সহিহ বুখারী > পালঙ্ক ব্যবহার করা।
সহিহ বুখারী ৬২৭৬
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، حَدَّثَنِي شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ قَالَ مَنْ عَادَى لِي وَلِيًّا فَقَدْ آذَنْتُهُ بِالْحَرْبِ، وَمَا تَقَرَّبَ إِلَىَّ عَبْدِي بِشَىْءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِمَّا افْتَرَضْتُ عَلَيْهِ، وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَىَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ، فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْتُ سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ، وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ، وَيَدَهُ الَّتِي يَبْطُشُ بِهَا وَرِجْلَهُ الَّتِي يَمْشِي بِهَا، وَإِنْ سَأَلَنِي لأُعْطِيَنَّهُ، وَلَئِنِ اسْتَعَاذَنِي لأُعِيذَنَّهُ، وَمَا تَرَدَّدْتُ عَنْ شَىْءٍ أَنَا فَاعِلُهُ تَرَدُّدِي عَنْ نَفْسِ الْمُؤْمِنِ، يَكْرَهُ الْمَوْتَ وَأَنَا أَكْرَهُ مَسَاءَتَهُ "
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আমার) পালঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর কিবলার মাঝে শুয়ে থাকতাম। যখন আমার কোন প্রয়োজন হতো, তখন আমি তাঁর দিকে মুখ করে উঠে দাঁড়ানো পছন্দ করতাম না বরং আমি শায়িত অবস্থাতেই পেছনের দিক দিয়ে কেটে পড়তাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৮)
সহিহ বুখারী ৬২৭৭
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ هَكَذَا " وَيُشِيرُ بِإِصْبَعَيْهِ فَيَمُدُّ بِهِمَا
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর নিকট আমার অধিক সওম পালন করার কথা উল্লেখ করা হলো। তখন তিনি আমার ঘরে আসলেন এবং আমি তাঁর উদ্দেশ্যে খেজুরের ছালে ভরা চামড়ার একটা বালিশ পেশ করলাম। তিনি মাটিতেই বসে গেলেন। আর বালিশটা আমার ও তাঁর মাঝে থেকে গেল। তিনি আমাকে বললেনঃ প্রত্যেক মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে পাঁচ দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে সাতদিন? আমি আবার বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে নয়দিন? আমি পুনরায় বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে এগার দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দাউদ (‘আঃ) –এর সওমের চেয়ে অধিক কোন (নাফ্ল) সওম নেই। তিনি প্রত্যেক মাসের অর্ধেক দিন সওম পালন করতেন অর্থাৎ একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন পালন করতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৯)
সহিহ বুখারী > হেলান দেয়ার জন্য যাঁকে একটা বালিশ পেশ করা হয়।
সহিহ বুখারী ৬২৭৮
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ـ هُوَ الْجُعْفِيُّ ـ حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، وَأَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ "
ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ‘আলক্বামাহ (রহ.) সিরিয়ায় গমন করলেন। তখন তিনি মসজিদে গিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেক সঙ্গী দান করুন। এরপর তিনি আবুদ্ দারদা -এর পাশে গিয়ে বসে পড়লেন। তারপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনি কোন্ শহরের লোক? তিনি জবাব দিলেনঃ আমি কূফার অধিবাসী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ঃ আপনাদের মধ্যে কি সেই লোক নেই। যিনি ঐ ভেদ সম্পর্কে জানতেন, যা অপর কেউ জানতেন না? রাবী বলেন) অর্থাৎ হুযাইফাহ । আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনাদের মধ্যে কি এমন লোক নেই, অথবা আছেন, যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের দু‘আর কারণে শয়তান থেকে পানাহ দিয়েছেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আম্মার তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আর আপনাদের মধ্যে কি সে লোক নেই যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মিস্ওয়াক ও বালিশের দায়িত্বে ছিলেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ । আবুদ্ দারদা তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ সূরায়ে {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} কীভাবে পড়তেন? তিনি বললেনঃ তিনি ‘ওয়ামা খালাকায যাকারা ওয়াল উনসা’র স্থলে ‘ওয়ামা খালাকা’ অংশটুকু বাদ দিয়ে) পড়তেন {وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى}। তখন তিনি বললেনঃ এখানকার লোকেরা আমাকে এ সূরা সম্পর্কে সন্দেহে নিক্ষেপ করেছে। অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ রকমই শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩০)