সহিহ বুখারী > মাক্কাহ নগরীর উঁচু এলাকার দিক দিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রবেশের বর্ণনা
সহিহ বুখারী ৪২৯০
الهيثم بن خارجة حدثنا حفص بن ميسرة عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة رضي الله عنها أخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء التي بأعلى مكة تابعه أبو أسامة ووهيب في كداء.
আয়িশাহ [রা.] থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উঁচু এলাকা 'কাদা'-এর দিক দিয়ে প্রবেশ করেছেন। আবূ উসামাহ এবং ওহাইব (রহঃ) 'কাদা'-এর দিক দিয়ে প্রবেশ করার বর্ণনায় হাফস্ ইবনু মাইসারাহ (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। [১৫৭৭] (অ.প্র. ৩৯৫৩, ই.ফা. ৩৯৫৬)
আয়িশাহ [রা.] থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উঁচু এলাকা 'কাদা'-এর দিক দিয়ে প্রবেশ করেছেন। আবূ উসামাহ এবং ওহাইব (রহঃ) 'কাদা'-এর দিক দিয়ে প্রবেশ করার বর্ণনায় হাফস্ ইবনু মাইসারাহ (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। [১৫৭৭] (অ.প্র. ৩৯৫৩, ই.ফা. ৩৯৫৬)
الهيثم بن خارجة حدثنا حفص بن ميسرة عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة رضي الله عنها أخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء التي بأعلى مكة تابعه أبو أسامة ووهيب في كداء.
সহিহ বুখারী ৪২৯১
عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام عن أبيه دخل النبي صلى الله عليه وسلم عام الفتح من أعلى مكة من كداء.
হিশামের পিতা থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ জয়ের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উঁচু এলাকা অর্থাৎ 'কাদা' নামক স্থান দিয়ে প্রবেশ করেছিলেন। [১৫৭৭] (আ.প্র. ৩৯৫৪, ই.ফা. ৩৯৫৭)
হিশামের পিতা থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ জয়ের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উঁচু এলাকা অর্থাৎ 'কাদা' নামক স্থান দিয়ে প্রবেশ করেছিলেন। [১৫৭৭] (আ.প্র. ৩৯৫৪, ই.ফা. ৩৯৫৭)
عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام عن أبيه دخل النبي صلى الله عليه وسلم عام الفتح من أعلى مكة من كداء.
সহিহ বুখারী ৪২৮৯
وقال الليث حدثني يونس قال أخبرني نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل يوم الفتح من أعلى مكة على راحلته مردفا أسامة بن زيد ومعه بلال ومعه عثمان بن طلحة من الحجبة حتى أناخ في المسجد فأمره أن يأتي بمفتاح البيت فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه أسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة فمكث فيه نهارا طويلا ثم خرج فاستبق الناس فكان عبد الله بن عمر أول من دخل فوجد بلالا وراء الباب قائما فسأله أين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار له إلى المكان الذي صلى فيه قال عبد الله فنسيت أن أسأله كم صلى من سجدة.
আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করে উসামাহ ইবনু যায়িদকে নিজের পিছনে বসিয়ে মাক্কাহ নগরীর উঁচু এলাকার দিক দিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল এবং বাইতুল্লাহর চাবি রক্ষক 'উসমান ইবনু ত্ব্লহা। অবশেষে তিনি [নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] মাসজিদে হারামের সামনে সওয়ারী থামালেন এবং 'উসমান ইবনু ত্ব্লহাকে চাবি এনে (দরজা খোলার) আদেশ করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (কা'বায়) প্রবেশ করলেন। সে সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ ইবনু যায়্দ, বিলাল এবং 'উসমান ইবনু ত্ব্লহা (রাঃ)। সেখানে তিনি দিনের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করে (সলাত আদায়, তাকবীর ও অনান্য দু'আ করার পর) বের হয়ে এলেন। তখন অনান্য লোক দ্রুত ছুটে এল। তন্মধ্যে 'আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) প্রথমেই প্রবেশ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে দরজার পাশে দাঁড়ানো পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন-রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন জায়গায় সলাত আদায় করেছেন? তখন বিলাল তাকে তাঁর সলাতের জায়গাটি ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন। 'আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কত রাক'আত আদায় করেছিলেন বিলাল (রাঃ)-কে আমি এ কথাটি জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [৩৯৭] (আ.প্র. ৩৯৫৩, ই.ফা. ৩৯৫৬)
আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করে উসামাহ ইবনু যায়িদকে নিজের পিছনে বসিয়ে মাক্কাহ নগরীর উঁচু এলাকার দিক দিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিলাল এবং বাইতুল্লাহর চাবি রক্ষক 'উসমান ইবনু ত্ব্লহা। অবশেষে তিনি [নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] মাসজিদে হারামের সামনে সওয়ারী থামালেন এবং 'উসমান ইবনু ত্ব্লহাকে চাবি এনে (দরজা খোলার) আদেশ করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (কা'বায়) প্রবেশ করলেন। সে সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ ইবনু যায়্দ, বিলাল এবং 'উসমান ইবনু ত্ব্লহা (রাঃ)। সেখানে তিনি দিনের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করে (সলাত আদায়, তাকবীর ও অনান্য দু'আ করার পর) বের হয়ে এলেন। তখন অনান্য লোক দ্রুত ছুটে এল। তন্মধ্যে 'আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) প্রথমেই প্রবেশ করলেন এবং বিলাল (রাঃ)-কে দরজার পাশে দাঁড়ানো পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন-রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন জায়গায় সলাত আদায় করেছেন? তখন বিলাল তাকে তাঁর সলাতের জায়গাটি ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন। 'আব্দুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কত রাক'আত আদায় করেছিলেন বিলাল (রাঃ)-কে আমি এ কথাটি জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম। [৩৯৭] (আ.প্র. ৩৯৫৩, ই.ফা. ৩৯৫৬)
وقال الليث حدثني يونس قال أخبرني نافع عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل يوم الفتح من أعلى مكة على راحلته مردفا أسامة بن زيد ومعه بلال ومعه عثمان بن طلحة من الحجبة حتى أناخ في المسجد فأمره أن يأتي بمفتاح البيت فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه أسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة فمكث فيه نهارا طويلا ثم خرج فاستبق الناس فكان عبد الله بن عمر أول من دخل فوجد بلالا وراء الباب قائما فسأله أين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار له إلى المكان الذي صلى فيه قال عبد الله فنسيت أن أسأله كم صلى من سجدة.
সহিহ বুখারী > মাক্কাহ বিজয়ের দিন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থানস্হল
সহিহ বুখারী ৪২৯২
أبو الوليد حدثنا شعبة عن عمرو عن ابن أبي ليلى ما أخبرنا أحد أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى غير أم هانئ فإنها ذكرت أنه يوم فتح مكة اغتسل في بيتها ثم صلى ثماني ركعات قالت لم أره صلى صلاة أخف منها غير أنه يتم الركوع والسجود.
ইবনু আবী লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে চাশতের সলাত আদায় করতে দেখেছে-এ কথাটি একমাত্র উম্মু হানী (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ আমাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তিনি বলেছেন যে, মাক্কাহ বিজয়ের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাড়িতে গোসল করেছিলেন, এরপর তিনি আট রাক'আত সলাত আদায় করেছেন। উম্মু হানী (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সলাত অপেক্ষা হালকাভাবে অন্য কোন সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকূ', সাজদাহ্ পুরোপুরিই আদায় করেছিলেন। [১১০৩] (আ.প্র. ৩৯৫৫, ই.ফা. ৩৯৫৮)
ইবনু আবী লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে চাশতের সলাত আদায় করতে দেখেছে-এ কথাটি একমাত্র উম্মু হানী (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ আমাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তিনি বলেছেন যে, মাক্কাহ বিজয়ের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাড়িতে গোসল করেছিলেন, এরপর তিনি আট রাক'আত সলাত আদায় করেছেন। উম্মু হানী (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সলাত অপেক্ষা হালকাভাবে অন্য কোন সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকূ', সাজদাহ্ পুরোপুরিই আদায় করেছিলেন। [১১০৩] (আ.প্র. ৩৯৫৫, ই.ফা. ৩৯৫৮)
أبو الوليد حدثنا شعبة عن عمرو عن ابن أبي ليلى ما أخبرنا أحد أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى غير أم هانئ فإنها ذكرت أنه يوم فتح مكة اغتسل في بيتها ثم صلى ثماني ركعات قالت لم أره صلى صلاة أخف منها غير أنه يتم الركوع والسجود.
সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নেই
সহিহ বুখারী ৪২৯৩
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن منصور عن أبي الضحى عن مسروق عن عائشة رضي الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول في ركوعه وسجوده سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي.
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সলাতের রুকূ ও সাজদাহ্য় পড়তেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকাল্লাহুম্মা গফির লী অর্থাৎ অতি পবিত্র। হে আল্লাহ! হে আমাদের প্রভু! আমি তোমারই প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করে দাও। [৭৯৪] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৩৯৬০)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সলাতের রুকূ ও সাজদাহ্য় পড়তেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকাল্লাহুম্মা গফির লী অর্থাৎ অতি পবিত্র। হে আল্লাহ! হে আমাদের প্রভু! আমি তোমারই প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করে দাও। [৭৯৪] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৩৯৬০)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن منصور عن أبي الضحى عن مسروق عن عائشة رضي الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول في ركوعه وسجوده سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفر لي.
সহিহ বুখারী ৪২৯৬
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عطاء بن أبي رباح عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول عام الفتح وهو بمكة إن الله ورسوله حرم بيع الخمر.
জাবির ইবনু 'আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের বছর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মক্কায় এ কথা বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ এবং তাঁর রসূল মদের ক্রয়-বিক্রয় হারাম করে দিয়েছেন। [৭১] [২২৩৬] (আ.প্র. ৩৯৫৮, ই.ফা. ৩৯৬৩)
জাবির ইবনু 'আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের বছর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মক্কায় এ কথা বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ এবং তাঁর রসূল মদের ক্রয়-বিক্রয় হারাম করে দিয়েছেন। [৭১] [২২৩৬] (আ.প্র. ৩৯৫৮, ই.ফা. ৩৯৬৩)
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عطاء بن أبي رباح عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول عام الفتح وهو بمكة إن الله ورسوله حرم بيع الخمر.
সহিহ বুখারী ৪২৯৪
أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان عمر يدخلني مع أشياخ بدر فقال بعضهم لم تدخل هذا الفتى معنا ولنا أبناء مثله فقال إنه ممن قد علمتم قال فدعاهم ذات يوم ودعاني معهم قال وما رئيته دعاني يومئذ إلا ليريهم مني فقال ما تقولون في {إذا جاء نصر الله والفتح ورأيت الناس يدخلون في دين الله أفواجا} حتى ختم السورة فقال بعضهم أمرنا أن نحمد الله ونستغفره إذا نصرنا وفتح علينا وقال بعضهم لا ندري أو لم يقل بعضهم شيئا فقال لي يا ابن عباس أكذاك تقول قلت لا قال فما تقول قلت هو أجل رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلمه الله له {إذا جاء نصر الله والفتح}فتح مكة فذاك علامة أجلك {فسبح بحمد ربك واستغفره إنه” كان توابا} قال عمر ما أعلم منها إلا ما تعلم.
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) তাঁর (পরামর্শ মজলিসে) বাদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বর্ষীয়ান সহাবাদের সঙ্গে আমাকেও শামিল করতেন। তাই তাঁদের কেউ কেউ বললেন, আপনি এ তরুণকে কেন আমাদের সঙ্গে মজলিসে শামিল করেন। তার মতো সন্তান তো আমাদেরও আছে। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ইবনু ‘আববাস (রাঃ) ঐ সব মানুষের একজন যাদের (মর্যাদা) সম্পর্কে আপনারা অবহিত আছেন। ইবনু ‘আববাস বলেন, একদিন তিনি (‘উমার) তাদেরকে পরামর্শ মজলিসে আহবান করলেন এবং তাঁদের সঙ্গে তিনি আমাকেও ডাকলেন। তিনি (ইবনু ‘আববাস) বলেন, আমার মনে হয় সেদিন তিনি তাঁদেরকে আমার ইল্ম দেখানোর জন্যই ডেকেছিলেন। ‘উমার বলেন, إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُوْنَ فِيْ دِيْنِ اللهِ أَفْوَاجًا এভাবে সূরাটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এ সূরাহ সম্পর্কে আপনাদের কী বক্তব্য? তখন তাদের মধ্যে কেউ কেউ বললেন, এখানে আমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে যে, যখন আমাদেরকে সাহায্য করা হবে এবং বিজয় দান করা হবে তখন যেন আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর কেউ কেউ বললেন, আমরা অবগত নই। আবার কেউ কেউ কোন কথাই বলেননি। এ সময় ‘উমার (রাঃ) আমাকে বললেন, ওহে ইবনু ‘আববাস! তুমি কি এ রকমই মনে কর? আমি বললাম, জ্বী, না। তিনি বললেন, তা হলে তুমি কী বলতে চাও? আমি বললাম, এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের সংবাদ। আল্লাহ তাঁকে তা জানিয়ে দিয়েছেন। ‘‘যখন আল্লাহর সাহায্য এবং বিজয় আসবে’’ অর্থাৎ মক্কা বিজয়। সেটাই হবে আপনার ওফাতের নিদর্শন। সুতরাং এ সময়ে আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করবেন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। অবশ্যই তিনি তাওবা কবুলকারী। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ সূরাহ থেকে তুমি যা বুঝেছ আমি তা ব্যতীত আর অন্য কিছুই বুঝিনি। [৩৬২৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৬১)
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) তাঁর (পরামর্শ মজলিসে) বাদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বর্ষীয়ান সহাবাদের সঙ্গে আমাকেও শামিল করতেন। তাই তাঁদের কেউ কেউ বললেন, আপনি এ তরুণকে কেন আমাদের সঙ্গে মজলিসে শামিল করেন। তার মতো সন্তান তো আমাদেরও আছে। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ইবনু ‘আববাস (রাঃ) ঐ সব মানুষের একজন যাদের (মর্যাদা) সম্পর্কে আপনারা অবহিত আছেন। ইবনু ‘আববাস বলেন, একদিন তিনি (‘উমার) তাদেরকে পরামর্শ মজলিসে আহবান করলেন এবং তাঁদের সঙ্গে তিনি আমাকেও ডাকলেন। তিনি (ইবনু ‘আববাস) বলেন, আমার মনে হয় সেদিন তিনি তাঁদেরকে আমার ইল্ম দেখানোর জন্যই ডেকেছিলেন। ‘উমার বলেন, إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُوْنَ فِيْ دِيْنِ اللهِ أَفْوَاجًا এভাবে সূরাটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এ সূরাহ সম্পর্কে আপনাদের কী বক্তব্য? তখন তাদের মধ্যে কেউ কেউ বললেন, এখানে আমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে যে, যখন আমাদেরকে সাহায্য করা হবে এবং বিজয় দান করা হবে তখন যেন আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর কেউ কেউ বললেন, আমরা অবগত নই। আবার কেউ কেউ কোন কথাই বলেননি। এ সময় ‘উমার (রাঃ) আমাকে বললেন, ওহে ইবনু ‘আববাস! তুমি কি এ রকমই মনে কর? আমি বললাম, জ্বী, না। তিনি বললেন, তা হলে তুমি কী বলতে চাও? আমি বললাম, এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের সংবাদ। আল্লাহ তাঁকে তা জানিয়ে দিয়েছেন। ‘‘যখন আল্লাহর সাহায্য এবং বিজয় আসবে’’ অর্থাৎ মক্কা বিজয়। সেটাই হবে আপনার ওফাতের নিদর্শন। সুতরাং এ সময়ে আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করবেন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। অবশ্যই তিনি তাওবা কবুলকারী। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ সূরাহ থেকে তুমি যা বুঝেছ আমি তা ব্যতীত আর অন্য কিছুই বুঝিনি। [৩৬২৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৫৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৬১)
أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان عمر يدخلني مع أشياخ بدر فقال بعضهم لم تدخل هذا الفتى معنا ولنا أبناء مثله فقال إنه ممن قد علمتم قال فدعاهم ذات يوم ودعاني معهم قال وما رئيته دعاني يومئذ إلا ليريهم مني فقال ما تقولون في {إذا جاء نصر الله والفتح ورأيت الناس يدخلون في دين الله أفواجا} حتى ختم السورة فقال بعضهم أمرنا أن نحمد الله ونستغفره إذا نصرنا وفتح علينا وقال بعضهم لا ندري أو لم يقل بعضهم شيئا فقال لي يا ابن عباس أكذاك تقول قلت لا قال فما تقول قلت هو أجل رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلمه الله له {إذا جاء نصر الله والفتح}فتح مكة فذاك علامة أجلك {فسبح بحمد ربك واستغفره إنه” كان توابا} قال عمر ما أعلم منها إلا ما تعلم.
সহিহ বুখারী ৪২৯৫
سعيد بن شرحبيل حدثنا الليث عن المقبري عن أبي شريح العدوي أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد يوم الفتح سمعته أذناي ووعاه قلبي وأبصرته عيناي حين تكلم به إنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرا فإن أحد ترخص لقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب فقيل لأبي شريح ماذا قال لك عمرو قال قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة. قال أبو عبد الله الخربة البلية.
আবূ শুরাইহিল আদবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মাদীনাহ্র শাসনকর্তা) আমর ইবনু সা'ঈদ যে সময় মাক্কাহ অভিমুখে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন তখন আবূ শুরায়হিল আদবী (রাঃ) তাকে বলেছিলেন, হে আমাদের আমীর! আপনি আমাকে একটু অনুমতি দিন, আমি আপনাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি বাণী শোনাব, যেটি তিনি মাক্কাহ বিজয়ের পরের দিন বলেছিলেন। সেই বাণীটি আমার দু'কান শুনেছে। আমার হৃদয় তা হিফাযাত করে রেখেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সে কথাটি বলেছিলেন তখন আমার দু'চোখ তাঁকে অবলোকন করেছে। প্রথমে তিনি [নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] আলাহ্র প্রশংসা করেন এবং সানা পাঠ করেন। এরপর তিনি বলেন, আল্লাহ নিজে মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কোন মানুষ এ ঘোষণা দেয়নি। কাজেই ব্যক্তি আল্লাহ এবং ক্বিয়ামাত দিবসের উপর ঈমান এনেছে তার পক্ষে সেখানে রক্তপাত করা কিংবা এখানকার গাছপালা কর্তন করা কিছুতেই হালাল নয়। আর আল্লাহ্র রসূলের সে স্থানে লড়াইয়ের কথা বলে যদি কেউ নিজের জন্যও সুযোগ নিতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তাঁর রসূলের ক্ষেত্রে (বিশেষভাবে) অনুমতি দিয়েছিলেন, তোমাদের জন্য কোন অনুমতি দেননি। আর আমার ক্ষেত্রেও তা একদিনের কিছু নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই কেবল অনুমতি দেয়া হযেছিল। এরপর সেদিনই তা পুনরায় সেরূপ হারাম হয়ে গেছে যেরূপে তা একদিন পূর্বে হারাম ছিল। উপস্থিত লোকজন (এ কথাটি) অনুপস্থিত লোকের কাছে পৌঁছিয়ে দেবে| (বর্ননাকারী বলেন) পরবর্তী সময়ে আবু শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, 'আমর ইবনু সা'ঈদ আপনাকে কী উত্তর করেছিলেন? তিনি বললেন, 'আম্র আমাকে বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! হাদীসটির বিষয় আমি তোমার চেয়ে অধিক অবগত আছি। হারামে মাক্কাহ কোন অপরাধী বা খুনী পলাতককে কিংবা কোন বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফেরারীকে প্রশ্রয় দেয় না। আর 'আব্দুল্লাহ বলেন, 'আল খারবাহ' অর্থ বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। [১০৪] (আ.প্র. ৩৯৫৭, ই.ফা. ৩৯৬২)
আবূ শুরাইহিল আদবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মাদীনাহ্র শাসনকর্তা) আমর ইবনু সা'ঈদ যে সময় মাক্কাহ অভিমুখে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন তখন আবূ শুরায়হিল আদবী (রাঃ) তাকে বলেছিলেন, হে আমাদের আমীর! আপনি আমাকে একটু অনুমতি দিন, আমি আপনাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি বাণী শোনাব, যেটি তিনি মাক্কাহ বিজয়ের পরের দিন বলেছিলেন। সেই বাণীটি আমার দু'কান শুনেছে। আমার হৃদয় তা হিফাযাত করে রেখেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সে কথাটি বলেছিলেন তখন আমার দু'চোখ তাঁকে অবলোকন করেছে। প্রথমে তিনি [নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] আলাহ্র প্রশংসা করেন এবং সানা পাঠ করেন। এরপর তিনি বলেন, আল্লাহ নিজে মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কোন মানুষ এ ঘোষণা দেয়নি। কাজেই ব্যক্তি আল্লাহ এবং ক্বিয়ামাত দিবসের উপর ঈমান এনেছে তার পক্ষে সেখানে রক্তপাত করা কিংবা এখানকার গাছপালা কর্তন করা কিছুতেই হালাল নয়। আর আল্লাহ্র রসূলের সে স্থানে লড়াইয়ের কথা বলে যদি কেউ নিজের জন্যও সুযোগ নিতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তাঁর রসূলের ক্ষেত্রে (বিশেষভাবে) অনুমতি দিয়েছিলেন, তোমাদের জন্য কোন অনুমতি দেননি। আর আমার ক্ষেত্রেও তা একদিনের কিছু নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই কেবল অনুমতি দেয়া হযেছিল। এরপর সেদিনই তা পুনরায় সেরূপ হারাম হয়ে গেছে যেরূপে তা একদিন পূর্বে হারাম ছিল। উপস্থিত লোকজন (এ কথাটি) অনুপস্থিত লোকের কাছে পৌঁছিয়ে দেবে| (বর্ননাকারী বলেন) পরবর্তী সময়ে আবু শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, 'আমর ইবনু সা'ঈদ আপনাকে কী উত্তর করেছিলেন? তিনি বললেন, 'আম্র আমাকে বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! হাদীসটির বিষয় আমি তোমার চেয়ে অধিক অবগত আছি। হারামে মাক্কাহ কোন অপরাধী বা খুনী পলাতককে কিংবা কোন বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফেরারীকে প্রশ্রয় দেয় না। আর 'আব্দুল্লাহ বলেন, 'আল খারবাহ' অর্থ বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। [১০৪] (আ.প্র. ৩৯৫৭, ই.ফা. ৩৯৬২)
سعيد بن شرحبيل حدثنا الليث عن المقبري عن أبي شريح العدوي أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد يوم الفتح سمعته أذناي ووعاه قلبي وأبصرته عيناي حين تكلم به إنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرا فإن أحد ترخص لقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب فقيل لأبي شريح ماذا قال لك عمرو قال قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة. قال أبو عبد الله الخربة البلية.
সহিহ বুখারী > মাক্কাহ বিজয়ের সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সেখানে অবস্থানকালের পরিমাণ
সহিহ বুখারী ৪২৯৮
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال أقام النبي صلى الله عليه وسلم بمكة تسعة عشر يوما يصلي ركعتين.
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মাক্কাহ বিজয়ের সময়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঊনিশ দিন মক্কায় অবস্থান করেছিলেন, তিনি সে সময় দু'রাক'আত সলাত আদায় করতেন। [১০৮০] (আ.প্র. ৩৯৬০, ই.ফা. ৩৯৬৫)
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মাক্কাহ বিজয়ের সময়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঊনিশ দিন মক্কায় অবস্থান করেছিলেন, তিনি সে সময় দু'রাক'আত সলাত আদায় করতেন। [১০৮০] (আ.প্র. ৩৯৬০, ই.ফা. ৩৯৬৫)
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا عاصم عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنهما قال أقام النبي صلى الله عليه وسلم بمكة تسعة عشر يوما يصلي ركعتين.
সহিহ বুখারী ৪২৯৯
أحمد بن يونس حدثنا أبو شهاب عن عاصم عن عكرمة عن ابن عباس قال أقمنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر تسع عشرة نقصر الصلاة وقال ابن عباس ونحن نقصر ما بيننا وبين تسع عشرة فإذا زدنا أتممنا.
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ঊনিশ দিন (মক্কা বিজয়্কালে) অবস্থান করেছিলাম। [৭৩] ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আমরা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত কসর করতাম। এর চেয়ে অধিক দিন থাকলে আমরা পূর্ণ সলাত আদায় করতাম। [১০৮০] (আ.প্র. ৩৯৬১, ই.ফা. ৩৯৬৬)
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ঊনিশ দিন (মক্কা বিজয়্কালে) অবস্থান করেছিলাম। [৭৩] ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আমরা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত কসর করতাম। এর চেয়ে অধিক দিন থাকলে আমরা পূর্ণ সলাত আদায় করতাম। [১০৮০] (আ.প্র. ৩৯৬১, ই.ফা. ৩৯৬৬)
أحمد بن يونس حدثنا أبو شهاب عن عاصم عن عكرمة عن ابن عباس قال أقمنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر تسع عشرة نقصر الصلاة وقال ابن عباس ونحن نقصر ما بيننا وبين تسع عشرة فإذا زدنا أتممنا.
সহিহ বুখারী ৪২৯৭
أبو نعيم حدثنا سفيان ح حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن يحيى بن أبي إسحاق عن أنس رضي الله عنه قال أقمنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عشرا نقصر الصلاة.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে মক্কায় দশদিন অবস্থান করেছিলাম। সে সময় আমরা সলাত কসর করতাম। [৭২] [১০৮১] (আ.প্র. ৩৯৫৯, ই.ফা. ৩৯৬৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে মক্কায় দশদিন অবস্থান করেছিলাম। সে সময় আমরা সলাত কসর করতাম। [৭২] [১০৮১] (আ.প্র. ৩৯৫৯, ই.ফা. ৩৯৬৪)
أبو نعيم حدثنا سفيان ح حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن يحيى بن أبي إسحاق عن أنس رضي الله عنه قال أقمنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عشرا نقصر الصلاة.