সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পূর্বে যবহ্‌ করে সে যেন পুনরায় যবহ্‌ করে।

সহিহ বুখারী ৫৫৬১

وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، بَعْدُ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ لاَ يُورِدَنَّ مُمْرِضٌ عَلَى مُصِحٍّ ‏" ‏‏‏ وَأَنْكَرَ أَبُو هُرَيْرَةَ حَدِيثَ الأَوَّلِ قُلْنَا أَلَمْ تُحَدِّثْ أَنَّهُ لاَ عَدْوَى فَرَطَنَ بِالْحَبَشِيَّةِ‏‏ قَالَ أَبُو سَلَمَةَ فَمَا رَأَيْتُهُ نَسِيَ حَدِيثًا غَيْرَهُ‏‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের পূর্বে যবহ্‌ করেছে সে যেন আবার যবহ্‌ করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ এটাতো এমন দিন যে দিন গোশ্‌ত খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগে। সে তার প্রতিবেশীদের অভাবের কথাও উল্লেখ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন তার ওজর উপলব্ধি করলেন। লোকটি বললঃ আমার কাছে এমন একটি ছাগলের বাচ্চা আছে যেটি দু’টি মাংসল বক্‌রীর চেয়ে উৎকৃষ্ট। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাকে সেটি কুরবানী করার অনুমতি দান করলেন। (বর্ণনাকারী বলেনঃ ) আমি জানি না, এ অনুমতি অন্যদের জন্যেও কিনা। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভেড়া দু'টির দিকে ঝুঁকলেন অর্থাৎ তিনি সে দু'টিকে যবহ্‌ করলেন। এরপর লোকেরা ছাগলের ছোট একটি ক্ষুদ্র পালের দিকে গেল এবং সেগুলোকে যবহ্‌ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫০)


সহিহ বুখারী ৫৫৬২

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَحَمْزَةُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ لاَ عَدْوَى، وَلاَ طِيَرَةَ، إِنَّمَا الشُّؤْمُ فِي ثَلاَثٍ فِي الْفَرَسِ، وَالْمَرْأَةِ، وَالدَّارِ ‏" ‏‏‏

জুনদুব ইবনু সুফ্‌ইয়ান বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট হাজির ছিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায়ের আগে যবহ্‌ করেছে, সে যেন এর স্থলে আবার যবহ্‌ করে। আর যে ব্যক্তি যবহ্‌ করেনি, সে যেন যবহ্‌ করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫১)


সহিহ বুখারী ৫৫৬৩

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ لاَ عَدْوَى ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تُورِدُوا الْمُمْرِضَ عَلَى الْمُصِحِّ ‏"‏‏.‏ وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي سِنَانُ بْنُ أَبِي سِنَانٍ الدُّؤَلِيُّ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ عَدْوَى ‏"‏‏.‏ فَقَامَ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ أَرَأَيْتَ الإِبِلَ تَكُونُ فِي الرِّمَالِ أَمْثَالَ الظِّبَاءِ فَيَأْتِيهِ الْبَعِيرُ الأَجْرَبُ فَتَجْرَبُ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَمَنْ أَعْدَى الأَوَّلَ ‏"‏‏.‏"

বারা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সালাত আদায় করে, আমাদের কিবলাকে কিবলা বলে গ্রহণ করে সে যেন (ঈদের সালাত) শেষ না করা পর্যন্ত যবহ্‌ না করে। তখন আবূ বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমিতো যবহ্‌ করে ফেলেছি। তিনি উত্তর দিলেনঃ এটি এমন জিনিস হল যা তুমি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছ। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বললেনঃ আমার কাছে একটি অল্প বয়সের ছাগল আছে। সেটি পূর্ণ বয়স্ক দ’টি ছাগলের চেয়ে উৎকৃষ্ট। আমি কি সেটি যবহ্‌ করতে পারি? তিনি উত্তর দিলেনঃ হাঁ। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যবহ্‌ করা যথেষ্ট হবে না। 'আমির (রহঃ) বলেনঃ এটি হল তাঁর উৎকৃষ্ট কুরবানী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫২)


সহিহ বুখারী > যবহে্‌র পশুর পার্শ্বদেশ পায়ে চাপ দিয়ে ধরা।

সহিহ বুখারী ৫৫৬৪

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ لاَ عَدْوَى، وَلاَ طِيَرَةَ، وَيُعْجِبُنِي الْفَأْلُ ‏"‏‏.‏ قَالُوا وَمَا الْفَأْلُ قَالَ ‏"‏ كَلِمَةٌ طَيِّبَةٌ ‏"‏‏.‏"

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি শিংওয়ালা সাদা-কালো রঙের ভেড়া কুরবানী করতেন। তিনি পশুগুলোর পার্শ্ব তাঁর পায়ে চেপে ধরে সেগুলোকে নিজ হাতে যবহ্‌ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৫৩)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية