শামায়েলে তিরমিযি > সেটি ছিল এক গুচ্ছ কেশের মত
শামায়েলে তিরমিযি ১৫
حدثنا محمد بن بشار ، قال : حدثنا أبو عاصم ، قال : حدثنا عزرة بن ثابت ، قال : حدثني علباء بن أحمر اليشكري ، قال : حدثني أبو زيد عمرو بن أخطب الأنصاري ، قال : قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم : " يا أبا زيد ، ادن مني فامسح ظهري " ، فمسحت ظهره ، فوقعت أصابعي على الخاتم قلت : وما الخاتم ؟ قال : " شعرات مجتمعات "
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাকে বললেন, হে আবু যায়েদ! আমার কাছে এসো এবং আমার পৃষ্ঠদেশে হাত বুলাও। তখন আমি তার পিঠে হাত বুলাতে থাকলাম। এক পর্যায়ে আমার আঙ্গুলগুলো মোহরে নবুওয়াতের উপর লেগে গেল। বর্ণনাকারী আমর বিন আখতাব (রাঃ) কে বললেন, খাতাম’ (মোহরে নবুওয়াত) কী জিনিস? তিনি বললেন, এক গুচ্ছ কেশ। [১৫]
শামায়েলে তিরমিযি > সালমান ফারসি (রাঃ) মোহরে নবুওয়াত দেখে ঈমান এনেছিলেন
শামায়েলে তিরমিযি ১৬
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث الخزاعي ، قال : حدثنا علي بن حسين بن واقد ، حدثني أبي ، قال : حدثني عبد الله بن بريدة ، قال : سمعت أبي بريدة ، يقول : جاء سلمان الفارسي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم , حين قدم المدينة بمائدة عليها رطب , فوضعها بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فقال : " يا سلمان ما هذا ؟ " فقال : صدقة عليك , وعلى أصحابك ، فقال : " ارفعها ، فإنا لا نأكل الصدقة " ، قال : فرفعها ، فجاء الغد بمثله ، فوضعه بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فقال : " ما هذا يا سلمان ؟ " فقال : هدية لك ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه : " ابسطوا " ثم نظر إلى الخاتم على ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم , فآمن به ، وكان لليهود فاشتراه رسول الله صلى الله عليه وسلم , بكذا وكذا درهما على أن يغرس لهم نخلا ، فيعمل سلمان فيه ، حتى تطعم ، فغرس رسول الله صلى الله عليه وسلم , النخل إلا نخلة واحدة ، غرسها عمر فحملت النخل من عامها ، ولم تحمل نخلة ، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ما شأن هذه النخلة ؟ " فقال عمر : يا رسول الله ، أنا غرستها ، فنزعها رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فغرسها فحملت من عامها .
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর মদিনায় হিজরতের পর একবার সালমান ফারসী (রাঃ) একটি পাত্রে কিছু কাচা খেজুর নিয়ে এলেন এবং তিনি তা রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর সামনে রাখলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেন, হে সালমান! এগুলো কিসের খেজুর? (অর্থাৎ হাদিয়া না সাদাকা?) তিনি বললেন, এগুলো আপনার ও আপনার সাধীদের জন্য সাদাকা। রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঐ বললেন, এগুলো তুলে নাও। আমরা সাদাকা খাই না। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি তা তুলে নিলেন। পরের দিন তিনি অনুরূপ খেজুর নিয়ে আসলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সামনে পেশ করেন। তখন তিনি বললেন, সালমান! এসব কিসের খেজুর? সালমান (রাঃ) বললেন, আপনার জন্য হাদিয়া। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তার সাহাবীগণকে বললেন, তোমরা হস্ত প্রসারিত করো (হাদিয়া গ্রহণ করো)। এরপর সালমান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর পৃষ্ঠদেশে মোহরে নবুওয়াত দেখতে পেলেন; অতঃপর ঈমান আনলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) সালমান (রাঃ) জনৈক ইয়াহুদির গোলাম ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে এত এত দিরহামের বিনিময়ে এবং এ শর্তে খরিদ করেন যে, সালমান তার ইয়াহুদি মনিবের জন্য একটি খেজুর বাগান করে দেবে এবং তাতে ফল আসা পর্যন্ত তত্ত্বাবধান করতে থাকবে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তার নিজ হাতে একটি চারা ছাড়া সবগুলো রোপণ করলেন এবং একটি চারা গাছ ওমর (রাঃ) রোপণ করেছিলেন। সে বছরই সকল গাছেই খেজুর আসল কিন্তু একটি গাছে খেজুর আসল না। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) প্রত্ন বললেন, এ গাছটির এ অবস্থা কেন? উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটি রোপণ করেছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঐ চারাটি উপড়িয়ে আবার রোপণ করলেন। ফলে সে বছরই তাতে খেজুর আসল। [১৬] ব্যাখ্যা : (আরবী) আমরা সাদাকা ভক্ষণ করি না এ বাক্যের মধ্যে আমরা দ্বারা রাসূলুল্লাহ (সঃ) এবং তার ঐ সমস্ত আত্মীয়-স্বজনকে বুঝানো হয়েছে, যাদের জন্য সাদাকা খাওয়া হারাম।