দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৩

وعن أبي الدرداء وأبي ذر رضي الله عنهما قالا: قال رسول الله ﷺ: «عن الله تبارك وتعالى أنه قال: يا ابن ادم اركع لي أربع ركعات من أول النهار: أكفك اخره». رواه الترمذي

তাঁরা দু’জনে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন : হে বানী আদাম! তুমি আমার জন্য চার রাক্‘আত সলাত আদায় কর দিনের প্রথমে। আমি তোমার জন্য যথেষ্ট হবো দিনের শেষে। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৪

ورواه أبو داود والدارمي عن نعيم بن همار الغطفاني وأحمد عنهم

এ হাদীসটি নু‘আয়ম ইবনু হাম্মার আল গাত্বাফানী থেকে আবূ দাঊদ ও দারিমী বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন তাদের নিকট থেকে। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৫

وعن بريدة قال: سمعت رسول الله ﷺ يقول: «في الإنسان ثلاثمائة وستون مفصلا فعليه أن يتصدق عن كل مفصل منه بصدقة» قالوا: ومن يطيق ذلك يا نبي الله؟ قال: «النخاعة في المسجد تدفنها والشيء تنحيه عن الطريق فإن لم تجد فركعتا الضحى تجزئك» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : মানুষের শরীরে তিনশত ষাটটি জোড়া আছে। প্রত্যেক লোকের উচিত প্রত্যেকটি জোড়ার জন্যে সদাক্বাহ্ করা। সাহাবীগণ আবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কার সাধ্য আছে এ কাজ করতে? তিনি বললেন, মাসজিদে পড়ে থাকা থুথু মুছে ফেলাও একটি সদাক্বাহ্। পথ থেকে কোন কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেয়াও একটি সদাক্বাহ্। তিনশত ষাট জোড়ার সদাক্বাহ্ দেবার মতো কোন জিনিস না পেলে ‘যুহার (চাশত) দু’ রাক্‘আত সলাত আদায় করে নেয়া তোমার জন্য যথেষ্ট। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৬

وعن أنس قال: قال رسول الله ﷺ: «من صلى الضحى ثنتي عشرة ركعة بنى الله له قصرا من ذهب في الجنة» . رواه الترمذي وابن ماجه وقال الترمذي: هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : যে লোক যুহার বারো রাক্‘আত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যে জান্নাতে সোনার বালাখানা তৈরি করবেন। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ; ইমাম তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটি গরীব। এজন্যে এ সূত্র ব্যতীত আর কোন সূত্রে এ বর্ণনা পাওয়া যায়নি।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৭

وعن معاذ بن أنس الجهني قال: قال رسول الله ﷺ: «من قعد في مصلاه حين ينصرف من صلاة الصبح حتى يسبح ركعتي الضحى لا يقول إلا خيرا غفر له خطاياه وإن كانت أكثر من زبد البحر» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ফাজ্‌রের সলাত সমাপ্তির পর যে লোক তার মুসাল্লায় সূর্য উপরে উঠে আসা পর্যন্ত বসে থাকে, তারপর যুহার দু’ রাক্‘আত সালাত আদায় করে এবং এ সময়ে ভাল কথা ছাড়া আর কোন কথা না বলে, তাহলে তার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। সে গুনাহ যদি সাগরের ফেনারাশির চেয়েও অনেক হয়ে থাকে। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৮

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: «من حافظ على شفعة الضحى غفرت له ذنوبه وإن كانت مثلا زبد البحر» . رواه أحمد والترمذي وابن ماجه

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : যে লোক ‘যুহার’ (চাশত) দু’ রাক্‘আত সালাতের যত্ন নিবে, তার সকল (সগীরাহ্) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমমানের হয়। (আহমাদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩১৯

وعن عائشة أنها كانت تصلي الضحى ثماني ركعات ثم تقول: «لو نشر لى أبواي ما تركتها» . رواه مالك

তিনি চাশতের আট রাক্‘আত করে সালাত আদায় করতেন। তিনি বলতেন, আমার জন্যে যদি আমার মাতা-পিতাকেও জীবিত করে দেয়া হয় তাহলেও আমি এ সলাত ছাড়ব না। (মালিক) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩২০

وعن أبى سعيد قال: كان رسول الله ﷺ يصلي الضحى حتى نقول: لا يدعها ويدعها حتى نقول: لا يصليها. رواه الترمذي

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিয়মিতভাবে চাশতের সলাত আদায় করতে থাকতেন। আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত এ সলাত আর ছাড়বেন না। আর যখন ছেড়ে দিতেন অর্থাৎ বন্ধ করতেন, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত এ সলাত আর কখনো আদায় করবেন না। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১৩২১

وعن مورق العجلي قال: قلت لابن عمر: تصلي الضحى؟ قال: لا. قلت: فعمر؟ قال: لا. قلت: فأبو بكر؟ قال: لا. قلت: فالنبي ﷺ؟ قال: لا إخاله. رواه البخاري

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কি যুহার সালাত আদায় করেন? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, ‘উমার (রাঃ) আদায় করতেন? তিনি বললেন, না। আবার আমি প্রশ্ন করলাম, আবূ বাকর (রাঃ) কি আদায় করতেন? তিনি বললেন, না। পুনরায় আমি প্রশ্ন করলাম, তাহলে নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আদায় করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তিনিও আদায় করতেন না। (বুখারী) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية