মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১২
عن أبي هريرة قال قال رسول الله ﷺ يسكت بين التكبير وبين القراءة إسكاتة فقلت بأبي وأمي يا رسول الله إسكاتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياي كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم نقني من الخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس اللهم اغسل خطاياي بالماء والثلج والبرد. متفق عليه
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকবীরে তাহরীমার পরে ক্বিরাআত শুরু করার আগে কিছু সময় চুপ থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমার পিতা-মাতা আপনার প্রতি কুরবান হোন। আপনি তাকবীর ও ক্বিরাআতের মধ্যবর্তী সময় চুপ থাকেন তাতে কি বলেন? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বলি, “হে আল্লাহ! আমি ও আমার গুনাহসমুহের মধ্যে দূরত্ব করে দাও, যেভাবে তুমি দূরত্ব করে দিয়েছ মাশরিক ও মাগরিবের মধ্যে। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর গুনাহ হতে, যেভাবে পরিষ্কার করা হয় সাদা কাপড়কে ময়লা হতে। হে আল্লাহ্! তুমি পানি, বরফ ও মুষলধারে বৃষ্টি দিয়ে আমার গুনাহসমূহকে ধুয়ে ফেল।” [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৩
و عن على قال كان النبي ﷺ إذا قام الى الصلاة وفى رواية كان إذا افتتح الصلاة كبر ثم قال وجهت وجهى للذى فطر السموت والارض حنيفا وما انا من المشركين ان صلاتى ونسكى ومحياى ومماتى لله رب العالمين- لا شريك له وبذلك امرت وانا من المسلمين. اللهم انت الملك لا إله الا انت ربى وانا عبدك ظلمت نفسى واعترفت بذنبى فاغفرلى ذنوبى جميعا انه لا يغفر الذنوب الا انت. واهدنى لاحسن الاخلاق لا يهدى لاحسنها الا انت. واصرف عنى سيئها لا يصرف عنى سيئها الا انت لبيك وسعديك والخير كله فى يديك والشر ليس اليك انا بك واليك تباركت وتعاليت. استغفرك واتوب اليك واذا ركع قال اللهم لك ركعت وبك آمنت ولك اسلمت خشع لك سمعى وبصرى ومخى وعظمى وعصبى- فاذا رفع رأسه قال اللهم ربنا لك الحمد ملأ السموت والارض وما بينهما وملأ ما شئت من شىء بعد. واذا سجد قال اللهم لك سجدت وبك آمنت ولك اسلمت سجد وجهى للذى خلقه وصوره وشق سمعه وبصره، تبارك الله احسن الخالقين. ثم يكون من اخر ما يقوله بين التشهد والتسليم اللهم اغفرلى ما قدمت وما اخرت وما اسررت وما اعلنت وما اسرفت وما انت اعلم به منى. انتا لمقدم وانت المؤخر لا إله الا انت. رواه مسلم وفى رواية للشافعى والشر ليس اليك والمهدى من هديت انا بك واليك لا منجاء منك ولا ملجاء الا اليك تباركت
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করার জন্য দাঁড়াতেন, আর এক বর্ণনায় আছে সলাত শুরু করার সময়, সর্বপ্রথম তাকবীরে তাহরীমা বলতেন। তারপর তিনি এই দু’আ পাঠ করতেনঃ “ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাজী ফাত্বারাস সামাওয়া-তি ওয়াল আর্যা হানীফাওঁ ওয়ামা-আনা মিনাল মুশ্রিকীন, ইন্না সলা-তি ওয়ানুসুকী ওয়া মাহ্ইয়া-ইয়া ওয়ামামা-তী লিল্লা-হি রব্বিল ‘আ-লামীন – লা- শারীকা লাহু, ওয়াবিযা-লিকা উমিরতু, ওয়াআনা- মিনাল মুসলিমীন, আল্ল-হুম্মা আনতাল মালিকু, লা- ইলা-হা ইল্লা – আন্তা রব্বী, ওয়াআনা- ‘আব্দুকা যলাম্তু নাফ্সী ওয়া’তারাফ্তু, বিযাম্বী, ফাগ্ফিরলী যুনূবী জামী’আ-, ইন্নাহু লা- ইয়াগ্ফিরুয যুনূবা ইল্লা- আন্তা, ওয়াহ্দিনী লিআহ্সানিল আখলাক্বি লা- ইয়াহ্দী লিয়াহ্সানিহা- ইল্লা- আন্তা, ওয়াস্রিফ ‘আন্নী সায়ইউয়াহা- লা- ইয়াস্রিফু ‘আন্নী সায়য়্যইয়াহা- ইল্লা- আন্তা লাব্বায়কা ওয়া সা’দায়কা, ওয়াল খায়রা কুলুহু ফী ইয়াদায়কা, ওয়াশ্ শাররু লায়সা ইলায়কা, আনা- বিকা ওয়া ইলায়কা, তাবা-রাক্তা ওয়াতা’আ-লায়তা, আস্তাগফিরুকা ওয়াআতূবু ইলায়কা” –(অর্থাৎ -“আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরিয়েছি তাঁর দিকে, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের মধ্যে শামিল নই। নিশ্চয় আমার সলাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মৃত্যু আল্লাহ্ রব্বুল ‘আলামীনের জন্য। তার কোন শারীক নেই। আর এ জন্যই আমি আদিষ্ট হয়েছি। আমি মুসলমানের অন্তর্ভূক্ত। হে আল্লাহ্! তুমিই বাদশাহ, তুমি ছাড়া আর কোন মা’বূদ নেই। তুমি আমার রব। আমি তোমার গোলাম। আমি আমার নিজের উপর যুল্ম (অত্যাচার) করেছি। আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। তুমি আমার সব অপরাধ ক্ষমা কর। তুমি ছাড়া নিশ্চয় আর কেউ অপরাধ ক্ষমা করতে পারে না। আমাকে পরিচালিত করে না। তুমি দূরে রাখ আমার নিকট হতে মন্দ কাজ। তুমি ছাড়া মন্দ কাজ থেকে আর কেউ দূরে রাখতে পারে না। হে আল্লাহ্ আমি তোমার দরবারে তোমার আদেশ পালনে হাযির। সকল কল্যাণই তোমার হাতে। কোন অকল্যাণই তোমার উপর আরোপিত হয় না। আমি তোমার সাহায্যেই টিকে আছি। তোমার দিকেই ফিরে আছি। তুমি কল্যাণের আধার। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই। তোমার দিকেই আমি প্রতাবর্তন করছি।”) এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকূ’ করতেন, তখন বলতেন, “আল্ল-হুম্মা লাকা রাকা’তু ওয়াবিকা আ-মান্তু, ওয়ালাকা আস্লাম্তু, খাশা’আ লাকা সাম্’ঈ ওয়া বাসারী ওয়া মুখ্খী ওয়া ‘আয্মী ওয়া ‘আসাবী” – (অর্থাৎ - হে আল্লাহ্! আমি তোমারই জন্য রুকূ’ করলাম। তোমাকেই বিশ্বাস করলাম। তোমার কাছেই নিজেকে সমর্পণ করলাম। তোমার ভয়ে ভীত আমার শ্রবণশক্তি, আমার দৃষ্টিশক্তি, আমার মজ্জা, মগজ আমার অস্থি ও আমার শিরা-উপশিরা।) এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ থেকে মাথা উঠাতেন, বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু, মিল্য়াস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আর্যি ওয়ামা- বায়নাহুমা- ওয়ামিল্য়া মা- শি’তা মিন শাইয়্যিন বা’দু”-(অর্থাৎ হে আল্লাহ্! হে আমাদের প্রতিপালক! আসমান ও জমিন ও এতদুভয়ের ভিতর যা কিছু আছে, সবই তোমার প্রশংসা করছে। এরপরে যা কিছু সৃষ্টি করবে তারাও তোমার প্রশংসা করবে।) এরপর তিনি সাজদায় গিয়ে পড়তেন, “আল্ল-হুম্মা লাকা সাজাত্তু ওয়াবিকা আমান্তু ওয়ালাকা আস্লামতু, সাজাদা ওয়াজ্হিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু ওয়াসাও্ ওয়ারাহু ওয়াশাক্কা সাম’আহু ওয়া বাসারাহু, তাবারাকাল্ল-হু আহ্সানুল খা-লিক্বীন ”- (অর্থাৎ- “হে আল্লাহ্! আমি তোমার জন্য সাজদাহ্ করছি। তোমার উপর ঈমান এনেছি। তোমার জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমার মুখমন্ডল তার জন্য সাজদাহ্ করছে যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন। তাকে আকার আকৃতি দিয়েছেন। তার কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। আল্লাহ্ খুবই বারাকাতপূর্ণ উত্তম সৃস্টিকারী।”) এরপর সর্বশেষ দু’আ যা ‘আত্তাহিয়্যাতু’র পর ও সালাম ফিরাবার আগে পড়তেন তা হল, “আল্ল-হুম্মাগফিরলী মা- ক্বদ্দাম্তু ওয়ামা- আখ্খারতু ওয়ামা-আস্রারতু ওয়ামা- আ’লান্তু ওয়ামা– আস্রাফতু ওয়ামা- আন্তা আ’লামু বিহী মিন্নী, আন্তাল মুক্বদ্দিমু ওয়া আন্তাল মুআখ্খিরু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা”- (অর্থাৎ- “হে আল্লাহ্! তুমি ক্ষমা করে দাও যা আমি করেছি। আমার সেসব গুনাহও তুমি ক্ষমা করে দাও যা আমি পূর্বে করেছি এবং যা আমি পরে করেছি। আমার ওইসব বাড়াবাড়িও ক্ষমা করে দাও যা আমি আমলে ও সম্পদ খরচে করেছি। আমার ওইসব গুনাহও তুমি ক্ষমা করে দাও যা আমার চেয়ে তুমি ভাল জান। তুমি তোমার বান্দাদের যাকে চাও মান সম্মানে এগিয়ে নাও। আর যাকে চাও পিছে হটিয়ে দাও। তুমি ছাড়া কোন মা’বুদ নেই।”) [১] ইমাম শাফি’ঈর এক বর্ণনায় প্রথম দু’আয় ‘ফী ইয়াদায়কা’– এর পরে আছে, “ওয়াশ্ শার্রু লায়সা ইলায়কা ওয়াল মাহ্দীইউ মান হাদায়তা, আনা- বিকা ওয়া ইলায়কা, লা- মান্জা-আ মিন্কা ওয়ালা- মাল্জা-আ ইল্লা- ইলায়কা তাবা-রাক্তা” – (অর্থাৎ- মন্দ তোমার জন্য নয়। সে-ই পথ পেয়েছে যাকে তুমি পথ দেখিয়েছ। আমি তোমার সাহায্যে টিকে আছি। তোমার দিকেই প্রত্যাবর্তন করছি। তোমার পাকড়াও হতে বাচাঁর কোন জায়গা নেই। তুমি ছাড়া আশ্রয়ের কোন স্থল নেই। তুমি বারাকাতময়।)। ইমাম শাফি’ঈ (রহ.)- এর এ রিওয়ায়াতটিও সহীহ।
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৪
وعن أنس أن رجلا جاء فدخل الصف وقد حفزه النفس فقال الله اكبر الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه فلما قضى رسول الله ﷺ صلاته قال أيكم المتكلم بالكلمات فأرم القوم فقال أيكم المتكلم بها فإنه لم يقل بأسا فقال رجل وقد حفزني النفس فقلتها فقال لقد رأيت اثني عشر ملكا يبتدرونها أيهم يرفعها. رواه مسلم
তিনি বলেন, এক লোক (তাড়াহুড়া করে) এসে সলাতের কাতারে শামিল হয়ে গেল। তার শ্বাস উঠানামা করছিল। সে বলল, “আল্লা-হু আকবার, আলহাম্দু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তাইয়্যিবাম্ মুবা-রাকান ফিহী ”, অর্থাৎ - “ আল্লাহ্ মহান। সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যা অনেক বেশী পাক-পবিত্র ও বরকতময়।” সলাত শেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এ কথা বলেছে? সকলে চুপ হয়ে বসে আছে। তিনি আবার বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এ কথাগুলো বলেছে? এবারও কেউ উত্তর দিল না। তিনি তৃতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে বাক্যগুলো উচ্চারণ করেছে? যে ব্যক্তি এ কথাগুলো বলেছে সে আপত্তিকর কিছু বলেনি। এক ব্যক্তি আরয করল, আমি যখন এসেছি, আমার শ্বাস উঠানামা করছিল। আমিই একথা বলেছি। এবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি দেখলাম বারজন মালাক কার আগে কে আল্লাহর কাছে এই কথাগুলো নিয়ে যাবে এ প্রতিযোগিতা করছে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৫
عن عائشة قالت كان رسول الله ﷺ إذا افتتح الصلاة قال سبحانك اللهم وبحمدك وتبارك اسمك وتعالى جدك ولا إله غيرك. رواه الترمذي وابو داؤد
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শুরু করার (তাকবীর তাহরীমার) পর এ দু’আ পাঠ করতেন, “সুবহা-নাকা আল্ল-হুমা ওয়া বিহাম্দিকা ওয়া তাবা-রাকাস্মুকা ওয়া তা’আলা- যাদ্দুকা ওয়ালা- ইলা-হা গায়রুকা” – (অর্থাৎ- হে আল্লাহ্! তুমি পূত পবিত্র। তোমার পূত পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করার সাথে সাথে আমরা আরও বলছি, তুমি খুবই বারাকাতপূর্ণ। তোমার শান অনেক ঊর্ধ্বে। তুমি ছাড়া কোন মা’বূদ নেই।) [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৬
ورواه ابن ماجة عن ابى سعيد وقال الترمذي هذا حديث لا نعرفه الا من حارثة وقد تكلم فيه من قبل حفظه
আর ইবনু মাজাহও এ হাদীসটি আবূ সা’ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, এ হাদীসটি আমি হারিসাহ্ ছাড়া অন্য কারও সূত্রে শুনিনি। তার স্মরণশক্তি সমালোচিত। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৭
عن ابن جبير بن مطعم أنه رأى رسول الله ﷺ يصلى صلاة قال الله أكبر كبيرا الله أكبر كبيرا الله أكبر كبيرا والحمد لله كثيرا والحمد لله كثيرا والحمد لله كثيرا وسبحان الله بكرة وأصيلا ثلاثا، اعوذ بالله من الشيطان، من نفخه ونفثه وهمزه.- رواه أبو داوٗد وابن ماجة الا انه لم يذكر والحمد لله كثيرا وذكر فى اخره من الشيطان الرجيم وقال عمر ونفخه الكبر ونفثه الشعر وهمزه المؤتة
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সলাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি তাকবীর তাহরীমার পর বললেনঃ “আল্ল-হু আকবার কাবীরা-, আল্ল-হু আকবার কাবীরা-, আল্ল-হু আকবার কাবীরা-, ওয়ালহাম্দু লিল্লা-হি কাসীরা-, ওয়ালহাম্দু লিল্লা-হি কাসীরা-, ওয়ালহাম্দু লিল্লা-হি কাসীরা-, ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি বুক্রাতাওঁ ওয়াআসীলা-” তিনবার বললেন। তারপর বলেছেন, “আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্ব-নির রজীম মিন নাফ্খিহী ওয়া নাফ্সিহী ওয়া হাম্যিহী”। [৮৩৪] কিন্তু তিনি “ওয়ালহাম্দু লিল্লা-হি কাসীরা-” উল্লেখ করেননি। তাছাড়া তিনি শেষ দিকে শুধু “মিনাশ্ শাইত্ব-নির রজীম” বর্ণনা করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, (আরবি) (নাফ্খ) অর্থ অহমিকা, (আরবি) (নাফ্স) অর্থ কবিতা, আর (আরবি) (হাম্য) অর্থ পাগলামী। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৮
وعن سمرة بن جندب أنه حفظ عن رسول الله ﷺ سكتتين سكتة إذا كبر وسكتة إذا فرغ من قراءة غير المغضوب عليهم ولا الضالين فصدقه ابى بن كعب. رواه أبو داوٗد وروى الترمذي وابن ماجة والدارمي نحوه
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে দু’টি নীরবতার স্থান স্মরণ রেখেছেন। একটি নীরবতা তাঁর তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার পর, আর একটি নীরবতা হল, “গয়রিল মাগ্যূবি ‘আলায়হিম ওয়ালায্ যোয়াল্লীন” পাঠ করার পর। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-ও তার বক্তব্য সমর্থন করেন। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৮১৯
وعن أبي هريرة قال كان رسول الله ﷺ إذا نهض من الركعة الثانية استفتح القراءة بالحمد لله رب العالمين ولم يسكت هكذا فى صحيح مسلم وذكره الحميدى فى افراده وكذا صاحب الجامع عن مسلم وحده
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় রাক্‘আত আদায় করার পর উঠে সাথে সাথে সূরাহ্ ফাতিহাহ্ দ্বারা ক্বিরাআত শুরু করে দিতেন এবং চুপ করে থাকতেন না। [১]