তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৫

عن أبي مالك الأشعري قال: ألا أحدثكم بصلاة رسول الله ﷺ؟ قال: أقام الصلاة وصف الرجال وصف خلفهم الغلمان ثم صلى بهم فذكر صلاته ثم قال: «هكذا صلاة» قال عبد العلى: لا أحسبه إلا قال: أمتى. رواه أبو داود

তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের ব্যাপারে কিছু বলব না? (তাহলে) শুনো! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদেরকে সলাত আদায় করার জন্য (প্রথমে) পুরুষদের কাতার করালেন, এরপর তাদের পেছনে শিশুদের কাতার দাঁড় করালেন। তারপর তাদের নিয়ে সলাত আদায় করালেন। (আবূ মালিক) তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের বিবরণ দেয়ার পর বললেন, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষে বললেন, এভাবে সলাত আদায় করতে হবে। ‘আবদুল ‘আলা যিনি আবূ মালিক থেকে বর্ণনা করে বলেন, আমার মনে হয়, আবূ মালিক ‘আমার উম্মাতের’- এ কথাটিও বলেছেন। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৬

وعن قيس بن عباد قال: بينا أنا في المسجد في الصف المقدم فجبذني رجل من خلفى جبذة فنحاني وقام مقامى فوالله ما عقلت صلاتى. فلما انصرف إذا هو أبي بن كعب فقال: يا فتى لا يسوءك الله إن هذا عهد من النبي ﷺ إلينا أن نليه ثم استقبل القبلة فقال: هلك أهل العقد ورب الكعبة ثلاثا ثم قال: والله ما عليهم آسى ولكن آسى على من أضلوا. قلت يا أبا يعقوب ما تعنى بأهل العقد؟ قال: الأمراء. رواه النسائي

তিনি বলেন, একদিন আমি মাসজিদে প্রথম কাতারে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করছিলাম। এ সময় এক লোক আমাকে পেছন থেকে টেনে একপাশে নিয়ে নিজে আমার স্থানে দাঁড়ালেন। আল্লাহর শপথ! এ রাগে আমার সলাতে হুঁশ ছিল না। সলাত শেষ করার পর আমি তাকিয়ে দেখলাম তিনি উবাই ইবনু কা‘ব। আমাকে রাগান্বিত দেখে তিনি বললেন, হে যুবক! (আমার এর জন্যে) আল্লাহ তোমাকে যেন কষ্ট না দেয়! আমার জন্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়াসিয়াত ছিল, আমি যেন তাঁর নিকট দাঁড়াই। তারপর ক্বিবলাব দিকে মুখ ফিরিয়ে তিনবার এ কথা বললেন, রবের কা‘বার কসম! ধ্বংস হয়ে গেছে আহলুল ‘আক্বদ। আরো বললেন, আল্লাহর কসম! তাদের ওপর (জনগণের সম্পর্কে) আমার কোন চিন্তা নেই। চিন্তা তো হলো তাদের জন্যে যাদের নেতারা গোমরাহ করছে। ক্বায়স ইবনু ‘উবাদ বলেন, আমি উবাই ইবনু কা‘বকে বললাম। হে আবূ ইয়া‘কূব! ‘আহলুল আক্বদ’ বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন। তিনি বললেন, ‘উমারাহ্‌’ (নেতা ও শাসকবর্গ) । (নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > . প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৭

عن أبي مسعود قال: قال رسول الله ﷺ: «يؤم القوم أقرؤهم لكتب الله فإن كانوا في القراءة سواء فأعلمهم بالسنة فإن كانوا في السنة سواء فأقدمهم هجرة فإن كانوا في الهجرة سواء فأقدمهم سنا ولا يؤمن الرجل الرجل في سلطانه ولا يقعد في بيته على تكرمته إلا بإذنه». رواه مسلم. وفى رواية له: «ولا يؤمن الرجل الرجل فى أهله

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : জাতির ইমামতি এমন লোক করবেন, যিনি আল্লাহর কিতাব সবচেয়ে উত্তম পড়তে পারেন। উপস্থিতদের মাঝে যদি সকলেই উত্তম ক্বারী হন তাহলে ইমামতি করবেন ঐ লোক যিনি সুন্নাতের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী জানেন। যদি সুন্নাতের ব্যাপারে সকলে সমপর্যায়ের জ্ঞানী হন তবে যে সবার আগে হিজরত করেছেন। হিজরত করায়ও যদি সবাই এক সমান হন। তাহলে ইমামাত করবেন যিনি বয়সে সকলের চেয়ে বড়। আর কোন লোক অন্য লোকের ক্ষমতাসীন এলাকায় গিয়ে ইমামতি করবে না এবং কেউ কোন বাড়ী গিয়ে যেন অনুমতি ছাড়া বাড়ীওয়ালার আসনে না বসে। (মুসলিম; তাঁর অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে, ‘‘আর কোন লোক অন্য লোকের গৃহে গিয়ে [অনুমতি ব্যতীত] ইমামতি করবে না।”)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৮

وعن أبي سعيد قال: قال رسول الله ﷺ: «إذا كانوا ثلاثة فليؤمهم أحدهم وأحقهم بالإمام أقرؤهم» . رواه مسلم وذكر حديث مالك بن الحويرث في باب بعد باب فضل الأذان

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : তোমরা যখন তিনজন হবে; সলাত আদায় করার জন্যে একজনকে ইমাম বানাবে এবং ইমামতির জন্যে সবচেয়ে উপযুক্ত যে কুরআন সবচেয়ে ভাল পড়তে পারেন। (মুসলিম; মালিক ইবনু হুওয়াইরিস-এর হাদীসটি উল্লেখ করা হয়েছে “আযানের মর্যাদা অধ্যায়”-এর পর কোন এক অধ্যায়ের মধ্যে।) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية