সহিহ বুখারী > (আল্লাহ্র বাণী) আমি তোমাকে (মি’রাজের মাধ্যমে) যে দৃশ্য দেখিয়েছি তা এবং কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত (জাক্কুম) গাছটিও মানুষদের পরীক্ষা করার জন্য (যে কারা তা বিশ্বাস ক’রে নেক্কার হয় আর কারা তা অবিশ্বাস ক’রে পাপী হয়)। (সূরাহ্ ইসরা ১৭/৬০)
সহিহ বুখারী ৬৬১৩
حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُمْ كَانُوا يُضْرَبُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اشْتَرَوْا طَعَامًا جِزَافًا أَنْ يَبِيعُوهُ فِي مَكَانِهِمْ حَتَّى يُئْوُوهُ إِلَى رِحَالِهِمْ.
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي.....} الاية (আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেনঃ তা হচ্ছে চোখের দেখা। যে রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সে রাতে তাঁকে যা দেখানো হয়েছিল। তিনি বলেন, কুরআনের বর্ণিত وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ দ্বারা যাক্কূম গাছকে বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬০)
সহিহ বুখারী > আদম (‘আঃ) ও মূসা (‘আঃ) আল্লাহ্র সামনে বাদানুবাদ করেন।
সহিহ বুখারী ৬৬১৪
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ مَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِنَفْسِهِ فِي شَىْءٍ يُؤْتَى إِلَيْهِ حَتَّى تُنْتَهَكَ مِنْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَيَنْتَقِمَ لِلَّهِ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আদম ও মূসা (‘আঃ) (পরস্পরে) বাদানুবাদ করেন। মূসা (‘আঃ) বলেন, হে আদম, আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদেরকে বঞ্চিত করেছেন এবং জান্নাত থেকে আমাদেরকে বের করেছেন। আদম (‘আঃ) তাকে বললেন, হে মূসা! আল্লাহ্ আপনাকে তো নিজ কথার মাধ্যমে সম্মানিত করেছেন এবং আপনার জন্য নিজ হাত দ্বারা লিখেছেন। অতএব আপনি কি আমাকে এমন একটি কাজের ব্যাপারে তিরস্কার করছেন যা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বেই আল্লাহ্ নির্ধারিত করে রেখেছেন। তখন আদম (‘আঃ) মূসা (‘আঃ)-এর উপর বিতর্কে জয়ী হলেন। এ কথাটি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার বলেছেন। সুফিয়ানও... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরূপ বর্ণনা করেছেন। [৩৪০৯; মুসলিম ৪৬/২, হাঃ ২৬৫২, আহমাদ ৭৩৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫৩, ই.ফা ৬১৬১)