অহংকার প্রদর্শন ও গর্ববোধ করা অবৈধ - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > অহংকার প্রদর্শন ও গর্ববোধ করা অবৈধ

রিয়াদুস সলেহিন ৬১৭

وعنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة، ولايزكيهم، ولا ينظر إليهم ، ولهم عذاب أليم‏:‏ شيخ زان وملك كذاب، وعائل مستكبر” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহঙ্কার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’’ একটি লোক বলল, ‘মানুষ তো ভালবাসে যে, তার পোশাক সুন্দর হোক ও তার জুতো সুন্দর হোক, (তাহলে)?’ তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্যকে ভালবাসেন। (সুন্দর পোশাক ও সুন্দর জুতো ব্যবহার অহংকার নয়, বরং) অহংকার হল, সত্য প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৮

وعنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “قال الله عز وجل‏:‏ العز إزاري والكبرياء ردائي، فمن ينازعني في واحد منهما فقد عذبته” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার বাম হাত দ্বারা খেল। তিনি বললেন, ‘‘তোমার ডান হাত দ্বারা খাও।’’ সে বলল, ‘আমি অপারগ।’ তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তুমি (যেন ডান হাতে খেতে) না পারো।’’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা মানতে তাকে অহংকারই বাধা দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, ‘(তারপর) থেকে সে তার ডান হাত মুখ পর্যন্ত উঠাতে পারেনি।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৯

وعنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏‏‏بينما رجل يمشى في حلة تعجبه نفسه، مرجل رأسه، يختال في مشيته، إذ خسف الله به، فهو يتجلجل في الأرض إلى يوم القيامة” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘আমি তোমাদেরকে জাহান্নামীদের সম্পর্কে অবহিত করব না কি? (তারা হল) প্রত্যেক রূঢ় স্বভাব, কঠিন হৃদয় দাম্ভিক ব্যক্তি।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২০

وعن سلمه بن الأكوع رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “لا يزال الرجل يذهب بنفسه حتى يكتب في الجبارين، فيصيبه ما أصابهم” ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏.‏ ‏(‏‏( javascript:opencomment('‏‏“يذهب بنفسه” أى‏:‏ يرتفع ويتكبر‏ ‏')">(16))‏‏)‏‏.‏" javascript:opencomment('‏‏“يذهب بنفسه” أى‏:‏ يرتفع ويتكبر‏ ‏')" >(16)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘জান্নাত এবং জাহান্নাম পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া করল। জাহান্নাম বলল, ‘আমার মধ্যে বড় বড় উদ্ধত এবং অহংকারীরা বসবাস করবে।’ আর জান্নাত বলল, ‘আমার মধ্যে দুর্বল এবং মিসকীনরা বসবাস করবে।’ অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাদের মধ্যে মীমাংসা করলেন যে, ‘হে জান্নাত! তুমি আমার অনুগ্রহ, আমি তোমার দ্বারা যার প্রতি ইচ্ছা অনুগ্রহ করব। এবং হে জাহান্নাম! তুমি আমার শাস্তি, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা তাকে শাস্তি দেব। আর তোমাদের দুটোকেই পরিপূর্ণ করা আমার দায়িত্ব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২১

وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أحسن الناس خلقاً ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তির দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকিয়ে দেখবেন না, যে অহংকারের সাথে তার লুঙ্গি (প্যাণ্ট্, পায়জামা মাটিতে) ছেঁচড়াবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২২

وعنه قال‏:‏ ما مسست ديباجاً ولاحريراً ألين من كف رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا شممت رائحة قط أطيب من رائحة رسول الله صلى الله عليه وسلم ولقد خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم عشر سنين، فما قال لي قط ‏:‏أف، ولا قال لشئ فعلته‏:‏ لم فعلته‏؟‏ ولا لشئ لم أفعله‏:‏ ألا فعلت كذا‏؟‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তিন প্রকার লোকের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে (অনুগ্রহের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি, (১) ব্যভিচারী বৃদ্ধ, (২) মিথ্যাবাদী বাদশাহ এবং (৩) অহংকারী গরীব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৩

وعن الصعب بن جثامة رضي الله عنه قال‏:‏ أهديت رسول الله صلى الله عليه وسلم حماراً وحشياً فرده علي، فلما رأى ما في وجهي قال‏:‏ “إنا لم نرده عليك إلا لأنا حرم” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘সম্মান আমার লুঙ্গি এবং গর্ব আমার চাদর। (অর্থাৎ খাস আমার গুণ।) সুতরাং যে ব্যক্তি আমার কাছ থেকে এর মধ্য থেকে যে কোন একটি টেনে নিতে চাইবে, আমি তাকে শাস্তি দেব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৪

وعن النواس بن سمعان رضي الله عنه قال‏:‏ سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن البر والإثم فقال‏:‏ “البر حسن الخلق، والإثم‏:‏ ما حاك في نفسك وكرهت أن يطلع عليه الناس” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘একদা (পূর্ববর্তী উম্মতের) এক ব্যক্তি একজোড়া পোশাক পরে, গর্বভরে, মাথা আঁচড়ে অহংকারের সাথে চলা-ফেরা করছিল। ইত্যবসরে আল্লাহ তার (পায়ের নীচের মাটিকে) ধসিয়ে দিলেন। সুতরাং সে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত মাটির গভীরে নেমে যেতেই থাকবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৫

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال‏:‏ لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشاً ولا متفحشاً‏.‏ وكان يقول‏:‏ “إن من خياركم أحسنكم أخلاقاً” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অহংকারবশত নিজকে বড় মনে করে লোকজনকে উপেক্ষা করে চলতে থাকে। পরিশেষে অহংকারী ও উদ্ধতদের মধ্যে তার নাম লিখা হয়, তারপর সে অহংকারী ও উদ্ধত লোকদের বিপদে পতিত হয়।


রিয়াদুস সলেহিন > সচ্চরিত্রতার মাহাত্ম্য

রিয়াদুস সলেহিন ৬২৬

وعن أبى الدرداء رضي الله عنه‏:‏ أن النبى صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “ما من شئ أثقل في ميزان المؤمن يوم القيامة من حسن الخلق، وإن الله يبغض الفاحش البذي” ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن صحيح‏.‏

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব মানুষের চাইতে বেশি সুন্দর চরিত্রের ছিলেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৭

وعن أبى هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكثر ما يدخل الناس الجنة‏؟‏ قال‏:‏ “تقوى الله وحسن الخلق” وسئل عن أكثر ما يدخل الناس النار، قال‏:‏ “الفم والفرج”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن صحيح‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর করতল অপেক্ষা অধিকতর কোমল কোনো পুরু বা পাতলা রেশম আমি স্পর্শ করিনি। আর তাঁর শরীরের সুগন্ধ অপেক্ষা অধিকতর সুগন্ধ কোন বস্তু আমি কখনো শুঁকিনি। আর আমি দশ বছর পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমত করেছি। তিনি কখনোও আমার জন্য ‘উঃ’ শব্দ বলেননি। কোন কাজ করে বসলে তিনি এ কথা জিজ্ঞেস করেননি যে, ‘তুমি এ কাজ কেন করলে?’ এবং কোন কাজ না করলে তিনি বলেননি যে, ‘তা কেন করলে না?’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৮

وعنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “أكمل المؤمنين إيماناً أحسنهم خلقاً وخياركم خياركم لنسائهم”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن صحيح‏)‏‏)‏‏.‏

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (শিকার করা) এক জংলী গাধা উপঢৌকন দিলাম। কিন্তু তিনি তা আমাকে ফিরিয়ে দিলেন। তারপর তিনি আমার চেহারায় (বিষণ্ণতার চিহ্ন) দেখে বললেন, ‘‘আমরা ইহরামের অবস্থায় আছি, তাই আমরা এটি তোমাকে ফিরিয়ে দিলাম।’’ (বুখারী ও মুসলিম) (যেহেতু ইহরাম অবস্থায় শিকার করা ও তার গোশ্ত খাওয়া নিষিদ্ধ।)


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৯

وعن عائشة رضي الله عنها، قالت‏:‏ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ “ إن المؤمن ليدرك بحسن خلقه درجة الصائم القائم” ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏.‏

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুণ্য ও পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, ‘‘পুণ্য হল সচ্চরিত্রতার নাম। আর পাপ হল তাই, যা তোমার অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং তা লোকে জেনে ফেলুক এ কথা তুমি অপছন্দ কর।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩০

وعن أبى أمامه الباهلى رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “أنا زعيم ببيت في ربض الجنة لمن ترك المراء، وإن كان محقاً، وببيت في وسط الجنة لمن ترك الكذب، وإن كان مازحاً، وببيت في أعلى الجنة لمن حسن خلقه” ‏(‏‏(‏حديث صحيح رواه أبو داود بإسناد صحيح‏)‏‏)‏‏.‏

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (প্রকৃতিগতভাবে কথা ও কাজে) অশ্লীল ছিলেন না এবং (ইচ্ছাকৃতভাবেও) অশ্লীল ছিলেন না। আর তিনি বলতেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে তোমাদের মধ্যে সুন্দরতম চরিত্রের অধিকারী।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩১

وعن جابر رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “إن من أحبكم إلي، وأقربكم منى مجلساً يوم القيامة أحاسنكم أخلاقاً، وإن أبغضكم إلي وأبعدكم مني يوم القيامة، الثرثارون والمتشدقون والمتفيهقون” قالوا‏:‏ يا رسول الله قد علمنا “الثرثارون والمتشدون” فما المتفيهقون‏؟‏ قال‏:‏ “المتكبرون” ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏)‏‏)‏‏.‏ ‏‏الثرثار‏"‏‏:‏ هو كثير الكلام تكلفاً‏.‏ ‏"‏والمتشدق‏"‏‏:‏ المتطاول على الناس بكلامه، ويتكلم بملء فيه تصافحاً وتعظيماً لكلامه؛ “والمتفيهق” ‏:‏أصله من الفهق، وهو الامتلاء، وهو الذى يملأ فمه بالكلام، ويتوسع فيه ويغرب به تكبراً واتفاعاً، وإظهاراً للفضيلة على غيره‏.‏ وروى الترمذي عن عبد الله بن المبارك رحمه الله في تفسير حسن الخلق قال‏:‏ هو طلاقة الوجه، وبذل المعروف، وكف الأذى‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘কিয়ামতের দিন (নেকী) ওজন করার দাঁড়ি-পাল্লায় সচ্চরিত্রতার চেয়ে কোনো বস্তুই অধিক ভারী হবে না। আর আল্লাহ তা‘আলা অশ্লীল ও চোয়াড়কে অপছন্দ করেন।’’ (তিরমিযী, হাসান সূত্রে)


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩২

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأشج عبد القيس‏:‏ “إن فيك خصلتين يحبهما الله‏:‏ الحلم والأناة”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে?’ তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহভীতি ও সচ্চরিত্র।’’ আর তাঁকে (এটাও) জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জাহান্নামে নিয়ে যাবে?’ তিনি বললেন, ‘‘মুখ ও যৌনাঙ্গ (অর্থাৎ উভয় দ্বারা সংঘটিত পাপ)।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে)


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩৩

وعن عائشة رضي الله عنها قالت‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “ إن الله رفيق يحب الرفق في الأمر كله” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মু’মিনদের মধ্যে সে ব্যক্তি পূর্ণ মু’মিন, যে তাদের মধ্যে চরিত্রের দিক দিয়ে সুন্দরতম। আর তোমাদের উত্তম ব্যক্তি তারা, যারা তাদের স্ত্রীদের নিকট উত্তম।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে)


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩৪

وعنها أن النبى صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏ إن الله رفيق يحب الرفق، ويعطى على الرفق ما لا يعطى على العنف ومالا يعطى على ما سواه‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘অবশ্যই মু’মিন তার সদাচারিতার কারণে দিনে (নফল) রোযাদার এবং রাতে (নফল) ইবাদতকারীর মর্যাদা পেয়ে থাকে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩৫

وعنها أن النبى صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “إن الرفق لا يكون في شئ إلا زانه، ولا ينزع من شئ إلا شانه” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের শেষ সীমায় একটি ঘর দেওয়ার জন্য জামিন হচ্ছি, যে সত্যাশ্রয়ী হওয়া সত্ত্বেও কলহ-বিবাদ বর্জন করে। সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের মধ্যস্থলে একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যে উপহাসছলেও মিথ্যা বলা বর্জন করে। আর সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের সবচেয়ে উঁচু জায়গায় একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যার চরিত্র সুন্দর।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬৩৬

وعن أبى هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ بال أعرابى في المسجد فقام الناس إليه ليقعوا فيه، فقال النبى صلى الله عليه وسلم‏:‏ “دعوه وأريقوا على بوله سجلاً من ماء، أو ذنوباً من ماء، فإنما بعثتم ميسرين ولم تبعثوا معسرين” ‏(‏‏(‏رواه البخارى‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে আমার প্রিয়তম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকটতম ব্যক্তিদের কিছু সেই লোক হবে যারা তোমাদের মধ্যে চরিত্রে শ্রেষ্ঠতম। আর তোমাদের মধ্যে আমার নিকট ঘৃণ্যতম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকট থেকে দূরতম হবে তারা; যারা অনর্থক অত্যধিক আবোল-তাবোল বলে ও বাজে বকে এমন বাচাল ও বখাটে লোক; আলস্যভরে বা কায়দা করে টেনে টেনে কথা বলে। আর অনুরূপ অহংকারীরা।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية