তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৩

وعن بسر بن محجن عن أبيه أنه كان في مجلس مع رسول الله ﷺ فأذن بالصلاة فقام رسول الله ﷺ فصلى ورجع ومحجن في مجلسه فقال له رسول الله ﷺ: «ما منعك أن تصلي مع الناس؟ ألست برجل مسلم؟» فقال: بلى يا رسول الله ولكنى كنت قد صليت في أهلي فقال له رسول الله ﷺ: «إذا جئت المسجد وكنت قد صليت فأقيمت الصلاة فصل مع الناس وإن كنت قد صليت» . رواه مالك والنسائي

তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (তার পিতা মিহজান) এক সভায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। এমন সময় আযান হয়ে গেল। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের জন্যে দাঁড়িয়ে গেলেন ও সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষ করে ফিরে আসলেন। দেখলেন মিহজান তার স্থানে বসে আছে। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেন। মানুষের সঙ্গে (জামা'আতে) সলাত আদায় করতে তোমাকে কোন জিনিস নিষেধ করেছিল? তুমি কি মুসলিম না। মিহজান বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! আমি মুসলিম। কিন্তু আমি আমার পরিবারের সঙ্গে সলাত আদায় করে এসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তুমি তোমার বাড়িতে সলাত আদায় করে আসার পরে মসজিদে এসে সলাত হচ্ছে দেখলে লোকদের সঙ্গে (জামা’আতে) সলাত আদায় করবে তুমি (এর পূর্বে) সলাত আদায় করে থাকলেও। (মালিক, নাসাঈ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৪

وعن رجل من أسد بن خزيمة أنه سأل أبا أيوب الأنصاري قال: يصلى أحدنا في منزله الصلاة ثم يأتي المسجد وتقام الصلاة فأصلى معهم فأجد في نفسى شيئا من ذلك فقال أبو أيوب: سألنا عن ذلك النبي ﷺ قال: «فذلك له سهم جمع» . رواه مالك وأبو داود

তিনি আবু আইয়ুব আল আনসারী (রাঃ) কে প্রশ্ন করলেন। আমাদের কেউ বাড়িতে সলাত আদায় করে মসজিদে আসলে (জামা'আতে) সলাত হচ্ছে দেখলে তাদের সাথে সলাত পড়ি। কিন্তু আমি এ ব্যাপারে আমার মনে খটকা অনুভব করি। আবু আইয়ুব আল আনসারী জবাবে বললেন, আমিও এ সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেন, এটা (দ্বিতীয়বার সলাত আদায় করা) তার জন্যে জামা’আতের অংশ সমতুল্য। (এতে খটকার কিছু নেই)। (মালিক, আবু দাউদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৫

وعن يزيد بن عامر قال: جئت رسول الله ﷺ وهو في الصلاة فجلست ولم أدخل معهم في الصلاة فلما انصرف رسول الله ﷺ رانى جالسا فقال: «ألم تسلم يا يزيد؟» قلت: بلى يا رسول الله قد أسلمت. قال: «وما منعك أن تدخل مع الناس فى صلاتهم؟» قال: إنى كنت قد صليت في منزلى أحسب أن قد صليتم. فقال: إذا جئت الصلاة فوجدت الناس فصل معهم وإن كنت قد صليت تكن لك نافلة وهذه مكتوبة» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, (একদিন) আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম। সে সময় তিনি লোকজন নিয়ে সলাত আদায় করছিলেন। আমি (এক পাশে) বসে থাকলাম। তাদের সঙ্গে জামা'আতে অংশগ্রহণ করলাম না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করে এদিকে ফিরে আমাকে বসা অবস্থায় দেখে বললেন। তুমি কি মুসলিম না, হে ইয়াযীদ! সলাত আদায় করনি। আমি বললাম। হ্যাঁ! আমি মুসলিম হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, তাহলে লোকদের সঙ্গে সলাতে অংশগ্রহণ করতে তোমাকে নিষেধ করেছে কে? আমি বললাম, আমি আমার ঘরে সলাত আদায় করে এসেছি। আমার ধারণা ছিল আপনিও সলাত আদায় করে ফেলেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তুমি যখন মসজিদে আসবে আর লোকজনকে জামা'আতে সলাত আদায় করতে দেখবে। তখন তুমিও সলাতে অংশগ্রহণ করবে। যদি তুমি এর পূর্বে (একবার) সলাত আদায় করেও থাকো। আর এ (দ্বিতীয়বারের) সলাত তোমার জন্যে নাফল হিসেবে গণ্য হবে। আর পূর্বের পড়া সলাত ফারয হিসেবে আদায় হবে। (আবু দাউদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৬

وعن ابن عمر رضي الله عنهما: أن رجلا سأله فقال: إني أصلى في بيتى ثم أدرك الصلاة في المسجد مع الإمام أفأصلى معه؟ قال له: نعم قال الرجل: أيتهما أجعل صلاتى؟ قال عمر: وذلك إليك؟ إنما ذلك إلى الله عز وجل يجعل أيتهما شاء. رواه مالك

তিনি বলেন, এক লোক তাঁকে প্রশ্ন করল। আমি আমার বাড়িতে সলাত আদায় করে নেই। এরপর মাসজিদে আসলে (মানুষদেরকে) ইমামের সঙ্গে সলাত আদায় করা অবস্থায় পাই। আমি কি (এ অবস্থায়) এ ইমামের পেছনে সলাত আদায় করতে পারি? ইবনু উমার বললেন হ্যাঁ, পারো। তারপর ঐ লোক আবার প্রশ্ন করল। তাহলে আমার (ফরয) সলাত কোনটি মনে করব? ইবনু উমার বললেন, এটা কি তোমার কাজ? এটা আল্লাহ তা'আলার কাজ। তিনি যে সলাতকে চাইবেন ফারয হিসেবে গ্রহণ করে নেবেন। (মালিক) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৭

وعن سليمان مولى ميمونة قال: أتينا ابن عمر على البلاط وهم يصلون. فقلت: ألا تصلى معهم؟ فقال: قد صليت وإنى سمعت رسول الله يقول: «لا تصلوا صلاة في يوم مرتين» . رواه أحمد وأبو داود والنسائي

তিনি বলেন, একবার আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার-এর নিকট বালাতে (মাসজিদের আঙিনায়) আসলাম। সে সময় মানুষেরা মাসজিদে (জামা’আতে) সলাত আদায় করছিল। আমরা ইবনু ‘উমার–কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি লোকদের সঙ্গে (জামা’আতে) সলাত আদায় করছেন না কেন ? জবাবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বললেন, আমি সলাত আদায় করে ফেলেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা একই দিনে এক সলাত দু’বার আদায় করবে না। (আহমাদ, আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৮

وعن نافع قال: إن عبد الله بن عمر كان يقول: من صلى المغرب أو الصبح ثم أدركهما مع الإمام فلا يعد لهما. رواه مالك

তিনি বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, যে লোক মাগরিবের সলাত কি ফাজ্‌রের সলাত একা একা আদায় করে নিয়েছে। এরপর এ সলাতগুলোকে (অন্যত্র) ইমামকে জামা’আতে আদায় করা অবস্থায় পায় তাহলে সে এ সলাতকে পুনরায় আদায় করবে না। (মালিক) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৫৯

عن أم حبيبة قالت: قال رسول الله ﷺ: «من صلى في يوم وليلة اثنتي عشرة ركعة بني له بيت في الجنة: أربعا قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب وركعتين بعد العشاء وركعتين قبل صلاة الفجر». رواه الترمذي وفي رواية لمسلم أنها قالت: سمعت رسول الله ﷺ يقول: «ما من عبد مسلم يصلى لله كل يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعا غير فريضة إلا بنى الله له بيتا في الجنة أو إلا بني له بيت في الجنة

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : যে লোক দিন রাতে বারো রাক্‌’আত সলাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। (সে বারো রাক্‌’আত সলাত হলো) চার রাক্‌’আত যুহরের ফার্‌যের পূর্বে আর দু’ রাক্‌’আত যুহরের (ফার্‌যের) পরে, দু’ রাক্‌’আত মাগরিবের (ফার্‌য সলাতের) পরে। দু’ রাক্‌’আত ‘ইশার ফার্‌য সলাতের পরে। আর দু’ রাক্‌’আত ফাজ্‌রের (ফার্‌য সলাতের) পূর্বে। (তিরমিযী) মুসলিমের এক বর্ণনায় শব্দ হলো উম্মু হাবীবাহ্‌ বলেছনে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মুসলিম প্রতিদিন আল্লাহ তা’আলার ফার্‌য সলাত ব্যতীত বারো রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত আদায় করবে। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। অথবা বলেছেনে, জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর বানান হবে। [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬০

وعن ابن عمر قال: صليت مع رسول الله ﷺ ركعتين قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب في بيته وركعتين بعد العشاء في بيته قال: وحدثتنى حفصة: أن رسول الله ﷺ كان يصلى ركعتين خفيفتين حين يطلع الفجر. (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যুহরের ফার্‌যের পূর্বে দু’ রাক্‌’আত ও মাগরিবের ফার্‌যের পরে দু’ রাক্‌’আত সলাত তাঁর বাড়িতে এবং ‘ইশার সলাতের ফার্‌যের পর দু’ রাক্‌’আত সলাত তাঁর বাড়িতে আদায় করেছি। ইবনু ‘উমার আরো বলেছেন, হাফসাহ (রাঃ) (ইবনু ‘উমারের বোন) আমার নিকট বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হালকা দু’ রাক্‌’আত সলাত ফাজ্‌রের সলাতের সময় আরম্ভ হবার সঙ্গে সঙ্গে আদায় করতেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬১

وعن ابن عمر قال: كان النبي ﷺ لا يصلى بعد الجمعة حتى ينصرف فيصلى ركعتين في بيته. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমু’আর সলাতের পর কামরায় পৌছার পূর্বে কোন সলাত আদায় করতেন না। কামরায় পৌঁছার পর তিনি দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬২

وعن عبد الله بن شقيق قال: سألت عائشة عن صلاة رسول الله ﷺ عن تطوعه فقالت: كان يصلى في بيتى قبل الظهر أربعا ثم يخرج فيصلى بالناس ثم يدخل فيصلى ركعتين وكان يصلى بالناس المغرب ثم يدخل فيصلى ركعتين ويصلى بالناس العشاء ويدخل بيتى فيصلى ركعتين وكان يصلى من الليل تسع ركعات فيهن الوتر وكان يصلى ليلا طويلا قائما وليلا طويلا قاعدا وكان إذا قرأ وهو قائم ركع وسجد وهو قائم وإذا قرأ قاعدا ركع وسجد وهو قاعد وكان إذا طلع الفجر صلى ركعتين. رواه مسلم. وزاد أبو داود: ثم يخرج فيصلى بالناس صلاة الفجر

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফ্‌ল সলাতের ব্যাপারে ‘আয়িশাকে প্রশ্ন করেছি। ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রথমে আমার ঘরে যুহরের পূর্বে চার রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। তারপর মাসজিদে যেতেন। সেখানে লোকেদের নিয়ে (জামা’আতে যুহরের ফার্‌য) সলাত আদায় করতেন। তারপর তিনি কামরায় ফিরে আসতেন এবং দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। (ঠিক এভাবে) তিনি লোকদেরকে নিয়ে মাগরিবের সলাত মাসজিদে আদায় করতেন। তারপরে হুজরায় ফিরে এসে দু’ রাক্‌’আত সলাত আদায় করতেন। রাতে তিনি (তাহাজ্জুদের) সলাত কখনো নয় রাক্‌’আত পড়তেন। এর মাঝে বিত্‌রের সলাতও শামিল ছিল। আর রাতে তিনি দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে ও দীর্ঘ সময় বসে বসে সলাত আদায় করতেন। যে সময় তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন ? দাঁড়ানো থেকেই রুকূ’ সাজদায় চলে যেতেন। আর যখন বসে বসে সলাত আদায় করতেন, বসা থেকেই রুকূ’ ও সাজদায় চলে যেতেন। সুবহে সাদিকের সময় ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত আদায় করে নিতেন। (মুসলিম; আবূ দাঊদ আরো কিছু বেশী শব্দ নকল করেছেন [অর্থাৎ ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত আদায় করে তিনি মাসজিদে চলে যেতেন। সেখানে লোকজনসহ ফাজ্‌রের ফার্‌য সলাত আদায় করতেন]) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৩

وعن عائشة رضي الله عنها قالت: لم يكن النبي ﷺ على شيء من النوافل أشد تعاهدا منه على ركعتي الفجر. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাফ্‌ল সলাতের মাঝে ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত সলাতের প্রতি যেমন কঠোর যত্ন নিতেন আর কোন সলাতের উপর এত কঠোর ছিলেন না। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৪

وعنها قالت: قال رسول الله ﷺ: «ركعتا الفجر خير من الدنيا وما فيها» . رواه مسلم

তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ফাজ্‌রের দু’ রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত দুনিয়া ও দুনিয়ার সকল জিনিসের চেয়ে বেশি উত্তম। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৫

وعن عبد الله بن مغفل قال: قال رسول الله ﷺ: «صلوا قبل صلاة المغرب ركعتين صلوا قبل صلاة المغرب ركعتين» . قال في الثالثة: «لمن شاء» . كراهية أن يتخذها الناس سنة. (متفق عليه)

তিনি বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মাগরিবের ফার্‌য সলাতের পূর্বে তোমরা দু’ রাক্‌’আত নাফ্‌ল সলাত আদায় কর। মাগরিবের ফার্‌য সলাতের পূর্বে তোমরা দু’ রাক্‌’আত নাফ্‌ল সলাত আদায় কর। তৃতীয়বার তিনি বলেছেন, “যিনি ইচ্ছা করেন” (তিনি তা পড়বেন)। বর্ণনাকারী বলেন : তৃতীয়বার তিনি এ কথাটি এ আশংকায় বললেন যাতে মানুস একে সুন্নাত না করে ফেলে। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১৬৬

وعن أبى هريرة ؓ قال: قال رسول الله ﷺ: «من كان منكم مصليا بعد الجمعة فليصل أربعا» . رواه مسلم وفى أخرى له قال: «إذا صلى أحدكم الجمعة فليصل بعدها أربعا

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : তোমাদের যে লোক জুমু’আর (ফার্‌য সলাতের) পর সলাত আদায় করতে চায় সে যেন চার রাক্‌’আত সলাত আদায় করে নেয়। (মুসলিম) আর মুসলিমেরই অন্য এক সূত্রে আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন জুমু’আর (ফার্‌য) সলাত আদায় করবে সে যেন এরপর চার রাক্‌’আত সুন্নাত সলাত আদায় করে নেয়। [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية