তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০০

عن أنس قال: كان النبي ﷺ يقول: استووا استووا استووا فوالذي نفسي بيده إني لأراكم من خلفي كما أراكم من بين يدي . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করতেন : তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। আমার জীবন যার হাতে নিহিত তাঁর কসম করে বলছি, আমি তোমাদেরকে সামনে যেমন দেখতে পাই পেছনেও তদ্রূপ দেখতে পাই। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০১

وعن أبي أمامة قال: قال رسول الله ﷺ: «إن الله وملائكته يصلون على الصف الأول» قالوا يا رسول الله وعلى الثاني قال: «إن الله وملائكته يصلون على الصف الأول» قالوا يا رسول الله وعلى الثاني قال: «إن الله وملائكته يصلون على الصف الأول» قالوا يا رسول الله وعلى الثانى؟ قال: «وعلى الثانى» قال رسول الله ﷺ: سووا صفوفكم وحاذوا بين مناكبكم ولينوا فى أيدى إخوانكم وسدوا الخلل فإن الشيطان يدخل فيما بينكم بمنزلة الحذف» يعنى أولاد الضأن الصغار. رواه أحمد

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর মালায়িকাহ্‌ (ফেরেশতাগণ) সলাতে প্রথম সাড়িতে দাঁড়ানো লোকদের ওপর করুণা বর্ষণ করেন। এ কথা শুনে সহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! দ্বিতীয় কাতারে দাঁড়ানো লোকদের ওপর? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেন, “আল্লাহ ও তাঁর মালায়িকাহ্‌ (ফেরেশতাগণ) সলাতের প্রথম কাতারের উপর করুণা বর্ষণ করেন। সহাবীরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আর দ্বিতীয় কাতারের উপর তিনি জবাবে বললেন, দ্বিতীয় কাতারের উপরও। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেন : তোমরা তোমাদের সলাতের কাতারগুলোকে সোজা রাখো, কাঁধকে সমান করো, ভাইদের হাতের সাথে হাত নরম করে রাখো। কাতারের মাঝে খালি স্থান ছাড়বে না। তা না হলে শয়তান তোমাদের মাঝে হিজাযী ছোট কালো ছাগলের মতো ঢুকে পড়বে। অর্থাৎ ভেড়ার ছোট বাচ্চা। (আহ্‌মাদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০২

وعن ابن عمر قال: قال رسول الله ﷺ: «أقيموا الصفوف وحاذوا بين المنكاكب وسدوا الخلل ولينوا بأيدي إخوانكم ولا تذروا فرجات للشيطان ومن وصل صفا وصله الله ومن قطعه قطعه الله» . رواه أبو داود والنسائي منه قوله: «ومن وصل صفا» . إلى آخره

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : তোমরা সলাতের কাতার সোজা রাখবে। কাঁধকে সমান করো। কাতারের খালি স্থান পুরা করো। নিজেদের ভাইদের হাতে নরম থাকবে। কাতারের মধ্যে শয়তান দাঁড়াবার কোন খালি স্থান ছেড়ে দেবে না। যে লোক কাতার মিশিয়ে রাখবে আল্লাহ তা‘আলা (তাঁর রহ্‌মাতের সাথে) তাকে মিলিয়ে রাখবেন। আর যে লোক কাতার ভেঙ্গে দাঁড়াবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে তার রহ্‌মাত থেকে কেটে দেন। (আবূ দাঊদ; নাসায়ী এ হাদীসকে, ‘ওয়ামান ওয়াসালা সাফ্‌ফান’ হতে শেষ পর্যন্ত নকল করেছেন) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৩

وعن أبى هريرة ؓ قال: قال رسول الله ﷺ: «توسطوا الإمام وسدوا الخلل» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : ইমামকে মধ্যখানে রাখো, কাতারের মাঝে খালি স্থান বন্ধ করে দিও। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৪

وعن عائشة رضي الله عنها قالت: قال رسول الله ﷺ: «لا يزال قوم يتأخرون عن الصف الأول حتى يؤخرهم الله في النار» . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : কিছু লোক সব সময়ই সলাতে প্রথম কাতার থেকে পেছনে থাকে, এমনকি আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জাহান্নামের দিকে পিছিয়ে দেন। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৫

وعن وابصة بن معبد قال: رأى رسول الله ﷺ رجلا يصلى خلف الصف وحده فأمره أن يعيد الصلاة. رواه أحمد والترمذي وأبو داود وقال الترمذي هذا حديث حسن

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোককে কাতারের পেছনে একা দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতে দেখলেন। তিনি ওই লোককে আবার সলাত আদায় করার নির্দেশ দিলেন। (আহ্‌মাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ; তিরমিযী বলেন – এ হাদীসটি হাসান।) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৬

عن عبد الله بن عباس قال: بت في بيت خالتى ميمونة فقام رسول الله ﷺ يصلى فقمت عن يساره فأخذ بيدى من وراء ظهره فعدلنى كذلك من وراء ظهره إلى الشق الأيمن (متفق عليه)

তিনি বলেন, আমি আমার খালা উম্মুল মু’মিনীন মায়মূনাহ্‌ (রাঃ)-এর ঘরে রাত্রে ছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাহাজ্জুদের সলাতের জন্য দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পেছন দিয়ে তাঁর হাত দ্বারা আমার হাত ধরে পেছন দিক দিয়ে নিয়ে আমাকে তাঁর ডানপাশে দাঁড় করালেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৭

وعن جابر قال: قام رسول الله ﷺ ليصلي فجئت حتى قمت عن يساره فأخذ بيدي فأدارني حتى أقامني عن يمينه ثم جاء جبار بن صخر فقام عن يسار رسول الله ﷺ فأخذ بيدينا جميعا فدفعنا حتى أقامنا خلفه. رواه مسلم

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করার জন্যে দাঁড়ালেন। আমি এসে তাঁর বাম পাশে দাঁড়িয়ে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পেছন দিয়ে আমার ডান হাত ধরলেন। (পেছন দিয়ে টেনে এনেই) আমাকে ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। তারপর জাব্বার ইবনু সাখ্‌র আসলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বামপাশে দাঁড়িয়ে গেলেন। (এরপর) তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দু’জনের হাত একসাথে ধরলেন। আমাদেরকে (নিজ নিজ স্থান হতে) সরিয়ে এনে নিজের পেছনে দাঁড় করিয়ে দিলেন। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৮

وعن أنس قال: صليت أنا ويتيم في بيتنا خلف النبي ﷺ وأم سليم خلفنا. رواه مسلم

তিনি বলেন, আমি ও ইয়াতীম আমাদের ঘরে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সলাত আদায় করছিলাম। আর উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ছিলেন আামদের পেছনে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১০৯

وعنه أن النبي ﷺ صلى به وبأمه أو خالته قال: فأقامنى عن يمينه وأقام المرأة خلفنا. رواه مسلم

একবার নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে, তার মা ও খালাসহ সলাত আদায় করলেন। তিনি বলেন আমাকে তিনি তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন। মহিলাদেরকে দাঁড় করালেন আমাদের পেছনে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১০

وعن أبى بكرة أنه انتهى إلى النبي ﷺ وهو راكع فركع قبل أن يصل إلى الصف ثم مشى إلى الصف. فذكر ذلك للنبي ﷺ فقال: «زادك الله حرصا ولا تعد» . رواه البخاري

তিনি একবার সলাত আদায় করার জন্যে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘তে ছিলেন। রুকু‘ ছুটে যাওয়ার আশংকায় কাতারে পৌঁছার পূর্বেই তিনি তাকবীর তাহরীমা দিয়ে রুকূ‘তে চলে গেছেন। এরপর ধীরে ধীরে হেঁটে এসে কাতারে শামিল হলেন। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ ঘটনা উল্লেখ করলে তিনি বললেন, ‘আনুগত্য ও নেক ‘আমালের ক্ষেত্রে আল্লাহ তোমাদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিন। কিন্তু ভবিষ্যতে এমন করবে না। (বুখারী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১১

عن سمرة بن جندب قال: أمرنا رسول الله ﷺ إذا كنا ثلاثة أن يتقدمنا أحدنا. رواه الترمذي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন। যখন আমাদের তিন লোক সলাত আদায় করবে তখন আমাদের একজন (উত্তম ব্যক্তি) সামনে চলে যাবে অর্থাৎ ইমামতি করবে। (তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১২

وعن عمار بن ياسر: أنه أم الناس بالمدائن وقام على دكان يصلى والناس أسفل منه فتقدم حذيفة فأخذ على يديه فاتبعه عمار حتى أنزله حذيفة فلما فرغ عمار من صلاته قال له حذيفة: ألم تسمع رسول الله ﷺ يقول: «إذا أم الرجل القوم فلا يقم في مقام أرفع من مقامهم أو نحو ذلك؟» فقال عمار: لذلك اتبعتك حين أخذت على يدى. رواه أبو داود

তিনি (একদিন) মাঠে (সলাতে) মানুষের ইমামতি করছিলেন। সলাত আদায় করার জন্যে তিনি একটি চত্বরের উপর দাঁড়িয়ে গেলেন। মুক্তাদীগণ ছিলেন তার নীচে দাঁড়িয়ে। এ অবস্থা দেখে হুযায়ফাহ্‌ কাতার থেকে বেরিয়ে এসে সামনের দিকে গেলেন এবং ‘আম্মারের হাত ধরলেন। ‘আম্মার তাঁকে অনুকরণ করলেন। হুযায়ফাহ্‌ তাঁকে নীচে নামিয়ে দিলেন। ‘আম্মারের সলাত শেষ হওয়ার পর হুযায়ফাহ্‌ তাঁকে বললেন। আপনি কি জানেননি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন : কোন লোক জামা‘আতে সলাতের ইমাম হলে তার দাঁড়াবার স্থান যেন মুক্তাদীদের দাঁড়াবার স্থান হতে উঁচু না হয়। অথবা এ রকমের কোন শব্দ উচ্চারণ করেছেন। ‘আম্মার উত্তর দিলেন, এ জন্যেই তো আপনি যখন আামার হাত ধরেছেন আমি আপনার অনুসরণ করেছি। (আবূ দাঊদ)[১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৩

وعن سهل بن سعد الساعدي أنه سئل: من أي شيء المنبر؟ فقال: هو من أثل الغابة عمله فلان مولى فلانة لرسول الله ﷺ وقام عليه رسول الله ﷺ حين عمل ووضع فاستقبل القبلة وكبر وقام الناس خلفه فقرأ وركع وركع الناس خلفه ثم رفع رأسه ثم رجع القهقرى فسجد على الأرض ثم عاد إلى المنبر ثم قرأ ثم ركع ثم رفع رأسه ثم رجع القهقرى حتى سجد بالأرض. هذا لفظ البخاري وفي المتفق عليه نحوه وقال في اخره: فلما فرغ أقبل على الناس فقال: أيها الناس إنما صنعت هذا لتأتموا بي ولتعلموا صلاتي

একদিন তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মিম্বার কিসের তৈরি ছিল? তিনি বললেন, জঙ্গলের ঝাউ কাঠের তৈরি ছিল। সেটাকে অমুক মহিলার স্বাধীন করা গোলাম অমুকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্যে তৈরি করেছিলেন। সেটা তৈরি হয়ে গেলে, মাসজিদে রাখা হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর দাঁড়ালেন। ক্বিবলামুখী হয়ে সলাতের জন্য তাকবীর তাহ্‌রীমা বাঁধলেন। সকলে তার পেছনে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের উপর হতেই ক্বিরাআত পাঠ করলেন। রুকূ‘ করলেন। অন্যান্য লোকও তাঁর পেছনে রুকূ‘ করলেন। অতঃপর তিনি রুকূ‘ হতে মাথা উত্তোলন করলেন। এরপরে মিম্বার থেকে পা নামিয়ে জমিনে সাজদাহ্‌ করলেন। এরপর পুনরায় তিনি মিম্বারে উঠলেন। কুরআন পড়লেন। রুকূ‘ করলেন রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করলেন, তারপর পেছনে সরে আসলেন এমনকি জমিনে সাজদাহ্‌ করলেন। [এ ভাষা বুখারী (রহঃ)-এর একক; আবার বুখারী মুসলিমের মিলিত বিবরণটা এরূপ। এ হাদীসের বর্ণনাকারী হাদীসের শেষে এ উক্তি পেশ করলেন। যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত হতে অবসর হলেন, তখন বললেন, “আমি এজন্যে এ ‘আমাল করেছি, তোমরা যেন আমার অনুকরণ করো। আমার সলাতের পরিস্থিতি, এর বিধানাবলী জানতে পার।] [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১১১৪

وعن عائشة رضى الله عنها قالت: صلى رسول الله ﷺ فى حجرته والناس يأتمون به من وراء الحجرة. رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের কামরায় সলাত আদায় করলেন। আর লোকেরা কামরার বাইরে হতে তাঁর সাথে সলাতের ইকতেদা করলেন। (আবূ দাঊদ) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية