهودي. فقال: «أليست نفسا؟». (متفق عليه)

তিনি বলেন, (একদিন) সাহ্‌ল ইবনু হুনায়ফ ও ক্বায়স ইবনু সা‘দ (রাঃ) ক্বাদিসিয়্যাহ্‌ নামক স্থানে বসেছিলেন। এ সময় তাদের পাশ দিয়ে একটি জানযাহ্‌ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তা দেখে তারা উভয়েই দাঁড়িয়ে গেলেন। তাদের (দাঁড়াতে দেখে) বলা হলো, এ জানযাহ্‌ জমিনবাসীর অর্থাৎ যিম্মির। তখন উভয় সাহাবী বললেন, (তাতে কি হয়েছে? এভাবে একদিন) রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দিয়েও একটি জানাযাহ্‌ যাচ্ছিল। তা দেখে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাঁকেও বলা হয়েছিল, ‘এটা একজন ইয়াহূদীর জানযাহ্।’ এ কথা শুনে তিনি বললেন, সে মানুষ নয়? (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮১

وعن عبادة بن الصامت قال: كان رسول الله ﷺ إذا تبع جنازة لم يقعد حتى توضع في اللحد فعرض له حبر من اليهود فقال له: إنا هكذا نضع يا محمد قال: فجلس رسول الله ﷺ وقال: «خالفوهم» . رواه الترمذي وأبو داود وابن ماجه وقال الترمذي: هذا حديث غريب وبشر بن رافع الراوي ليس بالقوي

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন জানাযার সাথে গেলে যতক্ষণ পর্যন্ত তা’ ক্ববরে রাখা না হত ততক্ষণ বসতেন না। একবার এক ইয়াহূদী ‘আলিম রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এসে আরয করল, ‘হে মুহাম্মাদ! আমরাও এরূপ করি।’ অর্থাৎ মুর্দা ক্ববরে রাখার আগে বসি না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (জানাযাহ্‌ ক্ববরে রাখা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতেন না) বসে যেতেন। তিনি বলতেন, তোমরা ইয়াহূদীদের বিপরীত করবে। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ্; ইমাম তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটি গরীব। বিশ্‌র ইবনু রাফি‘ বর্ণনাকারী হিসেবে শক্তিশালী নয়।)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮২

وعن علي قال: كان رسول الله ﷺ أمرنا بالقيام في الجنازة ثم جلس بعد ذلك وأمرنا بالجلوس. رواه أحمد

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (প্রথম দিকে) আমাদেরকে জানাযাহ্‌ দেখলে দাঁড়িয়ে যেতে বলেছেন। (পরে) তিনি নিজে বসে থাকতেন। আমাদেরকেও বসে থাকতে নির্দেশ দেন। (আহ্‌মাদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৩

وعن محمد بن سيرين قال: إن جنازة مرت بالحسن بن علي وابن عباس فقام الحسن ولم يقم ابن عباس فقال الحسن: أليس قد قام رسول الله ﷺ لجنازة يهودي؟ قال: نعم ثم جلس. رواه النسائي

তিনি বলেন, একবার একটি জানাযাহ্‌ হাসান ইবনু ‘আলী ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিল। (জানাযাহ্‌ দেখে) হাসান দাঁড়িয়ে গেলেন। কিন্তু ইবনু ‘আব্বাস দাঁড়ালেন না। হাসান (ইবনু ‘আব্বাসকে দাঁড়াননি দেখে) বললেন, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি একজন ইয়াহূদীর লাশ দেখে দাঁড়িয়ে যাননি? ইবনু আব্বাস বললেন, হ্যাঁ দাঁড়িয়েছিলেন, (প্রথম দিকে) শেষের দিকে আর দাঁড়াননি। (নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৪

وعن جعفر بن محمد عن أبيه أن الحسن بن علي كان جالسا فمر عليه بجنازة فقام الناس حتى جاوزت الجنازة فقال الحسن: إنما مر بجنازة يهودي وكان رسول الله ﷺ على طريقها جالسا وكره أن تعلوا رأسه جنازة يهودي فقام. رواه النسائي

একবার হাসান ইবনু “আলী (রাঃ) (এক জায়গায়) বসেছিলেন। তাঁর সম্মুখ দিয়ে একটি জানাযাহ্‌ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লোকেরা (এ সময়) দাঁড়িয়ে গেল। তা অতিক্রম করে না যাওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকল। তা দেখে হাসান বললেন, (একবার) একটি ইয়াহূদীর লাশ যাচ্ছিল আর সে সময় রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তার পাশে বসেছিলেন। ইয়াহূদীর লাশ তাঁর মাথা ছাড়িয়ে যাক তা তিনি অপছন্দ করলেন। তাই দাঁড়িয়ে গেলেন। (নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৫

وعن أبى موسى أن رسول الله ﷺ قال: «إذا مرت بك جنازة يهودي أو نصراني أو مسلم فقوموا لها فلستم لها تقومون إنما تقومون لمن معها من الملائكة» . رواه أحمد

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কাছ দিয়ে কোন ইয়াহূদী, নাসারা অথবা মুসলিমের লাশ অতিবাহিত হতে দেখলে দাঁড়িয়ে যাবে। তোমাদের এ দাঁড়ানো লাশের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য নয়। বরং লাশের সাথে যেসব মালাক (ফেরেস্তা) থাকেন তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য। (আহ্‌মাদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৬

وعن أنس أن جنازة مرت برسول الله فقام فقيل: إنها جنازة يهودي فقال: «إنما قمت للملائكة» . رواه النسائي

রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ দিয়ে একটি জানাযাহ্‌ যাচ্ছিল। তা দেখে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। সাহাবীগণ আরয করলেন, এটা তো একজন ইয়াহূদীর জানাযাহ্‌ (একে দেখে দাঁড়াবার কারণ কি?) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাযার সম্মানে দাঁড়াইনি। তাদের সম্মানে দাঁড়িয়েছি যারা জানাযার সাথে আছেন (অর্থাৎ ফেরেশ্‌তা)। (নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৭

وعن مالك بن هبيرة قال: سمعت رسول الله ﷺ يقول: «ما من مسلم يموت فيصلى عليه ثلاثة صفوف من المسلمين إلا أوجب» . فكان مالك إذا استقل أهل الجنازة جزأهم ثلاثة صفوف لهذا الحديث. رواه أبو داود وفي رواية الترمذي: قال كان مالك بن هبيرة إذا صلى الجنازة فتقال الناس عليها جزأهم ثلاثة أجزاء ثم قال: قال رسول الله ﷺ: «من صلى عليه ثلاثة صفوف أوجب» . وروى ابن ماجه نحوه

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কোন মুসলিমের মৃত্যু ঘটলে তিন সারি বিশিষ্ট জামা'আত দ্বারা জানাযার সলাত আদায় সম্পন্ন করা গেলে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য (জান্নাত ও মাগফিরাত) ওয়াজিব করে দেন। এ কারণে মালিক ইবনু হুবায়রাহ্‌ (রাঃ) জানাযার সলাতে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা কম দেখলে এ হাদীস অনুযায়ী তাদেরকে তিন সারিতে দাঁড় করাতেন। (আবূ দাঊদ)। আর ইমাম তিরমিযীর একক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেছেন, মালিক ইবনু হুবায়রাহ্‌ যখন জানাযার সলাত আদায় করতেন, আর (উপস্থিত) মানুষের সংখ্যা কম দেখতেন, তখন তাদের তিন কাতারে বিন্যস্ত করে দিতেন। আর বলতেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তির জানাযার সলাত তিন সারি লোকে পড়ে, আল্লাহ তা’আলা তাঁর জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। ইবনু মাজাহ্ও এরুপ বর্ণনা করেছেন। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৮

وعن أبى هريرة عن النبي ﷺ في الصلاة على الجنازة: «اللهم أنت ربها وأنت خلقتها وأنت هديتها إلى الإسلام وأنت قبضت روحها وأنت أعلم بسرها وعلانيتها جئنا شفعاء فاغفر له». رواه أبو داود

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযার সলাতে এ দু’আ পড়তেন, “আল্ল-হুম্মা আন্‌তা রব্বুহা-, ওয়া আন্‌তা খলাক্বতাহা-, ওয়া আন্‌তা হাদায়তাহা- ইলাল ইস্‌লা-ম ওয়া আন্‌তা ক্ববায্তা রুহাহা-, ওয়া আন্‌তা আ’লামু বিসির্‌রিহা- ওয়া ‘আলা- নিয়াতিহা-, জি’না- শুফা’আ- আ ফাগ্‌ফির লাহূ” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! এ [জানাযার] ব্যক্তির তুমিই ‘রব’। তুমিই তাকে সৃষ্টি করেছ, তুমিই তাকে ইসলামে দীক্ষিত করেছ, তুমিই তার রুহ কবয করেছ, তুমিই তার গোপন ও প্রকাশ্য [সব কিছু] জানো। আমরা তার জন্য তোমার কাছে সুপারিশ করতে এসেছি, তুমি তাকে মাফ করে দাও।) (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৮৯

وعن سعيد بن المسيب قال: صليت وراء أبى هريرة على صبي لم يعمل خطيئة قط فسمعته يقول: اللهم أعذه من عذاب القبر. رواه مالك

তিনি বলেন, একবার আমি আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) এর পেছনে এমন একটি বালকের জানাযার সলাত আদায় করলাম, যে কক্ষনো কোন গুনাহের কাজ করেনি। আমি আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) কে তাঁর জন্য দু’আ করতে শুনলাম, “আল্ল-হুম্মা আ’ইয্‌হু মিন ‘আযা-বিল ক্বব্‌রি” (অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমি এ ছেলেটিকে ক্ববর ‘আযাব থেকে রক্ষা করো)। (মালিক) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯০

وعن البخاري تعليقا قال: يقرأ الحسن على الطفل فاتحة الكتاب ويقول: اللهم اجعله لنا سلفا وفرطا وذخرا وأجرا

ইমাম বুখারি (রহঃ) তা’লীক্ব পদ্ধতিতে (অর্থাৎ সহীহুল বুখারীর তরজমাতুল বাবে সানাদ ছাড়া, এ হাদীসটি উদ্ধৃ্ত করেছেন), হাসান (রহঃ) বাচ্চার জানাযার সলাতে (প্রথম তাকবীরের পর) সূরাহ্‌ আল ফা-তিহাহ্‌ পড়তেন। (আর তৃতীয় তাকবীরে) এ দু’আ পড়তেন, “আল্ল-হুম্মাজ্‌ ‘আল্‌হু লানা- সালাফান ওয়া ফারাত্বান ওয়া যুখ্‌রান ওয়া আজ্‌রান” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! এ ছেলেটিকে (ক্বিয়ামতের দিন) আমাদের অগ্রবর্তী ব্যবস্থাপক, রক্ষিত ভান্ডার ও সাওয়াবের কারণ বানাও)। ।[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯১

وعن جابر أن النبي ﷺ قال: الطفل لا يصلى عليه ولا يرث ولا يورث حتى يستهل . رواه الترمذي وابن ماجه إلا أنه لم يذكر: ولا يورث

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (অপূর্ণাঙ্গ) বাচ্চাদের জন্য না জানাযার সলাত আদায় করতে হবে, না তাকে কারো ওয়ারিশ বানানো যাবে। আর না তার কোন ওয়ারিশ হবে। যদি সে জন্মের সময় কোন শব্দ করে না থাকে। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ্; কিন্তু ইবনু মাজাহ্ “তারও কেউ উত্তরাধিকারী হবেনা” এমন উল্লেখ করেননি। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯২

وعن أبى مسعود الأنصاري قال: نهى رسول الله ﷺ أن يقوم الإمام فوق شيء والناس خلفه يعنى أسفل منه. رواه الدراقطني وأبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইমামকে কোন কিছুর উপর (একা) ও মুক্তাদীগণ নীচে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (দারাকুত্বনী, আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৩

عن عامر بن سعد بن أبى وقاص أن سعد بن أبى وقاص قال في مرضه الذى هلك فيه: ألحدوا لى لحدا وانصبوا على اللبن نصبا كما صنع برسول الله ﷺ. رواه مسلم

তিনি বলেন, তার পিতা সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্বক্বাস (রাঃ) মৃত্যুশয্যায় রোগাক্রান্ত অবস্থায় বলেন, আমাকে দাফন করার জন্য লাহ্‌দ (বগলী) ক্ববর তৈরী করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাফন করার জন্য যেভাবে ক্ববর খোঁড়া হয়েছিল, সেভাবে আমার উপরেও কাঁচা ইট দাঁড় করিয়ে দেবে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৪

وعن ابن عباس قال: جعل فى قبر رسول الله ﷺ قطيفة حمراء. رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ক্ববরে একটি লাল চাদর বিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৫

وعن سفيان التمار: أنه رأى قبر النبي ﷺ مسنما. رواه البخاري

তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ক্ববরকে উটের পিঠের মত (মুসান্নাম) উঁচু দেখেছেন। (বুখারি) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৬

وعن أبي الهياج الأسدي قال: قال لي علي: ألا أبعثك على ما بعثنى عليه رسول الله ﷺ: أن لا تدع تمثالا إلا طمسته ولا قبرا مشرفا إلا سويته. رواه مسلم

তিনি বলেন, “আলী (রাঃ) আমাকে বলেছেন, “আমি কি তোমাকে এমন একটি কাজের জন্য পাঠাব না, যে কাজের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে পাঠিয়েছিলেন? তা হলো, যখন তোমার চোখে কোন মূর্তি পড়বে, তা একেবারে নিশ্চিহ্ন না করে ছাড়বে না। আর উঁচু কোন ক্ববর দেখলে তাকে সমতল না করে রাখবে না। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৭

وعن جابر قال: نهى رسول الله ﷺ أن يجصص القبر وأن يبنى عليه وأن يقعد عليه. رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরে চুনকাম করতে, এর উপর ঘর বানাতে এবং বসতে নিষেধ করেছেন। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৮

وعن أبى مرثد الغنوي قال: قال رسول الله ﷺ: «لا تجلسوا على القبور ولا تصلوا إليها» . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ক্ববরের উপর বসবে না এবং ক্ববরের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করবে না। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৬৯৯

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: «لأن يجلس أحدكم على جمرة فتحرق ثيابه فتخلص إلى جلده خير له من أن يجلس على قبر» . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো অঙ্গারের উপর বসা, আর এ অঙ্গারে (পরনের) কাপড়-চোপড় পুড়ে শরীরে পৌছে যাওয়া তার জন্য উত্তম হবে ক্ববরের উপর বসা হতে। (মুসলিম) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية