সহিহ বুখারী > যদি কেউ বলে যে, অমুক তোমাকে সালাম দিয়েছে।

সহিহ বুখারী ৬২৫৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي خُبَيْبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللَّهُ، رَجُلٌ ذَكَرَ اللَّهَ فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ ‏" ‏‏‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ জিবরীল (‘আঃ) তোমাকে সালাম দিয়েছেন। তখন তিনি বললেনঃ ওয়া আলাইহিস্‌ সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৬)


সহিহ বুখারী > মুসলিম ও মুশরিকদের একত্রিত মাজলিসে সালাম দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২৫৪

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حُذَيْفَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ كَانَ رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ يُسِيءُ الظَّنَّ بِعَمَلِهِ، فَقَالَ لأَهْلِهِ إِذَا أَنَا مُتُّ فَخُذُونِي فَذَرُّونِي، فِي الْبَحْرِ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ، فَفَعَلُوا بِهِ، فَجَمَعَهُ اللَّهُ ثُمَّ قَالَ مَا حَمَلَكَ عَلَى الَّذِي صَنَعْتَ قَالَ مَا حَمَلَنِي إِلاَّ مَخَافَتُكَ‏.‏ فَغَفَرَ لَهُ ‏" ‏‏‏

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন একটি গাধার উপর সাওয়ার হলেন, যার জ্বীনের নীচে ফাদাকের তৈরী একখানি চাদর ছিল। তিনি উসামাহ ইবনু যায়দকে নিজের পিছনে বসিয়েছিলেন। তখন তিনি হারিস ইবনু খাযরাজ গোত্রের সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) -এর দেখাশোনার উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছিলেন। এটি ছিল বদর যুদ্ধের আগের ঘটনা। তিনি এমন এক মাজলিসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যেখানে মুসলিম, প্রতিমাপূজক, মুশরিক ও ইয়াহূদী ছিল। তাদের মধ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূলও ছিল। আর এ মাজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-ও হাজির ছিলেন। যখন সাওয়ারীর পদাঘাতে বিক্ষিপ্ত ধূলাবালি মাজলিসকে ঢেকে ফেলছিল, তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই তার চাদর দিয়ে তার নাক ঢাকল। তারপর বললঃ তোমরা আমাদের উপর ধূলাবালি উড়িয়ো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সালাম করলেন। তারপর এখানে থামলেন ও সাওয়ারী থেকে নেমে তাদের আল্লাহ্‌র প্রতি আহ্বান করলেন এবং তাদের কাছে কুরআন পাঠ করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূল বললঃ হে আগন্তুক! আপনার এ কথার চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। তবে আপনি যা বলছেন, যদিও তা সত্য, তবুও আপনি আমাদের মাজলিসে এসব বলে আমাদের বিরক্ত করবেন না। আপনি আপনার নিজ বাসস্থানে ফিরে যান। এরপর আমাদের মধ্য হতে কোন লোক আপনার নিকট গেলে তাকে এসব কথা বলবেন। তখন ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমাদের মাজলিসে আসবেন, আমরা এসব কথা পছন্দ করি। তখন মুসলিম, মুশরিক ও ইয়াহূদীদের মধ্যে পরস্পর গালাগালি শুরু হয়ে গেল। এমনকি তারা একে অন্যের উপর আক্রমণ করতে উদ্যত হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের নিরস্ত করতে লাগলেন। শেষে তিনি তাঁর সাওয়ারীতে উঠে রওয়ানা হলেন এবং সা’দ ইবনু উবাদাহ্‌র কাছে পোঁছলেন। তারপর তিনি বললেনঃ হে সা’দ! আবূ হুবাব অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই কী বলেছে, তা কি তুমি শুনোনি? সা’দ (রাঃ) বললেনঃ সে এমন কথাবার্তা বলেছে। তিনি আরো বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তাকে মাফ করে দিন। আর তার কথা ছেড়ে দিন। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌ তা’আলা আপনাকে যেসব নি’য়ামত দান করার ছিল তা সবই দান করেছেন। অন্যদিকে এ শহরের অধিবাসীরা তো পরামর্শ করে স্থির করেছিল যে, তারা তাকে রাজমুকুট পরাবে। আর তার শিরে রাজকীয় পাগড়ী বেঁধে দিবে। কিন্তু আল্লাহ্‌ তা’আলা আপনাকে যে দ্বীনে হক দান করেছেন, তা দিয়ে তিনি তাদের সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দিয়েছেন। ফলে সে (দুঃখের আগুনে) জ্বলছে। এজন্যই সে আপনার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে, তা আপনি নিজেই দেখেছেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে মাফ করে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৭)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية