মিশকাতুল মাসাবিহ > তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৫৫৫
عن زيد بن أسلم قال إن رجلا سأل رسول الله ﷺ فقال ما يحل لي من امرأتي وهي حائض فقال رسول الله ﷺ تشد عليها إزارها ثم شأنك بأعلاها. رواه مالك والدارمي مرسلا
তিনি বলেন, জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আমার স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তার সাথে কী কী করা (যৌনতৃপ্তি মেটানো) হালাল? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার পরনের পায়জামা শক্তভাবে বাঁধবে। তারপর এর উপরের দিকে যা ইচ্ছা করবে। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ ৫৫৬
وعن عائشة قالت كنت إذا حضت نزلت عن المثال على الحصير فلم يقرب رسول الله ﷺ ولم ندن منه حتى نطهر. رواه أبو داوٗد
তিনি বলেন, যখন আমি ঋতুবতী হতাম, বিছানা হতে সরে চাটাইতে নেমে আসতাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসতেন না এবং আমরাও (বিবিগনও) পাক-পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কছে যেতাম না (মেলামেশা করতাম না)। [১]
মিশকাতুল মাসাবিহ > প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ ৫৫৭
عن عائشة قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى النبي ﷺ فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة فقال لا إنما ذلك عرق وليس بحيض فإذا أقبلت حيضتك فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم ثم صلي . متفق عليه
তিনি বলেন, ফাত্বিমাহ্ বিন্তে আবূ হুবায়শ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি একজন এমন স্ত্রীলোক যে, সব সময় ইস্তিহাযাহ্ রোগে ভূগি। কোন সময়ই পাক হই না। তাই আমি কি সালাত ছেড়ে দিব? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না। এটা একটি শিরাজনিত রোগ, হায়যের রক্ত নয়। যখন তোমার হায়যের সময় হবে সালাত ছেড়ে দিবে। আর যখন হায়যের নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাবে, তখন তোমার শরীর হতে তুমি হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলবে (অর্থাৎ- গোসল করবে)। অতঃপর সালাত আদায় করতে থাকবে। [১]