প্রথম অনুচ্ছেদ - মিশকাতুল মাসাবিহ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫২

عن ابن عمر قال: قال رسول الله ﷺ: «صلاة الجماعة تفضل صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة». (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একা একা সলাত আদায় করার চেয়ে জামা‘আতে সলাত আদায় করলে সাতাশ গুণ সাওয়াব বেশি হয়। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৩

وعن أبى هريرة ؓ قال: قال رسول الله ﷺ: «والذي نفسي بيده لقد هممت أن آمر بحطب فيحطب ثم آمر بالصلاة فيؤذن لها ثم آمر رجلا فيؤم الناس ثم أخالف إلى رجال. وفي رواية: لا يشهدون الصلاة فأحرق عليهم بيوتهم والذي نفسي بيده لو يعلم أحدهم أنه يجد عرقا سمينا أو مرماتين حسنتين لشهد العشاء». رواه البخاري ولمسلم نحوه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ ঐ পবিত্র সত্বার শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন নিবদ্ধ। আমি মনে করেছি কোন (খাদিমকে) লাকড়ি জোগার করার আদেশ করব। লাকড়ি জোগার করা হলে আমি (‘ইশার) সলাতের আযান দিতে আদেশ করব। আযান হয়ে গেলে সলাতের ইমামতি করার জন্যে কাউকে আদেশ করব। তারপর আমি ঐসব লোকের খোঁজে বের হবো (যারা কোন কারণ ছাড়া জামা‘আতে সলাত পড়ার জন্য আসেনি)। অপর সূত্রে আছেঃ রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেন, আমি ঐসব লোকের কাছে যাবো যারা সলাতে হাযির হয় না এবং আমি তাদেরকে ঘরবাড়ীসহ জ্বালিয়ে দেব। সে সত্বার কসম যার হাতে আমার জীবন আবদ্ধ! যারা সলাতের জামা‘আতে অংশ গ্রহণ করে না তাদের কোন ব্যক্তি যদি জানে যে, মাসজিদে মাংস সহ হাড় অথবা (গাভী ও বকরীর) দু’টি ভাল খুর পাওয়া যাবে, তাহলে সে অবশ্যই ‘ইশার সলাতে উপস্থিত হয়ে যেত। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৪

وعنه قال: أتى النبي ﷺ رجل أعمى فقال: يا رسول الله إنه ليس لي قائد يقودنى إلى المسجد فسأل رسول الله ﷺ أن يرخص له فيصلي فى بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال: «هل تسمع النداء بالصلاة؟» قال: نعم قال: فأجب . رواه مسلم

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একজন অন্ধলোক এসে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার এমন কোন চালক নেই যে আমাকে মাসজিদে নিয়ে যাবে। তিনি রসূলের নিকট আবেদন করলেন, তাকে যেন ঘরে সলাত আদায়ের অবকাশ দেয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অবকাশ দিলেন। সে ফিরে চলে যাওয়া মাত্রই তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার তাকে ডাকলেন এবং বললেন, তুমি কি সলাতের আযান শুনতে পাও? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে অবশ্যই আযানের সাড়া দিবে (অর্থাৎ নিজেকে জামা‘আতে শরীক করবে)। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৫

وعن ابن عمر: أنه أذن بالصلاة في ليلة ذات برد وريح ثم قال ألا صلوا في الرحال ثم قال: إن رسول الله ﷺ كان يأمر المؤذن إذا كانت ليلة ذات برد ومطر يقول: ألا صلوا في الرحال. (متفق عليه)

তিনি এক শৈত্য প্রবাহে শীতের রাতে সলাতের আযান দিলেন। আযান দেয়ার পর তিনি বললেন, সাবধান! তোমরা নিজ নিজ আবাসে সলাত আদায় কর। এরপর বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঠাণ্ডা শীত-বৃষ্টি মুখর রাতে মুয়ায্‌যিনকে আদেশ দিতেন সে আযান দেয়ার পর যেন বলে দেয়, ‘সাবধান! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে সলাত আদায় কর।’ (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৬

وعنه قال: قال رسول الله ﷺ: إذا وضع عشاء أحدكم وأقيمت الصلاة فابدؤوا بالعشاء ولا يعجل حتى يفرغ منه وكان ابن عمر يوضع له الطعام وتقام الصلاة فلا يأتيها حتى يفرغ منه وإنه ليسمع قراءة الإمام. (متفق عليه)

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কারো রাতের খাবার সামনে রাখা হলে এমতাবস্থায় সলাতের তাকবীর বলা হলে, তখন রাত্রের খাবার খাওয়া শুরু করবে। খাবার খেতে তাড়াহুড়া করবে না খাবার শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ইবুন ‘উমার (রাঃ)-এর সামনে খাবার রাখা হত এমতাবস্থায় সলাত শুরু হলে তিনি খাবার খেয়ে শেষ করার আগে সলাতের জন্য যেতেন না, এমনকি তিনি ইমামের ক্বিরাআত শুনতে পেলেও। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৭

وعن عائشة رضي الله عنها أنها قالت: سمعت رسول الله ﷺ يقول: لا صلاة بحضرة طعام ولا هو يدافعه الأخبثان. رواه مسلم

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ইরশাদ করতে শুনেছিঃ খাবার সামনে রেখে কোন সলাত নেই এবং দু’ অনিষ্ট কাজ (পায়খানা-পেশাব) চেপে রেখেও কোন সলাত নেই। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৮

وعن أبى هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: إذا أقيمت الصلاة فلا صلاة إلا المكتوبة . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ সালতের ইক্বামাত দেয়া হলে তখন ফার্‌য সলাত ব্যতীত অন্য কোন সলাত নেই। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৫৯

وعن ابن عمر قال: قال النبي ﷺ: إذا استأذنت امرأة أحدكم إلى المسجد فلا يمنعها. (متفق عليه)

তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো স্ত্রী যদি মাসজিদে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। (বুখারী, মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬০

وعن زينب امرأة عبد الله بن مسعود قالت: قال لنا رسول الله ﷺ: إذا شهدت إحداكن المسجد فلا تمس طيبا . رواه مسلم

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কোন নারী মাসজিদে গেলে সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬১

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله ﷺ: أيما امرأة أصابت بخورا فلا تشهد معنا العشاء الاخرة . رواه مسلم

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যে সব মহিলা সুগন্ধি লাগায় তারা যেন ‘ইশার সলাতে আমাদের সঙ্গে আংশগ্রহণ না করে। (মুসলিম) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬২

عن ابن عمر قال: قال رسول الله ﷺ: لا تمنعوا نساءكم المساجد وبيوتهن خير لهن . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে মাসজিদে আসতে নিষেধ করো না। তবে সলাত আদায়ের জন্য তাদের জন্যে ঘরই উত্তম। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৩

وعن ابن مسعود قال: قال رسول الله ﷺ: صلاة المرأة في بيتها أفضل من صلاتها في حجرتها وصلاتها في مخدعها أفضل من صلاتها في بيتها . رواه أبو داود

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, মহিলাদের তাদের ঘরের মাঝে সলাত আদায় করা তাদের বাইরের ঘরে সলাত আদায় করার চেয়ে ভাল। আবার কোন কামরায় তাদের সলাত আদায় করা তাদের ঘরে সলাত আদায় করার চেয়ে ভাল। (আবূ দাঊদ) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৪

وعن أبي هريرة قال: إني سمعت حبي أبا القاسم ﷺ يقول: «لا تقبل صلاة امرأة تطيبت للمسجد حتى تغتسل غسلها من الجنابة» . رواه أبو داود وروى أحمد والنسائي نحوه

তিনি বলেন, আমি আমার মাহবুব আবুল ক্বাসিম (রসূলুল্লাহ) (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ ঐ মহিলার সলাত কবূল হবে না যে সুগন্ধি মেখে মাসজিদে যায়, যতক্ষণ সে গোসল না করে নাপাকী থেকে গোসল করার ন্যায়। (আবূ দাঊদ, আহ্‌মাদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৫

وعن أبي موسى قال: قال رسول الله ﷺ: كل عين زانية وإن المرأة إذا استعطرت فمرت بالمجلس فهي كذا وكذا . يعني زانية. رواه الترمذي ولأبي داود والنسائي نحوه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ প্রতিটি চক্ষুই ব্যভিচারী। আর যে মহিলা সুগন্ধি দিয়ে পুরুষদের সভায় যায় সে এমন এমন অর্থাৎ ব্যভিচারকারিণী। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৬

وعن أبي بن كعب قال: صلى بنا رسول الله ﷺ يوما الصبح فلما سلم قال: أشاهد فلان؟ قالوا: لا. قال: أشاهد فلان؟ قالوا: لا. قال: «إن هاتين الصلاتين أثقل الصلوات على المنافقين ولو تعلمون ما فيهما لأتيتموهما ولو حبوا على الركب وإن الصف الأول على مثل صف الملائكة ولو علمتم ما فضيلته لابتدرتموه وإن صلاة الرجل مع الرجل أزكى من صلاته وحده وصلاته مع الرجلين أزكى من صلاته مع الرجل وما كثر فهو أحب إلى الله . رواه أبو داود والنسائي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদেরকে নিয়ে ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম ফিরানোর পর বললেন, অমুক লোক কি হাযির আছে? সহাবীগণ বললেন, না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুণরায় বললেন, অমুক লোক কি হাযির আছে? সহাবীগণ বললেন, না। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সব সলাতের মাঝে এ দু’টি সলাত (ফাজ্‌র ও ‘ইশা) মুনাফিক্বদের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য। তোমরা যদি জানতে এ দু’টি সলাতের মাঝে কত পুণ্য, তাহলে তোমরা হাঁটুর উপর ভর করে হলেও সলাতে আসতে। সলাতের প্রথম কাতার মালায়িকাহ্‌’র (ফেরেশ্‌তাদের) কাতারের মতো (মর্যাদাপূর্ণ)। তোমরা যদি প্রথম কাতারের ফাযীলাত জানতে তবে এতে অংশগ্রহণ করার জন্য তাড়াতাড়ি পৌছার চেষ্টা করতে। আর একা একা সলাত আদায় করার চেয়ে অন্য একজন লোকের সঙ্গে মিলে সলাত আদায় করা অনেক সাওয়াব। আর দু’জনের সাথে মিলে সলাত আদায় করলে একজনের সাথে সলাত আদায় করার চেয়ে অধিক সাওয়াব পাওয়া যায়। আর যত বেশী মানুষের সঙ্গে মিলে সলাত আদায় করা হয়, তা আল্লাহর নিকট তত বেশী প্রিয়। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৭

وعن أبي الدرداء قال: قال رسول الله ﷺ: ما من ثلاثة في قرية ولا بدو لا تقام فيهم الصلاة إلا قد استحوذ عليهم الشيطان فعليك بالجماعة فإنما يأكل الذئب القاصية . رواه أحمد وأبو داود والنسائي

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যে গ্রামে বা জঙ্গলে তিনজন মানুষ বসবাস করবে, সে স্থানে জামা‘আতে সলাত আদায় করা না হলে তাদের ওপর শয়তান জয়ী হয়। অতএব তুমি জামা‘আতকে নিজের জন্যে অপরিহার্য করে নাও। কারণ দলচ্যুত ছাগলকে নেকড়ে বাঘ ধরে খেয়ে ফেলে। (আহ্মাদ, আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৮

وعن ابن عباس قال: قال رسول الله ﷺ: من سمع المنادي فلم يمنعه من اتباعه عذر» قالوا وما العذر؟ قال: «خوف أو مرض لم تقبل منه الصلاة التي صلى . رواه أبو داود والدارقطني

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যে লোক মুয়ায্যিনের আযান শ্রবণ করল এবং আযান শেষে সলাতের জামা‘আতে হাযির হতে তার কোন বাধা সৃষ্টিকারী ওযর না থাকে। লোকেরা প্রশ্ন করল, ওযর কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ভয় বা রোগ (জামা‘আত ছেড়ে দেয়ায়) তার সলাত কবূল হবে না যা সে আদায় করেছে। (আবূ দাঊদ, দারাকুত্বনী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৬৯

وعن عبد الله بن أرقم قال: سمعت رسول الله ﷺ يقول: إذا أقيمت الصلاة ووجد أحدكم الخلاء فليبدأ بالخلاء . رواه الترمذي وروى مالك وأبو داود والنسائي نحوه

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ সলাতের ইক্বামাত হয়ে গেলে তখন তোমাদের কারো পায়খানার বেগ ধরলে সে যেন আগে পায়খানা করে নেয়। (তিরমিযী, মালিক, আবূ দাঊদ, নাসায়ী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৭০

وعن ثوبان قال: قال رسول الله ﷺ: «ثلاث لا يحل لأحد أن يفعلهن: لا يؤمن رجل قوما فيخص نفسه بالدعاء دونهم فإن فعل ذلك فقد خانهم. ولا ينظر في قعر بيت قبل أن يستأذن فإن فعل ذلك فقد خانهم ولا يصل وهو حقن حتى يتخفف». رواه أبو داود وللترمذي نحوه

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করলেনঃ তিনটি জিনিস এমন আছে যা করা কারো জন্য বৈধ নয়। প্রথম, কোন লোক যদি কোন জামা‘আতে ইমামতি করে, দু‘আয় জামা‘আতকে অংশগ্রহণ না করে শুধু নিজের জন্য দু‘আ করে। যদি সে এমন করে তাহলে সে জামা‘আতের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল। দ্বিতীয়, কোন ব্যক্তি যেন কারো ভেতর বাড়িতে অনুমতি ছাড়া দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে। যদি কেউ এমন করে তবে সে ব্যক্তি ঐ ঘরওলাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল। তৃতীয়, কারো পায়খানায় যাওয়ার দরকার হলে সে তা থেকে হালকা না হয়ে সলাত আদায় করবে না। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী) [১]


মিশকাতুল মাসাবিহ ১০৭১

وعن جابر قال: قال رسول الله ﷺ: لا تؤخروا الصلاة لطعام ولا لغيره . رواه في شرح السنة

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ আহার বা অন্য কোন কারণে সলাতে দেরি করবে না। (শারহুস্ সুন্নাহ্) [১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية