সহিহ বুখারী > পিতা-মাতা হতে সন্তানের উত্তারাধিকার।

সহিহ বুখারী ৬৭৩২

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّمَا جَعَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الشُّفْعَةَ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ، فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ الشُّفْعَةُ لِلْجِوَارِ‏.‏ ثُمَّ عَمَدَ إِلَى مَا شَدَّدَهُ فَأَبْطَلَهُ، وَقَالَ إِنِ اشْتَرَى دَارًا فَخَافَ أَنْ يَأْخُذَ الْجَارُ بِالشُّفْعَةِ، فَاشْتَرَى سَهْمًا مِنْ مِائَةِ سَهْمٍ، ثُمَّ اشْتَرَى الْبَاقِيَ، وَكَانَ لِلْجَارِ الشُّفْعَةُ فِي السَّهْمِ الأَوَّلِ، وَلاَ شُفْعَةَ لَهُ فِي بَاقِي الدَّارِ، وَلَهُ أَنْ يَحْتَالَ فِي ذَلِكَ‏.‏

ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) সু্ত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য। [৬৭৩৫, ৬৭৩৭, ৬৭৪৬; মুসলিম ২৩/১, হাঃ ১৬১৫, আহমাদ ২৮৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৭৬)


সহিহ বুখারী > কন্যাদের মীরাস।

সহিহ বুখারী ৬৭৩৩

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ الشَّرِيدِ، قَالَ جَاءَ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى مَنْكِبِي، فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ إِلَى سَعْدٍ فَقَالَ أَبُو رَافِعٍ لِلْمِسْوَرِ أَلاَ تَأْمُرُ هَذَا أَنْ يَشْتَرِيَ مِنِّي بَيْتِي الَّذِي فِي دَارِي‏.‏ فَقَالَ لاَ أَزِيدُهُ عَلَى أَرْبَعِمِائَةٍ، إِمَّا مُقَطَّعَةٍ وَإِمَّا مُنَجَّمَةٍ‏.‏ قَالَ أُعْطِيتُ خَمْسَمِائَةٍ نَقْدًا، فَمَنَعْتُهُ، وَلَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏" ‏‏‏ مَا بِعْتُكَهُ أَوْ قَالَ مَا أَعْطَيْتُكَهُ‏‏ قُلْتُ لِسُفْيَانَ إِنَّ مَعْمَرًا لَمْ يَقُلْ هَكَذَا‏‏ قَالَ لَكِنَّهُ قَالَ لِي هَكَذَا‏‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَبِيعَ الشُّفْعَةَ فَلَهُ أَنْ يَحْتَالَ حَتَّى يُبْطِلَ الشُّفْعَةَ فَيَهَبُ الْبَائِعُ لِلْمُشْتَرِي الدَّارَ، وَيَحُدُّهَا وَيَدْفَعُهَا إِلَيْهِ، وَيُعَوِّضُهُ الْمُشْتَرِي أَلْفَ دِرْهَمٍ، فَلاَ يَكُونُ لِلشَّفِيعِ فِيهَا شُفْعَةٌ‏‏

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি মক্কায় এমন অসুস্থ হয়ে পড়লাম যে মরণের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সেবা শুশ্রূষা করার জন্য আমার কাছে আসলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার অনেক ধন-সম্পদ আছে। আর আমার এক মেয়ে ব্যতীত আর কোন উত্তরাধিকারী নেই। আমি কি আমার মালের দু’তৃতীয়াংশ দান করে দেব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে কি অর্ধেক দান করব? তিনি বললেনত, না। আমি বললাম, এক-তৃতীয়াংশ কি দান করব? তিনি বললেনঃ এক-তৃতীয়াংশ তো অনেক। তুমি তোমার সন্তানকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাবে সেটাই উত্তম তাকে এমন অভাবগ্রস্ত রেখে যাওয়ার চেয়ে যে অবস্থায় সে মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষে করবে। তুমি (পরিবার-পরিজনের জন্য) যা খরচ করবে তার বিনিময় তোমাকে দেয়া হবে। এমন কি যে লোকমাটি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও তারও বিনিময় দেয়া হবে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি কি আমার হিজরাত (এর পুণ্য) থেকে পেছনে পড়ে যাব? তিনি বললেনঃ তুমি কক্ষনো আমার পেছনে পড়ে থাকবে না, তুমি আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য যে ‘আমলই করবে তাতে তোমার মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি হবে। সম্ভবত তুমি আমার পরেও জীবিত থাকবে। এমন কি তোমার দ্বারা অনেক গোত্র উপকৃত হবে এবং অন্যেরা হবে ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু সা’দ ইব্‌নু খাওলা (রাঃ)- এর জন্য আফসোস! মক্কাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। সে কারণে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) বলেন, সা’দ ইব্‌নু খাওলা (রাঃ) বনূ আমির ইব্‌নু লুআই সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৭৭)


সহিহ বুখারী ৬৭৩৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، أَنَّ سَعْدًا، سَاوَمَهُ بَيْتًا بِأَرْبَعِمِائَةِ مِثْقَالٍ فَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِصَقَبِهِ ‏" ‏‏‏ لَمَا أَعْطَيْتُكَ‏‏ وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِنِ اشْتَرَى نَصِيبَ دَارٍ، فَأَرَادَ أَنْ يُبْطِلَ الشُّفْعَةَ، وَهَبَ لاِبْنِهِ الصَّغِيرِ وَلاَ يَكُونُ عَلَيْهِ يَمِينٌ‏‏

আস্‌ওয়াদ ইব্‌নু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) আমাদের নিকট শিক্ষক অথবা আমীর হিসেবে ইয়ামানে আসলে আমরা তাঁর কাছে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যে এক কন্যা ও এক বোন রেখে মারা গেছে। তিনি কন্যাটিকে অর্ধেক ও বোনটিকে অর্ধেক দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৭৮)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية