সহিহ বুখারী > পরিচিত ও অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২৩৬

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ أَحَبُّ الْعَمَلِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّذِي يَدُومُ عَلَيْهِ صَاحِبُهُ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলঃ ইসলামে কোন কাজ উত্তম? তিনি বললেনঃ তুমি ক্ষুধার্তকে অন্ন দেবে, আর সালাম দেবে যাকে তুমি চেন আর যাকে চেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৯)


সহিহ বুখারী ৬২৩৭

حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏‏ لَنْ يُنَجِّيَ أَحَدًا مِنْكُمْ عَمَلُهُ ‏"‏‏.‏ قَالُوا وَلاَ أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ وَلاَ أَنَا، إِلاَّ أَنْ يَتَغَمَّدَنِي اللَّهُ بِرَحْمَةٍ، سَدِّدُوا وَقَارِبُوا، وَاغْدُوا وَرُوحُوا، وَشَىْءٌ مِنَ الدُّلْجَةِ‏.‏ وَالْقَصْدَ الْقَصْدَ تَبْلُغُوا ‏"‏‏.‏"

আবূ আইউব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ কোন মুসলিমের পক্ষে তার কোন ভাইয়ের সাথে তিন দিনের অধিক এমনভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা বৈধ নয় যে, তাদের দু’জনের দেখা সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে, আরেকজন অন্যদিকে চেহারা ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তি যে প্রথম সালাম করবে। আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) বলেন যে, এ হাদীসটি আমি যুহ্‌রী (রহঃ) থেকে তিনবার শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯০)


সহিহ বুখারী > পর্দার আয়াত

সহিহ বুখারী ৬২৩৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ سَدِّدُوا وَقَارِبُوا، وَاعْلَمُوا أَنْ لَنْ يُدْخِلَ أَحَدَكُمْ عَمَلُهُ الْجَنَّةَ، وَأَنَّ أَحَبَّ الأَعْمَالِ أَدْوَمُهَا إِلَى اللَّهِ، وَإِنْ قَلَّ ‏"

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (রাঃ) যখন মদিনায় আসলেন, তখন তাঁর (বর্ণনাকারীর) বয়স ছিল দশ বছর। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবনের দশটি বছর আমি তাঁর খিদমত করি। আর পর্দার বিধান ব্যাপারে আমি সব চেয়ে অধিক অবগত ছিলাম, যখন তা অবতীর্ণ হয়। উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) প্রায়ই আমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেন। যাইনাব বিনত জাহ্‌শ (রাঃ)- এর সঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাসরের দিনে প্রথম পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নতুন দুলহা হিসেবে সে দিন লোকেদের দা‘ওয়াত করেন এবং এরপর অনেকেই দা’ওয়াত খেয়ে বেরিয়ে যান। কিন্তু কয়েকজন তাঁর কাছে রয়ে যান এবং তাদের অবস্থান দীর্ঘায়িত করেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যান এবং আমিও তাঁর সঙ্গে যাই, যাতে তারা বের হয়ে যায়। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে চলি। এমনকি তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) –এর ঘরের দরজায় এসে পৌঁছেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাবলেন যে, নিশ্চয়ই তারা বেরিয়ে গেছে। তখন তিনি ফিরে আসেন আর তাঁর সঙ্গে আমিও ফিরে আসি। তিনি যাইনাব (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করে দেখেন যে, তারা তখনও বসেই আছেন, চলে যায়নি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে গেলাম। এমনকি তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)- এর দরজার চৌকাঠ পর্যন্ত এসে পৌছেন। এরপর তিনি ভাবলেন যে, এখন তারা অবশ্যই বেরিয়ে গেছে। তাই তিনি ফিরে এসে দেখেন যে, তারা বেরিয়ে গেছে। এ সময় পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং তিনি তাঁর ও আমার মধ্যে পর্দা টেনে দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯১)


সহিহ বুখারী ৬২৩৯

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَرْعَرَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّهَا قَالَتْ سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الأَعْمَالِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ قَالَ ‏‏ أَدْوَمُهَا وَإِنْ قَلَّ ‏"‏‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ اكْلَفُوا مِنَ الأَعْمَالِ مَا تُطِيقُونَ ‏"‏‏.‏"

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাব (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন একদল (মেহমান) তাঁর ঘরে এসে খাওয়া-দাওয়া করলেন। এরপর তাঁরা ঘরে বসেই আলাপ-আলোচনা করতে লাগলেন। তিনি দাঁড়ালে কিছু লোক উঠে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু অবশিষ্ট কিছু লোক বসেই থাকলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে প্রবেশ করার জন্য ফিরে এসে দেখলেন যে, তারা বসেই আছেন। কিছুক্ষন পরে তারা উঠে চলে গেলেন। তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ওদের চলে যাবার খবর দিলে তিনি এসে প্রবেশ করলেন। তখন আমি ভেতরে যাওয়ার ইচ্ছে করলে তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্‌ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ইমানদারগণ! তোমরা নবীর ঘরগুলোতে প্রবেশ করো না”। ...... শেষ পর্যন্ত। (সূরাহ আল-আহযাবঃ ৫৩)(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯২)


সহিহ বুখারী ৬২৪০

حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ قُلْتُ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ كَيْفَ كَانَ عَمَلُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَلْ كَانَ يَخُصُّ شَيْئًا مِنَ الأَيَّامِ قَالَتْ لاَ، كَانَ عَمَلُهُ دِيمَةً، وَأَيُّكُمْ يَسْتَطِيعُ مَا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَطِيعُ‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ থেকে বর্নিতঃ

যে, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট প্রায়ই বলতেন যে , আপনি আপনার স্ত্রীদের পর্দা করান। কিন্তু তিনি তা করেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রাতে মাঠের দিকে বাইরে যেতেন। একবার সাওদাহ বিন্‌ত যাম‘আহ (রাঃ) বেরিয়ে গেলেন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী মহিলা। ‘উমার (রাঃ) মজলিসে উপস্থিত ছিলেন। তাই তিনি পর্দার নির্দেশ অবতীর্ণ হবার আগ্রহে বললেনঃ ওহে সাওদাহ! আমি আপনাকে চিনে ফেলেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা পর্দার আয়াত নাযিল করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية