সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর যে সব সহাবী ক্বারী ছিলেন।
সহিহ বুখারী ৪৯৯৯
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ خَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسُ مَعَهُ، فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلاً نَحْوًا مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلاً، ثُمَّ رَفَعَ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الْقِيَامِ الأَوَّلِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الرُّكُوعِ الأَوَّلِ، ثُمَّ سَجَدَ، ثُمَّ قَامَ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الْقِيَامِ الأَوَّلِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الرُّكُوعِ الأَوَّلِ، ثُمَّ رَفَعَ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الْقِيَامِ الأَوَّلِ، ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلاً وَهْوَ دُونَ الرُّكُوعِ الأَوَّلِ، ثُمَّ رَفَعَ ثُمَّ سَجَدَ، ثُمَّ انْصَرَفَ، وَقَدْ تَجَلَّتِ الشَّمْسُ، فَقَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لاَ يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ رَأَيْنَاكَ تَنَاوَلْتَ شَيْئًا فِي مَقَامِكَ هَذَا، ثُمَّ رَأَيْنَاكَ تَكَعْكَعْتَ. فَقَالَ " إِنِّي رَأَيْتُ الْجَنَّةَ ـ أَوْ أُرِيتُ الْجَنَّةَ ـ فَتَنَاوَلْتُ مِنْهَا عُنْقُودًا وَلَوْ أَخَذْتُهُ لأَكَلْتُمْ مِنْهُ مَا بَقِيَتِ الدُّنْيَا، وَرَأَيْتُ النَّارَ فَلَمْ أَرَ كَالْيَوْمِ مَنْظَرًا قَطُّ وَرَأَيْتُ أَكْثَرَ أَهْلِهَا النِّسَاءَ ". قَالُوا لِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " بِكُفْرِهِنَّ ". قِيلَ يَكْفُرْنَ بِاللَّهِ قَالَ " يَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ، وَيَكْفُرْنَ الإِحْسَانَ، وَلَوْ أَحْسَنْتَ إِلَى إِحْدَاهُنَّ الدَّهْرَ، ثُمَّ رَأَتْ مِنْكَ شَيْئًا قَالَتْ مَا رَأَيْتُ مِنْكَ خَيْرًا قَطُّ "."
মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আম্র ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসউদের কথা উল্লেখ পূর্বক বলেছেন, আমি তাঁকে ঐ সময় থেকে ভালবাসি, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, তোমরা চার ব্যক্তি থেকে কুরআন শিক্ষা কর- ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ), সালিম (রাঃ), মু’আয (রাঃ) এবং উবাই ইব্নু কা’ব (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৩)
সহিহ বুখারী ৫০০০
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، عَنْ عِمْرَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ اطَّلَعْتُ فِي الْجَنَّةِ فَرَأَيْتُ أَكْثَرَ أَهْلِهَا الْفُقَرَاءَ، وَاطَّلَعْتُ فِي النَّارِ، فَرَأَيْتُ أَكْثَرَ أَهْلِهَا النِّسَاءَ " تَابَعَهُ أَيُّوبُ وَسَلْمُ بْنُ زَرِيرٍ
শাকীক ইব্ন সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ্র শপথ! সত্তরেরও কিছু অধিক সূরা আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর মুখ থেকে হাসিল করেছি। আল্লাহ্র কসম! নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সহাবীরা জানেন, আমি তাঁদের চেয়ে আল্লাহ্র কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞাত; অথচ আমি তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম নই। শাকীক (রহঃ) বলেন, সাহাবীগণ তাঁর কথা শুনে কী বলেন তা শোনার জন্য আমি মাজলিসে বসে থাকলাম, কিন্তু আমি কাউকে অন্যরকম কথা বলে আপত্তি করতে শুনিনি।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬২৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৪)
সহিহ বুখারী ৫০০১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَا عَبْدَ اللَّهِ أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّكَ تَصُومُ النَّهَارَ وَتَقُومُ اللَّيْلَ ". قُلْتُ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ " فَلاَ تَفْعَلْ، صُمْ وَأَفْطِرْ، وَقُمْ وَنَمْ، فَإِنَّ لِجَسَدِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِعَيْنِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِزَوْجِكَ عَلَيْكَ حَقًّا "."
‘আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা হিম্স শহরে ছিলাম। এ সময় ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) সূরা ইউসুফ তিলাওয়াত করলেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, এটা এভাবে অবতীর্ণ হয়নি। এ কথা শুনে ইব্নু মাস’উদ (রাঃ) বললেন, আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সামনে এ সূরা তিলাওয়াত করেছি। তিনি বলেছেন, তুমি সুন্দর পড়েছ। এ সময় তিনি ঐ লোকটির মুখ থেকে মদের গন্ধ পেলেন। তাই তিনি তাকে বললেন, তুমি আল্লাহ্র কিতাব সম্পর্কে মিথ্যা বলা এবং মদ পানের অপরাধ এক সঙ্গে করেছ? এরপর তিনি তার ওপর নির্ধারিত শাস্তি জারি করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৫)
সহিহ বুখারী ৫০০২
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالأَمِيرُ رَاعٍ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ، وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ زَوْجِهَا وَوَلَدِهِ، فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ "
মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র কসম! যিনি ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই, আল্লাহ্র কিতাবের অবতীর্ণ প্রতিটি সূরা সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোন্ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহ্র কিতাব সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে উট পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে সেখানে পৌঁছে যেতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৬)
সহিহ বুখারী ৫০০৩
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ آلَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ نِسَائِهِ شَهْرًا وَقَعَدَ فِي مَشْرُبَةٍ لَهُ فَنَزَلَ لِتِسْعٍ وَعِشْرِينَ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ آلَيْتَ عَلَى شَهْرٍ. قَالَ إِنَّ الشَّهْرَ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ "
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সময় কোন্ কোন্ ব্যক্তি কুরআন সংগ্রহ করেছেন? তিনি বললেন, চারজন এবং তাঁরা চারজনই ছিলেন আনসার সহাবী। তাঁরা হলেনঃ উবাই ইব্নু কা’ব (রাঃ), মু’আয ইব্নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। (অন্য সানাদে) ফাদল (রহঃ) ..... আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৭)
সহিহ বুখারী ৫০০৪
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ،. وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيٍّ، أَنَّ عِكْرِمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَلَفَ لاَ يَدْخُلُ عَلَى بَعْضِ أَهْلِهِ شَهْرًا، فَلَمَّا مَضَى تِسْعَةٌ وَعِشْرُونَ يَوْمًا غَدَا عَلَيْهِنَّ أَوْ رَاحَ فَقِيلَ لَهُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ حَلَفْتَ أَنْ لاَ تَدْخُلَ عَلَيْهِنَّ شَهْرًا قَالَ إِنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعَةً وَعِشْرِينَ يَوْمًا "
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করলেন। তখন চারজন ব্যতীত আর কেউ কুরআন সংগ্রহ করেননি। তাঁরা হলেন আবুদ্ দারদা (রাঃ), মু’আয ইব্নু জাবাল (রাঃ), যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ) এবং আবূ যায়দ (রাঃ)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ যায়দ (রাঃ)- এর উত্তরসুরী।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৮)
সহিহ বুখারী ৫০০৫
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْفُورٍ، قَالَ تَذَاكَرْنَا عِنْدَ أَبِي الضُّحَى فَقَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ أَصْبَحْنَا يَوْمًا وَنِسَاءُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَبْكِينَ، عِنْدَ كُلِّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ أَهْلُهَا، فَخَرَجْتُ إِلَى الْمَسْجِدِ، فَإِذَا هُوَ مَلآنُ مِنَ النَّاسِ فَجَاءَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَصَعِدَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ فِي غُرْفَةٍ لَهُ، فَسَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمْ يُجِبْهُ أَحَدٌ، فَنَادَاهُ فَدَخَلَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَطَلَّقْتَ نِسَاءَكَ فَقَالَ لاَ وَلَكِنْ آلَيْتُ مِنْهُنَّ شَهْرًا " فَمَكَثَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ، ثُمَّ دَخَلَ عَلَى نِسَائِهِ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, ‘আলী (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম বিচারক এবং উবাই (রাঃ) আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম কারী। এতদ্সত্ত্বেও তিনি যা তিলাওয়াত করেছেন, আমরা তার কিছু অংশ বাদ দিই, অথচ তিনি বলছেন, আমি তা আল্লাহ্র রাসূলের যবান থেকে শুনেছি, কোন কিছুর বিনিময়ে আমি তা ত্যাগ করব না। আল্লাহ্ বলেছেন, “আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে তা হতে উত্তম কিংবা তার মত কোন আয়াত এনে দিই।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৩৯)
সহিহ বুখারী > সূরা ফাতিহার ফযীলত
সহিহ বুখারী ৫০০৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ يَجْلِدُ أَحَدُكُمُ امْرَأَتَهُ جَلْدَ الْعَبْدِ، ثُمَّ يُجَامِعُهَا فِي آخِرِ الْيَوْمِ "
আবূ সা’ঈদ ইব্নু মু’আল্লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডাকলেন; কিন্তু আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম না। পরে আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি সলাত আদায়রত ছিলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা কি বলেননি, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ ও রসূল যখন তোমাদেরকে আহবান করেন তখন আল্লাহ্ ও রসূলের আহবানে সাড়া দাও”। (সূরা আল-আনফাল ৮/২৪) তারপর তিনি বললেন, তোমার মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরা শিক্ষা দেব না? তখন তিনি আমারা হাত ধরলেন। যখন আমরা মাসজিদ থেকে বের হতে ইচ্ছা করলাম তখন আমি বললাম, আপনি তো বলেছেন মাসজিদ থেকে বের হওয়ার আগে আমাকে কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ সূরার কথা বলবেন। তিনি বললেন, সেটা হলঃ “আল হামদুলিল্লাহ রাব্বিল ‘আলামীন”। এটা পুনঃ পুনঃ পঠিত সাতটি আয়াত এবং কুরআন আজীম যা আমাকে দেয়া হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৪০)
সহিহ বুখারী ৫০০৭
حَدَّثَنَا خَلاَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ الْحَسَنِ ـ هُوَ ابْنُ مُسْلِمٍ ـ عَنْ صَفِيَّةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ امْرَأَةً، مِنَ الأَنْصَارِ زَوَّجَتِ ابْنَتَهَا فَتَمَعَّطَ شَعَرُ رَأْسِهَا، فَجَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَتْ إِنَّ زَوْجَهَا أَمَرَنِي أَنْ أَصِلَ فِي شَعَرِهَا. فَقَالَ لاَ إِنَّهُ قَدْ لُعِنَ الْمُوصِلاَتُ "
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমরা সফরে চলছিলাম। (পথিমধ্যে) অবতরণ করলাম। তখন একটি বালিকা এসে বলল, এখানকার গোত্রের সরদারকে সাপে কেটেছে। আমাদের পুরুষগণ বাড়িতে নেই। অতএব, আপনাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কি, যিনি ঝাড়-ফুঁক করতে পারেন? তখন আমাদের মধ্য থেকে একজন ঐ বালিকাটির সঙ্গে গেলেন। যদিও আমরা ভাবিনি যে সে ঝাড়-ফুঁক জানে। এরপর সে ঝাড়-ফুঁক করল এবং গোত্রের সরদার সুস্থ হয়ে উঠল। এতে সর্দার খুশী হয়ে তাকে ত্রিশটি বক্রী দান করলেন এবং আমাদের সকলকে দুধ পান করালেন। ফিরে আসার পথে আমারা জিজ্ঞেস করলাম, তুমি ভালভাবে ঝাড়-ফুঁক করতে জান (অথবা রাবীর সন্দেহ) তুমি কি ঝাড়-ফুঁক করতে পার? সে উত্তর করল, না, আমি তো কেবল উম্মুল কিতাব- সূরা ফাতিহা দিয়েই ঝাড়-ফুঁক করেছি। আমরা তখন বললাম, যতক্ষণ না আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পৌছে তাঁকে জিজ্ঞেস করি ততক্ষণ কেউ কিছু বলবে না। এরপর আমরা মদিনায় পৌছে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে ঘটনাটি বললাম। তিনি বললেন, সে কেমন করে জানল যে, তা (সূরা ফাতিহা) রোগ আরোগ্যের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে? তোমরা নিজেদের মধ্যে এগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যও একটা ভাগ রেখো। আবূ মা’মার ..... আবূ সা’ঈদ থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৩৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪১)