মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৫৯
عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: كنت أعرف انقضاء صلاة رسول الله ﷺ بالتكبير. (متفق عليه)
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত শেষ হওয়াটা বুঝতাম ‘আল্লা-হু আকবার’ বলার মাধ্যমে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬০
وعن عائشة رضي الله عنها قالت: كان رسول الله ﷺ إذا سلم لم يقعد إلا مقدار ما يقول: اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والإكرام . رواه مسلم
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের সালাম ফিরাবার পর শুধু এ দু’আটি শেষ করার পরিমান সময় অপেক্ষা করতেন, “আল্লাহুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া যালজালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তির আঁধার। তোমার পক্ষ থেকেই শান্তি। তুমি বারাকাতময় হে মহামহিম ও মহা সম্মানিত)। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬১
وعن ثوبان ؓ قال: كان رسول الله ﷺ إذا انصرف من صلاته استغفر ثلاثا وقال: اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والإكرام . رواه مسلم
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের সালাম ফিরানোর পর তিনবার “আস্তাগফিরুল্ল-হ” বলতেন, তারপর এ দু’আ পড়তেন: “আল্লাহুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস্ সালা-ম, তাবা-রকতা ইয়া- যালজালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমিই শান্তির আধাঁর। তোমার পক্ষ থেকেই শান্তি। তুমি বারাকাতময় হে মহামহিম ও মহা সম্মানিত) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬২
وعن المغيرة بن شعبة أن النبي ﷺ: كان يقول فى دبر كل صلاة مكتوبة: لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد. (متفق عليه)
নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব ফারয সলাতের পরে এ দু’আ পড়তেন: “লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আ’ত্বয়তা, ওয়ালা-মু’ত্বিয়া লিমা- মানা’তা, ওয়ালা-ইয়ানফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু” (অর্থাৎ আল্লাহ ভিন্ন কোন উপাস্য নেই। তিনি অদ্বিতীয় l তার কোন অংশীদার নেই l রাজত্ব একমাত্র তারই এবং সব প্রশংসা একমাত্র তার জন্যে l তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো, কেউ নেই তা ফিরাবার। আর যা তুমি দান করতে বারণ করো, কেউ নেই তা দান করার। ধনবানকে ধন-সম্পদে পারবে না কোন উপকার করতে আপনার আক্রোশ-এর সামনে) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৩
وعن عبد الله بن الزبير قال: كان رسول الله ﷺ إذا سلم من صلاته يقول بصوته الأعلى: لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير لا حول ولا قوة إلا بالله، لا إله إلا الله ولا نعبد إلا إياه له النعمة وله الفضل وله الثناء الحسن لا إله إلا الله مخلصين له الدين ولو كره الكافرون . رواه مسلم
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাতের সালাম ফিরানোর পর উচ্চকন্ঠে বলতেন, “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া আলা-কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, লা-হাওলা ওয়ালা-ক্যুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ, লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা-না’বুদু ইল্লা- ঈয়্যাহু, লাহুন নি’মাতু, ওয়ালাহুল ফাযলু, ওয়ালাহুস সানা-উল হাসানু, লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীন, ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন” (অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন মা’বুদ নেই, তিনি এক তাঁর কোন শারীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর এবং তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাশীল। কোন অন্যায় ও অনিষ্ট হতে মুক্তি পাওয়ার কোন উপায় নেই এবং কোন সৎ কাজ করারও ক্ষমতা নেই একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া। আল্লাহ ছাড়া সত্যিাকার কোন মা’বূদ নেই, আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদাত করি, যাবতীয় নি’আমত ও অনুগ্রহ একমাত্র তাঁরই পক্ষা থেকে এবং উত্তম প্রশংসাও তাঁর। আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোন মা’বুদ নেই। আমরা তাঁর দেয়া জীবন বিধান একমাত্র তাঁর জন্য একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফিরদের নিকট তা অপ্রীতিকর। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৪
وعن سعد أن كان يعلم بنيه هؤلاء الكلمات ويقول: إن رسول الله ﷺ كان يتعوذ بهن دبر الصلاة: اللهم إني أعوذ بك من الجبن وأعوذ بك من البخل وأعوذ بك من أرذل العمر وأعوذ بك من فتنة الدنيا وعذاب القبر . رواه البخاري
তিনি তার সন্তানদেরকে দু’আর এ কালিমাগুলো শিক্ষা দিতেন ও বলতেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের পর এ কালিমাগুলো দ্বারা আল্লাহর নিকটে আশ্রয় চাইতেন: “আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল জুবনি, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিনাল বুখলি, ওয়া আ’উযুবিকা মিন আরযালিল উমুরি, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া-ওয়া আযা-বিল ক্ববরি” (অর্থাৎ হে আল্লাহ!আমি কাপুরুষতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। বখিলী থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। নিষ্কর্মা জীবন থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। দুনিয়ার ফিতনাহ ও ক্ববরের শাস্তি থেকে তোমার নিকটে আশ্রয় চাই)।[১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৫
وعن أبي هريرة قال: إن فقراء المهاجرين أتوا رسول الله ﷺ فقالوا: قد ذهب أهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم فقال وما ذاك قالوا يصلون كما نصلى ويصومون كما نصوم ويتصدقون ولا نتصدق ويعتقون ولا نعتق فقال رسول الله ﷺ: أفلا أعلمكم شيئا تدركون به من سبقكم وتسبقون به من بعدكم ولا يكون أحد أفضل منكم إلا من صنع مثل ما صنعتم» قالوا بلى يا رسول الله قال: تسبحون وتكبرون وتحمدون دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين مرة . قال أبو صالح: فرجع فقراء المهاجرين إلى رسول الله ﷺ فقالوا سمع إخواننا أهل الأموال بما فعلنا ففعلوا مثله فقال رسول الله ﷺ: ذلك فضل الله يؤته من يشاۤء . وليس قول أبي صالح إلى اخره إلا عند مسلم وفي رواية للبخاري: تسبحون في دبر كل صلاة عشرا وتحمدون عشرا وتكبرون عشرا. بدل ثلاثا وثلاثين. (متفق عليه)
তিনি বলেন, দরিদ্র মুহাজিরগণ রসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট হাযির হয়ে আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! ধন-সম্পদশালী লোকজন সম্মানে ও স্থায়ী নি’আমতের ব্যাপারে আমাদের থেকে অনেক অগ্রগামী। তিনি বললেন, এটা কিভাবে? তারা বললেন, আমরা যেমন সলাত আদায় করি তারাও আমাদের মতই সলাত আদায় করে, আমাদের মতো সওম পালন করে। তবে যারা দান-সদক্বাহ করে। আমরা তা করতে পারি না। তারা গোলাম মুক্ত করে, আমরা গোলাম মুক্ত করতে পারি না। অতঃপর রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদেরকে কি আমি এমন কিছু শিখাব না যার দ্বারা তোমরা তোমাদের অগ্রগামীদের মর্যাদায় পৌঁছতে পারবে এবং তোমাদের পশ্চাদগামীদের চেয়ে আগে যেতে পারবে, কেউ তোমাদের চেয়ে বেশী উত্তম হতে পারবে না, তারা ছাড়া যারা তোমাদের মতো আমাল করবে? গরীব লোকেরা বললেন, বলুহ হে আল্লাহর রসূল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা প্রতি সলাতের পর ‘সুবহা-নাল্লাহ’, ‘আল্ল-হু আকবার’, ‘আলহামদু লিল্লা-হ’ তেত্রিশবার করে পড়বে। রাবী আবূ সালিহ বলেন, পরে সে গরীব মুহাজিরগণ রসূলের দরবারে ফিরে এসে বললেন, আমাদের ধনী লোকেরা আমাদের আমালের কথা শুনে তারাও তদ্রূপ আমার করছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা আল্লাহ তা’আলার কুরুনা, যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। (বুখারী, মুসলিম; আবূ সালিহ-এর কথা শুধু মুসলিমেই বর্ণিত। বুখারীর অন্য বর্ণনায় তেত্রিশবারের স্থানে প্রতি সলাতের পর দশবার করে ‘সুবহা-নাল্ল-হ’, আলাহমাদু লিল্লা-হ, ‘আল্ল-হু আকবার’ পাঠ করার কথা পাওয়া যায়। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৬
وعن كعب بن عجرة قال: قال رسول الله ﷺ: معقبات لا يخيب قائلهن أو فاعلهن دبر كل صلاة مكتوبة: ثلاث وثلاثون تسبيحة ثلاث وثلاثون تحميدة وأربع وثلاثون تكبيرة . رواه مسلم
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রতি ফারয সলাতের পর পাঠ করার মতো কিছু কালিমাহ আছে যেগুলো পাঠকারী বা আমালকারী বঞ্চিত হয় না। সে কালিমাগুলো হলো: ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ তেত্রিশবার, ‘আলহামদু লিল্লাহ’ তেত্রিশবার ও ‘আল্ল-হু আকবার’ চৌত্রিশবার করে পড়া। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৭
وعن أبي هريرة ؓ قال: قال رسول الله ﷺ: من سبح الله فى دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وحمد الله ثلاثا وثلاثين وكبر الله ثلاثا وثلاثين فتلك تسعة وتسعون وقال تمام المائة: لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير غفرت خطاياه وإن كانت مثل زبد البحر. رواه مسلم
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে লোক প্রত্যেক সলাতের শেষে ‘সুব্হা-নাল্ল-হ’ তেত্রিশবার, ‘আলহাম্দু লিল্লা-হ’ তেত্রিশবার এবং ‘আল্ল-হু আকবার’ তেত্রিশবার পড়বে, যার মোট সংখ্যা হবে নিরানব্বই বার, একশত পূর্ণ করার জন্যে একবার “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহূ লা-শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুওয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর” (অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত সত্যিকার কোন উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই। সমগ্র রাজত্ব একমাত্র তাঁরই ও সকল প্রকারের প্রশংসা তাঁরই জন্য এবং তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান।) পাঠ করবে, তাহলে তার সব পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যদি তা সাগরের ফেনারাশির সমানও হয়। (মুসলিম) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৮
عن أبي أمامة قال: قيل: يا رسول الله أي الدعاء أسمع؟ قال: جوف الليل الاخر ودبر الصلوات المكتوبات . رواه الترمذي
তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! কোন্ (সময়ের) দু‘আ (আল্লাহর কাছে) বেশী শ্রুতি হয়। তিনি বললেন, শেষ রাতের মধ্যের (দু‘আ) এবং ফার্য সলাতের শেষের দু‘আ। (তিরমিযী) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৬৯
وعن عقبة بن عامر قال: أمرني رسول الله ﷺ أن أقرأ بالمعوذات في دبر كل صلاة. رواه احمد وأبو داود والنسائي والبيهقي في الدعوات الكبير
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে প্রতি সলাতের শেষে “কুল আ’ঊযু বিরাব্বিন্ না-স” ও “কুল আ’ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব” পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন”। (আহ্মাদ, আবূ দাঊদ, নাসায়ী, বায়হাক্বী-দা‘ওয়াতুল কাবীর) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৭০
وعن أنس قال: قال رسول الله ﷺ: «لأن أقعد مع قوم يذكرون الله من صلاة الغداة حتى تطلع الشمس أحب إلي من أن أعتق أربعة من ولد إسماعيل ولأن أقعد مع قوم يذكرون الله من صلاة العصر إلى أن تغرب الشمس أحب إلي من أن أعتق أربعة» . رواه أبو داود
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যারা ফাজ্রের সলাত শেষ করে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিক্রে লিপ্ত থাকে তাদের সঙ্গে আমার বসে থাকা, ইসমা’ঈল (আঃ)–এর সন্তান থেকে চারজনকে দাসত্বমুক্ত করার চেয়ে আমার কাছে অধিক প্রিয়। আর যারা ‘আস্রের সলাতের শেষে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর যিক্রে লিপ্ত থাকে তাদের সঙ্গে আমার বসে থাকা, চারজনকে আযাদ করার চেয়ে আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। (আবূ দাঊদ) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৭১
وعنه قال: قال رسول الله ﷺ: «من صلى الفجر فى جماعة ثم قعد يذكر الله حتى تطلع الشمس ثم صلى ركعتين كانت له كأجر حجة وعمرة» . قال: قال رسول الله ﷺ: «تامة تامة تامة» . رواه الترمذي
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যাক্তি ফাজ্রের সলাত জামা‘আতে আদায় করল, অতঃপর বসে বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিক্র করতে থাকল, তারপর দু’ রাক্‘আত সলাত আদায় করল, সে একটি পূর্ণ হাজ্জ ও একটি সম্পূর্ণ ‘উমরার সমান সাওয়াবপ্রাপ্ত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথাটি তিনবার বলেছেন, সম্পূর্ণ হাজ্জ ও সম্পূর্ণ ‘উমরার সাওয়াবপ্রাপ্ত হবে। (তিরমিযী) [১]