সহিহ বুখারী > সায়বার মীরাস।

সহিহ বুখারী ৬৭৫৩

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي ابْنُ الْهَادِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَبَّابٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏مَنْ رَآنِي فَقَدْ رَأَى الْحَقَّ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لاَ يَتَكَوَّنُنِي‏" ‏‏‏

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইসলামের ধারক বাহকরা সায়বা বানায় না। জাহিলী যুগের লোকেরা সায়বা বানাত। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৭)


সহিহ বুখারী ৬৭৫৪

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ أُعْطِيتُ مَفَاتِيحَ الْكَلِمِ، وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ، وَبَيْنَمَا أَنَا نَائِمٌ الْبَارِحَةَ إِذْ أُتِيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الأَرْضِ حَتَّى وُضِعَتْ فِي يَدِي ‏" ‏‏‏ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنْتُمْ تَنْتَقِلُونَهَا‏‏

আসওয়াদ ইব্‌নু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, 'আয়িশা সিদ্দিকা (রাঃ) বারীরাকে আযাদ করার উদ্দেশে ক্রয় করলেন। তখন তার মনিব শর্ত করল যে বারীরার পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা বিক্রয়কারীর থাকবে। তখন 'আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি বারীরাকে আযাদ করার উদ্দেশে কিনতে চাই। কিন্তু তার মনিবরা তার ওয়ালা তাদের কাছে রাখার শর্ত করছে। তিনি বললেনঃ তাকে (কিনে) আযাদ কর। কারন, ওয়ালা হল তার যে আযাদ করে। অথবা তিনি বললেনঃ তার মূল্য দিয়ে দাও। রাবী বলেন, তখন তিনি তাকে ক্রয় করলেন এবং আযাদ করে দিলেন। রাবী আরও বললেন, তাকে তার (স্বামীর সঙ্গে) থাকা না থাকার ব্যাপারে যে কোন একটি গ্রহন করার স্বাধীনতা দেয়া হল। স্বামীর সঙ্গ থেকে নিজের মুক্তিকেই সে গ্রহন করল এবং বলল, আমাকে যদি এত এত কিছু দেয়াও হয় তবুও আমি তার সাথী হব না। আসওয়াদ (রহঃ) বলেন, তার স্বামী আযাদ ছিল। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [বুখারী (রহঃ)] বলেন, আসওয়াদ- এর বক্তব্য সূত্র ছিন্ন। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)- এর বক্তব্য ‘আমি তাকে (বারীরার স্বামীকে) গোলামরূপে দেখেছি’ অধিকতর শুদ্ধ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৮)


সহিহ বুখারী > যে গোলাম তার মনিবদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করে তার পাপ।

সহিহ বুখারী ৬৭৫৫

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ أُرَانِي اللَّيْلَةَ عِنْدَ الْكَعْبَةِ فَرَأَيْتُ رَجُلاً آدَمَ كَأَحْسَنِ مَا أَنْتَ رَاءٍ مِنْ أُدْمِ الرِّجَالِ، لَهُ لِمَّةٌ كَأَحْسَنِ مَا أَنْتَ رَاءٍ مِنَ اللِّمَمِ، قَدْ رَجَّلَهَا تَقْطُرُ مَاءً، مُتَّكِئًا عَلَى رَجُلَيْنِ ـ أَوْ عَلَى عَوَاتِقِ رَجُلَيْنِ ـ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ، فَسَأَلْتُ مَنْ هَذَا فَقِيلَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ‏.‏ ثُمَّ إِذَا أَنَا بِرَجُلٍ جَعْدٍ قَطَطٍ أَعْوَرِ الْعَيْنِ الْيُمْنَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ، فَسَأَلْتُ مَنْ هَذَا فَقِيلَ الْمَسِيحُ الدَّجَّالُ ‏" ‏‏‏

ইবরাহীম তামীমীর পিতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, কিতাবুল্লাহ্‌ ছাড়া আমাদের কাছে আর কোন কিতাব নেই যা আমরা পাঠ করতে পারি। অবশ্য এ লিপিখানা আছে। রাবী বলেন, এরপর তিনি তা বের করলেন। দেখা গেল যে, তাতে যখম ও উটের বয়সের ব্যাপারে লেখা আছে। রাবী বলেন, তাতে আরও লিলিবদ্ধ ছিল যে, (মাদীনার) আইর থেকে নিয়ে অমুক স্থানের মধ্যবর্তী স্থান হারাম (বা সম্মানিত)। এখানে যে বিদআত করবে বা বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ্‌, ফেরেশতা, মানুষ এবং সকলের লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তার কোন ফরয ‘আমল এবং কোন নফল কবূল করবেন না। যে ব্যক্তি মনিবের অনুমতি ব্যতীত কোন গোলামকে আশ্রয় প্রদান করে তার উপর আল্লাহ্‌, ফেরেশ্‌তা এবং সমস্ত মানুষের লা‘নাত। তার কোন ফরয বা নফল ক্বিয়ামাতের দিন কবুল করা হবে না। সমস্ত মুসলিমের দায়িত্ব-কর্তব্য-অঙ্গীকার এক, একজন সাধারণ মুসলিমও তা মেনে চলবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের আশ্রয় প্রদানকে বানচাল করে তার উপর আল্লাহ্‌, ফেরেশতা এবং সকল মানুষের লা‘নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার কোন ফরয ও নফল কবূল করা হবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৯)


সহিহ বুখারী ৬৭৫৬

حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَجُلاً، أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي أُرِيتُ اللَّيْلَةَ فِي الْمَنَامِ، وَسَاقَ الْحَدِيثَ‏.‏ وَتَابَعَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَسُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏ وَقَالَ الزُّبَيْدِيُّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَوْ أَبَا هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏ وَقَالَ شُعَيْبٌ وَإِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى عَنِ الزُّهْرِيِّ كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ مَعْمَرٌ لاَ يُسْنِدُهُ حَتَّى كَانَ بَعْدُ‏.‏

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ালা (গোলামের পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা) বিক্রয় এবং হেবা করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩০০)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية