মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২২
عن أنس قال قال رسول الله ﷺ من صلى علي صلاة واحدة صلى الله عليه عشر صلوات وحطت عنه عشر خطيئات ورفعت لهٗ عشر درجات. رواه النسآئى
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার উপর দশবার রাহমাত নাযিল করবেন। তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে, আর আল্লাহর নৈকট্যের জন্য দশটি মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়া হবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৩
وعن ابن مسعود قال قال رسول الله ﷺ اولى الناس بى يوم القيامة اكثرهم على صلوة. رواه الترمذي
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা আমার প্রতি বেশী বেশী দরূদ পাঠ করবে তারাই ক্বিয়ামাতের দিন আমার বেশী নিকটে হবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৪
وعنه قال قال رسول الله ﷺ إن لله ملائكة سياحين في الأرض يبلغوني من أمتي السلام. رواه النسآئى والدارمي
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কিছু মালাক আছেন যারা পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ান। তারা আমার উম্মাতের সালাম আমার কাছে পৌছান। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৫
وعن أبي هريرة قال قال رسول الله ﷺ ما من أحد يسلم علـي الا رد الله علـي روحي حتى أرد عليه السلام. رواه أبو داوٗد والبيهقى فى الدعوات الكبير
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ আমার উপর সালাম পাঠ করলে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা আমার কাছে আমার রূহ ফেরত দেন যাতে আমি তার সালামের উত্তর দিতে পারি। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৬
وعنه قال سمعت رسول الله ﷺ يقول لا تجعلوا بيوتكم قبورا ولا تجعلوا قبرى عيدا وصلوا على فان صلوتكم تبلغنى حيث كنتم. رواه أبو داؤد
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরস্থান বানিও না, আর আমার কবরকেও উৎসবস্থলে পরিণত কর না। আমার প্রতি তোমরা দরূদ পাঠ করবে। তোমাদের দরূদ নিশ্চয়ই আমার কাছে পৌছে, তোমরা যেখানেই থাক না কেন। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৭
وعنه قال قال رسول الله ﷺ رغم أنف رجل ذكرت عندهٗ فلم يصل علي ورغم أنف رجل دخل عليه رمضان ثم انسلخ قبل أن يغفر لهٗ ورغم أنف رجل أدرك عندهٗ أبواه الكبر او احدهما فلم يدخلاه الجنة . رواه الترمذي
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লাঞ্চিত হোক সেই ব্যক্তি যার নিকট আমার নাম উচ্চারিত হয় কিন্তু সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করে না। লাঞ্চিত হোক সেই ব্যক্তি যার কাছে রমাযান মাস আসে আবার তার গুনাহ ক্ষমার আগে সে মাস চলে যায়। লাঞ্চিত হোক সেই ব্যক্তি, যার নিকট তার বৃদ্ধ মা-বাপ অথবা দুজনের একজন বেঁচে থাকে অথচ তারা তাকে জান্নাতে পৌছায় না। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৮
وعن ابـي طلحة ان رسول الله ﷺ جاء ذات يوم والبشر فـى وجهه فقال انهٗ جاءنـى جبريل فقال ان ربك يقول اما يرضيك يا محمد ان لا يصلـى عليك احد من امتك الا صليت عليه عشرا ولا يسلم عليك احد من امتك الا سلمت عليه عشرا. رواه النسآئى والدارمي
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণের কাছে তাশরীফ আনলেন। তখন তাঁর চেহারায় বড় হাসি-খুশী ভাব। তিনি বললেন, আমার নিকট জিবরীল আলায়হি ওয়াসাল্লাম এসেছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, হে মুহাম্মাদ! আপনার রব বলেছেন, আপনি কি এ কথায় সন্তুষ্ট নন যে, আপনার উম্মাতের যে কেউ আপনার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আমি তার উপর দশবার রাহমাত বর্ষণ করব? আর আপনার উম্মাতের কোন ব্যক্তি আপনার উপর একবার সালাম পাঠালে আমি তার উপর দশবার সালাম পাঠাব? [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯২৯
وعن أبي بن كعب قال قلت يا رسول الله إني أكثر الصلاة عليك فكم أجعل لك من صلاتي فقال ما شئت قلت الربع قال ما شئت فإن زدت فهو خير لك قلت النصف قال ما شئت فإن زدت فهو خير لك قال قلت فالثلثين قال ما شئت فإن زدت فهو خير لك قلت أجعل لك صلاتي كـلها قال إذا تكفـى همك ويكفر لك ذنبك. رواه الترمذي
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গিয়ে আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনার উপর অনেক বেশী দরূদ পাঠ করি। আপনি আমাকে বলে দিন আমি (দুআর জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ করে রেখেছি তার) কতটুকু সময় আপনার উপর দরূদ পাঠাবার জন্য নির্দিষ্ট করব? উত্তরে নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়। আমি আরয করলাম, যদি এক তৃতীয়াংশ করি? নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়, যদি আরো বেশী কর তাহলে তা তোমার জন্য কল্যাণকর। আমি আরয করলাম, যদি অর্ধেক সময় নির্ধারণ করি? নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমার মন যতটুকু চায় কর। যদি আরো বেশী নির্ধারণ কর তাহলে তোমার জন্যই ভাল। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ করি। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরো বেশি নির্ধারণ কর তোমার জন্যই কল্যাণকর। আমি আরয করলাম, তাহলে (আমি আমার দুআর সবটুকু সবসময়ই আপনার উপর দরূদ পড়ার কাজে নির্দিষ্ট করে দেব)। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে, তোমার দীন-দুনিয়ার মকসুদ পূর্ণ হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩০
وعن فضالة بن عبيد قال بينما رسول الله ﷺ قاعد إذ دخل رجل فصلـى فقال اللهم اغفر لي وارحمني فقال رسول الله ﷺ عجلت أيها المصلـي إذا صليت فقعدت فاحمد الله بما هو أهلهٗ وصل علـي ثم ادعهٗ قال ثم صلـى رجل اخر بعد ذلك فحمد الله وصلـى على النبي ﷺ فقال له النبي ﷺ أيها المصلـي ادع تجب. رواه الترمذي وروى أبو داوٗد والنسائـي نحوه
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। তখন একজন লোক এলেন। তিনি সলাত পড়লেন এবং এই দুআ পড়লেন “আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ারহামনী” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর ও আমার উপর রহম কর)। এ কথা শুনে নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সলাত আদায়কারী! তুমি তো নিয়ম ভঙ্গ করে বড্ড তাড়াহুড়া করলে। তারপর তিনি বললেন, তুমি সালাম শেষ করে দুআর জন্য বসবে। আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করবে। আমার উপর দরূদ পড়। তারপর তুমি যা চাও আল্লাহর কাছে দুআ করবে। ফুযালাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আর এক ব্যক্তি এলো সলাত আদায় করলো। সে সলাত শেষে আল্লাহর প্রশংসা করল, নাবী করীমের উপর দরূদ পাঠ করল। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সলাত আদায়কারী! আল্লাহর কাছে দুআও কর। দুআ কবূল করা হবে। [৯৫৪] আবূ দাঊদ, নাসায়ী-ও এরূপই বর্ণনা করেছেন। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩১
وعن عبد الله بن مسعود قال كنت أصلي والنبي ﷺ وأبو بكر وعمر معه فلما جلست بدأت بالثناء على الله تعالى ثم الصلاة على النبي ﷺ ثم دعوت لنفسي فقال النبي ﷺ سل تعطه سل تعطه. رواه الترمذي
তিনি বলেন, আমি সলাত আদায় করছিলাম। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কাছে ছিলেন আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)। সলাত শেষে আমি যখন বসলাম আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করলাম, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দরূদ পাঠ করলাম। তারপর আমি আমার নিজের জন্য দুআ করতে লাগলাম। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চাও, তোমাকে দেয়া হবে। চাও, তোমাকে দেয়া হবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩২
عن أبي هريرة قال قال رسول الله ﷺ من سرهٗ أن يكتال بالمكيال الأوفـى إذا صلـى علينا أهل البيت فليقل اللهم صل علـى محمد النبي الامـى وأزواجه أمهات المؤمنين وذريته وأهل بيته كما صليت على ال إبراهيم إنك حميد مجيد. رواه أبو داوٗد
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্ণ মাপে বেশী বেশী সাওয়াব লাভে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন আমার উপর দরূদ পাঠ করে, আহলে বায়তের উপরও যেন দরূদ পাঠ করে। বলে, আল্লাহুম্মা সল্লি আলা- মুহাম্মাদীন্নাবীয়্যিল উম্মিয়্যি, ওয়া আযওয়াযিহী, ওয়া উম্মাহাতিল মুমিনীনা, ওয়া যুররিয়্যাতিহী ওয়া আহলে বায়তিহী, কামা- সল্লায়তা আলা- আ –লি ইবরাহীমা, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ” । (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! নাবী মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ, মুমিনদের মা, তাঁর বংশধর ও পরিবার-পরিজনের উপর রহমাত অবতীর্ণ কর। যেভাবে, তুমি রাহমাত অবতীর্ণ করেছ ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর)। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৩
وعن علي بن أبي طالب قال قال رسول الله ﷺ البخيل الذي من ذكرت عندهٗ فلم يصل علـي . رواه الترمذي ورواه أحمد عن الحسين بن على رضي الله عنهما وقال الترمذي هذا حديث حسن صحيح غريب
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত কৃপণ হল সে ব্যক্তি যার কাছে আমার নাম উচ্চারিত হবার পর আমার উপর দরূদ পাঠ করেনি। [৯৫৭] হাদীসটি ইমাম আহমাদ হুসায়ন ইবনু আলী হতে নকল করেছেন; আর ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান, সহীহ ও গরীব। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৪
وعن أبي هريرة قال قال رسول الله ﷺ من صلـى علـى عند قبرى سمعتهٗ ومن صلـى علـى نائيا ابلغتهٗ. رواه البيهقى فى شعب الايمان
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার ক্ববরের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে আমার উপর দরূদ পড়ে আমি তা সরাসরি শুনতে পাই। আর যে ব্যক্তি দূর থেকে আমার প্রতি দরূদ পড়ে তা আমার কাছে পৌছিয়ে দেয়া হয়। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৫
وعن عبد الله بن عمرو قال من صلى على النبي ﷺ واحدة صلى الله عليه وملائكته سبعين صلاة. رواه أحمد
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর মালায়িকাহ তার উপর সত্তরবার দরূদ পাঠ করেন। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৬
وعن رويفع أن رسول الله ﷺ قال من صلى على محمد وقال اللهم أنزله المقعد المقرب عندك يوم القيامة وجبت له شفاعتي. رواه أحمد
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দরূদ পড়বে এবং বলবে, “আল্লাহুম্মা আনজিলহু মাকআদাল মুকাররাবা ইনদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাতি”। (হে আল্লাহ! তাঁকে তুমি ক্বিয়ামাতের দিন তোমার কাছে মর্যাদাপূর্ণ স্থান দিও) আমার সুপারিশ তার জন্য অনিবার্য হয়ে যাবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৭
وعن عبد الرحمن بن عوف قال خرج رسول الله ﷺ حتى دخل نخلا فسجد فأطال السجود حتى خشيت أن يكون الله تعالى قد توفاه قال فجئت أنظر فرفع رأسه فقال ما لك فذكرت له ذلك قال فقال إن جبريل عليه السلام قال لي ألا أبشرك إن الله عز وجل يقول لك من صلى عليك صلوة صليت عليه ومن سلم عليك سلمت عليه. رواه أحمد
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘর থেকে বের হয়ে একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করলেন। এখানে তিনি আল্লাহর দরবারে সাজদারত হলেন। সাজদাহ এত দীর্ঘ করলেন যে, আমি ভীত হয়ে পড়লাম। আল্লাহ না করুক তাঁকে তো আবার আল্লাহ মৃত্যুমুখে পতিত করেননি? আবদুর রহমান বলেন, তাই আমি তাঁর কাছে এলাম, পরখ করে দেখার জন্য। তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, কি হয়েছে? আমি তাঁকে আমার আশংকার কথা বললাম। আবদুর রহমান বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমাকে বললেনঃ জিবরীল (আঃ) আমাকে বললেন, আমি কি আপনাকে এই শুভ সংবাদ দিবো না যা আল্লাহ তাআলা আপনার ব্যাপারে বলেন? যে ব্যক্তি আপনার উপর দরূদ পাঠ করবে আমি তার প্রতি রাহমাত বর্ষণ করব। যে ব্যক্তি আপনার প্রতি সালাম পাঠাবে আমি তার প্রতি শান্তি নাযিল করব। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৯৩৮
وعن عمر بن الخطاب قال إن الدعاء موقوف بين السماء والأرض لا يصعد منه شيء حتى تصلي على نبيك. رواه الترمذي
তিনি বলেন, দুআ আসমান ও জমিনের মধ্যে লটকিয়ে থাকে। এর থেকে কিছুই উপরে উঠে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের নাবীর উপর দরূদ না পাঠাও। [১]