সহিহ বুখারী > ‘‘আর যদি সম্পত্তি বণ্টনকালে (উত্তরাধিকারী নয় এমন) আত্মীয় ইয়াতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়, তবে তা থেকে তাদের কিছু দিবে এবং তাদের সঙ্গে সদালাপ করবে।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৮)
সহিহ বুখারী ৪৫৭৬
أحمد بن حميد أخبرنا عبيد الله الأشجعي عن سفيان عن الشيباني عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما {وإذا حضر القسمة أولو القربٰى واليتامٰى والمساكين} قال هي محكمة وليست بمنسوخة تابعه سعيد عن ابن عباس.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়াতটি সুস্পষ্ট, মানসুখ নয়। সা‘ঈদ (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে ইকরামাহ (রাঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ্র বাণী ঃ وَإِذَاحَضَرَالْقِسْمَةَأُولُوالْقُرْبَىوَالْيَتَامَىوَالْمَسَاكِينُ “আর যদি সম্পত্তি বণ্টনকালে আত্মীয়, ইয়াতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়”। (সূরাহ আন্-নিসা ৪/১১)। [২৭৫৯] (আ.প্র. ৪২১৫, ই.ফা. ৪২১৮)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়াতটি সুস্পষ্ট, মানসুখ নয়। সা‘ঈদ (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে ইকরামাহ (রাঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ্র বাণী ঃ وَإِذَاحَضَرَالْقِسْمَةَأُولُوالْقُرْبَىوَالْيَتَامَىوَالْمَسَاكِينُ “আর যদি সম্পত্তি বণ্টনকালে আত্মীয়, ইয়াতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়”। (সূরাহ আন্-নিসা ৪/১১)। [২৭৫৯] (আ.প্র. ৪২১৫, ই.ফা. ৪২১৮)
أحمد بن حميد أخبرنا عبيد الله الأشجعي عن سفيان عن الشيباني عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما {وإذا حضر القسمة أولو القربٰى واليتامٰى والمساكين} قال هي محكمة وليست بمنسوخة تابعه سعيد عن ابن عباس.
সহিহ বুখারী > ‘‘আর তোমরা পাবে অর্ধেক তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১২)
সহিহ বুখারী ৪৫৭৮
محمد بن يوسف عن ورقاء عن ابن أبي نجيح عن عطاء عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان المال للولد وكانت الوصية للوالدين فنسخ الله من ذلك ما أحب فجعل للذكر مثل حظ الأنثيين وجعل للأبوين لكل واحد منهما السدس والثلث وجعل للمرأة الثمن والربع وللزوج الشطر والربع.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তির সম্পদ লাভ করত সন্তানরা, আর ওয়াসীয়াত ছিল পিতামাতার জন্য। অতঃপর তাত্থেকে আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় পছন্দ অনুযায়ী কিছু রহিত করলেন এবং পুরুষদের জন্য মহিলার দ্বিগুণ নির্দিষ্ট করলেন। পিতামাতা প্রত্যেকের জন্য ষষ্ঠাংশ ও তৃতীয়াংশ নির্ধারণ করলেন, স্ত্রীদের জন্য অষ্টমাংশ ও চতুর্থাংশ নির্ধারণ করলেন এবং স্বামীর জন্য অর্ধাংশ ও চতুর্থাংশ নির্ধারণ করলেন। [২৭৪৭] (আ.প্র. ৪২১৭, ই.ফা. ৪২২০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তির সম্পদ লাভ করত সন্তানরা, আর ওয়াসীয়াত ছিল পিতামাতার জন্য। অতঃপর তাত্থেকে আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় পছন্দ অনুযায়ী কিছু রহিত করলেন এবং পুরুষদের জন্য মহিলার দ্বিগুণ নির্দিষ্ট করলেন। পিতামাতা প্রত্যেকের জন্য ষষ্ঠাংশ ও তৃতীয়াংশ নির্ধারণ করলেন, স্ত্রীদের জন্য অষ্টমাংশ ও চতুর্থাংশ নির্ধারণ করলেন এবং স্বামীর জন্য অর্ধাংশ ও চতুর্থাংশ নির্ধারণ করলেন। [২৭৪৭] (আ.প্র. ৪২১৭, ই.ফা. ৪২২০)
محمد بن يوسف عن ورقاء عن ابن أبي نجيح عن عطاء عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان المال للولد وكانت الوصية للوالدين فنسخ الله من ذلك ما أحب فجعل للذكر مثل حظ الأنثيين وجعل للأبوين لكل واحد منهما السدس والثلث وجعل للمرأة الثمن والربع وللزوج الشطر والربع.
সহিহ বুখারী > -
সহিহ বুখারী ৪৫৭৯
محمد بن مقاتل حدثنا أسباط بن محمد حدثنا الشيباني عن عكرمة عن ابن عباس قال الشيباني وذكره أبو الحسن السوائي ولا أظنه ذكره إلا عن ابن عباس {لا يحل لكم أن ترثوا النسآء كرها ط ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما اٰتيتموهن} قال كانوا إذا مات الرجل كان أولياؤه أحق بامرأته إن شاء بعضهم تزوجها وإن شاءوا زوجوها وإن شاءوا لم يزوجوها فهم أحق بها من أهلها فنزلت هذه الآية في ذلك.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, يَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُوالاَيَحِلُّلَكُمْأَنْتَرِثُواالنِّسَاءَكَرْهًاوَلاَتَعْضُلُوهُنَّلِتَذْهَبُوابِبَعْضِمَاآتَيْتُمُوهُنَّ ইসলামের প্রথম যুগে অবস্থা এমন ছিল যে, কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার অভিভাবকগণ তার স্ত্রীর মালিক হয়ে বসত। তারা ইচ্ছা করলে নিজেরা ঐ মহিলাকে বিয়ে করত। ইচ্ছা করলে অন্যের কাছে দিত। কিংবা তাকে মৃত্যু পর্যন্ত আটকে রাখত। কারও কাছে বিয়ে দিত না। মহিলার পরিবারের চেয়ে এরা অধিক হকদার হয়ে বসত। এরপর এ আয়াত অবতীর্ণ হল। [৬৯৪৮] (আ.প্র. ৪২১৮, ই.ফা. ৪২২১)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, يَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُوالاَيَحِلُّلَكُمْأَنْتَرِثُواالنِّسَاءَكَرْهًاوَلاَتَعْضُلُوهُنَّلِتَذْهَبُوابِبَعْضِمَاآتَيْتُمُوهُنَّ ইসলামের প্রথম যুগে অবস্থা এমন ছিল যে, কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার অভিভাবকগণ তার স্ত্রীর মালিক হয়ে বসত। তারা ইচ্ছা করলে নিজেরা ঐ মহিলাকে বিয়ে করত। ইচ্ছা করলে অন্যের কাছে দিত। কিংবা তাকে মৃত্যু পর্যন্ত আটকে রাখত। কারও কাছে বিয়ে দিত না। মহিলার পরিবারের চেয়ে এরা অধিক হকদার হয়ে বসত। এরপর এ আয়াত অবতীর্ণ হল। [৬৯৪৮] (আ.প্র. ৪২১৮, ই.ফা. ৪২২১)
محمد بن مقاتل حدثنا أسباط بن محمد حدثنا الشيباني عن عكرمة عن ابن عباس قال الشيباني وذكره أبو الحسن السوائي ولا أظنه ذكره إلا عن ابن عباس {لا يحل لكم أن ترثوا النسآء كرها ط ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما اٰتيتموهن} قال كانوا إذا مات الرجل كان أولياؤه أحق بامرأته إن شاء بعضهم تزوجها وإن شاءوا زوجوها وإن شاءوا لم يزوجوها فهم أحق بها من أهلها فنزلت هذه الآية في ذلك.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি সে সম্পত্তির যা ছেড়ে যায় পিতা-মাতা ও নিকট- আত্মীয়রা। আর যাদের সঙ্গে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের দিয়ে দাও তাদের প্রাপ্য অংশ। নিশ্চয় আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৩৩)
সহিহ বুখারী ৪৫৮০
الصلت بن محمد حدثنا أبو أسامة عن إدريس عن طلحة بن مصرف عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما {ولكل جعلنا موالي} قال ورثة {والذين عاقدت أيمانكم} كان المهاجرون لما قدموا المدينة يرث المهاجري الأنصاري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت : {ولكل جعلنا موالي} نسخت ثم قال : {والذين عاقدت أيمانكم}من النصر والرفادة والنصيحة وقد ذهب الميراث ويوصي له سمع أبو أسامة إدريس وسمع إدريس طلحة.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, وَلِكُلٍّجَعَلْنَامَوَالِيَ হচ্ছে বংশীয় উত্তরাধিকারী, وَالَّذِينَعَاقَدَتْأَيْمَانُكُمْ হচ্ছে মুহাজিরগণ যখন মদিনায় এসেছিলেন তখন তারা আনসারদের উত্তরাধিকারী হতেন। আত্মীয়তার জন্য নয় বরং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক তাঁদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের কারণে। যখন وَلِكُلٍّجَعَلْنَامَوَالِيَ অবতীর্ণ হল, তখন এ হুকুম রহিত হয়ে গেল। তারপর বললেন, যাদের সঙ্গে তোমরা চুক্তি করে থাক সাহায্য-সহযোগিতা ও পরস্পরের উপকার করার। আগের উত্তরাধিকার ব্যবস্থা রহিত হল এবং এদের জন্য ওয়াসীয়াত বৈধ করা হল। হাদীসটি আবূ উসামাহ ইদরীসের কাছে থেকে এবং ইদরীস ত্বলহার নিকট হতে শুনেছেন। [২২৯২] (আ.প্র. ৪২১৯, ই.ফা. ৪২২২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, وَلِكُلٍّجَعَلْنَامَوَالِيَ হচ্ছে বংশীয় উত্তরাধিকারী, وَالَّذِينَعَاقَدَتْأَيْمَانُكُمْ হচ্ছে মুহাজিরগণ যখন মদিনায় এসেছিলেন তখন তারা আনসারদের উত্তরাধিকারী হতেন। আত্মীয়তার জন্য নয় বরং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক তাঁদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের কারণে। যখন وَلِكُلٍّجَعَلْنَامَوَالِيَ অবতীর্ণ হল, তখন এ হুকুম রহিত হয়ে গেল। তারপর বললেন, যাদের সঙ্গে তোমরা চুক্তি করে থাক সাহায্য-সহযোগিতা ও পরস্পরের উপকার করার। আগের উত্তরাধিকার ব্যবস্থা রহিত হল এবং এদের জন্য ওয়াসীয়াত বৈধ করা হল। হাদীসটি আবূ উসামাহ ইদরীসের কাছে থেকে এবং ইদরীস ত্বলহার নিকট হতে শুনেছেন। [২২৯২] (আ.প্র. ৪২১৯, ই.ফা. ৪২২২)
الصلت بن محمد حدثنا أبو أسامة عن إدريس عن طلحة بن مصرف عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما {ولكل جعلنا موالي} قال ورثة {والذين عاقدت أيمانكم} كان المهاجرون لما قدموا المدينة يرث المهاجري الأنصاري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت : {ولكل جعلنا موالي} نسخت ثم قال : {والذين عاقدت أيمانكم}من النصر والرفادة والنصيحة وقد ذهب الميراث ويوصي له سمع أبو أسامة إدريس وسمع إدريس طلحة.