প্রথম অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৯

عن أم حبيبة قالت: قال رسول الله ﷺ: «من صلى في يوم وليلة اثنتي عشرة ركعة بني له بيت في الجنة: أربعا قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب وركعتين بعد العشاء وركعتين قبل صلاة الفجر». رواه الترمذي وفي رواية لمسلم أنها قالت: سمعت رسول الله ﷺ يقول: «ما من عبد مسلم يصلى لله كل يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعا غير فريضة إلا بنى الله له بيتا في الجنة أو إلا بني له بيت في الجنة

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : যে লোক দিন রাতে বারো রাক্‌’আত সলাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। (সে বারো রাক্‌’আত সলাত হলো) চার রাক্‌’আত যুহরের ফার্‌যের পূর্বে আর দু’ রাক্‌’আত যুহরের (ফার্‌যের) পরে, দু’ রাক্‌’আত মাগরিবের (ফার্‌য সলাতের) পরে। দু’ রাক্‌’আত ‘ইশার ফার্‌য সলাতের পরে। আর দু’ রাক্‌’আত ফাজ্‌রের (ফার্‌য সলাতের) পূর্বে। (তিরমিযী) মুসলিমের এক বর্ণনায় শব্দ হলো উম্মু হাবীবাহ্‌ বলেছনে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মুসলিম প্রতিদিন আল্লাহ তা’আলার ফার্‌য সলাত ব্যতীত বারো রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত আদায় করবে। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। অথবা বলেছেনে, জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর বানান হবে। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬০

وعن ابن عمر قال: صليت مع رسول الله ﷺ ركعتين قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب في بيته وركعتين بعد العشاء في بيته قال: وحدثتنى حفصة: أن رسول الله ﷺ كان يصلى ركعتين خفيفتين حين يطلع الفجر. (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যুহরের ফার্‌যের পূর্বে দু’ রাক্‌’আত ও মাগরিবের ফার্‌যের পরে দু’ রাক্‌’আত সলাত তাঁর বাড়িতে এবং ‘ইশার সলাতের ফার্‌যের পর দু’ রাক্‌’আত সলাত তাঁর বাড়িতে আদায় করেছি। ইবনু ‘উমার আরো বলেছেন, হাফসাহ (রাঃ) (ইবনু ‘উমারের বোন) আমার নিকট বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হালকা দু’ রাক্‌’আত সলাত ফাজ্‌রের সলাতের সময় আরম্ভ হবার সঙ্গে সঙ্গে আদায় করতেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬১

وعن ابن عمر قال: كان النبي ﷺ لا يصلى بعد الجمعة حتى ينصرف فيصلى ركعتين في بيته. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমু’আর সলাতের পর কামরায় পৌছার পূর্বে কোন সলাত আদায় করতেন না। কামরায় পৌঁছার পর তিনি দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬২

وعن عبد الله بن شقيق قال: سألت عائشة عن صلاة رسول الله ﷺ عن تطوعه فقالت: كان يصلى في بيتى قبل الظهر أربعا ثم يخرج فيصلى بالناس ثم يدخل فيصلى ركعتين وكان يصلى بالناس المغرب ثم يدخل فيصلى ركعتين ويصلى بالناس العشاء ويدخل بيتى فيصلى ركعتين وكان يصلى من الليل تسع ركعات فيهن الوتر وكان يصلى ليلا طويلا قائما وليلا طويلا قاعدا وكان إذا قرأ وهو قائم ركع وسجد وهو قائم وإذا قرأ قاعدا ركع وسجد وهو قاعد وكان إذا طلع الفجر صلى ركعتين. رواه مسلم. وزاد أبو داود: ثم يخرج فيصلى بالناس صلاة الفجر

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফ্‌ল সলাতের ব্যাপারে ‘আয়িশাকে প্রশ্ন করেছি। ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রথমে আমার ঘরে যুহরের পূর্বে চার রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। তারপর মাসজিদে যেতেন। সেখানে লোকেদের নিয়ে (জামা’আতে যুহরের ফার্‌য) সলাত আদায় করতেন। তারপর তিনি কামরায় ফিরে আসতেন এবং দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। (ঠিক এভাবে) তিনি লোকদেরকে নিয়ে মাগরিবের সলাত মাসজিদে আদায় করতেন। তারপরে হুজরায় ফিরে এসে দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। রাতে তিনি (তাহাজ্জুদের) সলাত কখনো নয় রাক্‌’আত পড়তেন। এর মাঝে বিত্‌রের সলাতও শামিল ছিল। আর রাতে তিনি দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে ও দীর্ঘ সময় বসে বসে সলাত আদায় করতেন। যে সময় তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন ? দাঁড়ানো থেকেই রুকূ’ সাজদায় চলে যেতেন। আর যখন বসে বসে সলাত আদায় করতেন, বসা থেকেই রুকূ’ ও সাজদায় চলে যেতেন। সুবহে সাদিকের সময় ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত আদায় করে নিতেন। (মুসলিম; আবূ দাঊদ আরো কিছু বেশী শব্দ নকল করেছেন [অর্থাৎ ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত আদায় করে তিনি মাসজিদে চলে যেতেন। সেখানে লোকজনসহ ফাজ্‌রের ফার্‌য সলাত আদায় করতেন]) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৩

وعن عائشة رضي الله عنها قالت: لم يكن النبي ﷺ على شيء من النوافل أشد تعاهدا منه على ركعتي الفجر. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাফ্‌ল সলাতের মাঝে ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত সলাতের প্রতি যেমন কঠোর যত্ন নিতেন আর কোন সলাতের উপর এত কঠোর ছিলেন না। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৪

وعنها قالت: قال رسول الله ﷺ: «ركعتا الفجر خير من الدنيا وما فيها» . رواه مسلم

তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত দুনিয়া ও দুনিয়ার সকল জিনিসের চেয়ে বেশি উত্তম। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৫

وعن عبد الله بن مغفل قال: قال رسول الله ﷺ: «صلوا قبل صلاة المغرب ركعتين صلوا قبل صلاة المغرب ركعتين» . قال في الثالثة: «لمن شاء» . كراهية أن يتخذها الناس سنة. (متفق عليه)

তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মাগরিবের ফার্‌য সলাতের পূর্বে তোমরা দু’ রাক্‌’আত নাফ্‌ল সলাত আদায় কর। মাগরিবের ফার্‌য সলাতের পূর্বে তোমরা দু’ রাক্‌’আত নাফ্‌ল সলাত আদায় কর। তৃতীয়বার তিনি বলেছেন, “যিনি ইচ্ছা করেন” (তিনি তা পড়বেন)। বর্ণনাকারী বলেন : তৃতীয়বার তিনি এ কথাটি এ আশংকায় বললেন যাতে মানুস একে সুন্নাত না করে ফেলে। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৬

وعن أبى هريرة ؓ قال: قال رسول الله ﷺ: «من كان منكم مصليا بعد الجمعة فليصل أربعا» . رواه مسلم وفى أخرى له قال: «إذا صلى أحدكم الجمعة فليصل بعدها أربعا

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : তোমাদের যে লোক জুমু’আর (ফার্‌য সলাতের) পর সলাত আদায় করতে চায় সে যেন চার রাক্‌’আত সলাত আদায় করে নেয়। (মুসলিম) আর মুসলিমেরই অন্য এক সূত্রে আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন জুমু’আর (ফার্‌য) সলাত আদায় করবে সে যেন এরপর চার রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত আদায় করে নেয়। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৭

عن أم حبيبة قالت: سمعت رسول الله ﷺ يقول: «من حافظ على اربع ركعات قبل الظهر وأربع بعدها حرمه الله على النار» . رواه أحمد والترمذي وأبو داود والنسائي وابن ماجه

তিনি বলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে লোক যুহরের (ফার্‌য সলাতের) পূর্বে চার রাক্‘আত, এরপর চার রাক্‘আত সলাত আদায় করে। আল্লাহ তার ওপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেন। (আহ্‌মাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৮

وعن أبي أيوب الأنصاري قال: قال رسول الله ﷺ: «أربع قبل الظهر ليس فيهن تسليم تفتح لهن أبواب السماء» . رواه أبو داود وابن ماجه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : যুহরের (ফার্‌য) সলাতের পূর্বের চার রাক্‘আত সলাত, যার মাঝে সালাম ফিরানো হয় না, সলাতের জন্যে (তা আদায়কারীর জন্যে) আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৯

وعن عبد الله بن السائب قال: كان رسول الله ﷺ يصلى أربعا بعد أن تزول الشمس قبل الظهر وقال: «إنها ساعة تفتح فيها أبواب السماء فأحب أن يصعد لى فيها عمل صالح» . رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সূর্য হেলে যাওয়ার পর যুহরের সলাতের পূর্বে চার রাক্‘আত সলাত আদায় করতেন। তিনি বলতেন, এটা এমন এক সময় যখন (নেক ‘আমাল উপরের দিয়ে যাওয়ার জন্যে) আকাশের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। তাই এ মুহূর্তে আমার নেক ‘আমালগুলো উপরের দিকে যাক এটা আমি চাই। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭০

وعن ابن عمر قال: قال رسول الله ﷺ: «رحم الله امرءا صلى قبل العصر أربعا» . رواه أحمد والترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : আল্লাহ তা‘আলা ঐ লোকের ওপর রহ্‌মাত বর্ষণ করেন, যে লোক ‘আস্‌রের (ফার্‌য সলাতের) পূর্বে চার রাক্‘আত সলাত আদায় করে। (আহ্‌মাদ, তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭১

وعن علي قال: كان رسول الله ﷺ يصلى قبل العصر أربع ركعات يفصل بينهن بالتسليم على الملائكة المقربين ومن تبعهم من المسلمين والمؤمنين. رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আস্‌রের সলাতের (ফার্‌যের) পূর্বে চার রাক্‘আত সলাত আদায় করতেন। এ চার রাক্‘আতের মধ্যখানে সালাম ফিরানোর দ্বারা নিকটবর্তী মালাক (ফেরেশ্‌তা) এবং তাদের অনুসারী মুসলিম ও মু’মিনীনদের মাঝে পার্থক্য করতেন। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭২

وعن علي قال: كان رسول الله ﷺ يصلى قبل العصر ركعتين. رواه أبو داود

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আসরের পূর্বে দু’ রাক্‘আত সলাত আদায় করতেন। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭৩

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: «من صلى بعد المغرب ست ركعات لم يتكلم فيما بينهن بسوء عدلن له بعبادة ثنتي عشرة سنة» . رواه الترمذي وقال: هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عمر بن أبي خثعم وسمعت محمد بن إسماعيل يقول: هو منكر الحديث وضعفه جدا

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক মাগরিবের সলাতের পর ছয় রাক্’আত সলাত আদায় করবে এবং এর মধ্যখানে কেন অশালীন কথাবার্তা বলবে না। তাহলে এ (ছয়) রাক্‘আতের সাওয়াব তার জন্যে বারো বছরের ‘ইবাদাতের সাওয়াবের পরিমাণ হয়ে যাবে। (তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী এ হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এ হাদীসটি গরীব। কারণ এ হাদীস ‘উমার ইবনু খাস্‘আম-এর সূত্র ছাড়া আর কোন সূত্রে জানা যায়নি। আর আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমা‘ঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, ‘উমার ইবনু খাস‘আম মুনকারুল হাদীস। তাছাড়াও তিনি হাদীসটিকে যথেষ্ট য‘ঈফ বলেছেন।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭৪

وعن عائشة قالت: قال رسول الله ﷺ: «من صلى بعد المغرب عشرين ركعة بنى الله له بيتا في الجنة» . رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : যে লোক মাগরিবের সলাত শেষের পর বিশ রাক্‘আত সলাত আদায় করবে। আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যে জান্নাতে একটি বাড়ী বানাবেন। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭৫

وعنها قالت: ما صلى رسول الله ﷺ العشاء قط فدخل علي إلا صلى أربع ركعات أو ست ركعات. رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে সময়ই ‘ইশার সলাত আদায় করে আমার নিকট আসতেন, চার অথবা ছয় রাক্‘আত সুন্নাত সলাত অবশ্যই আদায় করতেন। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৭৬

وعن ابن عباس قال: قال رسول الله ﷺ: «إدبار النجوم الركعتان قبل الفجر وأدبار السجود الركعتان بعد المغرب» . رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ‘ইদবা-রুন নুজূম’, দ্বারা ফাজ্‌রের পূর্বে দু’ রাক্‘আত সলাত ও ‘ইদ্‌বারুস সুজূদ’ দ্বারা মাগরিবের ফার্‌য সলাতের পরের দু’ রাক্‘আত সলাত বুঝানো হয়েছে। (তিরমিযী) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية