মু’মিনদের জন্য বিনয়ী ও বিনম্র হওয়ার গুরুত্ব - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > মু’মিনদের জন্য বিনয়ী ও বিনম্র হওয়ার গুরুত্ব

রিয়াদুস সলেহিন ৬০৭

وعن أبي رفاعة تميم بن أسيد رضي الله عنه قال‏:‏ انتهيت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخطب، فقلت‏:‏ يا رسول الله رجل غريب جاء يسأل عن دينه لا يدرى ما دينه‏؟‏ فأقبل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم، وترك خطبته حتى انتهى إلى فأتى بكرسي، فقعد عليه وجعل يعلمني مما علمه الله ثم أتى خطبته فأتم آخرها”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা আমার নিকট অহী পাঠালেন যে, তোমরা পরস্পরে নম্র ব্যবহার অবলম্বন কর। যাতে কেউ যেন কারো প্রতি গর্ব না করে এবং কেউ যেন কারো প্রতি যুলুম না করে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬০৮

وعن أنس رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أكل طعاماً لعق أصابعه الثلاث قال‏:‏ وقال‏:‏ “إذا سقطت لقمة أحدكم، فليمط عنها الأذى، وليأكلها، ولا يدعها للشيطان” وأمر أن تسلت القصعة قال‏:‏ فإنكم لا تدرون فى أى طعامكم البركة” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সাদকা করলে মাল কমে যায় না এবং ক্ষমা করলে আল্লাহ বান্দার সম্মান বাড়িয়ে দেন। আর যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর জন্য বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে (মর্যাদায়) উচ্চ করেন।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬০৯

وعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “ما بعث الله نبياً إلا رعى الغنم” قال أصحابه‏:‏ وأنت‏؟‏ فقال‏:‏ نعم كنت أرعاها على قراريط لأهل مكة” ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏

কতিপয় শিশুর পাশ দিয়ে গেলেন অতঃপর তিনি তাদেরকে সালাম দিলেন এবং বললেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকমই করতেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১০

وعنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ لو دعيت إلى كراع أو ذراع لأجبت ولو أهدى إلى ذراع أو كراع لقبلت”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, ‘মদীনার ক্রীতদাসীদের মধ্যে এক ক্রীতদাসী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাত ধরে নিত, তারপর সে (নিজের প্রয়োজনে) তার ইচ্ছামত তাঁকে নিয়ে যেত।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১১

وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ كانت ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ العضباء لا تسبق، أو لا تكاد تسبق فجاء أعرابي على قعود له، فسبقها، فشق ذلك على المسلمين حتى عرفه، النبي صلى الله عليه وسلم فقال‏:‏ “حق على الله أن لا يرتفع شئ من الدنيا إلا وضعه” ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, আমি আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে কী কাজ করতেন?’ তিনি বললেন, ‘গৃহস্থালি কাজ করতেন; অর্থাৎ স্ত্রীর কাজে সহযোগিতা করতেন। অতঃপর নামাযের (সময়) হলে তিনি নামাযের জন্য বেরিয়ে যেতেন।’ (বুখারী) * (এই গৃহস্থালি কাজের ব্যাখ্যায় মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, ‘তিনি নিজের জুতা পরিষ্কার করতেন, কাপড় সিলাই করতেন, দুধ দোহাতেন এবং নিজের খিদমত নিজে করতেন।’ তাছাড়া এ কথা বিদিত যে, তাঁর একাধিক দাস-দাসীও ছিল।)


রিয়াদুস সলেহিন ৬১২

وعن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “لا يدخل الجنة من كان في قلبه مثقال ذرة من كبر” فقال رجل” إن الرجل يحب أن يكون ثوبه حسناً ونعله حسناً‏؟‏ قال‏:‏ “إن الله جميل يحب الجمال الكبر بطر الحق وغمط الناس” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম তখন তিনি খুতবা দিচ্ছিলেন। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসুল! আমি একজন বিদেশী মানুষ নিজের দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছি, আমি জানি না আমার দ্বীন কী?’ (এ কথা শুনে) আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে ফিরলেন এবং খুতবা দেওয়া বর্জন করলেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত তিনি আমার নিকটে এলেন। অতঃপর একটি চেয়ার আনা হল। তিনি তার উপর বসে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তা থেকে আমাকে শিখাতে লাগলেন। অতঃপর তিনি খুতবায় ফিরে এসে তার শেষাংশটুকু পুরা করলেন।


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৩

وعن سلمه بن الأكوع رضي الله عنه أن رجلاً أكل عند رسول الله صلى الله عليه وسلم بشماله، فقال‏:‏ “كل بيمينك” قال‏:‏ لا أستطيع‏!‏ قال‏:‏ “لا اتسطعت” ما منعه إلا الكبر‏.‏ قال‏:‏ فما رفعه إلى فيه”‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আহার করতেন তখন স্বীয় তিনটি আঙ্গুল চেটে খেতেন এবং বলতেন, ‘‘কারো খাবারের লুকমা নিচে পড়ে গেলে সে যেন তা তুলে পরিষ্কার করে খেয়ে ফেলে এবং শয়তানের জন্য ফেলে না রাখে।’’ আর তিনি আমাদেরকে খাদ্যপাত্র (বা বাসন) ভালভাবে চেটে খেতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘‘তোমরা জান না যে, তোমাদের কোন্ খাবারে বরকত নিহিত আছে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৪

وعن حارثة بن وهب رضي الله عنه قال‏:‏ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ ألا أخبركم بأهل النار‏؟‏‏:‏ كل عتل جواظ مستكبر” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ وتقدم شرحه في باب ضعفة المسلمين‏.‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা এমন কোন নবী প্রেরণ করেননি, যিনি বকরী চরাননি। তাঁর সাহাবীগণ বললেন, আর আপনিও? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি কয়েক ক্বীরাত্বের বিনিময়ে মক্কাবাসীদের বকরী চরাতাম।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৫

وعن أبى سعيد رضي الله عنه، عن النبى صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “احتجت الجنة والنار، فقالت النار‏:‏ في الجبارون والمتكبرون، وقالت الجنة‏:‏ في ضعفاء الناس ومساكينهم‏.‏ فقضى الله بينهما‏:‏ إنك الجنة رحمتي، أرحم بك من أشاء، وإنك النار عذابي أعذب بك من أشاء ولكليكما علي ملؤها” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যদি আমাকে ছাগলাদির পা অথবা বাহু খাওয়ানোর জন্য দাওয়াত দেওয়া হয়, তাহলে আমি নিশ্চয় তা কবুল করব। আর যদি আমাকে পা অথবা বাহু উপঢৌকন দেওয়া হয়, তাহলে আমি নিশ্চয় তা সাদরে গ্রহণ করব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৬

وعن أبى هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “لا ينظر الله يوم القيامة إلى من جر إزاره بطراً” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আয্ববা নামক উটনীটি প্রতিযোগিতায় কোনদিন হারত না অথবা তাকে অতিক্রম করে কেউ যেতে পারত না। একবার এক বেদুঈন তার একটি সওয়ারী উঁটে সওয়ার হয়ে আসলে সেটি তার আগে চলে গেল। মুসলিমদের কাছে তা কষ্টদায়ক মনে হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা জানতে পারলে বললেন, ‘‘আল্লাহর বিধান হল, দুনিয়ার কোনো জিনিস উন্নত হলে, তিনি তাকে অবনত করেন।’’


রিয়াদুস সলেহিন > অহংকার প্রদর্শন ও গর্ববোধ করা অবৈধ

রিয়াদুস সলেহিন ৬১৭

وعنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة، ولايزكيهم، ولا ينظر إليهم ، ولهم عذاب أليم‏:‏ شيخ زان وملك كذاب، وعائل مستكبر” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহঙ্কার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’’ একটি লোক বলল, ‘মানুষ তো ভালবাসে যে, তার পোশাক সুন্দর হোক ও তার জুতো সুন্দর হোক, (তাহলে)?’ তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্যকে ভালবাসেন। (সুন্দর পোশাক ও সুন্দর জুতো ব্যবহার অহংকার নয়, বরং) অহংকার হল, সত্য প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৮

وعنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “قال الله عز وجل‏:‏ العز إزاري والكبرياء ردائي، فمن ينازعني في واحد منهما فقد عذبته” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার বাম হাত দ্বারা খেল। তিনি বললেন, ‘‘তোমার ডান হাত দ্বারা খাও।’’ সে বলল, ‘আমি অপারগ।’ তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তুমি (যেন ডান হাতে খেতে) না পারো।’’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা মানতে তাকে অহংকারই বাধা দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, ‘(তারপর) থেকে সে তার ডান হাত মুখ পর্যন্ত উঠাতে পারেনি।’


রিয়াদুস সলেহিন ৬১৯

وعنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏‏‏بينما رجل يمشى في حلة تعجبه نفسه، مرجل رأسه، يختال في مشيته، إذ خسف الله به، فهو يتجلجل في الأرض إلى يوم القيامة” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘আমি তোমাদেরকে জাহান্নামীদের সম্পর্কে অবহিত করব না কি? (তারা হল) প্রত্যেক রূঢ় স্বভাব, কঠিন হৃদয় দাম্ভিক ব্যক্তি।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২০

وعن سلمه بن الأكوع رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ “لا يزال الرجل يذهب بنفسه حتى يكتب في الجبارين، فيصيبه ما أصابهم” ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏.‏ ‏(‏‏( javascript:opencomment('‏‏“يذهب بنفسه” أى‏:‏ يرتفع ويتكبر‏ ‏')">(16))‏‏)‏‏.‏" javascript:opencomment('‏‏“يذهب بنفسه” أى‏:‏ يرتفع ويتكبر‏ ‏')" >(16)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘জান্নাত এবং জাহান্নাম পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া করল। জাহান্নাম বলল, ‘আমার মধ্যে বড় বড় উদ্ধত এবং অহংকারীরা বসবাস করবে।’ আর জান্নাত বলল, ‘আমার মধ্যে দুর্বল এবং মিসকীনরা বসবাস করবে।’ অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাদের মধ্যে মীমাংসা করলেন যে, ‘হে জান্নাত! তুমি আমার অনুগ্রহ, আমি তোমার দ্বারা যার প্রতি ইচ্ছা অনুগ্রহ করব। এবং হে জাহান্নাম! তুমি আমার শাস্তি, আমি তোমার দ্বারা যাকে ইচ্ছা তাকে শাস্তি দেব। আর তোমাদের দুটোকেই পরিপূর্ণ করা আমার দায়িত্ব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২১

وعن أنس رضي الله عنه قال‏:‏ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أحسن الناس خلقاً ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তির দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকিয়ে দেখবেন না, যে অহংকারের সাথে তার লুঙ্গি (প্যাণ্ট্, পায়জামা মাটিতে) ছেঁচড়াবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২২

وعنه قال‏:‏ ما مسست ديباجاً ولاحريراً ألين من كف رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا شممت رائحة قط أطيب من رائحة رسول الله صلى الله عليه وسلم ولقد خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم عشر سنين، فما قال لي قط ‏:‏أف، ولا قال لشئ فعلته‏:‏ لم فعلته‏؟‏ ولا لشئ لم أفعله‏:‏ ألا فعلت كذا‏؟‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তিন প্রকার লোকের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে (অনুগ্রহের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি, (১) ব্যভিচারী বৃদ্ধ, (২) মিথ্যাবাদী বাদশাহ এবং (৩) অহংকারী গরীব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৩

وعن الصعب بن جثامة رضي الله عنه قال‏:‏ أهديت رسول الله صلى الله عليه وسلم حماراً وحشياً فرده علي، فلما رأى ما في وجهي قال‏:‏ “إنا لم نرده عليك إلا لأنا حرم” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘সম্মান আমার লুঙ্গি এবং গর্ব আমার চাদর। (অর্থাৎ খাস আমার গুণ।) সুতরাং যে ব্যক্তি আমার কাছ থেকে এর মধ্য থেকে যে কোন একটি টেনে নিতে চাইবে, আমি তাকে শাস্তি দেব।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৪

وعن النواس بن سمعان رضي الله عنه قال‏:‏ سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن البر والإثم فقال‏:‏ “البر حسن الخلق، والإثم‏:‏ ما حاك في نفسك وكرهت أن يطلع عليه الناس” ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘একদা (পূর্ববর্তী উম্মতের) এক ব্যক্তি একজোড়া পোশাক পরে, গর্বভরে, মাথা আঁচড়ে অহংকারের সাথে চলা-ফেরা করছিল। ইত্যবসরে আল্লাহ তার (পায়ের নীচের মাটিকে) ধসিয়ে দিলেন। সুতরাং সে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত মাটির গভীরে নেমে যেতেই থাকবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ৬২৫

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال‏:‏ لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحشاً ولا متفحشاً‏.‏ وكان يقول‏:‏ “إن من خياركم أحسنكم أخلاقاً” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অহংকারবশত নিজকে বড় মনে করে লোকজনকে উপেক্ষা করে চলতে থাকে। পরিশেষে অহংকারী ও উদ্ধতদের মধ্যে তার নাম লিখা হয়, তারপর সে অহংকারী ও উদ্ধত লোকদের বিপদে পতিত হয়।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية