সহিহ বুখারী > হুদাইবিয়াহ্‌র যুদ্ধ।

সহিহ বুখারী ৪১৪৮

هدبة بن خالد حدثنا همام عن قتادة أن أنسا رضي الله عنه أخبره قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي كانت مع حجته عمرة من الحديبية في ذي القعدة وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة وعمرة من الجعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি ‘উমরাহ্ পালন করেছেন। তিনি হাজ্জের সঙ্গে যে উমরাহ্টি পালন করেন সেটি ব্যতীত সবকটিই যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়ার ‘উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়ার পরের বছরের উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে এবং হুনাইনের প্রাপ্ত গানীমাত যে জিঈরানা নামক স্থানে বন্টন করেছিলেন, সেখানের ‘উমরাহ্টিও ছিল যুলকাদাহ্ মাসে, আর তিনি হাজ্জের সঙ্গে একটি ‘উমরাহ পালন করেন। [১৭৭৮, ১৭৭৯] (আ.প্র. ৩৮৩৬, ই.ফা. ৩৮৩৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি ‘উমরাহ্ পালন করেছেন। তিনি হাজ্জের সঙ্গে যে উমরাহ্টি পালন করেন সেটি ব্যতীত সবকটিই যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়ার ‘উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়ার পরের বছরের উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে এবং হুনাইনের প্রাপ্ত গানীমাত যে জিঈরানা নামক স্থানে বন্টন করেছিলেন, সেখানের ‘উমরাহ্টিও ছিল যুলকাদাহ্ মাসে, আর তিনি হাজ্জের সঙ্গে একটি ‘উমরাহ পালন করেন। [১৭৭৮, ১৭৭৯] (আ.প্র. ৩৮৩৬, ই.ফা. ৩৮৩৯)

هدبة بن خالد حدثنا همام عن قتادة أن أنسا رضي الله عنه أخبره قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي كانت مع حجته عمرة من الحديبية في ذي القعدة وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة وعمرة من الجعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته.


সহিহ বুখারী ৪১৪৯

سعيد بن الربيع حدثنا علي بن المبارك عن يحيى عن عبد الله بن أبي قتادة أن أباه حدثه قال انطلقنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية فأحرم أصحابه ولم أحرم.

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার যুদ্ধের বছর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে রওয়ানা করেছিলাম। তখন তার সাহাবীগণ ইহরাম বেঁধেছিলেন কিন্তু আমি ইহরাম বাঁধিনি। [১৮২১] (আ.প্র. ৩৮৩৭, ই.ফা. ৩৮৪০)

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার যুদ্ধের বছর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে রওয়ানা করেছিলাম। তখন তার সাহাবীগণ ইহরাম বেঁধেছিলেন কিন্তু আমি ইহরাম বাঁধিনি। [১৮২১] (আ.প্র. ৩৮৩৭, ই.ফা. ৩৮৪০)

سعيد بن الربيع حدثنا علي بن المبارك عن يحيى عن عبد الله بن أبي قتادة أن أباه حدثه قال انطلقنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية فأحرم أصحابه ولم أحرم.


সহিহ বুখারী ৪১৪৭

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال قال حدثني صالح بن كيسان عن عبيد الله بن عبد الله عن زيد بن خالد رضي الله عنه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الحديبية فأصابنا مطر ذات ليلة فصلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح ثم أقبل علينا فقال أتدرون ماذا قال ربكم قلنا الله ورسوله أعلم فقال قال الله أصبح من عبادي مؤمن بي وكافر بي فأما من قال مطرنا برحمة الله وبرزق الله وبفضل الله فهو مؤمن بي كافر بالكوكب وأما من قال مطرنا بنجم كذا فهو مؤمن بالكوكب كافر بي.

যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার বছর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে বের হলাম। এক রাতে খুব বৃষ্টি হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে আমাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমরা জান কি তোমাদের রব কী বলেছেন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহ্‌র রসূলই অধিক জানেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন (বৃষ্টির কারণে) আমার কতিপয় বান্দা আমার প্রতি ঈমান এনেছে, আর কেউ কেউ আমাকে অমান্য করেছে। যারা বলেছে, আল্লাহ্‌র রহমত, আল্লাহ্‌র দয়া এবং আল্লাহ্‌র ফযলে আমাদের প্রতি বৃষ্টি হয়েছে, তারা আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী মু’মিন এবং তারা নক্ষত্রের প্রভাব অস্বীকারকারী। আর যারা বলেছে যে অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে [৪১], তারা তারকার প্রতি ঈমান এনেছে এবং আমাকে অস্বীকারকারী কাফির। [৮৪৬] (আ.প্র. ৩৮৩৫, ই.ফা. ৩৮৩৮)

যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার বছর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে বের হলাম। এক রাতে খুব বৃষ্টি হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে আমাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমরা জান কি তোমাদের রব কী বলেছেন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহ্‌র রসূলই অধিক জানেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন (বৃষ্টির কারণে) আমার কতিপয় বান্দা আমার প্রতি ঈমান এনেছে, আর কেউ কেউ আমাকে অমান্য করেছে। যারা বলেছে, আল্লাহ্‌র রহমত, আল্লাহ্‌র দয়া এবং আল্লাহ্‌র ফযলে আমাদের প্রতি বৃষ্টি হয়েছে, তারা আমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী মু’মিন এবং তারা নক্ষত্রের প্রভাব অস্বীকারকারী। আর যারা বলেছে যে অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে [৪১], তারা তারকার প্রতি ঈমান এনেছে এবং আমাকে অস্বীকারকারী কাফির। [৮৪৬] (আ.প্র. ৩৮৩৫, ই.ফা. ৩৮৩৮)

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال قال حدثني صالح بن كيسان عن عبيد الله بن عبد الله عن زيد بن خالد رضي الله عنه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الحديبية فأصابنا مطر ذات ليلة فصلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح ثم أقبل علينا فقال أتدرون ماذا قال ربكم قلنا الله ورسوله أعلم فقال قال الله أصبح من عبادي مؤمن بي وكافر بي فأما من قال مطرنا برحمة الله وبرزق الله وبفضل الله فهو مؤمن بي كافر بالكوكب وأما من قال مطرنا بنجم كذا فهو مؤمن بالكوكب كافر بي.


সহিহ বুখারী ৪১৫১

فضل بن يعقوب حدثنا الحسن بن محمد بن أعين أبو علي الحراني حدثنا زهير حدثنا أبو إسحاق قال أنبأنا البراء بن عازب رضي الله عنهما أنهم كانوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية ألفا وأربع مائة أو أكثر فنزلوا على بئر فنزحوها فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى البئر وقعد على شفيرها ثم قال ائتوني بدلو من مائها فأتي به فبصق فدعا ثم قال دعوها ساعة فأرووا أنفسهم وركابهم حتى ارتحلوا.

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) সংবাদ দিয়েছেন যে, হুদাইবিয়ার যুদ্ধের দিন তাঁরা চৌদ্দ’শ কিংবা তার চেয়েও অধিক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। তারা একটি কূপের পার্শ্বে অবতরণ করেন এবং তা থেকে পানি উত্তোলন করতে থাকেন। (পানি নিঃশেষ হয়ে গেলে) তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে তা জানালেন। তখন তিনি কূপটির নিকট এসে ওটার পাড়ে বসলেন। এরপর বললেন, আমার কাছে ওটা থেকে এক বালতি পানি নিয়ে আস। তখন তা নিয়ে আসা হলো। তিনি এতে থুথু ফেললেন এবং দু'আ করলেন। এরপর তিনি বললেন, কিছুক্ষণের জন্য তোমরা এ থেকে পানি উঠানো বন্ধ রাখ। এরপর সকলেই নিজেদের ও আরোহী জন্তুগুলোর তৃষ্ণা নিবারণ করে যাত্রা করলেন। [৩৫৭৭] (আ.প্র. ৩৮৩৯, ই.ফা. ৩৮৪২)

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) সংবাদ দিয়েছেন যে, হুদাইবিয়ার যুদ্ধের দিন তাঁরা চৌদ্দ’শ কিংবা তার চেয়েও অধিক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন। তারা একটি কূপের পার্শ্বে অবতরণ করেন এবং তা থেকে পানি উত্তোলন করতে থাকেন। (পানি নিঃশেষ হয়ে গেলে) তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে তা জানালেন। তখন তিনি কূপটির নিকট এসে ওটার পাড়ে বসলেন। এরপর বললেন, আমার কাছে ওটা থেকে এক বালতি পানি নিয়ে আস। তখন তা নিয়ে আসা হলো। তিনি এতে থুথু ফেললেন এবং দু'আ করলেন। এরপর তিনি বললেন, কিছুক্ষণের জন্য তোমরা এ থেকে পানি উঠানো বন্ধ রাখ। এরপর সকলেই নিজেদের ও আরোহী জন্তুগুলোর তৃষ্ণা নিবারণ করে যাত্রা করলেন। [৩৫৭৭] (আ.প্র. ৩৮৩৯, ই.ফা. ৩৮৪২)

فضل بن يعقوب حدثنا الحسن بن محمد بن أعين أبو علي الحراني حدثنا زهير حدثنا أبو إسحاق قال أنبأنا البراء بن عازب رضي الله عنهما أنهم كانوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية ألفا وأربع مائة أو أكثر فنزلوا على بئر فنزحوها فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى البئر وقعد على شفيرها ثم قال ائتوني بدلو من مائها فأتي به فبصق فدعا ثم قال دعوها ساعة فأرووا أنفسهم وركابهم حتى ارتحلوا.


সহিহ বুখারী ৪১৫০

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال تعدون أنتم الفتح فتح مكة وقد كان فتح مكة فتحا ونحن نعد الفتح بيعة الرضوان يوم الحديبية كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم أربع عشرة مائة والحديبية بئر فنزحناها فلم نترك فيها قطرة فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فأتاها فجلس على شفيرها ثم دعا بإناء من ماء فتوضأ ثم مضمض ودعا ثم صبه فيها فتركناها غير بعيد ثم إنها أصدرتنا ما شئنا نحن وركابنا.

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়কে তোমরা বিজয় মনে করছ। মাক্কাহ বিজয়ও একটি বিজয়। কিন্তু হুদাইবিয়ার দিনের বাইআতে রিদওয়ানকে আমরা প্রকৃত বিজয় মনে করি। সে সময় আমরা চৌদ্দ’শ সহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। হুদাইবিয়াহ একটি কূপ। আমরা তা’ থেকে পানি উঠাতে উঠাতে তাতে এক বিন্দুও বাকী রাখিনি। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছলে তিনি এসে সে কুপের পাড়ে বসলেন। তারপর এক পাত্র পানি আনিয়ে অযু করলেন এবং কুল্লি করলেন। শেষে দু’আ করে অবশিষ্ট পানি কুপের মধ্যে ফেলে দিলেন। আমরা অল্প সময় কূপের পানি উঠানো বন্ধ রাখলাম। এরপর আমরা আমাদের নিজেদের ও আরোহী পশুর জন্য ইচ্ছে মত পানি কূপ থেকে উঠালাম। [৩৫৭৭] (আ.প্র. ৩৮৩৮, ই.ফা. ৩৮৪১)

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়কে তোমরা বিজয় মনে করছ। মাক্কাহ বিজয়ও একটি বিজয়। কিন্তু হুদাইবিয়ার দিনের বাইআতে রিদওয়ানকে আমরা প্রকৃত বিজয় মনে করি। সে সময় আমরা চৌদ্দ’শ সহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। হুদাইবিয়াহ একটি কূপ। আমরা তা’ থেকে পানি উঠাতে উঠাতে তাতে এক বিন্দুও বাকী রাখিনি। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছলে তিনি এসে সে কুপের পাড়ে বসলেন। তারপর এক পাত্র পানি আনিয়ে অযু করলেন এবং কুল্লি করলেন। শেষে দু’আ করে অবশিষ্ট পানি কুপের মধ্যে ফেলে দিলেন। আমরা অল্প সময় কূপের পানি উঠানো বন্ধ রাখলাম। এরপর আমরা আমাদের নিজেদের ও আরোহী পশুর জন্য ইচ্ছে মত পানি কূপ থেকে উঠালাম। [৩৫৭৭] (আ.প্র. ৩৮৩৮, ই.ফা. ৩৮৪১)

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء رضي الله عنه قال تعدون أنتم الفتح فتح مكة وقد كان فتح مكة فتحا ونحن نعد الفتح بيعة الرضوان يوم الحديبية كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم أربع عشرة مائة والحديبية بئر فنزحناها فلم نترك فيها قطرة فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فأتاها فجلس على شفيرها ثم دعا بإناء من ماء فتوضأ ثم مضمض ودعا ثم صبه فيها فتركناها غير بعيد ثم إنها أصدرتنا ما شئنا نحن وركابنا.


সহিহ বুখারী ৪১৫২

يوسف بن عيسى حدثنا ابن فضيل حدثنا حصين عن سالم عن جابر رضي الله عنه قال عطش الناس يوم الحديبية ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين يديه ركوة فتوضأ منها ثم أقبل الناس نحوه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لكم قالوا يا رسول الله ليس عندنا ماء نتوضأ به ولا نشرب إلا ما في ركوتك قال فوضع النبي صلى الله عليه وسلم يده في الركوة فجعل الماء يفور من بين أصابعه كأمثال العيون قال فشربنا وتوضأنا فقلت لجابر كم كنتم يومئذ قال لو كنا مائة ألف لكفانا كنا خمس عشرة مائة.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার দিন লোকেরা পিপাসার্ত হয়ে পড়লেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি চামড়ার পাত্র ভর্তি পানি ছিল। তিনি তা দিয়ে ওযু করলেন। তখন লোকেরা তাঁর দিকে এগিয়ে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, কী হয়েছে তোমাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার চর্মপাত্রের পানি বাদে আমাদের কাছে এমন কোন পানি নেই যা দিয়ে আমরা ওযু করতে এবং পান করতে পারি। বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত ঐ চর্মপাত্রে রাখলেন। অমনি তার আঙ্গুলগুলো থেকে ঝরণার মতো পানি উথলে উঠতে লাগল। জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা সে পানি পান করলাম এবং ওযু করলাম। [সালিম (রহঃ) বলেন] আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা সেদিন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, আমরা যদি একলাখও হতাম তবু এ পানিই আমাদের জন্য যথেষ্ট হত। আমরা ছিলাম পনের’শ। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৩৮৪০, ই.ফা. ৩৮৪৩)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়ার দিন লোকেরা পিপাসার্ত হয়ে পড়লেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি চামড়ার পাত্র ভর্তি পানি ছিল। তিনি তা দিয়ে ওযু করলেন। তখন লোকেরা তাঁর দিকে এগিয়ে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, কী হয়েছে তোমাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার চর্মপাত্রের পানি বাদে আমাদের কাছে এমন কোন পানি নেই যা দিয়ে আমরা ওযু করতে এবং পান করতে পারি। বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত ঐ চর্মপাত্রে রাখলেন। অমনি তার আঙ্গুলগুলো থেকে ঝরণার মতো পানি উথলে উঠতে লাগল। জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা সে পানি পান করলাম এবং ওযু করলাম। [সালিম (রহঃ) বলেন] আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা সেদিন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, আমরা যদি একলাখও হতাম তবু এ পানিই আমাদের জন্য যথেষ্ট হত। আমরা ছিলাম পনের’শ। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৩৮৪০, ই.ফা. ৩৮৪৩)

يوسف بن عيسى حدثنا ابن فضيل حدثنا حصين عن سالم عن جابر رضي الله عنه قال عطش الناس يوم الحديبية ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين يديه ركوة فتوضأ منها ثم أقبل الناس نحوه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لكم قالوا يا رسول الله ليس عندنا ماء نتوضأ به ولا نشرب إلا ما في ركوتك قال فوضع النبي صلى الله عليه وسلم يده في الركوة فجعل الماء يفور من بين أصابعه كأمثال العيون قال فشربنا وتوضأنا فقلت لجابر كم كنتم يومئذ قال لو كنا مائة ألف لكفانا كنا خمس عشرة مائة.


সহিহ বুখারী ৪১৫৩

الصلت بن محمد حدثنا يزيد بن زريع عن سعيد عن قتادة قلت لسعيد بن المسيب بلغني أن جابر بن عبد الله كان يقول كانوا أربع عشرة مائة فقال لي سعيد حدثني جابر كانوا خمس عشرة مائة الذين بايعوا النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية تابعه أبو داود حدثنا قرة عن قتادة. تابعه محمد بن بشار حدثنا أبو داود حدثنا شعبة.

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (রাঃ)-কে বললাম, আমি শুনতে পেয়েছি যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, তাঁরা (হুদাইবিয়াহ্য়) চৌদ্দশ’ ছিলেন। সা’ঈদ (রাঃ) আমাকে বললেন, জাবির (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, হুদাইবিয়ার দিন যাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন, তাদের সংখ্যা ছিল পনের শত। আবূ দাউদ কুররা (রাঃ)-এর মাধ্যমে ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ)-ও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহঃ) (অন্য সানাদে) শু’বাহ (রহঃ) থেকেও একই রকম বর্ণনা করেছেন। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৩৮৪১, ই.ফা. ৩৮৪৪)

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (রাঃ)-কে বললাম, আমি শুনতে পেয়েছি যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, তাঁরা (হুদাইবিয়াহ্য়) চৌদ্দশ’ ছিলেন। সা’ঈদ (রাঃ) আমাকে বললেন, জাবির (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, হুদাইবিয়ার দিন যাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন, তাদের সংখ্যা ছিল পনের শত। আবূ দাউদ কুররা (রাঃ)-এর মাধ্যমে ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ)-ও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহঃ) (অন্য সানাদে) শু’বাহ (রহঃ) থেকেও একই রকম বর্ণনা করেছেন। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৩৮৪১, ই.ফা. ৩৮৪৪)

الصلت بن محمد حدثنا يزيد بن زريع عن سعيد عن قتادة قلت لسعيد بن المسيب بلغني أن جابر بن عبد الله كان يقول كانوا أربع عشرة مائة فقال لي سعيد حدثني جابر كانوا خمس عشرة مائة الذين بايعوا النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية تابعه أبو داود حدثنا قرة عن قتادة. تابعه محمد بن بشار حدثنا أبو داود حدثنا شعبة.


সহিহ বুখারী ৪১৫৪

علي حدثنا سفيان قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية أنتم خير أهل الأرض وكنا ألفا وأربع مائة ولو كنت أبصر اليوم لأريتكم مكان الشجرة تابعه الأعمش سمع سالما سمع جابرا ألفا وأربع مائة

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদাইবিয়ার যুদ্ধের দিন আমাদেরকে বলেছেন, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে তোমরাই সর্বোত্তম। সেদিন আমরা ছিলাম চৌদ্দশ। আজ আমি যদি দেখতাম, তাহলে আমি তোমাদেরকে সে গাছের জায়গাটি দেখিয়ে দিতাম। [৩৫৭৬; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৬; আহমাদ ১৪৩১৭] ‘আমাশ (রহঃ) হাদীসটি সালিম (রহঃ)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন চৌদ্দশ। (আ.প্র. ৩৮৪২, ই.ফা. ৩৮৪৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদাইবিয়ার যুদ্ধের দিন আমাদেরকে বলেছেন, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে তোমরাই সর্বোত্তম। সেদিন আমরা ছিলাম চৌদ্দশ। আজ আমি যদি দেখতাম, তাহলে আমি তোমাদেরকে সে গাছের জায়গাটি দেখিয়ে দিতাম। [৩৫৭৬; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৬; আহমাদ ১৪৩১৭] ‘আমাশ (রহঃ) হাদীসটি সালিম (রহঃ)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন চৌদ্দশ। (আ.প্র. ৩৮৪২, ই.ফা. ৩৮৪৫)

علي حدثنا سفيان قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية أنتم خير أهل الأرض وكنا ألفا وأربع مائة ولو كنت أبصر اليوم لأريتكم مكان الشجرة تابعه الأعمش سمع سالما سمع جابرا ألفا وأربع مائة


সহিহ বুখারী ৪১৫৫

وقال عبيد الله بن معاذ حدثنا أبي حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة حدثني عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما كان أصحاب الشجرة ألفا وثلاث مائة وكانت أسلم ثمن المهاجرين

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গাছের নীচে বাই’আত গ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল তেরশ। আসলাম গোত্রীয়রা ছিলেন মুহাজিরগণের মোট সংখ্যার এক-অষ্টমাংশ। [মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৭] (আ.প্র. ৩৮৪২, ই.ফা. ৩৮৪৫) মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তাঁর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহঃ) ও শু’বাহ (রহঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গাছের নীচে বাই’আত গ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল তেরশ। আসলাম গোত্রীয়রা ছিলেন মুহাজিরগণের মোট সংখ্যার এক-অষ্টমাংশ। [মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৭] (আ.প্র. ৩৮৪২, ই.ফা. ৩৮৪৫) মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) তাঁর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহঃ) ও শু’বাহ (রহঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

وقال عبيد الله بن معاذ حدثنا أبي حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة حدثني عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما كان أصحاب الشجرة ألفا وثلاث مائة وكانت أسلم ثمن المهاجرين


সহিহ বুখারী ৪১৫৬

إبراهيم بن موسى أخبرنا عيسى عن إسماعيل عن قيس أنه سمع مرداسا الأسلمي يقول وكان من أصحاب الشجرة يقبض الصالحون الأول فالأول وتبقى حفالة كحفالة التمر والشعير لا يعبأ الله بهم شيئا.

কায়েস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হুদাইবিয়ার সন্ধির দিন বৃক্ষতলের সহাবী মিরদাস আসলামীকে বলতে শুনেছেন যে, নেককার লোকদেরকে একের পর এক উঠিয়ে নেয়া হবে। এরপর বাকী থাকবে খেজুর ও যবের খোসার মতো খোসাগুলো আল্লাহ যাদের কোন তোয়াক্কা করবেন না। [৬৪৩৪] (আ.প্র. ৩৮৪৩, ই.ফা. ৩৮৪৬)

কায়েস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হুদাইবিয়ার সন্ধির দিন বৃক্ষতলের সহাবী মিরদাস আসলামীকে বলতে শুনেছেন যে, নেককার লোকদেরকে একের পর এক উঠিয়ে নেয়া হবে। এরপর বাকী থাকবে খেজুর ও যবের খোসার মতো খোসাগুলো আল্লাহ যাদের কোন তোয়াক্কা করবেন না। [৬৪৩৪] (আ.প্র. ৩৮৪৩, ই.ফা. ৩৮৪৬)

إبراهيم بن موسى أخبرنا عيسى عن إسماعيل عن قيس أنه سمع مرداسا الأسلمي يقول وكان من أصحاب الشجرة يقبض الصالحون الأول فالأول وتبقى حفالة كحفالة التمر والشعير لا يعبأ الله بهم شيئا.


সহিহ বুখারী ৪১৫৯

الحسن بن خلف قال حدثنا إسحاق بن يوسف عن أبي بشر ورقاء عن ابن أبي نجيح عن مجاهد قال حدثني عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رآه وقمله يسقط على وجهه فقال أيؤذيك هوامك قال نعم فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحلق وهو بالحديبية لم يبين لهم أنهم يحلون بها وهم على طمع أن يدخلوا مكة فأنزل الله الفدية فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يطعم فرقا بين ستة مساكين أو يهدي شاة أو يصوم ثلاثة أيام.

কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এমন অবস্থায় দেখলেন যে, উকুন তার মুখমণ্ডলে ঝরে পড়ছে। তখন তিনি বললেন, কীটগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন যখন তিনি হুদাইবিয়াহ্‌তে অবস্থান করছিলেন। তখন সাহাবীগণ মাক্কাহ প্রবেশ করার জন্য খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। হুদাইবিয়াহ্‌তেই তাদের হালাল হতে হবে এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তাই আল্লাহ ফিদইয়ার বিধান অবতীর্ণ করলেন। এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছয়জন মিসকীনকে এক ফারাক (প্রায় বারো সের) খাদ্য খাওয়ানোর অথবা একটি বাক্‌রী কুরবানী করার অথবা তিন দিন সওম পালনের নির্দেশ দিলেন। [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৪৫, ই.ফা. ৩৮৪৮)

কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এমন অবস্থায় দেখলেন যে, উকুন তার মুখমণ্ডলে ঝরে পড়ছে। তখন তিনি বললেন, কীটগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন যখন তিনি হুদাইবিয়াহ্‌তে অবস্থান করছিলেন। তখন সাহাবীগণ মাক্কাহ প্রবেশ করার জন্য খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। হুদাইবিয়াহ্‌তেই তাদের হালাল হতে হবে এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তাই আল্লাহ ফিদইয়ার বিধান অবতীর্ণ করলেন। এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছয়জন মিসকীনকে এক ফারাক (প্রায় বারো সের) খাদ্য খাওয়ানোর অথবা একটি বাক্‌রী কুরবানী করার অথবা তিন দিন সওম পালনের নির্দেশ দিলেন। [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৪৫, ই.ফা. ৩৮৪৮)

الحسن بن خلف قال حدثنا إسحاق بن يوسف عن أبي بشر ورقاء عن ابن أبي نجيح عن مجاهد قال حدثني عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رآه وقمله يسقط على وجهه فقال أيؤذيك هوامك قال نعم فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحلق وهو بالحديبية لم يبين لهم أنهم يحلون بها وهم على طمع أن يدخلوا مكة فأنزل الله الفدية فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يطعم فرقا بين ستة مساكين أو يهدي شاة أو يصوم ثلاثة أيام.


সহিহ বুখারী ৪১৬২

محمد بن رافع حدثنا شبابة بن سوار أبو عمرو الفزاري حدثنا شعبة عن قتادة عن سعيد بن المسيب عن أبيه قال لقد رأيت الشجرة ثم أتيتها بعد فلم أعرفها. قال محمود : ثم أنسيتها بعد

মুসাইয়্যাব (ইবনু হুয্‌ন) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (যেটির নীচে বাই’আত করা হয়েছিল) আমি সে গাছটি দেখেছিলাম। কিন্তু পরে যখন ওখানে আসলাম তখন আর সেটা চিনতে পারলাম না। মাহমুদ (রহঃ) বলেন, (মুসাইয়্যাব ইবনু হুয্‌ন বলেছেন) পরে ওটা আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। [৪১৬৩, ৪১৬৪, ৪১৬৫; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৯] (আ.প্র. ৩৮৪৭, ই.ফা. ৩৮৫০)

মুসাইয়্যাব (ইবনু হুয্‌ন) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (যেটির নীচে বাই’আত করা হয়েছিল) আমি সে গাছটি দেখেছিলাম। কিন্তু পরে যখন ওখানে আসলাম তখন আর সেটা চিনতে পারলাম না। মাহমুদ (রহঃ) বলেন, (মুসাইয়্যাব ইবনু হুয্‌ন বলেছেন) পরে ওটা আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। [৪১৬৩, ৪১৬৪, ৪১৬৫; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৯] (আ.প্র. ৩৮৪৭, ই.ফা. ৩৮৫০)

محمد بن رافع حدثنا شبابة بن سوار أبو عمرو الفزاري حدثنا شعبة عن قتادة عن سعيد بن المسيب عن أبيه قال لقد رأيت الشجرة ثم أتيتها بعد فلم أعرفها. قال محمود : ثم أنسيتها بعد


সহিহ বুখারী ৪১৬৪

موسى حدثنا أبو عوانة حدثنا طارق عن سعيد بن المسيب عن أبيه أنه كان ممن بايع تحت الشجرة فرجعنا إليها العام المقبل فعميت علينا.

মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

গাছের তলে যারা বাই’আত নিয়েছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। (তিনি বলেন) পরের বছর আমরা আবার সে গাছের কাছে গেলে আমরা গাছটিকে চিনতে পারলাম না। এ ব্যাপারে আমাদেরকে ভ্রান্তিতে নিপতিত করা হয়েছে। [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৪৯, ই.ফা. ৩৮৫২)

মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

গাছের তলে যারা বাই’আত নিয়েছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। (তিনি বলেন) পরের বছর আমরা আবার সে গাছের কাছে গেলে আমরা গাছটিকে চিনতে পারলাম না। এ ব্যাপারে আমাদেরকে ভ্রান্তিতে নিপতিত করা হয়েছে। [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৪৯, ই.ফা. ৩৮৫২)

موسى حدثنا أبو عوانة حدثنا طارق عن سعيد بن المسيب عن أبيه أنه كان ممن بايع تحت الشجرة فرجعنا إليها العام المقبل فعميت علينا.


সহিহ বুখারী ৪১৬৩

محمود حدثنا عبيد الله عن إسرائيل عن طارق بن عبد الرحمن قال انطلقت حاجا فمررت بقوم يصلون قلت ما هذا المسجد قالوا هذه الشجرة حيث بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم بيعة الرضوان فأتيت سعيد بن المسيب فأخبرته فقال سعيد حدثني أبي أنه كان فيمن بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة قال فلما خرجنا من العام المقبل نسيناها فلم نقدر عليها فقال سعيد إن أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم لم يعلموها وعلمتموها أنتم فأنتم أعلم.

তারিক ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাজ্জে রওয়ানা হয়েছিলাম। পথে সালাতরত এক কাওমের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রমকালে তাদেরকে বললাম, এটা কেমন সালাতের স্থান? তাঁরা বললেন, এটা হলো সেই গাছ যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাই’আতে রিদওয়ান গ্রহণ করেছিলেন। তখন আমি সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ)-এর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁকে জানালাম। তখন সা’ঈদ (ইবনু মুসাইয়্যাব) (রহঃ) বললেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, গাছটির নীচে যারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন। মুসাইয়্যাব (রাঃ) বলেছেন, পরের বছর আমরা যখন সেখানে গেলাম তখন আমাদেরকে ওটা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল যার ফলে তা নির্দিষ্ট করতে পারলাম না। সা’ঈদ (রহঃ) বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাহাবীগণ ওটা চিনতে পারলেন না আর তোমরা তা চিনে ফেললে? তাহলে তোমরাই দেখছি অধিক জান! [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৪৮, ই.ফা. ৩৮৫১)

তারিক ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাজ্জে রওয়ানা হয়েছিলাম। পথে সালাতরত এক কাওমের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রমকালে তাদেরকে বললাম, এটা কেমন সালাতের স্থান? তাঁরা বললেন, এটা হলো সেই গাছ যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাই’আতে রিদওয়ান গ্রহণ করেছিলেন। তখন আমি সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ)-এর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁকে জানালাম। তখন সা’ঈদ (ইবনু মুসাইয়্যাব) (রহঃ) বললেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, গাছটির নীচে যারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন। মুসাইয়্যাব (রাঃ) বলেছেন, পরের বছর আমরা যখন সেখানে গেলাম তখন আমাদেরকে ওটা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল যার ফলে তা নির্দিষ্ট করতে পারলাম না। সা’ঈদ (রহঃ) বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাহাবীগণ ওটা চিনতে পারলেন না আর তোমরা তা চিনে ফেললে? তাহলে তোমরাই দেখছি অধিক জান! [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৪৮, ই.ফা. ৩৮৫১)

محمود حدثنا عبيد الله عن إسرائيل عن طارق بن عبد الرحمن قال انطلقت حاجا فمررت بقوم يصلون قلت ما هذا المسجد قالوا هذه الشجرة حيث بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم بيعة الرضوان فأتيت سعيد بن المسيب فأخبرته فقال سعيد حدثني أبي أنه كان فيمن بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة قال فلما خرجنا من العام المقبل نسيناها فلم نقدر عليها فقال سعيد إن أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم لم يعلموها وعلمتموها أنتم فأنتم أعلم.


সহিহ বুখারী ৪১৬৫

قبيصة حدثنا سفيان عن طارق قال ذكرت عند سعيد بن المسيب الشجرة فضحك فقال أخبرني أبي وكان شهدها.

তারিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ)-এর কাছে সে গাছটির কথা উল্লেখ করা হলে তিনি হেসে বললেন, আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি সেখানের বাই’আতে উপস্থিত ছিলেন। [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৫০, ই.ফা. ৩৮৫৩)

তারিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ)-এর কাছে সে গাছটির কথা উল্লেখ করা হলে তিনি হেসে বললেন, আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি সেখানের বাই’আতে উপস্থিত ছিলেন। [৪১৬২] (আ.প্র. ৩৮৫০, ই.ফা. ৩৮৫৩)

قبيصة حدثنا سفيان عن طارق قال ذكرت عند سعيد بن المسيب الشجرة فضحك فقال أخبرني أبي وكان شهدها.


সহিহ বুখারী ৪১৬৬

آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى وكان من أصحاب الشجرة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه قوم بصدقة قال اللهم صل عليهم فأتاه أبي بصدقته فقال اللهم صل على آل أبي أوفى.

আমর্‌ ইবনু মুররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বৃক্ষতলে বাই’আতকারী সহাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, কোন কাওম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সদাকাহ্‌র অর্থ নিয়ে আসলে তিনি তাদের জন্য বলতেন, “হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর রহম করুন”। এ সময় আমার পিতা তাঁর কাছে সদাকাহ্‌র অর্থ নিয়ে আসলে তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! আপনি আবূ আউফার পরিবারবর্গের উপর রহম করুন”। [১৪৯৭] (আ.প্র. ৩৮৫১, ই.ফা. ৩৮৫৪)

আমর্‌ ইবনু মুররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বৃক্ষতলে বাই’আতকারী সহাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, কোন কাওম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সদাকাহ্‌র অর্থ নিয়ে আসলে তিনি তাদের জন্য বলতেন, “হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর রহম করুন”। এ সময় আমার পিতা তাঁর কাছে সদাকাহ্‌র অর্থ নিয়ে আসলে তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! আপনি আবূ আউফার পরিবারবর্গের উপর রহম করুন”। [১৪৯৭] (আ.প্র. ৩৮৫১, ই.ফা. ৩৮৫৪)

آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى وكان من أصحاب الشجرة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه قوم بصدقة قال اللهم صل عليهم فأتاه أبي بصدقته فقال اللهم صل على آل أبي أوفى.


সহিহ বুখারী ৪১৬৭

إسماعيل عن أخيه عن سليمان عن عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم قال لما كان يوم الحرة والناس يبايعون لعبد الله بن حنظلة فقال ابن زيد على ما يبايع ابن حنظلة الناس قيل له على الموت قال لا أبايع على ذلك أحدا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان شهد معه الحديبية.

আব্‌বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাররার দিন যখন লোকজন ‘আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা (রাঃ)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন, তখন ইবনু যায়দ (রহঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ইবনু হানযালা (রাঃ) কিসের উপর লোকদের বাই’আত গ্রহণ করছেন? তখন তাঁকে বলা হল, মৃত্যুর উপর। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে এর উপর আমি আর কারো কাছে বাই’আত গ্রহণ করব না। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্‌য় উপস্থিত ছিলেন। [২৯৫৯] (আ.প্র. ৩৮৫২, ই.ফা. ৩৮৫৫)

আব্‌বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাররার দিন যখন লোকজন ‘আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা (রাঃ)-এর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন, তখন ইবনু যায়দ (রহঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ইবনু হানযালা (রাঃ) কিসের উপর লোকদের বাই’আত গ্রহণ করছেন? তখন তাঁকে বলা হল, মৃত্যুর উপর। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে এর উপর আমি আর কারো কাছে বাই’আত গ্রহণ করব না। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্‌য় উপস্থিত ছিলেন। [২৯৫৯] (আ.প্র. ৩৮৫২, ই.ফা. ৩৮৫৫)

إسماعيل عن أخيه عن سليمان عن عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم قال لما كان يوم الحرة والناس يبايعون لعبد الله بن حنظلة فقال ابن زيد على ما يبايع ابن حنظلة الناس قيل له على الموت قال لا أبايع على ذلك أحدا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان شهد معه الحديبية.


সহিহ বুখারী ৪১৬৮

يحيى بن يعلى المحاربي قال حدثني أبي حدثنا إياس بن سلمة بن الأكوع قال حدثني أبي وكان من أصحاب الشجرة قال كنا نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الجمعة ثم ننصرف وليس للحيطان ظل نستظل فيه.

ইয়াস ইবনু সালামাহ ইবনু আকওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা-যিনি ছিলেন বৃক্ষ-তলের বাই’আতকারীদের একজন বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে জুমু’আহ্‌র সলাত আদায় করে যখন বাড়ি ফিরতাম তখনও প্রাচীরের ছায়া পড়ত না, যে ছায়ায় আশ্রয় নেয়া যেতে পারে। [মুসলিম ৭/৯, হাঃ ৮৬০; আহমাদ ১৬৫৪৬] (আ.প্র. ৩৮৫৩, ই.ফা. ৩৮৫৬)

ইয়াস ইবনু সালামাহ ইবনু আকওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা-যিনি ছিলেন বৃক্ষ-তলের বাই’আতকারীদের একজন বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে জুমু’আহ্‌র সলাত আদায় করে যখন বাড়ি ফিরতাম তখনও প্রাচীরের ছায়া পড়ত না, যে ছায়ায় আশ্রয় নেয়া যেতে পারে। [মুসলিম ৭/৯, হাঃ ৮৬০; আহমাদ ১৬৫৪৬] (আ.প্র. ৩৮৫৩, ই.ফা. ৩৮৫৬)

يحيى بن يعلى المحاربي قال حدثني أبي حدثنا إياس بن سلمة بن الأكوع قال حدثني أبي وكان من أصحاب الشجرة قال كنا نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الجمعة ثم ننصرف وليس للحيطان ظل نستظل فيه.


সহিহ বুখারী ৪১৬৯

قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال قلت لسلمة بن الأكوع على أي شيء بايعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية قال على الموت.

ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হুদাইবিয়াহ্‌র দিন আপনারা কোন্‌ জিনিসের উপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত করেছিলেন। তিনি বললেন, মৃত্যুর উপর। [২৯৬০] (আ.প্র. ৩৮৫৪, ই.ফা. ৩৮৫৭)

ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হুদাইবিয়াহ্‌র দিন আপনারা কোন্‌ জিনিসের উপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত করেছিলেন। তিনি বললেন, মৃত্যুর উপর। [২৯৬০] (আ.প্র. ৩৮৫৪, ই.ফা. ৩৮৫৭)

قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال قلت لسلمة بن الأكوع على أي شيء بايعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية قال على الموت.


সহিহ বুখারী ৪১৭০

أحمد بن إشكاب حدثنا محمد بن فضيل عن العلاء بن المسيب عن أبيه قال لقيت البراء بن عازب رضي الله عنهما فقلت طوبى لك صحبت النبي صلى الله عليه وسلم وبايعته تحت الشجرة فقال يا ابن أخي إنك لا تدري ما أحدثنا بعده.

মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে বললাম, আপনার খোশ খবর, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ পেয়েছেন এবং বৃক্ষ তলে তাঁর নিকট বাই’আত করেছেন। তখন তিনি বললেন, ভাতিজা! তুমি তো জান না, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর আমরা কী কী নতুন বিষয় উদ্ভাবন করেছি (যুদ্ধ-বিগ্রহ ও ফিতনাহ ইত্যাদি)। (আ.প্র. ৩৮৫৫, ই.ফা. ৩৮৫৮)

মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-এর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে বললাম, আপনার খোশ খবর, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ পেয়েছেন এবং বৃক্ষ তলে তাঁর নিকট বাই’আত করেছেন। তখন তিনি বললেন, ভাতিজা! তুমি তো জান না, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর আমরা কী কী নতুন বিষয় উদ্ভাবন করেছি (যুদ্ধ-বিগ্রহ ও ফিতনাহ ইত্যাদি)। (আ.প্র. ৩৮৫৫, ই.ফা. ৩৮৫৮)

أحمد بن إشكاب حدثنا محمد بن فضيل عن العلاء بن المسيب عن أبيه قال لقيت البراء بن عازب رضي الله عنهما فقلت طوبى لك صحبت النبي صلى الله عليه وسلم وبايعته تحت الشجرة فقال يا ابن أخي إنك لا تدري ما أحدثنا بعده.


সহিহ বুখারী ৪১৭২

أحمد بن إسحاق حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا شعبة عن قتادة عن أنس بن مالك رضي الله عنه {إنا فتحنا لك فتحا مبينا} قال الحديبية قال أصحابه هنيئا مريئا فما لنا فأنزل {الله ليدخل المؤمنين والمؤمنٰت جنٰت تجري من تحتها الأنهار} قال شعبة فقدمت الكوفة فحدثت بهذا كله عن قتادة ثم رجعت فذكرت له فقال أما {إنا فتحنا لك} فعن أنس وأما هنيئا مريئا فعن عكرمة.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِيْنًا-‘‘অবশ্যই আমি আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দিয়েছি’’- (সূরাহ ফাত্হ ৪৮/১)। তিনি বলেনঃ এ আয়াতে فَتْحًا مُبِيْنًا (সুস্পষ্ট বিজয়) দ্বারা হুদাইবিয়াহর সন্ধিকেই বোঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবীগণ বললেন, এটা খুশী ও আনন্দের কথা। কিন্তু আমাদের জন্য কী আছে? তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, لِيُدْخِلَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ‘‘যাতে তিনি মু’মিন ও মু’মিনাগণকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করবেন যার নীচ দিয়ে বহু নদী-নালা প্রবাহিত হচ্ছে’’। শু‘বাহ (রাঃ) বলেন, ‘‘এরপর আমি কুফায় গেলাম এবং ক্বাতাদাহ থেকে বর্ণনাকৃত হাদীসটির সবটুকু বর্ণনা করলাম, অতঃপর কুফা থেকে প্রত্যাবর্তন করে ক্বাতাদাহকে জানালাম। তিনি বললেন, إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ সম্পর্কিত কথা আনাস হতে বর্ণিত। আর هَنِيئًا مَرِيئًا সম্পর্কিত কথা ইকরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। [৪৮৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِيْنًا-‘‘অবশ্যই আমি আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দিয়েছি’’- (সূরাহ ফাত্হ ৪৮/১)। তিনি বলেনঃ এ আয়াতে فَتْحًا مُبِيْنًا (সুস্পষ্ট বিজয়) দ্বারা হুদাইবিয়াহর সন্ধিকেই বোঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবীগণ বললেন, এটা খুশী ও আনন্দের কথা। কিন্তু আমাদের জন্য কী আছে? তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, لِيُدْخِلَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ‘‘যাতে তিনি মু’মিন ও মু’মিনাগণকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করবেন যার নীচ দিয়ে বহু নদী-নালা প্রবাহিত হচ্ছে’’। শু‘বাহ (রাঃ) বলেন, ‘‘এরপর আমি কুফায় গেলাম এবং ক্বাতাদাহ থেকে বর্ণনাকৃত হাদীসটির সবটুকু বর্ণনা করলাম, অতঃপর কুফা থেকে প্রত্যাবর্তন করে ক্বাতাদাহকে জানালাম। তিনি বললেন, إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ সম্পর্কিত কথা আনাস হতে বর্ণিত। আর هَنِيئًا مَرِيئًا সম্পর্কিত কথা ইকরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। [৪৮৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬০)

أحمد بن إسحاق حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا شعبة عن قتادة عن أنس بن مالك رضي الله عنه {إنا فتحنا لك فتحا مبينا} قال الحديبية قال أصحابه هنيئا مريئا فما لنا فأنزل {الله ليدخل المؤمنين والمؤمنٰت جنٰت تجري من تحتها الأنهار} قال شعبة فقدمت الكوفة فحدثت بهذا كله عن قتادة ثم رجعت فذكرت له فقال أما {إنا فتحنا لك} فعن أنس وأما هنيئا مريئا فعن عكرمة.


সহিহ বুখারী ৪১৭১

إسحاق حدثنا يحيى بن صالح قال حدثنا معاوية هو ابن سلام عن يحيى عن أبي قلابة أن ثابت بن الضحاك أخبره أنه بايع النبي صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة.

আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাবিত ইবনু দাহ্‌হাক (রাঃ) তাকে খবর দিয়েছেন, তিনি গাছের তলায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত করেছেন। [১৩৬৩; মুসলিম ১/৪৭। হাঃ ১১০] (আ.প্র. ৩৮৫৬, ই.ফা. ৩৮৫৯)

আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাবিত ইবনু দাহ্‌হাক (রাঃ) তাকে খবর দিয়েছেন, তিনি গাছের তলায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত করেছেন। [১৩৬৩; মুসলিম ১/৪৭। হাঃ ১১০] (আ.প্র. ৩৮৫৬, ই.ফা. ৩৮৫৯)

إسحاق حدثنا يحيى بن صالح قال حدثنا معاوية هو ابن سلام عن يحيى عن أبي قلابة أن ثابت بن الضحاك أخبره أنه بايع النبي صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة.


সহিহ বুখারী ৪১৭৩

عبد الله بن محمد حدثنا أبو عامر حدثنا إسرائيل عن مجزأة بن زاهر الأسلمي عن أبيه وكان ممن شهد الشجرة قال إني لأوقد تحت القدر بلحوم الحمر إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهاكم عن لحوم الحمر.

মাজ্‌যা ইবনু যাহির আসলামী (রহঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

(যিনি বৃক্ষ তলের বাইআতে অংশ নিয়েছিলেন) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ডেকচিতে গাধার গোশত রান্না করছিলাম, এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষক ঘোষণা দিলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। (আ.প্র. ৩৮৫৮, ই.ফা. ৩৮৬১)

মাজ্‌যা ইবনু যাহির আসলামী (রহঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ

(যিনি বৃক্ষ তলের বাইআতে অংশ নিয়েছিলেন) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ডেকচিতে গাধার গোশত রান্না করছিলাম, এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষক ঘোষণা দিলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। (আ.প্র. ৩৮৫৮, ই.ফা. ৩৮৬১)

عبد الله بن محمد حدثنا أبو عامر حدثنا إسرائيل عن مجزأة بن زاهر الأسلمي عن أبيه وكان ممن شهد الشجرة قال إني لأوقد تحت القدر بلحوم الحمر إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهاكم عن لحوم الحمر.


সহিহ বুখারী ৪১৭৪

وعن مجزأة عن رجل منهم من أصحاب الشجرة اسمه أهبان بن أوس وكان اشتكى ركبته وكان إذا سجد جعل تحت ركبته وسادة.

মাজযাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহবান ইবনু আওস নামক বৃক্ষতলের বাইআতে অংশগ্রহণকারী এক সহাবী থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর হাঁটুতে আঘাত লেগেছিল। তাই তিনি সালাত আদায় কালে হাঁটুর নীচে বালিশ রাখতেন। (আ.প্র. ৩৮৫৮, ই.ফা. ৩৮৬১)

মাজযাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহবান ইবনু আওস নামক বৃক্ষতলের বাইআতে অংশগ্রহণকারী এক সহাবী থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁর হাঁটুতে আঘাত লেগেছিল। তাই তিনি সালাত আদায় কালে হাঁটুর নীচে বালিশ রাখতেন। (আ.প্র. ৩৮৫৮, ই.ফা. ৩৮৬১)

وعن مجزأة عن رجل منهم من أصحاب الشجرة اسمه أهبان بن أوس وكان اشتكى ركبته وكان إذا سجد جعل تحت ركبته وسادة.


সহিহ বুখারী ৪১৭৬

محمد بن حاتم بن بزيع حدثنا شاذان عن شعبة عن أبي جمرة قال سألت عائذ بن عمرو رضي الله عنه وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم من أصحاب الشجرة هل ينقض الوتر قال إذا أوترت من أوله فلا توتر من آخره.

আবূ জামরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বৃক্ষতলের বাইআতে অংশগ্রহণকারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী ‘আয়িয ইবনু ‘আমর (রাঃ)-কে আমি জিজ্ঞেস করলাম, বিতর কি ভাঙ্গা যাবে? তিনি বললেন, রাতের প্রথম অংশে বিতর আদায় করলে রাতের শেষে আর আদায় করবে না। [৪৩] (আ.প্র. ৩৮৬০, ই.ফা. ৩৮৬৩)

আবূ জামরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বৃক্ষতলের বাইআতে অংশগ্রহণকারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী ‘আয়িয ইবনু ‘আমর (রাঃ)-কে আমি জিজ্ঞেস করলাম, বিতর কি ভাঙ্গা যাবে? তিনি বললেন, রাতের প্রথম অংশে বিতর আদায় করলে রাতের শেষে আর আদায় করবে না। [৪৩] (আ.প্র. ৩৮৬০, ই.ফা. ৩৮৬৩)

محمد بن حاتم بن بزيع حدثنا شاذان عن شعبة عن أبي جمرة قال سألت عائذ بن عمرو رضي الله عنه وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم من أصحاب الشجرة هل ينقض الوتر قال إذا أوترت من أوله فلا توتر من آخره.


সহিহ বুখারী ৪১৮২

قال ابن شهاب وأخبرني عروة بن الزبير أن عائشة رضي الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمتحن من هاجر من المؤمنات بهذه الآية {يٰأيها النبي إذا جاءك المؤمنٰت يبايعنك} وعن عمه قال بلغنا حين أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم أن يرد إلى المشركين ما أنفقوا على من هاجر من أزواجهم وبلغنا أن أبا بصير فذكره بطوله.

বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিম্নোক্ত আয়াতের নির্দেশ মোতাবেক হিজরতকারিণী মু’মিন মহিলাদেরকে পরীক্ষা করতেন। আয়াতটি হল এইঃ হে নাবী! মু’মিন মহিলাগণ যখন আপনার কাছে বাই’আত করে .... শেষ পর্যন্ত-(সূরাহ্‌হ আল-মুমতাহিনাহ ৬০/১২)। (অন্য সানাদে) ইবনু শিহাব (রহঃ) তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিবরণও পৌঁছেছে যে, যখন আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিক স্বামীর তরফ থেকে হিজরাতকারিণী মু’মিনা স্ত্রীকে দেয়া মুহরানা মুশরিক স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর আবূ বাসীর (রাঃ)-এর ঘটনা সম্পর্কিত হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। অতঃপর তিনি তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করলেন। [২৭১৩] (আ.প্র. ৩৮৬৩, ই.ফা. ৩৮৬৬)

বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিম্নোক্ত আয়াতের নির্দেশ মোতাবেক হিজরতকারিণী মু’মিন মহিলাদেরকে পরীক্ষা করতেন। আয়াতটি হল এইঃ হে নাবী! মু’মিন মহিলাগণ যখন আপনার কাছে বাই’আত করে .... শেষ পর্যন্ত-(সূরাহ্‌হ আল-মুমতাহিনাহ ৬০/১২)। (অন্য সানাদে) ইবনু শিহাব (রহঃ) তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিবরণও পৌঁছেছে যে, যখন আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিক স্বামীর তরফ থেকে হিজরাতকারিণী মু’মিনা স্ত্রীকে দেয়া মুহরানা মুশরিক স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর আবূ বাসীর (রাঃ)-এর ঘটনা সম্পর্কিত হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। অতঃপর তিনি তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করলেন। [২৭১৩] (আ.প্র. ৩৮৬৩, ই.ফা. ৩৮৬৬)

قال ابن شهاب وأخبرني عروة بن الزبير أن عائشة رضي الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمتحن من هاجر من المؤمنات بهذه الآية {يٰأيها النبي إذا جاءك المؤمنٰت يبايعنك} وعن عمه قال بلغنا حين أمر الله رسوله صلى الله عليه وسلم أن يرد إلى المشركين ما أنفقوا على من هاجر من أزواجهم وبلغنا أن أبا بصير فذكره بطوله.


সহিহ বুখারী ৪১৮৩

قتيبة عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما خرج معتمرا في الفتنة فقال إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية.

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফিতনার সময় (হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের মাক্কাহ আক্রমণের সময়) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমরাহ্‌র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা হয়ে বললেন, যদি আমাকে বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা দেয়া হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা যা করেছিলাম তাই করব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু হুদাইবিয়াহ্‌র বছর ‘উমরাহ্‌র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা করেছিলেন তাই তিনিও ‘উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম বেঁধে রওয়ানা করলেন। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৪, ই.ফা. ৩৮৬৭)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফিতনার সময় (হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের মাক্কাহ আক্রমণের সময়) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমরাহ্‌র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা হয়ে বললেন, যদি আমাকে বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা দেয়া হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা যা করেছিলাম তাই করব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু হুদাইবিয়াহ্‌র বছর ‘উমরাহ্‌র ইহরাম বেঁধে রওয়ানা করেছিলেন তাই তিনিও ‘উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম বেঁধে রওয়ানা করলেন। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৪, ই.ফা. ৩৮৬৭)

قتيبة عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما خرج معتمرا في الفتنة فقال إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أهل بعمرة عام الحديبية.


সহিহ বুখারী ৪১৭৭

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسير في بعض أسفاره وعمر بن الخطاب يسير معه ليلا فسأله عمر بن الخطاب عن شيء فلم يجبه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سأله فلم يجبه ثم سأله فلم يجبه وقال عمر بن الخطاب ثكلتك أمك يا عمر نزرت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك لا يجيبك قال عمر فحركت بعيري ثم تقدمت أمام المسلمين وخشيت أن ينزل في قرآن فما نشبت أن سمعت صارخا يصرخ بي قال فقلت لقد خشيت أن يكون نزل في قرآن وجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فقال لقد أنزلت علي الليلة سورة لهي أحب إلي مما طلعت عليه الشمس ثم قرأ{إنا فتحنا لك فتحا مبينا}.

আসলামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক সফরে রাত্রিকালে চলছিলেন। এ সফরে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও তাঁর সঙ্গে চলছিলেন। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন উত্তর করলেন না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তিনি এবারও জবাব দিলেন না। এরপর আবার তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এবারও উত্তর দিলেন না। তখন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মনে মনে বললেন, হে ‘উমার! তোমাকে তোমার মা হারিয়ে ফেলুক! তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তিনবার বিরক্ত করলে। কিন্তু কোনবারই তিনি তোমাকে জবাব দেননি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এরপর আমি আমার উটকে তাড়িয়ে মুসলিমদের সম্মুখে চলে যাই। কারণ আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, হয়তো আমার ব্যাপারে কুরআন মাজীদের কোন আয়াত অবতীর্ণ হতে পারে। অধিক দেরি হয়নি এমন সময় শুনতে পেলাম এক লোক চীৎকার করে আমাকে ডাকছে। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমার ব্যাপারে হয়তো কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এ ভেবে আমি ভীত হয়ে পড়লাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে সালাম করলাম। তখন তিনি বললেন, আজ রাতে আমার প্রতি এমন একটি সূরাহ্‌হ অবতীর্ণ হয়েছে যা আমার কাছে যার উপর সূর্য উদিত হয় তার থেকেও অধিক প্রিয়। তারপর তিনি إِناَّ فَتَحْنَ لَكَ فَتْحًا مُبِيْنًا পাঠ করলেন। [৪৮৩৩, ৫০১২] (আ.প্র. ৩৮৬১, ই.ফা. ৩৮৬৪]

আসলামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক সফরে রাত্রিকালে চলছিলেন। এ সফরে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও তাঁর সঙ্গে চলছিলেন। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন উত্তর করলেন না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তিনি এবারও জবাব দিলেন না। এরপর আবার তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এবারও উত্তর দিলেন না। তখন ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মনে মনে বললেন, হে ‘উমার! তোমাকে তোমার মা হারিয়ে ফেলুক! তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তিনবার বিরক্ত করলে। কিন্তু কোনবারই তিনি তোমাকে জবাব দেননি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এরপর আমি আমার উটকে তাড়িয়ে মুসলিমদের সম্মুখে চলে যাই। কারণ আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, হয়তো আমার ব্যাপারে কুরআন মাজীদের কোন আয়াত অবতীর্ণ হতে পারে। অধিক দেরি হয়নি এমন সময় শুনতে পেলাম এক লোক চীৎকার করে আমাকে ডাকছে। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমার ব্যাপারে হয়তো কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এ ভেবে আমি ভীত হয়ে পড়লাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে সালাম করলাম। তখন তিনি বললেন, আজ রাতে আমার প্রতি এমন একটি সূরাহ্‌হ অবতীর্ণ হয়েছে যা আমার কাছে যার উপর সূর্য উদিত হয় তার থেকেও অধিক প্রিয়। তারপর তিনি إِناَّ فَتَحْنَ لَكَ فَتْحًا مُبِيْنًا পাঠ করলেন। [৪৮৩৩, ৫০১২] (আ.প্র. ৩৮৬১, ই.ফা. ৩৮৬৪]

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسير في بعض أسفاره وعمر بن الخطاب يسير معه ليلا فسأله عمر بن الخطاب عن شيء فلم يجبه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سأله فلم يجبه ثم سأله فلم يجبه وقال عمر بن الخطاب ثكلتك أمك يا عمر نزرت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك لا يجيبك قال عمر فحركت بعيري ثم تقدمت أمام المسلمين وخشيت أن ينزل في قرآن فما نشبت أن سمعت صارخا يصرخ بي قال فقلت لقد خشيت أن يكون نزل في قرآن وجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فقال لقد أنزلت علي الليلة سورة لهي أحب إلي مما طلعت عليه الشمس ثم قرأ{إنا فتحنا لك فتحا مبينا}.


সহিহ বুখারী ৪১৮৪

مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أنه أهل وقال إن حيل بيني وبينه لفعلت كما فعل النبي صلى الله عليه وسلم حين حالت كفار قريش بينه وتلا {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ফিতনার বছর) তিনি ‘উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম বেঁধে বললেন, যদি আমার আর তার (বাইতুল্লাহ্‌র) মধ্যে কোন বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে কুরাইশ কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা সৃষ্টি করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন আমিও তাই করব, আর তিনি তিলাওয়াত করলেন, لَقَدْ كاَنَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ "তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে আছে উত্তম আদর্শ"-(সূরাহ্‌হ আহযাব ৩৩/২১)। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৫, ই.ফা. ৩৮৬৮)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ফিতনার বছর) তিনি ‘উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম বেঁধে বললেন, যদি আমার আর তার (বাইতুল্লাহ্‌র) মধ্যে কোন বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে কুরাইশ কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা সৃষ্টি করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছিলেন আমিও তাই করব, আর তিনি তিলাওয়াত করলেন, لَقَدْ كاَنَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ "তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে আছে উত্তম আদর্শ"-(সূরাহ্‌হ আহযাব ৩৩/২১)। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৫, ই.ফা. ৩৮৬৮)

مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أنه أهل وقال إن حيل بيني وبينه لفعلت كما فعل النبي صلى الله عليه وسلم حين حالت كفار قريش بينه وتلا {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}.


সহিহ বুখারী ৪১৮৫

عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله وسالم بن عبد الله أخبراه أنهما كلما عبد الله بن عمر ح و حدثنا موسى بن إسماعيل حدثنا جويرية عن نافع أن بعض بني عبد الله قال له لو أقمت العام فإني أخاف أن لا تصل إلى البيت قال خرجنا مع النبي فحال كفار قريش دون البيت فنحر النبي صلى الله عليه وسلم هداياه وحلق وقصر أصحابه وقال أشهدكم أني أوجبت عمرة فإن خلي بيني وبين البيت طفت وإن حيل بيني وبين البيت صنعت كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسار ساعة ثم قال ما أرى شأنهما إلا واحدا أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرتي فطاف طوافا واحدا وسعيا واحدا حتى حل منهما جميعا.

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কোন ছেলে তাঁকে [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে] বললেন, এ বছর আপনি মক্কায় যাওয়া স্থগিত রাখলে ভাল হত। কারণ আমি আশঙ্কা করছি যে, আপনি বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে পারবেন না। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে রওয়ানা হয়েছিলাম। পথে কুরাইশ কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা দিলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কুরবানীর পশুগুলো যবহ করে মাথা কামিয়ে ফেলেন। সাহাবীগণ চুল ছাঁটেন। এরপর তিনি বললেন আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমার জন্য ‘উমরাহ করা আমি ওয়াজিব করে নিয়েছি। যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মধ্যে বাধা সৃষ্টি করা না হয় তাহলে আমি বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করব। আর যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন আমি তাই করব। এরপর তিনি কিছুক্ষণ পথ চলে বললেন, আমি হাজ্জ এবং ‘উমরাহ্‌ একই মনে করি। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার হাজ্জকেও ‘উমরাহ্‌র সঙ্গে আমার জন্য ওয়াজিব করে নিয়েছি। এরপর তিনি উভয়ের জন্য একই তওয়াফ এবং একই সা’য়ী করলেন এবং হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌র ইহরাম খুলে ফেললেন। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৬, ই.ফা. ৩৮৬৯)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কোন ছেলে তাঁকে [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে] বললেন, এ বছর আপনি মক্কায় যাওয়া স্থগিত রাখলে ভাল হত। কারণ আমি আশঙ্কা করছি যে, আপনি বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে পারবেন না। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে রওয়ানা হয়েছিলাম। পথে কুরাইশ কাফিররা বাইতুল্লাহ্‌য় যেতে বাধা দিলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কুরবানীর পশুগুলো যবহ করে মাথা কামিয়ে ফেলেন। সাহাবীগণ চুল ছাঁটেন। এরপর তিনি বললেন আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমার জন্য ‘উমরাহ করা আমি ওয়াজিব করে নিয়েছি। যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মধ্যে বাধা সৃষ্টি করা না হয় তাহলে আমি বাইতুল্লাহ্‌র তাওয়াফ করব। আর যদি আমার ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা সৃষ্টি করা হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন আমি তাই করব। এরপর তিনি কিছুক্ষণ পথ চলে বললেন, আমি হাজ্জ এবং ‘উমরাহ্‌ একই মনে করি। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার হাজ্জকেও ‘উমরাহ্‌র সঙ্গে আমার জন্য ওয়াজিব করে নিয়েছি। এরপর তিনি উভয়ের জন্য একই তওয়াফ এবং একই সা’য়ী করলেন এবং হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌র ইহরাম খুলে ফেললেন। [১৬৩৯] (আ.প্র. ৩৮৬৬, ই.ফা. ৩৮৬৯)

عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله وسالم بن عبد الله أخبراه أنهما كلما عبد الله بن عمر ح و حدثنا موسى بن إسماعيل حدثنا جويرية عن نافع أن بعض بني عبد الله قال له لو أقمت العام فإني أخاف أن لا تصل إلى البيت قال خرجنا مع النبي فحال كفار قريش دون البيت فنحر النبي صلى الله عليه وسلم هداياه وحلق وقصر أصحابه وقال أشهدكم أني أوجبت عمرة فإن خلي بيني وبين البيت طفت وإن حيل بيني وبين البيت صنعت كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسار ساعة ثم قال ما أرى شأنهما إلا واحدا أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرتي فطاف طوافا واحدا وسعيا واحدا حتى حل منهما جميعا.


সহিহ বুখারী ৪১৮৬

شجاع بن الوليد سمع النضر بن محمد حدثنا صخر عن نافع قال إن الناس يتحدثون أن ابن عمر أسلم قبل عمر وليس كذلك ولكن عمر يوم الحديبية أرسل عبد الله إلى فرس له عند رجل من الأنصار يأتي به ليقاتل عليه ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبايع عند الشجرة وعمر لا يدري بذلك فبايعه عبد الله ثم ذهب إلى الفرس فجاء به إلى عمر وعمر يستلئم للقتال فأخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يبايع تحت الشجرة قال فانطلق فذهب معه حتى بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم فهي التي يتحدث الناس أن ابن عمر أسلم قبل عمر

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা বলাবলি করে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ব্যাপার এমন নয়। তবে (মূল ঘটনা ছিল যে,) হুদাইবিয়াহ্‌র দিন ‘উমার (রাঃ) (তাঁর পুত্র) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে এক আনসারী সহাবার কাছে রাখা তাঁর ঘোড়াটি আনার জন্য পাঠিয়েছিলেন, যাতে তিনি এতে চড়ে লড়াই করতে পারেন। এদিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের নিকট বাই’আত গ্রহণ করছিলেন। তা ‘উমার (রাঃ) জানতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তখন বাই’আত গ্রহণ করে ঘোড়াটি আনার জন্য গেলেন এবং ঘোড়াটি নিয়ে ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আসলেন। এ সময় ‘উমার (রাঃ) যুদ্ধের পোশাক পরিধান করছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে জানালেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃক্ষতলে বাই’আত গ্রহণ করছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) তাঁর [‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)] সঙ্গে গেলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত গ্রহণ করলেন। এ হল ব্যাপার যার জন্য লোকেরা এ কথা বলাবলি করছে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। [৪৪] [৩৯১৬] (আ.প্র. ৩৮৬৭, ই.ফা. ৩৮৭০)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা বলাবলি করে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ব্যাপার এমন নয়। তবে (মূল ঘটনা ছিল যে,) হুদাইবিয়াহ্‌র দিন ‘উমার (রাঃ) (তাঁর পুত্র) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে এক আনসারী সহাবার কাছে রাখা তাঁর ঘোড়াটি আনার জন্য পাঠিয়েছিলেন, যাতে তিনি এতে চড়ে লড়াই করতে পারেন। এদিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের নিকট বাই’আত গ্রহণ করছিলেন। তা ‘উমার (রাঃ) জানতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তখন বাই’আত গ্রহণ করে ঘোড়াটি আনার জন্য গেলেন এবং ঘোড়াটি নিয়ে ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে আসলেন। এ সময় ‘উমার (রাঃ) যুদ্ধের পোশাক পরিধান করছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে জানালেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃক্ষতলে বাই’আত গ্রহণ করছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) তাঁর [‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)] সঙ্গে গেলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাই’আত গ্রহণ করলেন। এ হল ব্যাপার যার জন্য লোকেরা এ কথা বলাবলি করছে যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। [৪৪] [৩৯১৬] (আ.প্র. ৩৮৬৭, ই.ফা. ৩৮৭০)

شجاع بن الوليد سمع النضر بن محمد حدثنا صخر عن نافع قال إن الناس يتحدثون أن ابن عمر أسلم قبل عمر وليس كذلك ولكن عمر يوم الحديبية أرسل عبد الله إلى فرس له عند رجل من الأنصار يأتي به ليقاتل عليه ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبايع عند الشجرة وعمر لا يدري بذلك فبايعه عبد الله ثم ذهب إلى الفرس فجاء به إلى عمر وعمر يستلئم للقتال فأخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يبايع تحت الشجرة قال فانطلق فذهب معه حتى بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم فهي التي يتحدث الناس أن ابن عمر أسلم قبل عمر


সহিহ বুখারী ৪১৮৭

وقال هشام بن عمار حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا عمر بن محمد العمري أخبرني نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما أن الناس كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية تفرقوا في ظلال الشجر فإذا الناس محدقون بالنبي صلى الله عليه وسلم فقال يا عبد الله انظر ما شأن الناس قد أحدقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فوجدهم يبايعون فبايع ثم رجع إلى عمر فخرج فبايع.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুদাইবিয়াহ্‌র দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে লোকজন বিভিন্ন গাছের ছায়ায় ছড়িয়ে গিয়েছিলেন। এক সময় তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ভিড় করেছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ওহে ‘আবদুল্লাহ! দেখতো মানুষের কী হয়েছে? তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ভিড় করেছে কেন? ইবনু ‘উমার (রাঃ) দেখলেন যে, তাঁরা বাই’আত গ্রহণ করছেন। তাই তিনিও বাই’আত গ্রহণ করলেন। এরপর ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ফিরে আসলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) রওয়ানা করলেন এবং বাই’আত নিলেন। [৩১৯৬] (আ.প্র. ৩৮৬৭, ই.ফা. ৩৮৭০)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুদাইবিয়াহ্‌র দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে লোকজন বিভিন্ন গাছের ছায়ায় ছড়িয়ে গিয়েছিলেন। এক সময় তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ভিড় করেছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ওহে ‘আবদুল্লাহ! দেখতো মানুষের কী হয়েছে? তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ভিড় করেছে কেন? ইবনু ‘উমার (রাঃ) দেখলেন যে, তাঁরা বাই’আত গ্রহণ করছেন। তাই তিনিও বাই’আত গ্রহণ করলেন। এরপর ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে ফিরে আসলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) রওয়ানা করলেন এবং বাই’আত নিলেন। [৩১৯৬] (আ.প্র. ৩৮৬৭, ই.ফা. ৩৮৭০)

وقال هشام بن عمار حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا عمر بن محمد العمري أخبرني نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما أن الناس كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية تفرقوا في ظلال الشجر فإذا الناس محدقون بالنبي صلى الله عليه وسلم فقال يا عبد الله انظر ما شأن الناس قد أحدقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فوجدهم يبايعون فبايع ثم رجع إلى عمر فخرج فبايع.


সহিহ বুখারী ৪১৮৮

ابن نمير حدثنا يعلى حدثنا إسماعيل قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم حين اعتمر فطاف فطفنا معه وصلى وصلينا معه وسعى بين الصفا والمروة فكنا نستره من أهل مكة لا يصيبه أحد بشيء.

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘উমরাহ আদায় করেন তখন আমরাও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তওয়াফ করলে আমরাও তাঁর সঙ্গে তওয়াফ করলাম। তিনি সলাত আদায় করলে আমরাও তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। তিনি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’য়ী করলেন। আমরা তাঁকে আড়াল করে রাখতাম মক্কাবাসীদের কেউ যাতে কোন কিছু দ্বারা তাঁকে আঘাত করতে না পারে। [১৬০০] (আ.প্র. ৩৮৬৮, ই.ফা. ৩৮৭১)

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘উমরাহ আদায় করেন তখন আমরাও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তওয়াফ করলে আমরাও তাঁর সঙ্গে তওয়াফ করলাম। তিনি সলাত আদায় করলে আমরাও তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলাম। তিনি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’য়ী করলেন। আমরা তাঁকে আড়াল করে রাখতাম মক্কাবাসীদের কেউ যাতে কোন কিছু দ্বারা তাঁকে আঘাত করতে না পারে। [১৬০০] (আ.প্র. ৩৮৬৮, ই.ফা. ৩৮৭১)

ابن نمير حدثنا يعلى حدثنا إسماعيل قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهما قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم حين اعتمر فطاف فطفنا معه وصلى وصلينا معه وسعى بين الصفا والمروة فكنا نستره من أهل مكة لا يصيبه أحد بشيء.


সহিহ বুখারী ৪১৯০

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن مجاهد عن ابن أبي ليلى عن كعب بن عجرة رضي الله عنه قال أتى علي النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية والقمل يتناثر على وجهي فقال أيؤذيك هوام رأسك قلت نعم قال فاحلق وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك نسيكة قال أيوب لا أدري بأي هذا بدأ.

কা’ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্‌র সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলেন। সে সময় আমার মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মাথার উকুন তোমাকে কি কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তুমি মাথা ন্যাঁড়া করে ফেল। আর এ জন্য তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াও অথবা একটি পশু কুরবানী কর। আইয়ুব (রহঃ) বলেন, এগুলোর কোন্‌টি প্রথমে বলেছিলেন তা আমি জানি না। [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৭০, ই.ফা. ৩৮৭৩)

কা’ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্‌র সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলেন। সে সময় আমার মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মাথার উকুন তোমাকে কি কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তুমি মাথা ন্যাঁড়া করে ফেল। আর এ জন্য তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াও অথবা একটি পশু কুরবানী কর। আইয়ুব (রহঃ) বলেন, এগুলোর কোন্‌টি প্রথমে বলেছিলেন তা আমি জানি না। [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৭০, ই.ফা. ৩৮৭৩)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن مجاهد عن ابن أبي ليلى عن كعب بن عجرة رضي الله عنه قال أتى علي النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية والقمل يتناثر على وجهي فقال أيؤذيك هوام رأسك قلت نعم قال فاحلق وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك نسيكة قال أيوب لا أدري بأي هذا بدأ.


সহিহ বুখারী ৪১৮৯

الحسن بن إسحاق حدثنا محمد بن سابق حدثنا مالك بن مغول قال سمعت أبا حصين قال قال أبو وائل لما قدم سهل بن حنيف من صفين أتيناه نستخبره فقال اتهموا الرأي فلقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أستطيع أن أرد على رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره لرددت والله ورسوله أعلم وما وضعنا أسيافنا على عواتقنا لأمر يفظعنا إلا أسهلن بنا إلى أمر نعرفه قبل هذا الأمر ما نسد منها خصما إلا انفجر علينا خصم ما ندري كيف نأتي له.

আবূ হাসীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন যে, সাহ্‌ল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) যখন সিফ্‌ফীন যুদ্ধ থেকে ফিরলেন তখন যুদ্ধের খবরাখবর জানার জন্য আমরা তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেন, নিজেদের মতামতকে সন্দেহমুক্ত মনে করবে। আবূ জানদাল (রাঃ)-এর ঘটনার [৪৫] দিন আমি আমাকে (আল্লাহ্‌র পথে) দেখতে পেয়েছিলাম। সেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশ আমি উপেক্ষা করতে পারলে উপেক্ষা করতাম। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জানেন। আর কোন দুঃসাধ্য কাজের জন্য আমরা যখন তরবারি হাতে নিয়েছি তখন তা আমাদের জন্য অত্যন্ত সহজসাধ্য হয়ে গেছে। এ যুদ্ধের পূর্বে আমরা যত যুদ্ধ করেছি তার সবগুলোকে আমরা নিজেদের জন্য কল্যাণকর মনে করেছি। কিন্তু এ যুদ্ধের অবস্থা এই যে, আমরা একটি সমস্যা সামাল দিতে না দিতেই আরেকটি নতুন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কোন সমাধানের পথ আমাদের জানা নেই। [৩১৮১] (আ.প্র. ৩৮৬৯, ই. ফা ৩৮৭২)

আবূ হাসীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন যে, সাহ্‌ল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) যখন সিফ্‌ফীন যুদ্ধ থেকে ফিরলেন তখন যুদ্ধের খবরাখবর জানার জন্য আমরা তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেন, নিজেদের মতামতকে সন্দেহমুক্ত মনে করবে। আবূ জানদাল (রাঃ)-এর ঘটনার [৪৫] দিন আমি আমাকে (আল্লাহ্‌র পথে) দেখতে পেয়েছিলাম। সেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশ আমি উপেক্ষা করতে পারলে উপেক্ষা করতাম। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জানেন। আর কোন দুঃসাধ্য কাজের জন্য আমরা যখন তরবারি হাতে নিয়েছি তখন তা আমাদের জন্য অত্যন্ত সহজসাধ্য হয়ে গেছে। এ যুদ্ধের পূর্বে আমরা যত যুদ্ধ করেছি তার সবগুলোকে আমরা নিজেদের জন্য কল্যাণকর মনে করেছি। কিন্তু এ যুদ্ধের অবস্থা এই যে, আমরা একটি সমস্যা সামাল দিতে না দিতেই আরেকটি নতুন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কোন সমাধানের পথ আমাদের জানা নেই। [৩১৮১] (আ.প্র. ৩৮৬৯, ই. ফা ৩৮৭২)

الحسن بن إسحاق حدثنا محمد بن سابق حدثنا مالك بن مغول قال سمعت أبا حصين قال قال أبو وائل لما قدم سهل بن حنيف من صفين أتيناه نستخبره فقال اتهموا الرأي فلقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أستطيع أن أرد على رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره لرددت والله ورسوله أعلم وما وضعنا أسيافنا على عواتقنا لأمر يفظعنا إلا أسهلن بنا إلى أمر نعرفه قبل هذا الأمر ما نسد منها خصما إلا انفجر علينا خصم ما ندري كيف نأتي له.


সহিহ বুখারী ৪১৯১

محمد بن هشام أبو عبد الله حدثنا هشيم عن أبي بشر عن مجاهد عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحديبية ونحن محرمون وقد حصرنا المشركون قال وكانت لي وفرة فجعلت الهوام تساقط على وجهي فمر بي النبي صلى الله عليه وسلم فقال أيؤذيك هوام رأسك قلت نعم قال وأنزلت هذه الآية{فمن كان منكم مريضا أو بهٰ أذى من رأسهٰ ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}.

কা'ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্‌র মুহরিম অবস্থায় আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। মুশরিকররা আমাদেরকে আটকে রেখেছিল। কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) বলেন, আমার কান পর্যন্ত বাবরী চুল ছিল। (মাথার) উকুনগুলো আমার মুখমণ্ডলের উপর ঝরে ঝরে পড়ছিল। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার মাথার উকুনগুলো তোমাকে কি কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আয়াত অবতীর্ণ হল, "তোমাদের মধ্যে কেউ যদি পীড়িত হয় কিংবা তার মাথায় ক্লেশ থাকলে সওম কিংবা সাদকাহ কিংবা কুরবানীর দ্বারা তার ফিদাইয়া আদায় করবে"-(সূরাহ্‌হ আল-বাকারা ১৯৬) [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৭১, ই.ফা. ৩৮৭৪)

কা'ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্‌র মুহরিম অবস্থায় আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। মুশরিকররা আমাদেরকে আটকে রেখেছিল। কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) বলেন, আমার কান পর্যন্ত বাবরী চুল ছিল। (মাথার) উকুনগুলো আমার মুখমণ্ডলের উপর ঝরে ঝরে পড়ছিল। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার মাথার উকুনগুলো তোমাকে কি কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আয়াত অবতীর্ণ হল, "তোমাদের মধ্যে কেউ যদি পীড়িত হয় কিংবা তার মাথায় ক্লেশ থাকলে সওম কিংবা সাদকাহ কিংবা কুরবানীর দ্বারা তার ফিদাইয়া আদায় করবে"-(সূরাহ্‌হ আল-বাকারা ১৯৬) [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৭১, ই.ফা. ৩৮৭৪)

محمد بن هشام أبو عبد الله حدثنا هشيم عن أبي بشر عن مجاهد عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحديبية ونحن محرمون وقد حصرنا المشركون قال وكانت لي وفرة فجعلت الهوام تساقط على وجهي فمر بي النبي صلى الله عليه وسلم فقال أيؤذيك هوام رأسك قلت نعم قال وأنزلت هذه الآية{فمن كان منكم مريضا أو بهٰ أذى من رأسهٰ ففدية من صيام أو صدقة أو نسك}.


সহিহ বুখারী ৪১৫৮

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن عروة عن مروان والمسور بن مخرمة قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما كان بذي الحليفة قلد الهدي وأشعر وأحرم منها لا أحصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا أحفظ من الزهري الإشعار والتقليد فلا أدري يعني موضع الإشعار والتقليد أو الحديث كله.

মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[১]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৭)

মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[১]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৭)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن عروة عن مروان والمسور بن مخرمة قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما كان بذي الحليفة قلد الهدي وأشعر وأحرم منها لا أحصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا أحفظ من الزهري الإشعار والتقليد فلا أدري يعني موضع الإشعار والتقليد أو الحديث كله.


সহিহ বুখারী ৪১৫৭

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن عروة عن مروان والمسور بن مخرمة قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما كان بذي الحليفة قلد الهدي وأشعر وأحرم منها لا أحصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا أحفظ من الزهري الإشعار والتقليد فلا أدري يعني موضع الإشعار والتقليد أو الحديث كله.

মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[১]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৭)

মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[১]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৭)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن الزهري عن عروة عن مروان والمسور بن مخرمة قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما كان بذي الحليفة قلد الهدي وأشعر وأحرم منها لا أحصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا أحفظ من الزهري الإشعار والتقليد فلا أدري يعني موضع الإشعار والتقليد أو الحديث كله.


সহিহ বুখারী ৪১৬০

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى السوق فلحقت عمر امرأة شابة فقالت يا أمير المؤمنين هلك زوجي وترك صبية صغارا والله ما ينضجون كراعا ولا لهم زرع ولا ضرع وخشيت أن تأكلهم الضبع وأنا بنت خفاف بن إيماء الغفاري وقد شهد أبي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم فوقف معها عمر ولم يمض ثم قال مرحبا بنسب قريب ثم انصرف إلى بعير ظهير كان مربوطا في الدار فحمل عليه غرارتين ملأهما طعاما وحمل بينهما نفقة وثيابا ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى يأتيكم الله بخير فقال رجل يا أمير المؤمنين أكثرت لها قال عمر ثكلتك أمك والله إني لأرى أبا هذه وأخاها قد حاصرا حصنا زمانا فافتتحاه ثم أصبحنا نستفيء سهمانهما فيه.

আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।১ আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৯)

আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।১ আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৯)

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى السوق فلحقت عمر امرأة شابة فقالت يا أمير المؤمنين هلك زوجي وترك صبية صغارا والله ما ينضجون كراعا ولا لهم زرع ولا ضرع وخشيت أن تأكلهم الضبع وأنا بنت خفاف بن إيماء الغفاري وقد شهد أبي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم فوقف معها عمر ولم يمض ثم قال مرحبا بنسب قريب ثم انصرف إلى بعير ظهير كان مربوطا في الدار فحمل عليه غرارتين ملأهما طعاما وحمل بينهما نفقة وثيابا ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى يأتيكم الله بخير فقال رجل يا أمير المؤمنين أكثرت لها قال عمر ثكلتك أمك والله إني لأرى أبا هذه وأخاها قد حاصرا حصنا زمانا فافتتحاه ثم أصبحنا نستفيء سهمانهما فيه.


সহিহ বুখারী ৪১৬১

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى السوق فلحقت عمر امرأة شابة فقالت يا أمير المؤمنين هلك زوجي وترك صبية صغارا والله ما ينضجون كراعا ولا لهم زرع ولا ضرع وخشيت أن تأكلهم الضبع وأنا بنت خفاف بن إيماء الغفاري وقد شهد أبي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم فوقف معها عمر ولم يمض ثم قال مرحبا بنسب قريب ثم انصرف إلى بعير ظهير كان مربوطا في الدار فحمل عليه غرارتين ملأهما طعاما وحمل بينهما نفقة وثيابا ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى يأتيكم الله بخير فقال رجل يا أمير المؤمنين أكثرت لها قال عمر ثكلتك أمك والله إني لأرى أبا هذه وأخاها قد حاصرا حصنا زمانا فافتتحاه ثم أصبحنا نستفيء سهمانهما فيه.

আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।১ আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৯)

আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।১ আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৯)

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى السوق فلحقت عمر امرأة شابة فقالت يا أمير المؤمنين هلك زوجي وترك صبية صغارا والله ما ينضجون كراعا ولا لهم زرع ولا ضرع وخشيت أن تأكلهم الضبع وأنا بنت خفاف بن إيماء الغفاري وقد شهد أبي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم فوقف معها عمر ولم يمض ثم قال مرحبا بنسب قريب ثم انصرف إلى بعير ظهير كان مربوطا في الدار فحمل عليه غرارتين ملأهما طعاما وحمل بينهما نفقة وثيابا ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى يأتيكم الله بخير فقال رجل يا أمير المؤمنين أكثرت لها قال عمر ثكلتك أمك والله إني لأرى أبا هذه وأخاها قد حاصرا حصنا زمانا فافتتحاه ثم أصبحنا نستفيء سهمانهما فيه.


সহিহ বুখারী ৪১৭৫

محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار عن سويد بن النعمان وكان من أصحاب الشجرة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه أتوا بسويق فلاكوه تابعه معاذ عن شعبة.

বৃক্ষতলের বাই‘আতে অংশগ্রহণকারী সহাবী সুওয়াইদ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সহাবীদের জন্য ছাতু আনা হত। তাঁরা তা খেয়ে নিতেন। মুআয (রহ.) শুবা (রহ.) থেকে এ হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। [২০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬২)

বৃক্ষতলের বাই‘আতে অংশগ্রহণকারী সহাবী সুওয়াইদ ইবনু নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সহাবীদের জন্য ছাতু আনা হত। তাঁরা তা খেয়ে নিতেন। মুআয (রহ.) শুবা (রহ.) থেকে এ হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। [২০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬২)

محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار عن سويد بن النعمان وكان من أصحاب الشجرة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه أتوا بسويق فلاكوه تابعه معاذ عن شعبة.


সহিহ বুখারী ৪১৭৮

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان قال سمعت الزهري حين حدث هذا الحديث حفظت بعضه وثبتني معمر عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان بن الحكم يزيد أحدهما على صاحبه قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما أتى ذا الحليفة قلد الهدي وأشعره وأحرم منها بعمرة وبعث عينا له من خزاعة وسار النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان بغدير الأشطاط أتاه عينه قال إن قريشا جمعوا لك جموعا وقد جمعوا لك الأحابيش وهم مقاتلوك وصادوك عن البيت ومانعوك فقال أشيروا أيها الناس علي أترون أن أميل إلى عيالهم وذراري هؤلاء الذين يريدون أن يصدونا عن البيت فإن يأتونا كان الله عز وجل قد قطع عينا من المشركين وإلا تركناهم محروبين قال أبو بكر يا رسول الله خرجت عامدا لهذا البيت لا تريد قتل أحد ولا حرب أحد فتوجه له فمن صدنا عنه قاتلناه قال امضوا على اسم الله.

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান ইবনু হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা একে অন্যের চেয়ে অধিক বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বলেন, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবী সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। যখন তাঁরা যুল হুলাইফাহ পৌঁছলেন কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, ইশ‘আর করলেন। সেখান থেকে ‘উমরাহর ইহরাম বাঁধলেন এবং খুযাআ গোত্রের এক লোককে গোয়েন্দা হিসেবে পাঠালেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রওয়ানা হলেন। গাদীরুল আশ্তাত নামক স্থানে পৌঁছলে গোয়েন্দা এসে তাঁকে বলল, কুরাইশরা বিরাট দল নিয়ে আপনার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। তারা আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দিবে ও বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। তখন তিনি বললেন, ‘‘হে লোক সকল! তোমরা আমাকে পরামর্শ দাও, যারা আমাদেরকে বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দেয়ার ইচ্ছা করছে, আমি কি তাদের পরিবারবর্গ এবং সন্তান-সন্ততিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সংকল্প করে থাকলে আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন, যিনি মুশরিকদের থেকে একজন গোয়েন্দাকে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছেন। আর যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই না করে তাহলে আমরা তাদের পরিবার এবং অর্থ-সম্পদ থেকে বিরত থাকব এবং তাদেরকে তাদের পরিবার ও অর্থ সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।’’ তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তো বাইতুল্লাহর উদ্দেশে বেরিয়েছেন, কাউকে হত্যা করা এবং কারো সঙ্গে লড়াই করার উদ্দেশে তো আসেননি। তাই বাইতুল্লাহর দিকে চলুন। যে আমাদেরকে তা থেকে বাধা দিবে আমরা তার সঙ্গে লড়াই করব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে চল আল্লাহর নামে। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৫)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান ইবনু হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা একে অন্যের চেয়ে অধিক বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বলেন, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবী সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। যখন তাঁরা যুল হুলাইফাহ পৌঁছলেন কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, ইশ‘আর করলেন। সেখান থেকে ‘উমরাহর ইহরাম বাঁধলেন এবং খুযাআ গোত্রের এক লোককে গোয়েন্দা হিসেবে পাঠালেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রওয়ানা হলেন। গাদীরুল আশ্তাত নামক স্থানে পৌঁছলে গোয়েন্দা এসে তাঁকে বলল, কুরাইশরা বিরাট দল নিয়ে আপনার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। তারা আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দিবে ও বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। তখন তিনি বললেন, ‘‘হে লোক সকল! তোমরা আমাকে পরামর্শ দাও, যারা আমাদেরকে বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দেয়ার ইচ্ছা করছে, আমি কি তাদের পরিবারবর্গ এবং সন্তান-সন্ততিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সংকল্প করে থাকলে আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন, যিনি মুশরিকদের থেকে একজন গোয়েন্দাকে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছেন। আর যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই না করে তাহলে আমরা তাদের পরিবার এবং অর্থ-সম্পদ থেকে বিরত থাকব এবং তাদেরকে তাদের পরিবার ও অর্থ সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।’’ তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তো বাইতুল্লাহর উদ্দেশে বেরিয়েছেন, কাউকে হত্যা করা এবং কারো সঙ্গে লড়াই করার উদ্দেশে তো আসেননি। তাই বাইতুল্লাহর দিকে চলুন। যে আমাদেরকে তা থেকে বাধা দিবে আমরা তার সঙ্গে লড়াই করব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে চল আল্লাহর নামে। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৫)

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان قال سمعت الزهري حين حدث هذا الحديث حفظت بعضه وثبتني معمر عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان بن الحكم يزيد أحدهما على صاحبه قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما أتى ذا الحليفة قلد الهدي وأشعره وأحرم منها بعمرة وبعث عينا له من خزاعة وسار النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان بغدير الأشطاط أتاه عينه قال إن قريشا جمعوا لك جموعا وقد جمعوا لك الأحابيش وهم مقاتلوك وصادوك عن البيت ومانعوك فقال أشيروا أيها الناس علي أترون أن أميل إلى عيالهم وذراري هؤلاء الذين يريدون أن يصدونا عن البيت فإن يأتونا كان الله عز وجل قد قطع عينا من المشركين وإلا تركناهم محروبين قال أبو بكر يا رسول الله خرجت عامدا لهذا البيت لا تريد قتل أحد ولا حرب أحد فتوجه له فمن صدنا عنه قاتلناه قال امضوا على اسم الله.


সহিহ বুখারী ৪১৭৯

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان قال سمعت الزهري حين حدث هذا الحديث حفظت بعضه وثبتني معمر عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان بن الحكم يزيد أحدهما على صاحبه قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما أتى ذا الحليفة قلد الهدي وأشعره وأحرم منها بعمرة وبعث عينا له من خزاعة وسار النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان بغدير الأشطاط أتاه عينه قال إن قريشا جمعوا لك جموعا وقد جمعوا لك الأحابيش وهم مقاتلوك وصادوك عن البيت ومانعوك فقال أشيروا أيها الناس علي أترون أن أميل إلى عيالهم وذراري هؤلاء الذين يريدون أن يصدونا عن البيت فإن يأتونا كان الله عز وجل قد قطع عينا من المشركين وإلا تركناهم محروبين قال أبو بكر يا رسول الله خرجت عامدا لهذا البيت لا تريد قتل أحد ولا حرب أحد فتوجه له فمن صدنا عنه قاتلناه قال امضوا على اسم الله.

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান ইবনু হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা একে অন্যের চেয়ে অধিক বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বলেন, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবী সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। যখন তাঁরা যুল হুলাইফাহ পৌঁছলেন কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, ইশ‘আর করলেন। সেখান থেকে ‘উমরাহর ইহরাম বাঁধলেন এবং খুযাআ গোত্রের এক লোককে গোয়েন্দা হিসেবে পাঠালেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রওয়ানা হলেন। গাদীরুল আশ্তাত নামক স্থানে পৌঁছলে গোয়েন্দা এসে তাঁকে বলল, কুরাইশরা বিরাট দল নিয়ে আপনার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। তারা আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দিবে ও বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। তখন তিনি বললেন, ‘‘হে লোক সকল! তোমরা আমাকে পরামর্শ দাও, যারা আমাদেরকে বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দেয়ার ইচ্ছা করছে, আমি কি তাদের পরিবারবর্গ এবং সন্তান-সন্ততিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সংকল্প করে থাকলে আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন, যিনি মুশরিকদের থেকে একজন গোয়েন্দাকে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছেন। আর যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই না করে তাহলে আমরা তাদের পরিবার এবং অর্থ-সম্পদ থেকে বিরত থাকব এবং তাদেরকে তাদের পরিবার ও অর্থ সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।’’ তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তো বাইতুল্লাহর উদ্দেশে বেরিয়েছেন, কাউকে হত্যা করা এবং কারো সঙ্গে লড়াই করার উদ্দেশে তো আসেননি। তাই বাইতুল্লাহর দিকে চলুন। যে আমাদেরকে তা থেকে বাধা দিবে আমরা তার সঙ্গে লড়াই করব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে চল আল্লাহর নামে। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৫)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ ও মারওয়ান ইবনু হাকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা একে অন্যের চেয়ে অধিক বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বলেন, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সহাবী সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। যখন তাঁরা যুল হুলাইফাহ পৌঁছলেন কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, ইশ‘আর করলেন। সেখান থেকে ‘উমরাহর ইহরাম বাঁধলেন এবং খুযাআ গোত্রের এক লোককে গোয়েন্দা হিসেবে পাঠালেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রওয়ানা হলেন। গাদীরুল আশ্তাত নামক স্থানে পৌঁছলে গোয়েন্দা এসে তাঁকে বলল, কুরাইশরা বিরাট দল নিয়ে আপনার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। তারা আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দিবে ও বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। তখন তিনি বললেন, ‘‘হে লোক সকল! তোমরা আমাকে পরামর্শ দাও, যারা আমাদেরকে বাইতুল্লাহ্য় যেতে বাধা দেয়ার ইচ্ছা করছে, আমি কি তাদের পরিবারবর্গ এবং সন্তান-সন্ততিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সংকল্প করে থাকলে আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেন, যিনি মুশরিকদের থেকে একজন গোয়েন্দাকে নিরাপদে ফিরিয়ে এনেছেন। আর যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে লড়াই না করে তাহলে আমরা তাদের পরিবার এবং অর্থ-সম্পদ থেকে বিরত থাকব এবং তাদেরকে তাদের পরিবার ও অর্থ সম্পদ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেব।’’ তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তো বাইতুল্লাহর উদ্দেশে বেরিয়েছেন, কাউকে হত্যা করা এবং কারো সঙ্গে লড়াই করার উদ্দেশে তো আসেননি। তাই বাইতুল্লাহর দিকে চলুন। যে আমাদেরকে তা থেকে বাধা দিবে আমরা তার সঙ্গে লড়াই করব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে চল আল্লাহর নামে। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৫)

عبد الله بن محمد حدثنا سفيان قال سمعت الزهري حين حدث هذا الحديث حفظت بعضه وثبتني معمر عن عروة بن الزبير عن المسور بن مخرمة ومروان بن الحكم يزيد أحدهما على صاحبه قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة مائة من أصحابه فلما أتى ذا الحليفة قلد الهدي وأشعره وأحرم منها بعمرة وبعث عينا له من خزاعة وسار النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان بغدير الأشطاط أتاه عينه قال إن قريشا جمعوا لك جموعا وقد جمعوا لك الأحابيش وهم مقاتلوك وصادوك عن البيت ومانعوك فقال أشيروا أيها الناس علي أترون أن أميل إلى عيالهم وذراري هؤلاء الذين يريدون أن يصدونا عن البيت فإن يأتونا كان الله عز وجل قد قطع عينا من المشركين وإلا تركناهم محروبين قال أبو بكر يا رسول الله خرجت عامدا لهذا البيت لا تريد قتل أحد ولا حرب أحد فتوجه له فمن صدنا عنه قاتلناه قال امضوا على اسم الله.


সহিহ বুখারী ৪১৮০

إسحاق أخبرنا يعقوب حدثني ابن أخي ابن شهاب عن عمه أخبرني عروة بن الزبير أنه سمع مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة يخبران خبرا من خبر رسول الله صلى الله عليه وسلم في عمرة الحديبية فكان فيما أخبرني عروة عنهما أنه لما كاتب رسول الله صلى الله عليه وسلم سهيل بن عمرو يوم الحديبية على قضية المدة وكان فيما اشترط سهيل بن عمرو أنه قال لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا وخليت بيننا وبينه وأبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك فكره المؤمنون ذلك وامعضوا فتكلموا فيه فلما أبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك كاتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا جندل بن سهيل يومئذ إلى أبيه سهيل بن عمرو ولم يأت رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة وإن كان مسلما وجاءت المؤمنات مهاجرات فكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عاتق فجاء أهلها يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم حتى أنزل الله تعالى في المؤمنات ما أنزل.

‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মারওয়ান ইবনু হাকাম এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) উভয়কে হুদাইবিয়াহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘উমরাহ্ আদায় করার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁদের থেকে ‘উরওয়াহ (রহ.) আমার (মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু শিহাব) নিকট যা বর্ণনা করছেন তা হচ্ছে এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু ‘আমরকে হুদাইবিয়াহর দিন সন্ধিনামায় যা লিখিয়েছিলেন তার মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরের শর্তগুলোর একটি শর্ত ছিল এইঃ আমাদের থেকে যদি কেউ আপনার কাছে চলে যায় তাকে আমাদের কাছে ফেরত দিতে হবে যদিও সে আপনার ধর্মের উপর থাকে এবং তার ও আমাদের মধ্যে আপনি কোন বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না। এ শর্ত পূর্ণ করা ছাড়া সুহায়ল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সন্ধি করতেই অস্বীকৃতি জানায়। এ শর্তটিকে মু’মিনগণ অপছন্দ করলেন এবং এতে তারা ক্ষুব্ধ হলেন ও এর বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করলেন। কিন্তু যখন সুহায়ল এ শর্ত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকার করল তখন এ শর্তের উপরই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্ধিপত্র লেখালেন এবং আবূ জানদাল ইবনু সুহায়ল (রাঃ)-কে ঐ মুহূর্তেই তার পিতা সুহায়ল ইবনু ‘আমরের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সন্ধির মেয়াদকালে পুরুষদের মধ্যে যারাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে চলে আসতেন, মুসলিম হলেও তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে দিতেন। এ সময় কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা হিজরাত করে চলে আসেন। উম্মু কুলসুম বিনত ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু‘আইত (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরাতকারিণী একজন যুবতী মহিলা। তিনি হিজরাত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে পৌঁছলে তার পরিবারের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানালো। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন মহিলাদের সম্পর্কে যা অবতীর্ণ করার তা অবতীর্ণ করলেন। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৬)

‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মারওয়ান ইবনু হাকাম এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) উভয়কে হুদাইবিয়াহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘উমরাহ্ আদায় করার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁদের থেকে ‘উরওয়াহ (রহ.) আমার (মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু শিহাব) নিকট যা বর্ণনা করছেন তা হচ্ছে এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু ‘আমরকে হুদাইবিয়াহর দিন সন্ধিনামায় যা লিখিয়েছিলেন তার মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরের শর্তগুলোর একটি শর্ত ছিল এইঃ আমাদের থেকে যদি কেউ আপনার কাছে চলে যায় তাকে আমাদের কাছে ফেরত দিতে হবে যদিও সে আপনার ধর্মের উপর থাকে এবং তার ও আমাদের মধ্যে আপনি কোন বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না। এ শর্ত পূর্ণ করা ছাড়া সুহায়ল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সন্ধি করতেই অস্বীকৃতি জানায়। এ শর্তটিকে মু’মিনগণ অপছন্দ করলেন এবং এতে তারা ক্ষুব্ধ হলেন ও এর বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করলেন। কিন্তু যখন সুহায়ল এ শর্ত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকার করল তখন এ শর্তের উপরই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্ধিপত্র লেখালেন এবং আবূ জানদাল ইবনু সুহায়ল (রাঃ)-কে ঐ মুহূর্তেই তার পিতা সুহায়ল ইবনু ‘আমরের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সন্ধির মেয়াদকালে পুরুষদের মধ্যে যারাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে চলে আসতেন, মুসলিম হলেও তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে দিতেন। এ সময় কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা হিজরাত করে চলে আসেন। উম্মু কুলসুম বিনত ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু‘আইত (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরাতকারিণী একজন যুবতী মহিলা। তিনি হিজরাত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে পৌঁছলে তার পরিবারের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানালো। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন মহিলাদের সম্পর্কে যা অবতীর্ণ করার তা অবতীর্ণ করলেন। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৬)

إسحاق أخبرنا يعقوب حدثني ابن أخي ابن شهاب عن عمه أخبرني عروة بن الزبير أنه سمع مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة يخبران خبرا من خبر رسول الله صلى الله عليه وسلم في عمرة الحديبية فكان فيما أخبرني عروة عنهما أنه لما كاتب رسول الله صلى الله عليه وسلم سهيل بن عمرو يوم الحديبية على قضية المدة وكان فيما اشترط سهيل بن عمرو أنه قال لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا وخليت بيننا وبينه وأبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك فكره المؤمنون ذلك وامعضوا فتكلموا فيه فلما أبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك كاتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا جندل بن سهيل يومئذ إلى أبيه سهيل بن عمرو ولم يأت رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة وإن كان مسلما وجاءت المؤمنات مهاجرات فكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عاتق فجاء أهلها يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم حتى أنزل الله تعالى في المؤمنات ما أنزل.


সহিহ বুখারী ৪১৮১

إسحاق أخبرنا يعقوب حدثني ابن أخي ابن شهاب عن عمه أخبرني عروة بن الزبير أنه سمع مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة يخبران خبرا من خبر رسول الله صلى الله عليه وسلم في عمرة الحديبية فكان فيما أخبرني عروة عنهما أنه لما كاتب رسول الله صلى الله عليه وسلم سهيل بن عمرو يوم الحديبية على قضية المدة وكان فيما اشترط سهيل بن عمرو أنه قال لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا وخليت بيننا وبينه وأبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك فكره المؤمنون ذلك وامعضوا فتكلموا فيه فلما أبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك كاتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا جندل بن سهيل يومئذ إلى أبيه سهيل بن عمرو ولم يأت رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة وإن كان مسلما وجاءت المؤمنات مهاجرات فكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عاتق فجاء أهلها يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم حتى أنزل الله تعالى في المؤمنات ما أنزل.

‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মারওয়ান ইবনু হাকাম এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) উভয়কে হুদাইবিয়াহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘উমরাহ্ আদায় করার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁদের থেকে ‘উরওয়াহ (রহ.) আমার (মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু শিহাব) নিকট যা বর্ণনা করছেন তা হচ্ছে এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু ‘আমরকে হুদাইবিয়াহর দিন সন্ধিনামায় যা লিখিয়েছিলেন তার মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরের শর্তগুলোর একটি শর্ত ছিল এইঃ আমাদের থেকে যদি কেউ আপনার কাছে চলে যায় তাকে আমাদের কাছে ফেরত দিতে হবে যদিও সে আপনার ধর্মের উপর থাকে এবং তার ও আমাদের মধ্যে আপনি কোন বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না। এ শর্ত পূর্ণ করা ছাড়া সুহায়ল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সন্ধি করতেই অস্বীকৃতি জানায়। এ শর্তটিকে মু’মিনগণ অপছন্দ করলেন এবং এতে তারা ক্ষুব্ধ হলেন ও এর বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করলেন। কিন্তু যখন সুহায়ল এ শর্ত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকার করল তখন এ শর্তের উপরই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্ধিপত্র লেখালেন এবং আবূ জানদাল ইবনু সুহায়ল (রাঃ)-কে ঐ মুহূর্তেই তার পিতা সুহায়ল ইবনু ‘আমরের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সন্ধির মেয়াদকালে পুরুষদের মধ্যে যারাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে চলে আসতেন, মুসলিম হলেও তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে দিতেন। এ সময় কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা হিজরাত করে চলে আসেন। উম্মু কুলসুম বিনত ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু‘আইত (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরাতকারিণী একজন যুবতী মহিলা। তিনি হিজরাত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে পৌঁছলে তার পরিবারের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানালো। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন মহিলাদের সম্পর্কে যা অবতীর্ণ করার তা অবতীর্ণ করলেন। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৬)

‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মারওয়ান ইবনু হাকাম এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) উভয়কে হুদাইবিয়াহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘উমরাহ্ আদায় করার ঘটনা বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁদের থেকে ‘উরওয়াহ (রহ.) আমার (মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু শিহাব) নিকট যা বর্ণনা করছেন তা হচ্ছে এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু ‘আমরকে হুদাইবিয়াহর দিন সন্ধিনামায় যা লিখিয়েছিলেন তার মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরের শর্তগুলোর একটি শর্ত ছিল এইঃ আমাদের থেকে যদি কেউ আপনার কাছে চলে যায় তাকে আমাদের কাছে ফেরত দিতে হবে যদিও সে আপনার ধর্মের উপর থাকে এবং তার ও আমাদের মধ্যে আপনি কোন বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না। এ শর্ত পূর্ণ করা ছাড়া সুহায়ল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সন্ধি করতেই অস্বীকৃতি জানায়। এ শর্তটিকে মু’মিনগণ অপছন্দ করলেন এবং এতে তারা ক্ষুব্ধ হলেন ও এর বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করলেন। কিন্তু যখন সুহায়ল এ শর্ত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকার করল তখন এ শর্তের উপরই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্ধিপত্র লেখালেন এবং আবূ জানদাল ইবনু সুহায়ল (রাঃ)-কে ঐ মুহূর্তেই তার পিতা সুহায়ল ইবনু ‘আমরের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সন্ধির মেয়াদকালে পুরুষদের মধ্যে যারাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে চলে আসতেন, মুসলিম হলেও তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে দিতেন। এ সময় কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা হিজরাত করে চলে আসেন। উম্মু কুলসুম বিনত ‘উকবাহ ইবনু আবূ মু‘আইত (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হিজরাতকারিণী একজন যুবতী মহিলা। তিনি হিজরাত করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে পৌঁছলে তার পরিবারের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ জানালো। এ সময় আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন মহিলাদের সম্পর্কে যা অবতীর্ণ করার তা অবতীর্ণ করলেন। [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৬)

إسحاق أخبرنا يعقوب حدثني ابن أخي ابن شهاب عن عمه أخبرني عروة بن الزبير أنه سمع مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة يخبران خبرا من خبر رسول الله صلى الله عليه وسلم في عمرة الحديبية فكان فيما أخبرني عروة عنهما أنه لما كاتب رسول الله صلى الله عليه وسلم سهيل بن عمرو يوم الحديبية على قضية المدة وكان فيما اشترط سهيل بن عمرو أنه قال لا يأتيك منا أحد وإن كان على دينك إلا رددته إلينا وخليت بيننا وبينه وأبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك فكره المؤمنون ذلك وامعضوا فتكلموا فيه فلما أبى سهيل أن يقاضي رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا على ذلك كاتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا جندل بن سهيل يومئذ إلى أبيه سهيل بن عمرو ولم يأت رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد من الرجال إلا رده في تلك المدة وإن كان مسلما وجاءت المؤمنات مهاجرات فكانت أم كلثوم بنت عقبة بن أبي معيط ممن خرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عاتق فجاء أهلها يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرجعها إليهم حتى أنزل الله تعالى في المؤمنات ما أنزل.


সহিহ বুখারী > উক্‌ল ও ‘উরাইনাহ গোত্রের ঘটনা

সহিহ বুখারী ৪১৯২

عبد الأعلى بن حماد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة أن أنسا رضي الله عنه حدثهم أن ناسا من عكل وعرينة قدموا المدينة على النبي صلى الله عليه وسلم وتكلموا بالإسلام فقالوا يا نبي الله إنا كنا أهل ضرع ولم نكن أهل ريف واستوخموا المدينة فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذود وراع وأمرهم أن يخرجوا فيه فيشربوا من البانها وأبوالها فانطلقوا حتى إذا كانوا ناحية الحرة كفروا بعد إسلامهم وقتلوا راعي النبي صلى الله عليه وسلم واستاقوا الذود فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فبعث الطلب في آثارهم فأمر بهم فسمروا أعينهم وقطعوا أيديهم وتركوا في ناحية الحرة حتى ماتوا على حالهم قال قتادة بلغنا أن النبي صلى الله عليه وسلم بعد ذلك كان يحث على الصدقة وينهى عن المثلة [قال أبو عبد الله] وقال شعبة وأبان وحماد عن قتادة من عرينة وقال يحيى بن أبي كثير وأيوب عن أبي قلابة عن أنس قدم نفر من عكل

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) তাদেরকে বলেছেন, উক্‌ল এবং ‘উরাইনাহ গোত্রের কতিপয় লোক মাদীনাহ্‌তে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে কালেমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করল। এরপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, হে আল্লাহ্‌র নাবী! আমরা দুগ্ধপানে বেঁচে থাকি, আমরা কৃষক নই। তারা মাদীনাহ্‌র আবহাওয়া নিজেদের জন্য অনুকূল মনে করল না। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে একজন রাখালসহ কতগুলো উট নিয়ে মাদীনাহ্‌র বাইরে যেতে এবং ঐগুলোর দুধ ও প্রস্রাব পান করার নির্দেশ দিলেন। তারা যাত্রা করে হার্‌রা-এর নিকট পৌঁছে ইসলাম ত্যাগ করে আবার কাফির হয়ে গেল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাখালকে হত্যা করে উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি তাদের খোঁজে তাদের পিছে লোক পাঠিয়ে দিলেন। (তাদের আনা হলে) তিনি তাদের প্রতি কঠিন দণ্ডাদেশ প্রদান করলেন। সাহাবীগণ লৌহ শলাকা দিয়ে তাদের চোখ তুলে দিলেন এবং তাদের হাত কেটে দিলেন। এরপর হাররার এক প্রান্তে তাদেরকে ফেলে রাখা হল। শেষ পর্যন্ত তাদের এ অবস্থায়ই মৃত্যু হল। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমাদের কাছে খবর পৌঁছেছে যে, এ ঘটনার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রায়ই লোকজনকে সদাকাহ প্রদান করার জন্য উৎসাহ দিতেন এবং মুসলা থেকে বিরত রাখতেন। শু’বাহ্‌, আবান এবং হাম্মাদ (রহঃ) ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে ‘উরাইনাহ গোত্রের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আবূ কাসীর এবং আইয়ূব (রহঃ) আবূ কিলাবা (রহঃ)-এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উক্‌ল গোত্রের কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসেছিল। [২৩৩] (আ.প্র. ৩৮৭২, ই.ফা. ৩৮৭৫)

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) তাদেরকে বলেছেন, উক্‌ল এবং ‘উরাইনাহ গোত্রের কতিপয় লোক মাদীনাহ্‌তে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে কালেমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করল। এরপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, হে আল্লাহ্‌র নাবী! আমরা দুগ্ধপানে বেঁচে থাকি, আমরা কৃষক নই। তারা মাদীনাহ্‌র আবহাওয়া নিজেদের জন্য অনুকূল মনে করল না। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে একজন রাখালসহ কতগুলো উট নিয়ে মাদীনাহ্‌র বাইরে যেতে এবং ঐগুলোর দুধ ও প্রস্রাব পান করার নির্দেশ দিলেন। তারা যাত্রা করে হার্‌রা-এর নিকট পৌঁছে ইসলাম ত্যাগ করে আবার কাফির হয়ে গেল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাখালকে হত্যা করে উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি তাদের খোঁজে তাদের পিছে লোক পাঠিয়ে দিলেন। (তাদের আনা হলে) তিনি তাদের প্রতি কঠিন দণ্ডাদেশ প্রদান করলেন। সাহাবীগণ লৌহ শলাকা দিয়ে তাদের চোখ তুলে দিলেন এবং তাদের হাত কেটে দিলেন। এরপর হাররার এক প্রান্তে তাদেরকে ফেলে রাখা হল। শেষ পর্যন্ত তাদের এ অবস্থায়ই মৃত্যু হল। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমাদের কাছে খবর পৌঁছেছে যে, এ ঘটনার পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রায়ই লোকজনকে সদাকাহ প্রদান করার জন্য উৎসাহ দিতেন এবং মুসলা থেকে বিরত রাখতেন। শু’বাহ্‌, আবান এবং হাম্মাদ (রহঃ) ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে ‘উরাইনাহ গোত্রের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আবূ কাসীর এবং আইয়ূব (রহঃ) আবূ কিলাবা (রহঃ)-এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উক্‌ল গোত্রের কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসেছিল। [২৩৩] (আ.প্র. ৩৮৭২, ই.ফা. ৩৮৭৫)

عبد الأعلى بن حماد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا سعيد عن قتادة أن أنسا رضي الله عنه حدثهم أن ناسا من عكل وعرينة قدموا المدينة على النبي صلى الله عليه وسلم وتكلموا بالإسلام فقالوا يا نبي الله إنا كنا أهل ضرع ولم نكن أهل ريف واستوخموا المدينة فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذود وراع وأمرهم أن يخرجوا فيه فيشربوا من البانها وأبوالها فانطلقوا حتى إذا كانوا ناحية الحرة كفروا بعد إسلامهم وقتلوا راعي النبي صلى الله عليه وسلم واستاقوا الذود فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فبعث الطلب في آثارهم فأمر بهم فسمروا أعينهم وقطعوا أيديهم وتركوا في ناحية الحرة حتى ماتوا على حالهم قال قتادة بلغنا أن النبي صلى الله عليه وسلم بعد ذلك كان يحث على الصدقة وينهى عن المثلة [قال أبو عبد الله] وقال شعبة وأبان وحماد عن قتادة من عرينة وقال يحيى بن أبي كثير وأيوب عن أبي قلابة عن أنس قدم نفر من عكل


সহিহ বুখারী ৪১৯৩

محمد بن عبد الرحيم حدثنا حفص بن عمر أبو عمر الحوضي حدثنا حماد بن زيد حدثنا أيوب والحجاج الصواف قال حدثني أبو رجاء مولى أبي قلابة وكان معه بالشأم أن عمر بن عبد العزيز استشار الناس يوما قال ما تقولون في هذه القسامة فقالوا حق قضى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقضت بها الخلفاء قبلك قال وأبو قلابة خلف سريره فقال عنبسة بن سعيد فأين حديث أنس في العرنيين قال أبو قلابة إياي حدثه أنس بن مالك قال عبد العزيز بن صهيب عن أنس من عرينة وقال أبو قلابة عن أنس من عكل ذكر القصة

উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন তিনি লোকদের কাছে কাসামাত সম্পর্কে পরামর্শ চেয়ে বললেন, তোমরা এ কাসামা সম্পর্কে কী বল? তাঁরা বললেন, এটা হাক। আপনার পূর্বে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং খলীফাগণ সকলেই কাসামাতের [৪৬]আদেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় আবূ কিলাবা (রহঃ) ‘উমার ইবনু ‘আবদুল আযীয (রহঃ)-এর পেছনে ছিলেন। তখন আম্বাসা ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) বললেন, ‘উরাইনাহ গোত্র সম্পর্কিত আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি কোথায়? তখন আবূ কিলাবাহ (রহঃ) বললেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আমার কাছেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) ‘উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোকের কথা উল্লেখ করেছেন। আর আবূ কিলাবা (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে উক্‌ল গোত্রের উল্লেখ করে ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। [২৩৩] (আ.প্র. ৩৮৭৩, ই.ফা. ৩৮৭৬)

উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন তিনি লোকদের কাছে কাসামাত সম্পর্কে পরামর্শ চেয়ে বললেন, তোমরা এ কাসামা সম্পর্কে কী বল? তাঁরা বললেন, এটা হাক। আপনার পূর্বে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং খলীফাগণ সকলেই কাসামাতের [৪৬]আদেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় আবূ কিলাবা (রহঃ) ‘উমার ইবনু ‘আবদুল আযীয (রহঃ)-এর পেছনে ছিলেন। তখন আম্বাসা ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) বললেন, ‘উরাইনাহ গোত্র সম্পর্কিত আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি কোথায়? তখন আবূ কিলাবাহ (রহঃ) বললেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আমার কাছেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) ‘উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোকের কথা উল্লেখ করেছেন। আর আবূ কিলাবা (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে উক্‌ল গোত্রের উল্লেখ করে ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। [২৩৩] (আ.প্র. ৩৮৭৩, ই.ফা. ৩৮৭৬)

محمد بن عبد الرحيم حدثنا حفص بن عمر أبو عمر الحوضي حدثنا حماد بن زيد حدثنا أيوب والحجاج الصواف قال حدثني أبو رجاء مولى أبي قلابة وكان معه بالشأم أن عمر بن عبد العزيز استشار الناس يوما قال ما تقولون في هذه القسامة فقالوا حق قضى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقضت بها الخلفاء قبلك قال وأبو قلابة خلف سريره فقال عنبسة بن سعيد فأين حديث أنس في العرنيين قال أبو قلابة إياي حدثه أنس بن مالك قال عبد العزيز بن صهيب عن أنس من عرينة وقال أبو قلابة عن أنس من عكل ذكر القصة


সহিহ বুখারী > যাতুল কারাদের যুদ্ধ

সহিহ বুখারী ৪১৯৪

قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال سمعت سلمة بن الأكوع يقول خرجت قبل أن يؤذن بالأولى وكانت لقاح رسول الله صلى الله عليه وسلم ترعى بذي قرد قال فلقيني غلام لعبد الرحمن بن عوف فقال أخذت لقاح رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت من أخذها قال غطفان قال فصرخت ثلاث صرخات يا صباحاه قال فأسمعت ما بين لابتي المدينة ثم اندفعت على وجهي حتى أدركتهم وقد أخذوا يستقون من الماء فجعلت أرميهم بنبلي وكنت راميا وأقول : أنــا ابـن الأكــوع والـيـوم يـوم الـرضـع وأرتجز حتى استنقذت اللقاح منهم واستلبت منهم ثلاثين بردة قال وجاء النبي صلى الله عليه وسلم والناس فقلت يا نبي الله قد حميت القوم الماء وهم عطاش فابعث إليهم الساعة فقال يا ابن الأكوع ملكت فأسجح قال ثم رجعنا ويردفني رسول الله صلى الله عليه وسلم على ناقته حتى دخلنا المدينة

সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) আমি ফাজ্‌রের সলাতের আযানের আগে বাইরে বের হলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধেল উটগুলোকে যি-কারাদ জায়গায় চরানো হতো। সালামাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমার সঙ্গে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর গোলামের দেখা হলো। সে বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধেল উটগুলো লুট করা হয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, কে ওগুলো লুট করেছে? সে বলল, গাতফানের লোকেরা। তিনি বলেন, তখন আমি ইয়া সাবাহা বলে তিনবার উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করলাম। আর মাদীনাহ্‌র দুই পর্বতের মাঝে অবস্থিত মানুষদের কানে আমার আওয়াজ শুনিয়ে দিলাম। তারপর দ্রুত অগ্রসর হয়ে তাদেরকে পেয়ে গেলাম। এ সময়ে তারা উটগুলোকে পানি পান করাতে শুরু করেছিল। তখন তাদের দিকে তীর নিক্ষেপ করলাম, আমি ছিলাম একজন দক্ষ তীরন্দাজ আর বললাম, আমি হলাম আকওয়া’-এর পুত্র, আজকের দিনটি তোমাদের সবচেয়ে খারাপ দিন। এভাবে আমি তাদের নিকট হতে উটগুলোকে কেড়ে নিলাম এবং তাদের ত্রিশখানা চাদরও কেড়ে নিলাম। তিনি বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও অন্যান্য লোক সেখানে আসলে আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র নাবী! লোক কটি পিপাসার্ত ছিল, আমি তাদেরকে পানি পান করতেও দেইনি। আপনি এখনই এদের পিছু ধাওয়া করার জন্য সৈন্য পাঠিয়ে দিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ইবনুল আকওয়া'! তুমি (হারানো উট দখল করতে) সক্ষম হয়েছে, এখন একটু বিশ্রাম নাও। সালামাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আমরা ফিরে আসলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর উটনীর পেছনে বসিয়ে নিলেন, এভাবে মদিনায় প্রবেশ করলাম। [৩০৪১] (আ.প্র. ৩৮৭৪, ই.ফা. ৩৮৭৭)

সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) আমি ফাজ্‌রের সলাতের আযানের আগে বাইরে বের হলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধেল উটগুলোকে যি-কারাদ জায়গায় চরানো হতো। সালামাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমার সঙ্গে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর গোলামের দেখা হলো। সে বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধেল উটগুলো লুট করা হয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, কে ওগুলো লুট করেছে? সে বলল, গাতফানের লোকেরা। তিনি বলেন, তখন আমি ইয়া সাবাহা বলে তিনবার উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করলাম। আর মাদীনাহ্‌র দুই পর্বতের মাঝে অবস্থিত মানুষদের কানে আমার আওয়াজ শুনিয়ে দিলাম। তারপর দ্রুত অগ্রসর হয়ে তাদেরকে পেয়ে গেলাম। এ সময়ে তারা উটগুলোকে পানি পান করাতে শুরু করেছিল। তখন তাদের দিকে তীর নিক্ষেপ করলাম, আমি ছিলাম একজন দক্ষ তীরন্দাজ আর বললাম, আমি হলাম আকওয়া’-এর পুত্র, আজকের দিনটি তোমাদের সবচেয়ে খারাপ দিন। এভাবে আমি তাদের নিকট হতে উটগুলোকে কেড়ে নিলাম এবং তাদের ত্রিশখানা চাদরও কেড়ে নিলাম। তিনি বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও অন্যান্য লোক সেখানে আসলে আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র নাবী! লোক কটি পিপাসার্ত ছিল, আমি তাদেরকে পানি পান করতেও দেইনি। আপনি এখনই এদের পিছু ধাওয়া করার জন্য সৈন্য পাঠিয়ে দিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ইবনুল আকওয়া'! তুমি (হারানো উট দখল করতে) সক্ষম হয়েছে, এখন একটু বিশ্রাম নাও। সালামাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আমরা ফিরে আসলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর উটনীর পেছনে বসিয়ে নিলেন, এভাবে মদিনায় প্রবেশ করলাম। [৩০৪১] (আ.প্র. ৩৮৭৪, ই.ফা. ৩৮৭৭)

قتيبة بن سعيد حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال سمعت سلمة بن الأكوع يقول خرجت قبل أن يؤذن بالأولى وكانت لقاح رسول الله صلى الله عليه وسلم ترعى بذي قرد قال فلقيني غلام لعبد الرحمن بن عوف فقال أخذت لقاح رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت من أخذها قال غطفان قال فصرخت ثلاث صرخات يا صباحاه قال فأسمعت ما بين لابتي المدينة ثم اندفعت على وجهي حتى أدركتهم وقد أخذوا يستقون من الماء فجعلت أرميهم بنبلي وكنت راميا وأقول : أنــا ابـن الأكــوع والـيـوم يـوم الـرضـع وأرتجز حتى استنقذت اللقاح منهم واستلبت منهم ثلاثين بردة قال وجاء النبي صلى الله عليه وسلم والناس فقلت يا نبي الله قد حميت القوم الماء وهم عطاش فابعث إليهم الساعة فقال يا ابن الأكوع ملكت فأسجح قال ثم رجعنا ويردفني رسول الله صلى الله عليه وسلم على ناقته حتى دخلنا المدينة


সহিহ বুখারী > খাইবার [৪৭]-এর যুদ্ধ

সহিহ বুখারী ৪১৯৫

عبد الله بن مسلمة عن مالك عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار أن سويد بن النعمان أخبره أنه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم عام خيبر حتى إذا كنا بالصهباء وهي من أدنى خيبر صلى العصر ثم دعا بالأزواد فلم يؤت إلا بالسويق فأمر به فثري فأكل وأكلنا ثم قام إلى المغرب فمضمض ومضمضنا ثم صلى ولم يتوضأ

সুওয়াইদ ইবনু নু'মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সুওয়াইদ ইবনু নু'মান) খাইবার অভিযানের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বেরিয়েছিলেন। [তিনি বলেন] যখন আমরা খাইবারের নীচু এলাকায় 'সাহ্‌বা' নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আসরের সলাত আদায় করলেন। তারপর তিনি পাথেয় পরিবেশন করতে হুকুম দিলেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত কিছুই দেয়া গেল না। তিনি ছাতু গুলতে বললেন। ছাতু গুলা হলো। তখন তিনিও খেলেন, আমরাও খেলাম। তারপর তিনি মাগরিবের সলাতের জন্য উঠে পড়লেন এবং কুল্লি করলেন। আমরাও কুল্লি করলাম। তারপর তিনি সলাত আদায় করলেন আর সেজন্য নতুনভাবে 'উযূ করলেন না। [২০৯] (আ.প্র. ৩৮৭৫, ই.ফা. ৩৮৭৮)

সুওয়াইদ ইবনু নু'মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সুওয়াইদ ইবনু নু'মান) খাইবার অভিযানের বছর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বেরিয়েছিলেন। [তিনি বলেন] যখন আমরা খাইবারের নীচু এলাকায় 'সাহ্‌বা' নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আসরের সলাত আদায় করলেন। তারপর তিনি পাথেয় পরিবেশন করতে হুকুম দিলেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত কিছুই দেয়া গেল না। তিনি ছাতু গুলতে বললেন। ছাতু গুলা হলো। তখন তিনিও খেলেন, আমরাও খেলাম। তারপর তিনি মাগরিবের সলাতের জন্য উঠে পড়লেন এবং কুল্লি করলেন। আমরাও কুল্লি করলাম। তারপর তিনি সলাত আদায় করলেন আর সেজন্য নতুনভাবে 'উযূ করলেন না। [২০৯] (আ.প্র. ৩৮৭৫, ই.ফা. ৩৮৭৮)

عبد الله بن مسلمة عن مالك عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار أن سويد بن النعمان أخبره أنه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم عام خيبر حتى إذا كنا بالصهباء وهي من أدنى خيبر صلى العصر ثم دعا بالأزواد فلم يؤت إلا بالسويق فأمر به فثري فأكل وأكلنا ثم قام إلى المغرب فمضمض ومضمضنا ثم صلى ولم يتوضأ


সহিহ বুখারী ৪১৯৯

عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن محمد عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءه جاء فقال أكلت الحمر فسكت ثم أتاه الثانية فقال أكلت الحمر فسكت ثم أتاه الثالثة فقال أفنيت الحمر فأمر مناديا فنادى في الناس إن الله ورسوله ينهيانكم عن لحوم الحمر الأهلية فأكفئت القدور وإنها لتفور باللحم

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একজন আগন্তুক এসে বলল, (গানীমাতের) গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ রইলেন। এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার এসে বলল, গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখনো চুপ থাকলেন। লোকটি তৃতীয়বার এসে বলল, গাধাগুলো খতম করে দেওয়া হচ্ছে। তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে হুকুম দিলেন। সে লোকজনের সামনে গিয়ে ঘোষণা দিলঃ আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। তখন ডেকচিগুলো উল্টে দেয়া হল। অথচ ডেকচিগুলোতে গোশ্‌ত তখন টগবগ করে ফুটছিল। [৩৭১০] (আ.প্র. ৩৮৭৯, ই.ফা. ৩৮৮২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একজন আগন্তুক এসে বলল, (গানীমাতের) গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ রইলেন। এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার এসে বলল, গাধাগুলো খেয়ে ফেলা হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখনো চুপ থাকলেন। লোকটি তৃতীয়বার এসে বলল, গাধাগুলো খতম করে দেওয়া হচ্ছে। তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে হুকুম দিলেন। সে লোকজনের সামনে গিয়ে ঘোষণা দিলঃ আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। তখন ডেকচিগুলো উল্টে দেয়া হল। অথচ ডেকচিগুলোতে গোশ্‌ত তখন টগবগ করে ফুটছিল। [৩৭১০] (আ.প্র. ৩৮৭৯, ই.ফা. ৩৮৮২)

عبد الله بن عبد الوهاب حدثنا عبد الوهاب حدثنا أيوب عن محمد عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءه جاء فقال أكلت الحمر فسكت ثم أتاه الثانية فقال أكلت الحمر فسكت ثم أتاه الثالثة فقال أفنيت الحمر فأمر مناديا فنادى في الناس إن الله ورسوله ينهيانكم عن لحوم الحمر الأهلية فأكفئت القدور وإنها لتفور باللحم


সহিহ বুখারী ৪১৯৭

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن حميد الطويل عن أنس رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى خيبر ليلا وكان إذا أتى قوما بليل لم يغر بهم حتى يصبح فلما أصبح خرجت اليهود بمساحيهم ومكاتلهم فلما رأوه قالوا محمد والله محمد والخميس فقال النبي صلى الله عليه وسلم خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রিকালে খাইবারে পৌঁছলেন। আর তিনি (কোন অভিযানে) কোন গোত্রের এলাকায় রাত্রিকালে গিয়ে পৌঁছলে, সকাল না হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর আক্রমণ চালাতেন না। সকাল হলে ইয়াহূদীরা তাদের কৃষি সরঞ্জাম ও টুকরি নিয়ে বাইরে আসল, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল, তখন তারা (ভয়ে) বলতে লাগল, মুহাম্মাদ, আল্লাহ্‌র কসম, মুহাম্মাদ তার দলবল নিয়ে এসে পড়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, খাইবার ধ্বংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই তখন সেই সতর্ক করা গোত্রের সকাল হয় মন্দভাবে। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৭৭, ই.ফা. ৩৮৮০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রিকালে খাইবারে পৌঁছলেন। আর তিনি (কোন অভিযানে) কোন গোত্রের এলাকায় রাত্রিকালে গিয়ে পৌঁছলে, সকাল না হওয়া পর্যন্ত তাদের উপর আক্রমণ চালাতেন না। সকাল হলে ইয়াহূদীরা তাদের কৃষি সরঞ্জাম ও টুকরি নিয়ে বাইরে আসল, আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল, তখন তারা (ভয়ে) বলতে লাগল, মুহাম্মাদ, আল্লাহ্‌র কসম, মুহাম্মাদ তার দলবল নিয়ে এসে পড়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, খাইবার ধ্বংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই তখন সেই সতর্ক করা গোত্রের সকাল হয় মন্দভাবে। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৭৭, ই.ফা. ৩৮৮০)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن حميد الطويل عن أنس رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى خيبر ليلا وكان إذا أتى قوما بليل لم يغر بهم حتى يصبح فلما أصبح خرجت اليهود بمساحيهم ومكاتلهم فلما رأوه قالوا محمد والله محمد والخميس فقال النبي صلى الله عليه وسلم خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين


সহিহ বুখারী ৪১৯৮

أخبرنا صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا أيوب عن محمد بن سيرين عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال صبحنا خيبر بكرة فخرج أهلها بالمساحي فلما بصروا بالنبي صلى الله عليه وسلم قالوا محمد والله محمد والخميس فقال النبي صلى الله عليه وسلم الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين فأصبنا من لحوم الحمر فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم إن الله ورسوله ينهيانكم عن لحوم الحمر فإنها رجس

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খুব সকালে খাইবারে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন সেখানকার লোকেরা কৃষির সরঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। তারা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল তখন বলল, মুহাম্মাদ, আল্লাহ্‌র কসম, মুহাম্মাদ তার দলবল নিয়ে এসে পড়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করে বললেন, খাইবার ধংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই, তখন সেই সতর্ক করা গোত্রের সকাল হয় মন্দভাবে। [আনাস (রাঃ) বলেন] এ যুদ্ধে আমরা গাধার গোশত লাভ করেছিলাম (আর তা পাক করা হচ্ছিল)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। কারণ তা নাপাক। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৭৮, ই.ফা. ৩৮৮১)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খুব সকালে খাইবারে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন সেখানকার লোকেরা কৃষির সরঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে। তারা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেল তখন বলল, মুহাম্মাদ, আল্লাহ্‌র কসম, মুহাম্মাদ তার দলবল নিয়ে এসে পড়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করে বললেন, খাইবার ধংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই, তখন সেই সতর্ক করা গোত্রের সকাল হয় মন্দভাবে। [আনাস (রাঃ) বলেন] এ যুদ্ধে আমরা গাধার গোশত লাভ করেছিলাম (আর তা পাক করা হচ্ছিল)। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। কারণ তা নাপাক। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৭৮, ই.ফা. ৩৮৮১)

أخبرنا صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا أيوب عن محمد بن سيرين عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال صبحنا خيبر بكرة فخرج أهلها بالمساحي فلما بصروا بالنبي صلى الله عليه وسلم قالوا محمد والله محمد والخميس فقال النبي صلى الله عليه وسلم الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين فأصبنا من لحوم الحمر فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم إن الله ورسوله ينهيانكم عن لحوم الحمر فإنها رجس


সহিহ বুখারী ৪১৯৬

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم بن إسماعيل عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع رضي الله عنه قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر فسرنا ليلا فقال رجل من القوم لعامر يا عامر ألا تسمعنا من هنيهاتك وكان عامر رجلا شاعرا فنزل يحدو بالقوم يقول : اللهم لولا أنـت ما اهتدينـا ولا تصدقنا ولا صلينـا فاغفر فداء لـك ما أبقيـنا وألقين سكينـة علـيـنا وثبت الأقـدام إن لاقـيـنا إنا إذا صيح بنـا أبـينـا وبالصياح عولوا علينا فقال رسول الله من هذا السائق قالوا عامر بن الأكوع قال يرحمه الله قال رجل من القوم وجبت يا نبي الله لولا أمتعتنا به فأتينا خيبر فحاصرناهم حتى أصابتنا مخمصة شديدة ثم إن الله تعالى فتحها عليهم فلما أمسى الناس مساء اليوم الذي فتحت عليهم أوقدوا نيرانا كثيرة فقال النبي ما هذه النيران على أي شيء توقدون قالوا على لحم قال على أي لحم قالوا لحم حمر الإنسية قال النبي أهريقوها واكسروها فقال رجل يا رسول الله أو نهريقها ونغسلها قال أو ذاك فلما تصاف القوم كان سيف عامر قصيرا فتناول به ساق يهودي ليضربه ويرجع ذباب سيفه فأصاب عين ركبة عامر فمات منه قال فلما قفلوا قال سلمة رآني رسول الله وهو آخذ بيدي قال ما لك قلت له فداك أبي وأمي زعموا أن عامرا حبط عمله قال النبي كذب من قاله إن له لأجرين وجمع بين إصبعيه إنه لجاهد مجاهد قل عربي مشى بها مثله حدثنا قتيبة حدثنا حاتم قال نشأ بها

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে বেরোলাম। আমরা রাতের বেলা চলছিলাম, তখন দলের এক ব্যক্তি 'আমির (রাঃ)-কে বলল, হে 'আমির! তোমার সমর সঙ্গীত থেকে আমাদের কিছু শোনাবে না কি? 'আমির (রাঃ) ছিলেন একজন কবি। তখন তিনি সওয়ারী থেকে নামলেন এবং সঙ্গীতের তালে তালে কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে চললেন। তিনি গাইলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি না হলে আমরা হিদায়াত লাভ করতাম না, সদাকাহ দিতাম না সলাত আদায় করতাম না। তাই আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন, যতদিন আপনার প্রতি সমর্পিত হয়ে থাকব। আমাদের উপর শান্তি বর্ষণ করুন এবং শত্রুর মুকাবালায় আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন। আমাদেরকে যখন (কুফরের দিকে) ডাকা হয় আমরা তখন তা প্রত্যাখ্যান করি। আর এ কারণে তারা চীৎকার করে আমাদের বিরুদ্ধে লোক-লস্কর জমা করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ সঙ্গীতের গায়ক কে? তাঁরা বললেন, 'আমির ইবনুল আকওয়া'। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন। কাফেলার একজন বললঃ হে আল্লাহ্‌র নাবী! তার (শাহাদাত) নিশ্চিত হয়ে গেল। (হায়) আমাদেরকে যদি তার নিকট হতে আরো উপকার লাভের সুযোগ দিতেন! অতঃপর আমরা খাইবারে পৌঁছলাম এবং তাদেরকে অবরোধ করলাম। এক সময় আমরা ভীষণ ক্ষুধায় আক্রান্ত হলাম। কিন্তু পরেই মহান আল্লাহ আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করলেন। বিজয়ের দিন সন্ধ্যায় মুসলিমগণ (রান্নার জন্য) অনেক আগুন জ্বালালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ সব কিসের আগুন? তোমরা কী রান্না করছ? তারা জানালেন, গোশত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কিসের গোশত? লোকেরা বললেন, গৃহপালিত গাধার গোশত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলি ঢেলে দাও এবং ডেকচিগুলো ভেঙ্গে ফেল। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! গোশ্‌তগুলো ঢেলে দিয়ে যদি পাত্রগুলো ধুয়ে নেই? তিনি বললেন, তাও করতে পার। এরপর যখন সবাই যুদ্ধের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেলেন, আর 'আমির ইবনুল আকওয়া' (রাঃ)-এর তলোয়ারটা ছিল ছোট, তা দিয়ে তিনি জনৈক ইয়াহূদীর পায়ের গোছায় আঘাত করলে তরবারির তীক্ষ্ণ ভাগ ঘুরে এসে তাঁর নিজের হাঁটুতে লেগে যায়। এতে তিনি মারা যান। সালামাহ ইবনুল 'আকওয়া' (রাঃ) বলেনঃ তারপর লোকেরা খাইবার থেকে ফিরতে শুরু করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে আমার হাত ধরে বললেন, কী খবর? আমি বললামঃ আমার পিতামাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। লোকজন ধারণা করছে, (নিজ আঘাতে মারা যাওয়ায়) 'আমির (রাঃ)-এর 'আমাল নষ্ট হয়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ কথা যে বলেছে সে মিথ্যা বলেছে। বরং 'আমিরের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু'টি আঙ্গুল একত্রিত করে দেখালেন। অবশ্যই সে একজন সচেষ্ট ব্যক্তি ও আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদকারী। তাঁর মত গুণের অধিকারী আরাব খুব কমই আছে। আমাদের নিকট হাতিম কুতাইবাহ্‌র মাধ্যমে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আ.প্র. ৩৮৭৬, ই. ফা ৩৮৭৯)

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে বেরোলাম। আমরা রাতের বেলা চলছিলাম, তখন দলের এক ব্যক্তি 'আমির (রাঃ)-কে বলল, হে 'আমির! তোমার সমর সঙ্গীত থেকে আমাদের কিছু শোনাবে না কি? 'আমির (রাঃ) ছিলেন একজন কবি। তখন তিনি সওয়ারী থেকে নামলেন এবং সঙ্গীতের তালে তালে কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে চললেন। তিনি গাইলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি না হলে আমরা হিদায়াত লাভ করতাম না, সদাকাহ দিতাম না সলাত আদায় করতাম না। তাই আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন, যতদিন আপনার প্রতি সমর্পিত হয়ে থাকব। আমাদের উপর শান্তি বর্ষণ করুন এবং শত্রুর মুকাবালায় আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন। আমাদেরকে যখন (কুফরের দিকে) ডাকা হয় আমরা তখন তা প্রত্যাখ্যান করি। আর এ কারণে তারা চীৎকার করে আমাদের বিরুদ্ধে লোক-লস্কর জমা করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ সঙ্গীতের গায়ক কে? তাঁরা বললেন, 'আমির ইবনুল আকওয়া'। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন। কাফেলার একজন বললঃ হে আল্লাহ্‌র নাবী! তার (শাহাদাত) নিশ্চিত হয়ে গেল। (হায়) আমাদেরকে যদি তার নিকট হতে আরো উপকার লাভের সুযোগ দিতেন! অতঃপর আমরা খাইবারে পৌঁছলাম এবং তাদেরকে অবরোধ করলাম। এক সময় আমরা ভীষণ ক্ষুধায় আক্রান্ত হলাম। কিন্তু পরেই মহান আল্লাহ আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করলেন। বিজয়ের দিন সন্ধ্যায় মুসলিমগণ (রান্নার জন্য) অনেক আগুন জ্বালালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ সব কিসের আগুন? তোমরা কী রান্না করছ? তারা জানালেন, গোশত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কিসের গোশত? লোকেরা বললেন, গৃহপালিত গাধার গোশত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলি ঢেলে দাও এবং ডেকচিগুলো ভেঙ্গে ফেল। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! গোশ্‌তগুলো ঢেলে দিয়ে যদি পাত্রগুলো ধুয়ে নেই? তিনি বললেন, তাও করতে পার। এরপর যখন সবাই যুদ্ধের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেলেন, আর 'আমির ইবনুল আকওয়া' (রাঃ)-এর তলোয়ারটা ছিল ছোট, তা দিয়ে তিনি জনৈক ইয়াহূদীর পায়ের গোছায় আঘাত করলে তরবারির তীক্ষ্ণ ভাগ ঘুরে এসে তাঁর নিজের হাঁটুতে লেগে যায়। এতে তিনি মারা যান। সালামাহ ইবনুল 'আকওয়া' (রাঃ) বলেনঃ তারপর লোকেরা খাইবার থেকে ফিরতে শুরু করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে আমার হাত ধরে বললেন, কী খবর? আমি বললামঃ আমার পিতামাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক। লোকজন ধারণা করছে, (নিজ আঘাতে মারা যাওয়ায়) 'আমির (রাঃ)-এর 'আমাল নষ্ট হয়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ কথা যে বলেছে সে মিথ্যা বলেছে। বরং 'আমিরের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু'টি আঙ্গুল একত্রিত করে দেখালেন। অবশ্যই সে একজন সচেষ্ট ব্যক্তি ও আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদকারী। তাঁর মত গুণের অধিকারী আরাব খুব কমই আছে। আমাদের নিকট হাতিম কুতাইবাহ্‌র মাধ্যমে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আ.প্র. ৩৮৭৬, ই. ফা ৩৮৭৯)

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم بن إسماعيل عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع رضي الله عنه قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر فسرنا ليلا فقال رجل من القوم لعامر يا عامر ألا تسمعنا من هنيهاتك وكان عامر رجلا شاعرا فنزل يحدو بالقوم يقول : اللهم لولا أنـت ما اهتدينـا ولا تصدقنا ولا صلينـا فاغفر فداء لـك ما أبقيـنا وألقين سكينـة علـيـنا وثبت الأقـدام إن لاقـيـنا إنا إذا صيح بنـا أبـينـا وبالصياح عولوا علينا فقال رسول الله من هذا السائق قالوا عامر بن الأكوع قال يرحمه الله قال رجل من القوم وجبت يا نبي الله لولا أمتعتنا به فأتينا خيبر فحاصرناهم حتى أصابتنا مخمصة شديدة ثم إن الله تعالى فتحها عليهم فلما أمسى الناس مساء اليوم الذي فتحت عليهم أوقدوا نيرانا كثيرة فقال النبي ما هذه النيران على أي شيء توقدون قالوا على لحم قال على أي لحم قالوا لحم حمر الإنسية قال النبي أهريقوها واكسروها فقال رجل يا رسول الله أو نهريقها ونغسلها قال أو ذاك فلما تصاف القوم كان سيف عامر قصيرا فتناول به ساق يهودي ليضربه ويرجع ذباب سيفه فأصاب عين ركبة عامر فمات منه قال فلما قفلوا قال سلمة رآني رسول الله وهو آخذ بيدي قال ما لك قلت له فداك أبي وأمي زعموا أن عامرا حبط عمله قال النبي كذب من قاله إن له لأجرين وجمع بين إصبعيه إنه لجاهد مجاهد قل عربي مشى بها مثله حدثنا قتيبة حدثنا حاتم قال نشأ بها


সহিহ বুখারী ৪২০১

آدم حدثنا شعبة عن عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه يقول سبى النبي صلى الله عليه وسلم صفية فأعتقها وتزوجها فقال ثابت لأنس ما أصدقها قال أصدقها نفسها فأعتقها

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে বন্দী করেছিলেন। পরে তিনি তাঁকে আযাদ করে বিয়ে করেছিলেন। সাবিত (রহঃ) আবাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মোহর কত নির্দিষ্ট করেছিলেন? আনাস (রাঃ) বললেনঃ স্বয়ং সাফিয়্যা (রাঃ)-কেই মোহর ধার্য করেছিলেন এবং তাঁকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৮১, ই.ফা. ৩৮৮৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে বন্দী করেছিলেন। পরে তিনি তাঁকে আযাদ করে বিয়ে করেছিলেন। সাবিত (রহঃ) আবাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মোহর কত নির্দিষ্ট করেছিলেন? আনাস (রাঃ) বললেনঃ স্বয়ং সাফিয়্যা (রাঃ)-কেই মোহর ধার্য করেছিলেন এবং তাঁকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৮১, ই.ফা. ৩৮৮৪)

آدم حدثنا شعبة عن عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه يقول سبى النبي صلى الله عليه وسلم صفية فأعتقها وتزوجها فقال ثابت لأنس ما أصدقها قال أصدقها نفسها فأعتقها


সহিহ বুখারী ৪২০২

موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد عن عاصم عن أبي عثمان عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه قال لما غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر أو قال لما توجه رسول الله صلى الله عليه وسلم أشرف الناس على واد فرفعوا أصواتهم بالتكبير الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعوا على أنفسكم إنكم لا تدعون أصم ولا غائبا إنكم تدعون سميعا قريبا وهو معكم وأنا خلف دابة رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعني وأنا أقول لا حول ولا قوة إلا بالله فقال لي يا عبد الله بن قيس قلت لبيك يا رسول الله قال ألا أدلك على كلمة من كنز من كنوز الجنة قلت بلى يا رسول الله فداك أبي وأمي قال لا حول ولا قوة إلا بالله

আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবার যুদ্ধের জন্য বের হলেন কিংবা রাবী বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের দিকে যাত্রা করলেন, তখন সাথী লোকজন একটি উপত্যকায় পৌঁছে এই বলে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর দিতে শুরু করল-আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতীত কোন প্রকৃত ইলাহ নেই)। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা নিজেদের প্রতি দয়া কর। কারণ তোমরা এমন কোন সত্তাকে ডাকছ না যিনি বধির বা অনুপস্থিত। বরং তোমরা তো ডাকছ সেই সত্তাকে যিনি শ্রবণকারী ও অতি নিকটে অবস্থানকারী, যিনি তোমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। [আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) বলেন] আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওয়ারীর পেছনে ছিলাম। তিনি আমাকে 'লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' বলতে শুনে বললেন, হে 'আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি বললাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি কথা শিখিয়ে দেব কি যা জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহের মধ্যে একটি ভাণ্ডার? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল। আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা হল 'লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' [২৯৯২] (আ.প্র. ৩৮৮৪, ই.ফা. ৩৮৮৭)

আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবার যুদ্ধের জন্য বের হলেন কিংবা রাবী বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের দিকে যাত্রা করলেন, তখন সাথী লোকজন একটি উপত্যকায় পৌঁছে এই বলে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর দিতে শুরু করল-আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতীত কোন প্রকৃত ইলাহ নেই)। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা নিজেদের প্রতি দয়া কর। কারণ তোমরা এমন কোন সত্তাকে ডাকছ না যিনি বধির বা অনুপস্থিত। বরং তোমরা তো ডাকছ সেই সত্তাকে যিনি শ্রবণকারী ও অতি নিকটে অবস্থানকারী, যিনি তোমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। [আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) বলেন] আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওয়ারীর পেছনে ছিলাম। তিনি আমাকে 'লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' বলতে শুনে বললেন, হে 'আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি বললাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি কথা শিখিয়ে দেব কি যা জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহের মধ্যে একটি ভাণ্ডার? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল। আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা হল 'লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' [২৯৯২] (আ.প্র. ৩৮৮৪, ই.ফা. ৩৮৮৭)

موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد عن عاصم عن أبي عثمان عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه قال لما غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر أو قال لما توجه رسول الله صلى الله عليه وسلم أشرف الناس على واد فرفعوا أصواتهم بالتكبير الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعوا على أنفسكم إنكم لا تدعون أصم ولا غائبا إنكم تدعون سميعا قريبا وهو معكم وأنا خلف دابة رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعني وأنا أقول لا حول ولا قوة إلا بالله فقال لي يا عبد الله بن قيس قلت لبيك يا رسول الله قال ألا أدلك على كلمة من كنز من كنوز الجنة قلت بلى يا رسول الله فداك أبي وأمي قال لا حول ولا قوة إلا بالله


সহিহ বুখারী ৪২০৪

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني سعيد بن المسيب أن أبا هريرة رضي الله عنه قال شهدنا خيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل ممن معه يدعي الإسلام هذا من أهل النار فلما حضر القتال قاتل الرجل أشد القتال حتى كثرت به الجراحة فكاد بعض الناس يرتاب فوجد الرجل ألم الجراحة فأهوى بيده إلى كنانته فاستخرج منها أسهما فنحر بها نفسه فاشتد رجال من المسلمين فقالوا يا رسول الله صدق الله حديثك انتحر فلان فقتل نفسه فقال قم يا فلان فأذن أنه لا يدخل الجنة إلا مؤمن إن الله يؤيد الدين بالرجل الفاجر تابعه معمر عن الزهري

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবার যুদ্ধে গিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাঁর সঙ্গীদের মধ্য থেকে মুসলিম হওয়ার দাবীদার এক ব্যক্তি সম্পর্কে বললেন, লোকটি জাহান্নামী। এরপর যুদ্ধ আরম্ভ হলে লোকটি ভীষণভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গেল, এমন কি তার দেহ বিক্ষত হয়ে গেল। এতে কারো কারো [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণীর উপর] সন্দেহ সৃষ্টি হল। অতঃপর লোকটি আঘাতের যন্ত্রণায় অসহ্য হয়ে তূণীরের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে সেখান থেকে তীর বের করে আনল। আর তীরটি নিজের বক্ষদেশে ঢুকিয়ে আত্মহত্যা করল। তা দেখে কতিপয় মুসলিম দ্রুত ছুটে এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ আপনার কথাকে সত্য প্রমাণিত করেছেন। ঐ লোকটি নিজেই নিজের বক্ষে আঘাত করে আত্মহত্যা করেছে। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! দাঁড়াও এবং ঘোষণা দাও যে, মু'মিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অবশ্য আল্লাহ ফাসিক ব্যক্তি দ্বারাও দ্বীনের সাহায্য করে থাকেন। মা'মার (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনায় শু'আয়ব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। [২৮৯৮, ৩০৬২] (আ.প্র. ৩৮৮৩, ই.ফা. ৩৮৮৬)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবার যুদ্ধে গিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাঁর সঙ্গীদের মধ্য থেকে মুসলিম হওয়ার দাবীদার এক ব্যক্তি সম্পর্কে বললেন, লোকটি জাহান্নামী। এরপর যুদ্ধ আরম্ভ হলে লোকটি ভীষণভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গেল, এমন কি তার দেহ বিক্ষত হয়ে গেল। এতে কারো কারো [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণীর উপর] সন্দেহ সৃষ্টি হল। অতঃপর লোকটি আঘাতের যন্ত্রণায় অসহ্য হয়ে তূণীরের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে সেখান থেকে তীর বের করে আনল। আর তীরটি নিজের বক্ষদেশে ঢুকিয়ে আত্মহত্যা করল। তা দেখে কতিপয় মুসলিম দ্রুত ছুটে এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ আপনার কথাকে সত্য প্রমাণিত করেছেন। ঐ লোকটি নিজেই নিজের বক্ষে আঘাত করে আত্মহত্যা করেছে। তখন তিনি বললেন, হে অমুক! দাঁড়াও এবং ঘোষণা দাও যে, মু'মিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অবশ্য আল্লাহ ফাসিক ব্যক্তি দ্বারাও দ্বীনের সাহায্য করে থাকেন। মা'মার (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনায় শু'আয়ব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। [২৮৯৮, ৩০৬২] (আ.প্র. ৩৮৮৩, ই.ফা. ৩৮৮৬)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني سعيد بن المسيب أن أبا هريرة رضي الله عنه قال شهدنا خيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل ممن معه يدعي الإسلام هذا من أهل النار فلما حضر القتال قاتل الرجل أشد القتال حتى كثرت به الجراحة فكاد بعض الناس يرتاب فوجد الرجل ألم الجراحة فأهوى بيده إلى كنانته فاستخرج منها أسهما فنحر بها نفسه فاشتد رجال من المسلمين فقالوا يا رسول الله صدق الله حديثك انتحر فلان فقتل نفسه فقال قم يا فلان فأذن أنه لا يدخل الجنة إلا مؤمن إن الله يؤيد الدين بالرجل الفاجر تابعه معمر عن الزهري


সহিহ বুখারী ৪২০৩

قتيبة حدثنا يعقوب عن أبي حازم عن سهل بن سعد الساعدي رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم التقى هو والمشركون فاقتتلوا فلما مال رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عسكره ومال الآخرون إلى عسكرهم وفي أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل لا يدع لهم شاذة ولا فاذة إلا اتبعها يضربها بسيفه فقيل ما أجزأ منا اليوم أحد كما أجزأ فلان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما إنه من أهل النار فقال رجل من القوم أنا صاحبه قال فخرج معه كلما وقف وقف معه وإذا أسرع أسرع معه قال فجرح الرجل جرحا شديدا فاستعجل الموت فوضع سيفه بالأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل على سيفه فقتل نفسه فخرج الرجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أشهد أنك رسول الله قال وما ذاك قال الرجل الذي ذكرت آنفا أنه من أهل النار فأعظم الناس ذلك فقلت أنا لكم به فخرجت في طلبه ثم جرح جرحا شديدا فاستعجل الموت فوضع نصل سيفه في الأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل عليه فقتل نفسه فقال رسول الله عند ذلك إن الرجل ليعمل عمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وهو من أهل النار وإن الرجل ليعمل عمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة

সাহ্‌ল ইবনু সা'দ সা'ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবারের যুদ্ধে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকরা মুখোমুখী হলেন। পরস্পরের মধ্যে তুমুল লড়াই হল। (দিনের শেষে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেনা ছাউনিতে ফিরে আসলেন আর অন্যপক্ষও তাদের ছাউনিতে ফিরে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, যিনি তার তরবারি থেকে একাকী কিংবা দলবদ্ধ কোন শত্রু সৈন্যকেই রেহাই দেননি। বরং পিছু ধাওয়া করে তাকে তরবারির আঘাতে হত্যা করেছেন। তাদের কেউ বললেন, অমুক ব্যক্তি আজ যা করেছে আমাদের মধ্যে আর অন্য কেউ তা করতে সক্ষম হয়নি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কিন্তু সে তো জাহান্নামী। সাহাবীগণের একজন বললেন, (ব্যাপারটা দেখার জন্য) আমি তার সঙ্গী হব। সাহ্‌ল ইবনু সা'দ সা'ঈদী (রাঃ) বলেন, পরে তিনি ঐ লোকটির সঙ্গে বের হলেন, লোকটি থামলে তিনিও থামতেন, লোকটি দ্রুত চললে তিনিও দ্রুত চলতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক সময়ে লোকটি ভীষণভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হল এবং (যন্ত্রণার চোটে) শীঘ্র মৃত্যু কামনা করল। তাই সে তার তরবারির গোড়ার অংশ মাটিতে রেখে এর ধারালো দিক বুকের মাঝে রাখল। এরপর সে তরবারির উপর নিজেকে জোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। তখন লোকটি (অনুসরণকারী সহাবী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ব্যাপার কী? তিনি বললেন, একটু আগে আপনি যে লোকটির কথা বলেছিলেন যে, লোকটি জাহান্নামী, তাতে লোকেরা আশ্চর্যান্বিত হয়েছিল। তখন আমি তাদেরকে বলেছিলাম, আমি লোকটির পিছু নিয়ে দেখব। কাজেই আমি ব্যাপারটির খোঁজে বেরিয়ে পড়ি। এক সময় লোকটি মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হল এবং শীঘ্র মৃত্যু কামনা করল, তাই সে তার তরবারির হাতলের দিক মাটিতে বসিয়ে এর তীক্ষ্ম ভাগ নিজের বুকের মাঝে রাখল। এরপর নিজেকে তার উপর জোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অনেক সময় মানুষ জান্নাতীদের মত 'আমাল করতে থাকে, যা দেখে অন্যরা তাকে জান্নাতীই মনে করে। অথচ সে জাহান্নামী। আবার অনেক সময় মানুষ জাহান্নামীদের মতো 'আমাল করতে থাকে যা দেখে লোকজনও সেরূপই মনে করে থাকে, অথচ সে জান্নাতী। [২৯০২] (আ.প্র. ৩৮৮২, ই.ফা. ৩৮৮৫)

সাহ্‌ল ইবনু সা'দ সা'ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবারের যুদ্ধে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকরা মুখোমুখী হলেন। পরস্পরের মধ্যে তুমুল লড়াই হল। (দিনের শেষে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সেনা ছাউনিতে ফিরে আসলেন আর অন্যপক্ষও তাদের ছাউনিতে ফিরে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, যিনি তার তরবারি থেকে একাকী কিংবা দলবদ্ধ কোন শত্রু সৈন্যকেই রেহাই দেননি। বরং পিছু ধাওয়া করে তাকে তরবারির আঘাতে হত্যা করেছেন। তাদের কেউ বললেন, অমুক ব্যক্তি আজ যা করেছে আমাদের মধ্যে আর অন্য কেউ তা করতে সক্ষম হয়নি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কিন্তু সে তো জাহান্নামী। সাহাবীগণের একজন বললেন, (ব্যাপারটা দেখার জন্য) আমি তার সঙ্গী হব। সাহ্‌ল ইবনু সা'দ সা'ঈদী (রাঃ) বলেন, পরে তিনি ঐ লোকটির সঙ্গে বের হলেন, লোকটি থামলে তিনিও থামতেন, লোকটি দ্রুত চললে তিনিও দ্রুত চলতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক সময়ে লোকটি ভীষণভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হল এবং (যন্ত্রণার চোটে) শীঘ্র মৃত্যু কামনা করল। তাই সে তার তরবারির গোড়ার অংশ মাটিতে রেখে এর ধারালো দিক বুকের মাঝে রাখল। এরপর সে তরবারির উপর নিজেকে জোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। তখন লোকটি (অনুসরণকারী সহাবী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ব্যাপার কী? তিনি বললেন, একটু আগে আপনি যে লোকটির কথা বলেছিলেন যে, লোকটি জাহান্নামী, তাতে লোকেরা আশ্চর্যান্বিত হয়েছিল। তখন আমি তাদেরকে বলেছিলাম, আমি লোকটির পিছু নিয়ে দেখব। কাজেই আমি ব্যাপারটির খোঁজে বেরিয়ে পড়ি। এক সময় লোকটি মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হল এবং শীঘ্র মৃত্যু কামনা করল, তাই সে তার তরবারির হাতলের দিক মাটিতে বসিয়ে এর তীক্ষ্ম ভাগ নিজের বুকের মাঝে রাখল। এরপর নিজেকে তার উপর জোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অনেক সময় মানুষ জান্নাতীদের মত 'আমাল করতে থাকে, যা দেখে অন্যরা তাকে জান্নাতীই মনে করে। অথচ সে জাহান্নামী। আবার অনেক সময় মানুষ জাহান্নামীদের মতো 'আমাল করতে থাকে যা দেখে লোকজনও সেরূপই মনে করে থাকে, অথচ সে জান্নাতী। [২৯০২] (আ.প্র. ৩৮৮২, ই.ফা. ৩৮৮৫)

قتيبة حدثنا يعقوب عن أبي حازم عن سهل بن سعد الساعدي رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم التقى هو والمشركون فاقتتلوا فلما مال رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عسكره ومال الآخرون إلى عسكرهم وفي أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل لا يدع لهم شاذة ولا فاذة إلا اتبعها يضربها بسيفه فقيل ما أجزأ منا اليوم أحد كما أجزأ فلان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما إنه من أهل النار فقال رجل من القوم أنا صاحبه قال فخرج معه كلما وقف وقف معه وإذا أسرع أسرع معه قال فجرح الرجل جرحا شديدا فاستعجل الموت فوضع سيفه بالأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل على سيفه فقتل نفسه فخرج الرجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أشهد أنك رسول الله قال وما ذاك قال الرجل الذي ذكرت آنفا أنه من أهل النار فأعظم الناس ذلك فقلت أنا لكم به فخرجت في طلبه ثم جرح جرحا شديدا فاستعجل الموت فوضع نصل سيفه في الأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل عليه فقتل نفسه فقال رسول الله عند ذلك إن الرجل ليعمل عمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وهو من أهل النار وإن الرجل ليعمل عمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة


সহিহ বুখারী ৪২০৫

وقال شبيب عن يونس عن ابن شهاب أخبرني ابن المسيب وعبد الرحمن بن عبد الله بن كعب أن أبا هريرة قال شهدنا مع النبي صلى الله عليه وسلم حنينا وقال ابن المبارك عن يونس عن الزهري عن سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم تابعه صالح عن الزهري وقال الزبيدي أخبرني الزهري أن عبد الرحمن بن كعب أخبره أن عبيد الله بن كعب قال أخبرني من شهد مع النبي صلى الله عليه وسلم خيبر قال الزهري وأخبرني عبيد الله بن عبد الله وسعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম ......। ('আবদুল্লাহ) ইবনু মুবারাক হাদীসটি ইউনুস-'যুহরী-সা'ঈদ [ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)] সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সালিহ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে ইবনু মুবারাক (রাঃ)-এর মতই বর্ণনা করেছেন। আর যুবাইদী (রহঃ) যুহরী, 'আবদুর রহমান ইবনু কা'ব, 'উবাইদুল্লাহ ইবনু কা'ব (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারে অংশগ্রহণকারী জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। (যুবাইদী আরো বলেন) যুহরী (রহঃ) এ হাদীসটিকে 'উবাইদুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ এবং সা'ঈদ (ইবনুল মুসাইয়্যাব) (রহঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৩০৬২] (আ.প্র. ৩৮৮৩, ই.ফা. ৩৮৮৬)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম ......। ('আবদুল্লাহ) ইবনু মুবারাক হাদীসটি ইউনুস-'যুহরী-সা'ঈদ [ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)] সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সালিহ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে ইবনু মুবারাক (রাঃ)-এর মতই বর্ণনা করেছেন। আর যুবাইদী (রহঃ) যুহরী, 'আবদুর রহমান ইবনু কা'ব, 'উবাইদুল্লাহ ইবনু কা'ব (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারে অংশগ্রহণকারী জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। (যুবাইদী আরো বলেন) যুহরী (রহঃ) এ হাদীসটিকে 'উবাইদুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ এবং সা'ঈদ (ইবনুল মুসাইয়্যাব) (রহঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। [৩০৬২] (আ.প্র. ৩৮৮৩, ই.ফা. ৩৮৮৬)

وقال شبيب عن يونس عن ابن شهاب أخبرني ابن المسيب وعبد الرحمن بن عبد الله بن كعب أن أبا هريرة قال شهدنا مع النبي صلى الله عليه وسلم حنينا وقال ابن المبارك عن يونس عن الزهري عن سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم تابعه صالح عن الزهري وقال الزبيدي أخبرني الزهري أن عبد الرحمن بن كعب أخبره أن عبيد الله بن كعب قال أخبرني من شهد مع النبي صلى الله عليه وسلم خيبر قال الزهري وأخبرني عبيد الله بن عبد الله وسعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৪২০০

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس رضي الله عنه قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم الصبح قريبا من خيبر بغلس ثم قال الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين فخرجوا يسعون في السكك فقتل النبي صلى الله عليه وسلم المقاتلة وسبى الذرية وكان في السبي صفية فصارت إلى دحية الكلبي ثم صارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فجعل عتقها صداقها فقال عبد العزيز بن صهيب لثابت يا أبا محمد آنت قلت لأنس ما أصدقها فحرك ثابت رأسه تصديقا له

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের নিকটে সকালে কিছু অন্ধকার থাকতেই ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। তারপর আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করে বললেন, খাইবার ধ্বংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই তখনই সতর্ক করা গোত্রের সকালটি হয় মন্দরূপে। এ সময়ে খাইবারের অধিবাসীরা অলি-গলিতে গিয়ে আশ্রয় নিতে আরম্ভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যকার যোদ্ধাদেরকে হত্যা করলেন। আর শিশু ও নারীদেরকে বন্দী করলেন। বন্দীদের মধ্যে ছিলেন সফিয়্যাহ। প্রথমে তিনি দাহ্‌ইয়াতুল কালবীর অংশে এবং পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অংশে বন্টিত হন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মুক্তিদানকে (বিবাহের) মাহর হিসেবে গণ্য করেন। 'আবদুল 'আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) সাবিত (রহঃ)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! আপনি কি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর [সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর] মোহর কী ধার্য করেছিলেন? তখন সাবিত (রহঃ) 'হ্যাঁ' বুঝানোর জন্য মাথা নাড়লেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৮০, ই.ফা. ৩৮৮৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের নিকটে সকালে কিছু অন্ধকার থাকতেই ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। তারপর আল্লাহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করে বললেন, খাইবার ধ্বংস হয়েছে। আমরা যখনই কোন গোত্রের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হই তখনই সতর্ক করা গোত্রের সকালটি হয় মন্দরূপে। এ সময়ে খাইবারের অধিবাসীরা অলি-গলিতে গিয়ে আশ্রয় নিতে আরম্ভ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যকার যোদ্ধাদেরকে হত্যা করলেন। আর শিশু ও নারীদেরকে বন্দী করলেন। বন্দীদের মধ্যে ছিলেন সফিয়্যাহ। প্রথমে তিনি দাহ্‌ইয়াতুল কালবীর অংশে এবং পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অংশে বন্টিত হন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মুক্তিদানকে (বিবাহের) মাহর হিসেবে গণ্য করেন। 'আবদুল 'আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) সাবিত (রহঃ)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! আপনি কি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর [সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর] মোহর কী ধার্য করেছিলেন? তখন সাবিত (রহঃ) 'হ্যাঁ' বুঝানোর জন্য মাথা নাড়লেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৮০, ই.ফা. ৩৮৮৩)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس رضي الله عنه قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم الصبح قريبا من خيبر بغلس ثم قال الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين فخرجوا يسعون في السكك فقتل النبي صلى الله عليه وسلم المقاتلة وسبى الذرية وكان في السبي صفية فصارت إلى دحية الكلبي ثم صارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فجعل عتقها صداقها فقال عبد العزيز بن صهيب لثابت يا أبا محمد آنت قلت لأنس ما أصدقها فحرك ثابت رأسه تصديقا له


সহিহ বুখারী ৪২০৬

ইয়াযীদ ইবনু আবূ 'উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাহ (ইবনু আকওয়া) (রাঃ)-এর পায়ের নলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ মুসলিম! এ আঘাতটি কিসের? তিনি বললেন, এ আঘাত আমি খাইবার যুদ্ধে পেয়েছিলাম। লোকজন বলাবলি করল, সালামাহ মারা যাবে। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। তিনি ক্ষতটিতে তিনবার ফুঁ দিলেন। ফলে আজ পর্যন্ত এসে কোন ব্যথা অনুভব করিনি। (আ.প্র. ৩৮৮৫, ই.ফা ৩৮৮৮)

ইয়াযীদ ইবনু আবূ 'উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাহ (ইবনু আকওয়া) (রাঃ)-এর পায়ের নলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ মুসলিম! এ আঘাতটি কিসের? তিনি বললেন, এ আঘাত আমি খাইবার যুদ্ধে পেয়েছিলাম। লোকজন বলাবলি করল, সালামাহ মারা যাবে। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। তিনি ক্ষতটিতে তিনবার ফুঁ দিলেন। ফলে আজ পর্যন্ত এসে কোন ব্যথা অনুভব করিনি। (আ.প্র. ৩৮৮৫, ই.ফা ৩৮৮৮)


সহিহ বুখারী ৪২০৮

محمد بن سعيد الخزاعي حدثنا زياد بن الربيع عن أبي عمران قال نظر أنس إلى الناس يوم الجمعة فرأى طيالسة فقال كأنهم الساعة يهود خيبر

আবূ 'ইমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক জুমু'আহ্‌র দিনে আনাস (রাঃ) লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখলেন তাদের (মাথায়) তায়ালিসাহ [৪৮] চাদর। তখন তিনি বললেন, এ মুহূর্তে এদেরকে খাইবারের ইয়াহূদীদের মতো দেখাচ্ছে। (আ.প্র. ৩৮৮৭, ই.ফা. ৩৮৯০)

আবূ 'ইমরান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক জুমু'আহ্‌র দিনে আনাস (রাঃ) লোকজনের দিকে তাকিয়ে দেখলেন তাদের (মাথায়) তায়ালিসাহ [৪৮] চাদর। তখন তিনি বললেন, এ মুহূর্তে এদেরকে খাইবারের ইয়াহূদীদের মতো দেখাচ্ছে। (আ.প্র. ৩৮৮৭, ই.ফা. ৩৮৯০)

محمد بن سعيد الخزاعي حدثنا زياد بن الربيع عن أبي عمران قال نظر أنس إلى الناس يوم الجمعة فرأى طيالسة فقال كأنهم الساعة يهود خيبر


সহিহ বুখারী ৪২০৭

عبد الله بن مسلمة حدثنا ابن أبي حازم عن أبيه عن سهل قال التقى النبي صلى الله عليه وسلم والمشركون في بعض مغازيه فاقتتلوا فمال كل قوم إلى عسكرهم وفي المسلمين رجل لا يدع من المشركين شاذة ولا فاذة إلا اتبعها فضربها بسيفه فقيل يا رسول الله ما أجزأ أحد ما أجزأ فلان فقال إنه من أهل النار فقالوا أينا من أهل الجنة إن كان هذا من أهل النار فقال رجل من القوم لأتبعنه فإذا أسرع وأبطأ كنت معه حتى جرح فاستعجل الموت فوضع نصاب سيفه بالأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل عليه فقتل نفسه فجاء الرجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال أشهد أنك رسول الله فقال وما ذاك فأخبره فقال إن الرجل ليعمل بعمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وإنه لمن أهل النار ويعمل بعمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة

সাহ্‌ল (ইব্‌নু সা'দ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকরা মুখোমুখী হলেন। তাদের মধ্যে তুমুল লড়াই হল। (শেষে) সকলেই আপন আপন সেনা ছাউনীতে ফিরে গেল। মুসলিম সৈন্যদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল, যে মুশরিকদের কোন একাকী কিংবা দলবদ্ধ কোন শত্রুকেই রেহাই দেয়নি বরং তাড়িয়ে নিয়ে তরবারি দ্বারা হত্যা করেছে। তখন বলা হল "হে আল্লাহ্‌র রসূল! অমুক লোক আজ যতটা 'আমাল করেছে অন্য কেউ ততটা করতে পারেনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে ব্যক্তি জাহান্নামী। তারা বলল, তা হলে আমাদের মধ্যে আর কে জান্নাতী হবে যদি এ ব্যক্তিই জাহান্নামী হয়? তখন কাফেলার মধ্য থেকে একজন বলল, অবশ্যই আমি তাকে অনুসরণ করে দেখব (তিনি বলেন) লোকটির দ্রুত গতিতে বা ধীর গতিতে আমি তার সঙ্গে থাকতাম। শেষে, লোকটি আঘাতপ্রাপ্ত হলে যন্ত্রণার চোটে সে দ্রুত মৃত্যু কামনা করে তার তরবারির বাঁট মাটিতে রাখলো এবং ধারালো দিক নিজের বুকের মাঝে রেখে এর উপর সজোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। তখন (অনুসরণকারী) সহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]জিজ্ঞেস করলেন,কী ব্যাপার? তিনি তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সব ঘটনা জানালেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ কেউ জান্নাতবাসীদের মতো 'আমাল করতে থাকে আর লোকজন তাকে তেমনই মনে করে থাকে অথচ সে জাহান্নামী। আবার কেউ কেউ জাহান্নামীর মতো 'আমাল করে থাকে আর লোকজনও তাকে তাই মনে করে অথচ সে জান্নাতী। [২৮৯৮] (আ.প্র. ৩৮৮৬, ই.ফা. ৩৮৮৯)

সাহ্‌ল (ইব্‌নু সা'দ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকরা মুখোমুখী হলেন। তাদের মধ্যে তুমুল লড়াই হল। (শেষে) সকলেই আপন আপন সেনা ছাউনীতে ফিরে গেল। মুসলিম সৈন্যদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল, যে মুশরিকদের কোন একাকী কিংবা দলবদ্ধ কোন শত্রুকেই রেহাই দেয়নি বরং তাড়িয়ে নিয়ে তরবারি দ্বারা হত্যা করেছে। তখন বলা হল "হে আল্লাহ্‌র রসূল! অমুক লোক আজ যতটা 'আমাল করেছে অন্য কেউ ততটা করতে পারেনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে ব্যক্তি জাহান্নামী। তারা বলল, তা হলে আমাদের মধ্যে আর কে জান্নাতী হবে যদি এ ব্যক্তিই জাহান্নামী হয়? তখন কাফেলার মধ্য থেকে একজন বলল, অবশ্যই আমি তাকে অনুসরণ করে দেখব (তিনি বলেন) লোকটির দ্রুত গতিতে বা ধীর গতিতে আমি তার সঙ্গে থাকতাম। শেষে, লোকটি আঘাতপ্রাপ্ত হলে যন্ত্রণার চোটে সে দ্রুত মৃত্যু কামনা করে তার তরবারির বাঁট মাটিতে রাখলো এবং ধারালো দিক নিজের বুকের মাঝে রেখে এর উপর সজোরে চেপে ধরে আত্মহত্যা করল। তখন (অনুসরণকারী) সহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]জিজ্ঞেস করলেন,কী ব্যাপার? তিনি তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সব ঘটনা জানালেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ কেউ জান্নাতবাসীদের মতো 'আমাল করতে থাকে আর লোকজন তাকে তেমনই মনে করে থাকে অথচ সে জাহান্নামী। আবার কেউ কেউ জাহান্নামীর মতো 'আমাল করে থাকে আর লোকজনও তাকে তাই মনে করে অথচ সে জান্নাতী। [২৮৯৮] (আ.প্র. ৩৮৮৬, ই.ফা. ৩৮৮৯)

عبد الله بن مسلمة حدثنا ابن أبي حازم عن أبيه عن سهل قال التقى النبي صلى الله عليه وسلم والمشركون في بعض مغازيه فاقتتلوا فمال كل قوم إلى عسكرهم وفي المسلمين رجل لا يدع من المشركين شاذة ولا فاذة إلا اتبعها فضربها بسيفه فقيل يا رسول الله ما أجزأ أحد ما أجزأ فلان فقال إنه من أهل النار فقالوا أينا من أهل الجنة إن كان هذا من أهل النار فقال رجل من القوم لأتبعنه فإذا أسرع وأبطأ كنت معه حتى جرح فاستعجل الموت فوضع نصاب سيفه بالأرض وذبابه بين ثدييه ثم تحامل عليه فقتل نفسه فجاء الرجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال أشهد أنك رسول الله فقال وما ذاك فأخبره فقال إن الرجل ليعمل بعمل أهل الجنة فيما يبدو للناس وإنه لمن أهل النار ويعمل بعمل أهل النار فيما يبدو للناس وهو من أهل الجنة


সহিহ বুখারী ৪২০৯

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة رضي الله عنه قال كان علي بن أبي طالب رضي الله عنه تخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم في خيبر وكان رمدا فقال أنا أتخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم فلحق به فلما بتنا الليلة التي فتحت قال لأعطين الراية غدا أو ليأخذن الراية غدا رجل يحبه الله ورسوله يفتح عليه فنحن نرجوها فقيل هذا علي فأعطاه ففتح عليه

সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চক্ষু রোগ হওয়ায় 'আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর থেকে খাইবার অভিযানে পেছনে পড়ে গিয়েছিলেন। [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ থেকে রওয়ানা হয়ে এসে পড়লে] 'আলী (রাঃ) বলেন, আমি পেছনে বসে থাকব। সুতরাং তিনি গিয়ে তাঁর সঙ্গে মিলিত হলেন। [সালামাহ (রাঃ) বলেন] খাইবার বিজিত হওয়ার আগের রাতে তিনি [নাবী (সা.] বললেন, আগামীকাল সকালে আমি এমন ব্যক্তির হাতে পতাকা তুলে দেব অথবা তিনি বলেছেন, আগামীকাল সকালে এমন এক ব্যক্তি পতাকা গ্রহণ করবে যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল ভালবাসেন। আর তার হাতেই খাইবার বিজিত হবে। কাজেই আমরা সবাই সেটি কামনা করছিলাম। তখন বলা হল, এই তো 'আলী। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে পতাকা প্রদান করলেন এবং তাঁর হাতেই খাইবার বিজিত হল। [২৯৭৫] (আ.প্র. ৩৮৮৮, ই.ফা. ৩৮৯১)

সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চক্ষু রোগ হওয়ায় 'আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর থেকে খাইবার অভিযানে পেছনে পড়ে গিয়েছিলেন। [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ থেকে রওয়ানা হয়ে এসে পড়লে] 'আলী (রাঃ) বলেন, আমি পেছনে বসে থাকব। সুতরাং তিনি গিয়ে তাঁর সঙ্গে মিলিত হলেন। [সালামাহ (রাঃ) বলেন] খাইবার বিজিত হওয়ার আগের রাতে তিনি [নাবী (সা.] বললেন, আগামীকাল সকালে আমি এমন ব্যক্তির হাতে পতাকা তুলে দেব অথবা তিনি বলেছেন, আগামীকাল সকালে এমন এক ব্যক্তি পতাকা গ্রহণ করবে যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল ভালবাসেন। আর তার হাতেই খাইবার বিজিত হবে। কাজেই আমরা সবাই সেটি কামনা করছিলাম। তখন বলা হল, এই তো 'আলী। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে পতাকা প্রদান করলেন এবং তাঁর হাতেই খাইবার বিজিত হল। [২৯৭৫] (আ.প্র. ৩৮৮৮, ই.ফা. ৩৮৯১)

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة رضي الله عنه قال كان علي بن أبي طالب رضي الله عنه تخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم في خيبر وكان رمدا فقال أنا أتخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم فلحق به فلما بتنا الليلة التي فتحت قال لأعطين الراية غدا أو ليأخذن الراية غدا رجل يحبه الله ورسوله يفتح عليه فنحن نرجوها فقيل هذا علي فأعطاه ففتح عليه


সহিহ বুখারী ৪২১০

قتيبة بن سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم قال أخبرني سهل بن سعد رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم خيبر لأعطين هذه الراية غدا رجلا يفتح الله على يديه يحب الله ورسوله ويحبه الله ورسوله قال فبات الناس يدوكون ليلتهم أيهم يعطاها فلما أصبح الناس غدوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم كلهم يرجو أن يعطاها فقال أين علي بن أبي طالب فقيل هو يا رسول الله يشتكي عينيه قال فأرسلوا إليه فأتي به فبصق رسول الله صلى الله عليه وسلم في عينيه ودعا له فبرأ حتى كأن لم يكن به وجع فأعطاه الراية فقال علي يا رسول الله أقاتلهم حتى يكونوا مثلنا فقال انفذ على رسلك حتى تنزل بساحتهم ثم ادعهم إلى الإسلام وأخبرهم بما يجب عليهم من حق الله فيه فوالله لأن يهدي الله بك رجلا واحدا خير لك من أن يكون لك حمر النعم

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাইবারের যুদ্ধে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আগামীকাল সকালে আমি এমন এক লোকের হাতে ঝাণ্ডা তুলে দেব যার হাতে আল্লাহ খাইবারে বিজয় দান করবেন যে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে ভালবাসে এবং যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল ভালবাসেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেন, মুসলিমগণ এ জল্পনায় রাত কাটালো যে, তাদের মধ্যে কাকে দেয়া হবে এ ঝাণ্ডা। সকালে সবাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন, আর প্রত্যেকেই তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, 'আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) কোথায়? সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি তো চক্ষুরোগে আক্রান্ত। তিনি বললেন, তার কাছে লোক পাঠাও। সে মতে তাঁকে আনা হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উভয় চোখে থুথু লাগিয়ে তার জন্য দু'আ করলেন। ফলে চোখ এমন ভাল হয়ে গেল যেন কখনো চোখে কোন রোগই ছিল না। এরপর তিনি তার হাতে ঝাণ্ডা প্রদান করলেন। তখন 'আলী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারা আমাদের মতো (মুসলিম) না হওয়া পর্যন্ত আমি তাদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বর্তমান অবস্থায়ই তাদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে হাজির হও, এরপর তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের প্রতি আহবান করো, আল্লাহ্‌র অধিকার প্রদানে তাদের প্রতি যে দায়িত্ব বর্তায় সে সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত কর। কারণ আল্লাহ্‌র কসম! তোমার দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ যদি মাত্র একজন মানুষকেও হিদায়াত দেন তাহলে তা তোমার জন্য লাল রঙের (মূল্যবান) উটের [৪৯] মালিক হওয়ার চেয়ে উত্তম। [২৯৪২] (আ.প্র. ৩৮৮৯, ই.ফা. ৩৮৯২)

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাইবারের যুদ্ধে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আগামীকাল সকালে আমি এমন এক লোকের হাতে ঝাণ্ডা তুলে দেব যার হাতে আল্লাহ খাইবারে বিজয় দান করবেন যে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে ভালবাসে এবং যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল ভালবাসেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেন, মুসলিমগণ এ জল্পনায় রাত কাটালো যে, তাদের মধ্যে কাকে দেয়া হবে এ ঝাণ্ডা। সকালে সবাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন, আর প্রত্যেকেই তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, 'আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) কোথায়? সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি তো চক্ষুরোগে আক্রান্ত। তিনি বললেন, তার কাছে লোক পাঠাও। সে মতে তাঁকে আনা হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উভয় চোখে থুথু লাগিয়ে তার জন্য দু'আ করলেন। ফলে চোখ এমন ভাল হয়ে গেল যেন কখনো চোখে কোন রোগই ছিল না। এরপর তিনি তার হাতে ঝাণ্ডা প্রদান করলেন। তখন 'আলী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারা আমাদের মতো (মুসলিম) না হওয়া পর্যন্ত আমি তাদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বর্তমান অবস্থায়ই তাদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে হাজির হও, এরপর তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের প্রতি আহবান করো, আল্লাহ্‌র অধিকার প্রদানে তাদের প্রতি যে দায়িত্ব বর্তায় সে সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত কর। কারণ আল্লাহ্‌র কসম! তোমার দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ যদি মাত্র একজন মানুষকেও হিদায়াত দেন তাহলে তা তোমার জন্য লাল রঙের (মূল্যবান) উটের [৪৯] মালিক হওয়ার চেয়ে উত্তম। [২৯৪২] (আ.প্র. ৩৮৮৯, ই.ফা. ৩৮৯২)

قتيبة بن سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم قال أخبرني سهل بن سعد رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم خيبر لأعطين هذه الراية غدا رجلا يفتح الله على يديه يحب الله ورسوله ويحبه الله ورسوله قال فبات الناس يدوكون ليلتهم أيهم يعطاها فلما أصبح الناس غدوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم كلهم يرجو أن يعطاها فقال أين علي بن أبي طالب فقيل هو يا رسول الله يشتكي عينيه قال فأرسلوا إليه فأتي به فبصق رسول الله صلى الله عليه وسلم في عينيه ودعا له فبرأ حتى كأن لم يكن به وجع فأعطاه الراية فقال علي يا رسول الله أقاتلهم حتى يكونوا مثلنا فقال انفذ على رسلك حتى تنزل بساحتهم ثم ادعهم إلى الإسلام وأخبرهم بما يجب عليهم من حق الله فيه فوالله لأن يهدي الله بك رجلا واحدا خير لك من أن يكون لك حمر النعم


সহিহ বুখারী ৪২১১

عبد الغفار بن داود حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن ح و حدثني أحمد حدثنا ابن وهب قال أخبرني يعقوب بن عبد الرحمن الزهري عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قدمنا خيبر فلما فتح الله عليه الحصن ذكر له جمال صفية بنت حيي بن أخطب وقد قتل زوجها وكانت عروسا فاصطفاها النبي لنفسه فخرج بها حتى بلغنا سد الصهباء حلت فبنى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صنع حيسا في نطع صغير ثم قال لي آذن من حولك فكانت تلك وليمته على صفية ثم خرجنا إلى المدينة فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يحوي لها وراءه بعباءة ثم يجلس عند بعيره فيضع ركبته وتضع صفية رجلها على ركبته حتى تركب

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবারে এসে পৌঁছলাম। এরপর যখন আল্লাহ তাঁকে খাইবার দূর্গের বিজয় দান করলেন তখন তাঁর কাছে (ইয়াহূদী দলপতি) হুয়াঈ ইবনু আখতারের কন্যা সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সৌন্দর্যের ব্যাপারে আলোচনা করা হল। তার স্বামী (এ যুদ্ধে) নিহত হয়। সে ছিল নববধূ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিজের জন্য মনোনীত করেন এবং তাকে সঙ্গে করে (খাইবার থেকে) যাত্রা করেন। এরপর আমরা যখন সাদ্দুস সাহবা নামক স্থানে গিয়ে পৌঁছলাম তখন সফিয়্যাহ (রাঃ) তাঁর মাসিক ঋতুস্রাব থেকে মুক্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর করলেন। তারপর একটি ছোট দস্তরখানে (খেজুর-ঘি ও ছাতু মিশ্রিত) হায়স নামক খানা সাজিয়ে আমাকে বললেন, তোমার আশেপাশে যারা আছে সবাইকে ডাক। আর এটিই ছিল সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বিয়ের ওয়ালীমা। তারপর আমরা মাদীনাহ্‌র দিকে রওয়ানা হলাম, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সাওয়ারীর পেছনে সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর জন্য একটি চাদর বিছাতে দেখেছি। এরপর তিনি তাঁর সাওয়ারীর ওপর হাঁটুদ্বয় মেলে বসতেন এবং সফিয়্যাহ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাঁটুর উপর পা রেখে সাওয়ারীতে উঠতেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯০, ই.ফা. ৩৮৯৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবারে এসে পৌঁছলাম। এরপর যখন আল্লাহ তাঁকে খাইবার দূর্গের বিজয় দান করলেন তখন তাঁর কাছে (ইয়াহূদী দলপতি) হুয়াঈ ইবনু আখতারের কন্যা সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সৌন্দর্যের ব্যাপারে আলোচনা করা হল। তার স্বামী (এ যুদ্ধে) নিহত হয়। সে ছিল নববধূ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিজের জন্য মনোনীত করেন এবং তাকে সঙ্গে করে (খাইবার থেকে) যাত্রা করেন। এরপর আমরা যখন সাদ্দুস সাহবা নামক স্থানে গিয়ে পৌঁছলাম তখন সফিয়্যাহ (রাঃ) তাঁর মাসিক ঋতুস্রাব থেকে মুক্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর করলেন। তারপর একটি ছোট দস্তরখানে (খেজুর-ঘি ও ছাতু মিশ্রিত) হায়স নামক খানা সাজিয়ে আমাকে বললেন, তোমার আশেপাশে যারা আছে সবাইকে ডাক। আর এটিই ছিল সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বিয়ের ওয়ালীমা। তারপর আমরা মাদীনাহ্‌র দিকে রওয়ানা হলাম, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সাওয়ারীর পেছনে সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর জন্য একটি চাদর বিছাতে দেখেছি। এরপর তিনি তাঁর সাওয়ারীর ওপর হাঁটুদ্বয় মেলে বসতেন এবং সফিয়্যাহ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাঁটুর উপর পা রেখে সাওয়ারীতে উঠতেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯০, ই.ফা. ৩৮৯৩)

عبد الغفار بن داود حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن ح و حدثني أحمد حدثنا ابن وهب قال أخبرني يعقوب بن عبد الرحمن الزهري عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قدمنا خيبر فلما فتح الله عليه الحصن ذكر له جمال صفية بنت حيي بن أخطب وقد قتل زوجها وكانت عروسا فاصطفاها النبي لنفسه فخرج بها حتى بلغنا سد الصهباء حلت فبنى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صنع حيسا في نطع صغير ثم قال لي آذن من حولك فكانت تلك وليمته على صفية ثم خرجنا إلى المدينة فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم يحوي لها وراءه بعباءة ثم يجلس عند بعيره فيضع ركبته وتضع صفية رجلها على ركبته حتى تركب


সহিহ বুখারী ৪২১২

إسماعيل قال حدثني أخي عن سليمان عن يحيى عن حميد الطويل سمع أنس بن مالك رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أقام على صفية بنت حيي بطريق خيبر ثلاثة أيام حتى أعرس بها وكانت فيمن ضرب عليها الحجاب

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার থেকে ফেরার পথে সফিয়্যাহ (রাঃ) বিন্‌তে হুয়াঈ-এর কাছে তিনদিন অবস্থান করে তার সঙ্গে বাসর যাপন করেছেন। আর (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন যাদের জন্য পর্দার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। [৫০] [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯১, ই.ফা. ৩৮৯৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার থেকে ফেরার পথে সফিয়্যাহ (রাঃ) বিন্‌তে হুয়াঈ-এর কাছে তিনদিন অবস্থান করে তার সঙ্গে বাসর যাপন করেছেন। আর (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন যাদের জন্য পর্দার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। [৫০] [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯১, ই.ফা. ৩৮৯৪)

إسماعيل قال حدثني أخي عن سليمان عن يحيى عن حميد الطويل سمع أنس بن مالك رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم أقام على صفية بنت حيي بطريق خيبر ثلاثة أيام حتى أعرس بها وكانت فيمن ضرب عليها الحجاب


সহিহ বুখারী ৪২১৩

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر بن أبي كثير قال أخبرني حميد أنه سمع أنسا رضي الله عنه يقول أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاث ليال يبنى عليه بصفية فدعوت المسلمين إلى وليمته وما كان فيها من خبز ولا لحم وما كان فيها إلا أن أمر بلالا بالأنطاع فبسطت فألقى عليها التمر والأقط والسمن فقال المسلمون إحدى أمهات المؤمنين أو ما ملكت يمينه قالوا إن حجبها فهي إحدى أمهات المؤمنين وإن لم يحجبها فهي مما ملكت يمينه فلما ارتحل وطأ لها خلفه ومد الحجاب

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার ও মাদীনাহ্‌র মাঝে একস্থানে তিনদিন অবস্থান করেছিলেন যাতে তিনি সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বাসর করেছেন। আমি মুসলিমদেরকে ওয়ালীমার জন্য দাওয়াত দিলাম। অবশ্য এ ওয়ালীমাতে গোশতও ছিল না, রুটিও ছিল না। কেবল এতটুকু ছিল যে, তিনি বিলাল (রাঃ)-কে দস্তরখান বিছাতে বললেন। তা বিছানো হল। এরপর তাতে কিছু খেজুর, পনির ও ঘি রাখা হল। এ অবস্থা দেখে মুসলিমগণ পরস্পর বলাবলি করতে লাগল যে, তিনি [সফিয়্যাহ (রাঃ)] কি উম্মাহাতুল মু'মিনীনের একজন, না ক্রীতদাসীদের একজন? তাঁরা (আরো) বললেন, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য পর্দার ব্যবস্থা করেন তাহলে তিনি উম্মাহাতুল মু'মিনীনেরই একজন বোঝা যাবে। আর পর্দার ব্যবস্থা না করলে তিনি দাসীদের অন্তর্ভুক্ত। এরপর যখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] রওয়ানা হলেন তখন তিনি নিজের পেছনে সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর জন্য বসার জায়গা করে দিয়ে পর্দা খাটিয়ে দিলেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯২, ই.ফা. ৩৮৯৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার ও মাদীনাহ্‌র মাঝে একস্থানে তিনদিন অবস্থান করেছিলেন যাতে তিনি সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে বাসর করেছেন। আমি মুসলিমদেরকে ওয়ালীমার জন্য দাওয়াত দিলাম। অবশ্য এ ওয়ালীমাতে গোশতও ছিল না, রুটিও ছিল না। কেবল এতটুকু ছিল যে, তিনি বিলাল (রাঃ)-কে দস্তরখান বিছাতে বললেন। তা বিছানো হল। এরপর তাতে কিছু খেজুর, পনির ও ঘি রাখা হল। এ অবস্থা দেখে মুসলিমগণ পরস্পর বলাবলি করতে লাগল যে, তিনি [সফিয়্যাহ (রাঃ)] কি উম্মাহাতুল মু'মিনীনের একজন, না ক্রীতদাসীদের একজন? তাঁরা (আরো) বললেন, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য পর্দার ব্যবস্থা করেন তাহলে তিনি উম্মাহাতুল মু'মিনীনেরই একজন বোঝা যাবে। আর পর্দার ব্যবস্থা না করলে তিনি দাসীদের অন্তর্ভুক্ত। এরপর যখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] রওয়ানা হলেন তখন তিনি নিজের পেছনে সফিয়্যাহ (রাঃ)-এর জন্য বসার জায়গা করে দিয়ে পর্দা খাটিয়ে দিলেন। [৩৭১] (আ.প্র. ৩৮৯২, ই.ফা. ৩৮৯৫)

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر بن أبي كثير قال أخبرني حميد أنه سمع أنسا رضي الله عنه يقول أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاث ليال يبنى عليه بصفية فدعوت المسلمين إلى وليمته وما كان فيها من خبز ولا لحم وما كان فيها إلا أن أمر بلالا بالأنطاع فبسطت فألقى عليها التمر والأقط والسمن فقال المسلمون إحدى أمهات المؤمنين أو ما ملكت يمينه قالوا إن حجبها فهي إحدى أمهات المؤمنين وإن لم يحجبها فهي مما ملكت يمينه فلما ارتحل وطأ لها خلفه ومد الحجاب


সহিহ বুখারী ৪২১৪

أبو الوليد حدثنا شعبة ح و حدثني عبد الله بن محمد حدثنا وهب حدثنا شعبة عن حميد بن هلال عن عبد الله بن مغفل رضي الله عنه قال كنا محاصري خيبر فرمى إنسان بجراب فيه شحم فنزوت لآخذه فالتفت فإذا النبي صلى الله عليه وسلم فاستحييت

'আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবারের দূর্গ অবরোধ করে রাখলাম, এমন সময় এক লোক একটি থলে ছুঁড়ে ফেলল। তাতে ছিল চর্বি। আমি সেটি নেয়ার জন্য দ্রুত এগিয়ে গেলাম, হঠাৎ পেছনে ফিরে দেখি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এতে আমি লজ্জিত হয়ে গেলাম। (আ.প্র. ৩৮৯৩, ই.ফা. ৩৮৯৬)

'আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খাইবারের দূর্গ অবরোধ করে রাখলাম, এমন সময় এক লোক একটি থলে ছুঁড়ে ফেলল। তাতে ছিল চর্বি। আমি সেটি নেয়ার জন্য দ্রুত এগিয়ে গেলাম, হঠাৎ পেছনে ফিরে দেখি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এতে আমি লজ্জিত হয়ে গেলাম। (আ.প্র. ৩৮৯৩, ই.ফা. ৩৮৯৬)

أبو الوليد حدثنا شعبة ح و حدثني عبد الله بن محمد حدثنا وهب حدثنا شعبة عن حميد بن هلال عن عبد الله بن مغفل رضي الله عنه قال كنا محاصري خيبر فرمى إنسان بجراب فيه شحم فنزوت لآخذه فالتفت فإذا النبي صلى الله عليه وسلم فاستحييت


সহিহ বুখারী ৪২১৬

يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي عن أبيهما عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن أكل لحوم الحمر الإنسية

'আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধের দিন মহিলাদের মুত'আহ [৫১] করা থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৫১১৫, ৫৫২৩, ৬৯৬১; মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৭] (আ.প্র. ৩৮৯৫, ই.ফা. ৩৮৯৮)

'আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধের দিন মহিলাদের মুত'আহ [৫১] করা থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৫১১৫, ৫৫২৩, ৬৯৬১; মুসলিম ১৬/২, হাঃ ১৪০৭] (আ.প্র. ৩৮৯৫, ই.ফা. ৩৮৯৮)

يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي عن أبيهما عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن أكل لحوم الحمر الإنسية


সহিহ বুখারী ৪২১৫

عبيد بن إسماعيل عن أبي أسامة عن عبيد الله عن نافع وسالم عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن أكل الثوم وعن لحوم الحمر الأهلية نهى عن أكل الثوم هو عن نافع وحده ولحوم الحمر الأهلية عن سالم

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাইবার যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রসুন ও গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। রসূন খেতে নিষেধ করেছেন কথাটি এক্ষেত্রে নাফি' থেকে বর্ণিত হয়েছে, আর গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন কথাটি সালিম [ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ)] হতে বর্ণিত হয়েছে। [৮৫৩] (আ.প্র. ৩৮৯৪, ই.ফা. ৩৮৯৭)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাইবার যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রসুন ও গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। রসূন খেতে নিষেধ করেছেন কথাটি এক্ষেত্রে নাফি' থেকে বর্ণিত হয়েছে, আর গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন কথাটি সালিম [ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ)] হতে বর্ণিত হয়েছে। [৮৫৩] (আ.প্র. ৩৮৯৪, ই.ফা. ৩৮৯৭)

عبيد بن إسماعيل عن أبي أسامة عن عبيد الله عن نافع وسالم عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن أكل الثوم وعن لحوم الحمر الأهلية نهى عن أكل الثوم هو عن نافع وحده ولحوم الحمر الأهلية عن سالم


সহিহ বুখারী ৪২১৭

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله حدثنا عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن لحوم الحمر الأهلية

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আ. প্র ৩৮৯৬, ই.ফা. ৩৮৯৯)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার যুদ্ধের দিন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আ. প্র ৩৮৯৬, ই.ফা. ৩৮৯৯)

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله حدثنا عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن لحوم الحمر الأهلية


সহিহ বুখারী ৪২১৮

إسحاق بن نصر حدثنا محمد بن عبيد حدثنا عبيد الله عن نافع وسالم عن ابن عمر رضي الله عنهما قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن أكل لحوم الحمر الأهلية

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আ. প্র ৩৮৯৭, ই.ফা. ৩৯০০)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। [৮৫৩] (আ. প্র ৩৮৯৭, ই.ফা. ৩৯০০)

إسحاق بن نصر حدثنا محمد بن عبيد حدثنا عبيد الله عن نافع وسالم عن ابن عمر رضي الله عنهما قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن أكل لحوم الحمر الأهلية


সহিহ বুখারী ৪২২০

سعيد بن سليمان حدثنا عباد عن الشيباني قال سمعت ابن أبي أوفى رضي الله عنهما أصابتنا مجاعة يوم خيبر فإن القدور لتغلي قال وبعضها نضجت فجاء منادي النبي صلى الله عليه وسلم لا تأكلوا من لحوم الحمر شيئا وأهرقوها قال ابن أبي أوفى فتحدثنا أنه إنما نهى عنها لأنها لم تخمس وقال بعضهم نهى عنها البتة لأنها كانت تأكل العذرة

ইবনু আবী আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) খাইবারের দিন আমরা ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিলাম, আর তখন আমাদের পাতিলগুলোতে (গাধার গোশত) টগবগ করে ফুটছিল। রাবী বলেন, কোন কোন পাতিলের গোশত পাকানো হয়ে গিয়েছিল। এমন সময়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষণাকারী এসে ঘোষণা দিলেন, তোমরা (গৃহপালিত) গাধার গোশত থেকে একটুও খাবে না এবং তা ঢেলে দেবে। ইবনু আবী আওফা (রাঃ) বলেন, ঘোষণা শুনে আমরা পরস্পর বলাবলি করলাম যে, যেহেতু গাধাগুলো থেকে খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) বের করা হয়নি এ কারণেই তিনি সেগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। কেউ কেউ বললেন, তিনি চিরদিনের জন্যই গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা গাধা অপবিত্র জিনিস খেয়ে থাকে। [৩১৫৫] (আ.প্র. ৩৮৯৯, ই.ফা. ৩৯০২)

ইবনু আবী আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) খাইবারের দিন আমরা ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিলাম, আর তখন আমাদের পাতিলগুলোতে (গাধার গোশত) টগবগ করে ফুটছিল। রাবী বলেন, কোন কোন পাতিলের গোশত পাকানো হয়ে গিয়েছিল। এমন সময়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোষণাকারী এসে ঘোষণা দিলেন, তোমরা (গৃহপালিত) গাধার গোশত থেকে একটুও খাবে না এবং তা ঢেলে দেবে। ইবনু আবী আওফা (রাঃ) বলেন, ঘোষণা শুনে আমরা পরস্পর বলাবলি করলাম যে, যেহেতু গাধাগুলো থেকে খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) বের করা হয়নি এ কারণেই তিনি সেগুলো খেতে নিষেধ করেছেন। কেউ কেউ বললেন, তিনি চিরদিনের জন্যই গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। কেননা গাধা অপবিত্র জিনিস খেয়ে থাকে। [৩১৫৫] (আ.প্র. ৩৮৯৯, ই.ফা. ৩৯০২)

سعيد بن سليمان حدثنا عباد عن الشيباني قال سمعت ابن أبي أوفى رضي الله عنهما أصابتنا مجاعة يوم خيبر فإن القدور لتغلي قال وبعضها نضجت فجاء منادي النبي صلى الله عليه وسلم لا تأكلوا من لحوم الحمر شيئا وأهرقوها قال ابن أبي أوفى فتحدثنا أنه إنما نهى عنها لأنها لم تخمس وقال بعضهم نهى عنها البتة لأنها كانت تأكل العذرة


সহিহ বুখারী ৪২১৯

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن عمرو عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر الأهلية ورخص في الخيل

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধের দিন (গৃহপালিত) গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি দিয়েছেন। [৫৫২০-৫৫২৪; মুসলিম ৩৪/৬. হাঃ ১৯৪১, আহমাদ ১৪৮৯৬] (আ.প্র. ৩৮৯৮, ই.ফা. ৩৯০১)

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধের দিন (গৃহপালিত) গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি দিয়েছেন। [৫৫২০-৫৫২৪; মুসলিম ৩৪/৬. হাঃ ১৯৪১, আহমাদ ১৪৮৯৬] (আ.প্র. ৩৮৯৮, ই.ফা. ৩৯০১)

سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن عمرو عن محمد بن علي عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خيبر عن لحوم الحمر الأهلية ورخص في الخيل


সহিহ বুখারী ৪২২৬

إبراهيم بن موسى أخبرنا ابن أبي زائدة أخبرنا عاصم عن عامر عن البراء بن عازب رضي الله عنهما قال أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة خيبر أن نلقي الحمر الأهلية نيئة ونضيجة ثم لم يأمرنا بأكله بعد

বারাআ ইবনু 'আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কাঁচা ও রান্না করা গৃহপালিত গাধার গোশত ফেলে দিতে হুকুম করেছেন। এরপরে আর কখনো তা খাওয়ার অনুমতি দেননি। [৪২২১] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৩৯০৬)

বারাআ ইবনু 'আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কাঁচা ও রান্না করা গৃহপালিত গাধার গোশত ফেলে দিতে হুকুম করেছেন। এরপরে আর কখনো তা খাওয়ার অনুমতি দেননি। [৪২২১] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৩৯০৬)

إبراهيم بن موسى أخبرنا ابن أبي زائدة أخبرنا عاصم عن عامر عن البراء بن عازب رضي الله عنهما قال أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة خيبر أن نلقي الحمر الأهلية نيئة ونضيجة ثم لم يأمرنا بأكله بعد


সহিহ বুখারী ৪২২৭

محمد بن أبي الحسين حدثنا عمر بن حفص حدثنا أبي عن عاصم عن عامر عن ابن عباس رضي الله عنهما قال لا أدري أنهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم من أجل أنه كان حمولة الناس فكره أن تذهب حمولتهم أو حرمه في يوم خيبر لحم الحمر الأهلية

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জানি না, গৃহপালিত গাধাগুলো মানুষের মালপত্র বহন করে, কাজেই তার গোশত খেলে মানুষের বোঝা বহনকারী পশু নিঃশেষ হয়ে যাবে, এজন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা খেতে নিষেধ করেছিলেন, না খাইবারের দিনে এর গোশত স্থায়ীভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। [মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৯] (আ.প্র. ৩৯০৩, ই.ফা. ৩৯০৭)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জানি না, গৃহপালিত গাধাগুলো মানুষের মালপত্র বহন করে, কাজেই তার গোশত খেলে মানুষের বোঝা বহনকারী পশু নিঃশেষ হয়ে যাবে, এজন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা খেতে নিষেধ করেছিলেন, না খাইবারের দিনে এর গোশত স্থায়ীভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। [মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৯] (আ.প্র. ৩৯০৩, ই.ফা. ৩৯০৭)

محمد بن أبي الحسين حدثنا عمر بن حفص حدثنا أبي عن عاصم عن عامر عن ابن عباس رضي الله عنهما قال لا أدري أنهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم من أجل أنه كان حمولة الناس فكره أن تذهب حمولتهم أو حرمه في يوم خيبر لحم الحمر الأهلية


সহিহ বুখারী ৪২২৮

الحسن بن إسحاق حدثنا محمد بن سابق حدثنا زائدة عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خيبر للفرس سهمين وللراجل سهما قال فسره نافع فقال إذا كان مع الرجل فرس فله ثلاثة أسهم فإن لم يكن له فرس فله سهم

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার দুই অংশ এবং পদাতিক সৈন্যের জন্য এক অংশ হিসেবে (গানীমাতের) মাল বণ্টন করেছেন। বর্ণনাকারী ['উবাদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রহঃ)] বলেন, নাফি' হাদীসটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, (যুদ্ধে) যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে সে পাবে তিন অংশ এবং যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে না, সে পাবে এক অংশ। [২৮৬৩] (আ.প্র.৩৯০৪, ই.ফা. ৩৯০৮)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার দুই অংশ এবং পদাতিক সৈন্যের জন্য এক অংশ হিসেবে (গানীমাতের) মাল বণ্টন করেছেন। বর্ণনাকারী ['উবাদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রহঃ)] বলেন, নাফি' হাদীসটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, (যুদ্ধে) যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে সে পাবে তিন অংশ এবং যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে না, সে পাবে এক অংশ। [২৮৬৩] (আ.প্র.৩৯০৪, ই.ফা. ৩৯০৮)

الحسن بن إسحاق حدثنا محمد بن سابق حدثنا زائدة عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خيبر للفرس سهمين وللراجل سهما قال فسره نافع فقال إذا كان مع الرجل فرس فله ثلاثة أسهم فإن لم يكن له فرس فله سهم


সহিহ বুখারী ৪২২৫

مسلم حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن البراء قال غزونا مع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারে অভিযানে গিয়েছিলাম.......। তিনি উপরোল্লিখিত বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। [৪২২১] (আ.প্র. ৩৯০২, ই.ফা. ৩৯০৫)

বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবারে অভিযানে গিয়েছিলাম.......। তিনি উপরোল্লিখিত বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। [৪২২১] (আ.প্র. ৩৯০২, ই.ফা. ৩৯০৫)

مسلم حدثنا شعبة عن عدي بن ثابت عن البراء قال غزونا مع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه


সহিহ বুখারী ৪২২৯

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن جبير بن مطعم أخبره قال مشيت أنا وعثمان بن عفان إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلنا أعطيت بني المطلب من خمس خيبر وتركتنا ونحن بمنزلة واحدة منك فقال إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد قال جبير ولم يقسم النبي صلى الله عليه وسلم لبني عبد شمس وبني نوفل شيئا

যুবায়র ইবনু মুত'ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং 'উসমান ইবনু আফ্‌ফান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে বললাম, আপনি খাইবারের প্রাপ্ত খুমুস থেকে বানু মুত্তালিবকে অংশ দিয়েছেন, আমাদেরকে দেননি। অথচ আমরা ও তারা সম্পর্কের দিক থেকে আপনার কাছে একই পর্যায়ের। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিঃসন্দেহে বানী হাশিম এবং বানু মুত্তালিব সম-মর্যাদার অধিকারী। যুবায়র (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানু 'আবদে শাম্‌স ও বানু নাওফিলকে (খাইবার যুদ্ধের খুমুস থেকে) কিছুই বণ্টন করেননি। [৩১৪০] (আ.প্র.৩৯০৫, ই.ফা. ৩৯০৯)

যুবায়র ইবনু মুত'ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং 'উসমান ইবনু আফ্‌ফান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে বললাম, আপনি খাইবারের প্রাপ্ত খুমুস থেকে বানু মুত্তালিবকে অংশ দিয়েছেন, আমাদেরকে দেননি। অথচ আমরা ও তারা সম্পর্কের দিক থেকে আপনার কাছে একই পর্যায়ের। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিঃসন্দেহে বানী হাশিম এবং বানু মুত্তালিব সম-মর্যাদার অধিকারী। যুবায়র (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানু 'আবদে শাম্‌স ও বানু নাওফিলকে (খাইবার যুদ্ধের খুমুস থেকে) কিছুই বণ্টন করেননি। [৩১৪০] (আ.প্র.৩৯০৫, ই.ফা. ৩৯০৯)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن جبير بن مطعم أخبره قال مشيت أنا وعثمان بن عفان إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلنا أعطيت بني المطلب من خمس خيبر وتركتنا ونحن بمنزلة واحدة منك فقال إنما بنو هاشم وبنو المطلب شيء واحد قال جبير ولم يقسم النبي صلى الله عليه وسلم لبني عبد شمس وبني نوفل شيئا


সহিহ বুখারী ৪২৩০

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة حدثنا بريد بن عبد الله عن أبي بردة عن أبي موسى رضي الله عنه قال بلغنا مخرج النبي صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهم أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم إما قال بضع وإما قال في ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا فوافقنا النبي صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر وكان أناس من الناس يقولون لنا يعني لأهل السفينة سبقناكم بالهجرة ودخلت أسماء بنت عميس وهي ممن قدم معنا على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه قالت أسماء نعم قال سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم فغضبت وقالت كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء بالحبشة وذلك في الله وفي رسوله صلى الله عليه وسلم وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم وأسأله والله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد عليه

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইয়ামানে থাকা অবস্থায় আমাদের কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হিজরতের খবর পৌঁছল। তাই আমি ও আমার দু'ভাই আবূ বুরদা ও আবূ রুহম এবং আমাদের কাওমের আরো মোট বায়ান্ন কি তিপ্পান্ন কিংবা আনেরা কিছু লোকজনসহ আমরা হিজরতের উদ্দেশে বের হলাম। আমি ছিলাম আমার অপর দু'ভাইয়ের চেয়ে বয়সে ছোট। আমরা একটি জাহাজে উঠলাম। জাহাজটি আমাদেরকে আবিসিনিয়া দেশের (বাদশাহ্‌) নাজ্জাশীর নিকট নিয়ে গেল। সেখানে আমরা জা'ফর ইবনু আবূ তালিবের সাক্ষাৎ পেলাম এবং তাঁর সঙ্গেই আমরা থেকে গেলাম। অবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাইবার বিজয়ের সময় সকলে এক যোগে (মদিনায়) এসে তাঁর সঙ্গে মিলিত হলাম। এ সময়ে মুসলিমদের কেউ কেউ আমাদেরকে অর্থাৎ জাহাজে আগমনকারীদেরকে বলল, হিজরতের ব্যাপারে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। আমাদের সঙ্গে আগমনকারী আসমা বিন্‌ত উমাইস একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী হাফসাহ্‌র সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। তিনিও (তাঁর স্বামী জা'ফরসহ) নাজ্জাশীর দেশে হিজরাতকারীদের সঙ্গে হিজরাত করেছিলেন। আসমা (রাঃ) হাফসাহ্‌র কাছেই ছিলেন। এ সময়ে 'উমার (রাঃ) তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। 'উমার (রাঃ) আসমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? হাফসাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তিনি আসমা বিন্‌ত উমাইস (রাঃ)। 'উমার (রাঃ) বললেন, ইনি হাবশায় হিজরাতকারিণী আসমা? ইনিই কি সমুদ্রগামিনী? আসমা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ! তখন 'উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের ব্যাপারে আমরা তোমাদের চেয়ে আগে আছি। সুতরাং তোমাদের তুলনায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি আমাদের হক অধিক। এতে আসমা (রাঃ) রেগে গেলেন এবং বললেন, কখনো হতে পারে ন। আল্লাহ্‌র কসম! আপনারা তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন, তিনি আপনাদের ক্ষুধার্তদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন, আপনাদের অবুঝ লোকদেরকে নাসীহাত করতেন। আর আমরা ছিলাম এমন এক এলাকার অথবা তিনি বলেছেন এমন এক দেশে যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বহুদূরে এবং সর্বদা শত্রু বেষ্টিত হাবশা দেশে। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উদ্দেশেই ছিল আমাদের এ হিজরাত আল্লাহ্‌র কসম! আমি কোন খাবার খাবো না, পানিও পান করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি যা বলেছেন তা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে না জানাব। সেখানে আমাদেরকে কষ্ট দেয়া হত, ভয় দেখানো হত। শীঘ্রই আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এসব কথা বলল এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তবে আল্লাহ্‌র কসম! আমি মিথ্যা বলব না, পেঁচিয়ে বলব না, বাড়িয়েও কিছু বলব না। [৩১৩৬] (আ.প্র. ৩৯০৬, ই.ফা. ৩৯১০)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইয়ামানে থাকা অবস্থায় আমাদের কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হিজরতের খবর পৌঁছল। তাই আমি ও আমার দু'ভাই আবূ বুরদা ও আবূ রুহম এবং আমাদের কাওমের আরো মোট বায়ান্ন কি তিপ্পান্ন কিংবা আনেরা কিছু লোকজনসহ আমরা হিজরতের উদ্দেশে বের হলাম। আমি ছিলাম আমার অপর দু'ভাইয়ের চেয়ে বয়সে ছোট। আমরা একটি জাহাজে উঠলাম। জাহাজটি আমাদেরকে আবিসিনিয়া দেশের (বাদশাহ্‌) নাজ্জাশীর নিকট নিয়ে গেল। সেখানে আমরা জা'ফর ইবনু আবূ তালিবের সাক্ষাৎ পেলাম এবং তাঁর সঙ্গেই আমরা থেকে গেলাম। অবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাইবার বিজয়ের সময় সকলে এক যোগে (মদিনায়) এসে তাঁর সঙ্গে মিলিত হলাম। এ সময়ে মুসলিমদের কেউ কেউ আমাদেরকে অর্থাৎ জাহাজে আগমনকারীদেরকে বলল, হিজরতের ব্যাপারে আমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী। আমাদের সঙ্গে আগমনকারী আসমা বিন্‌ত উমাইস একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী হাফসাহ্‌র সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। তিনিও (তাঁর স্বামী জা'ফরসহ) নাজ্জাশীর দেশে হিজরাতকারীদের সঙ্গে হিজরাত করেছিলেন। আসমা (রাঃ) হাফসাহ্‌র কাছেই ছিলেন। এ সময়ে 'উমার (রাঃ) তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। 'উমার (রাঃ) আসমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? হাফসাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তিনি আসমা বিন্‌ত উমাইস (রাঃ)। 'উমার (রাঃ) বললেন, ইনি হাবশায় হিজরাতকারিণী আসমা? ইনিই কি সমুদ্রগামিনী? আসমা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ! তখন 'উমার (রাঃ) বললেন, হিজরাতের ব্যাপারে আমরা তোমাদের চেয়ে আগে আছি। সুতরাং তোমাদের তুলনায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি আমাদের হক অধিক। এতে আসমা (রাঃ) রেগে গেলেন এবং বললেন, কখনো হতে পারে ন। আল্লাহ্‌র কসম! আপনারা তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন, তিনি আপনাদের ক্ষুধার্তদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন, আপনাদের অবুঝ লোকদেরকে নাসীহাত করতেন। আর আমরা ছিলাম এমন এক এলাকার অথবা তিনি বলেছেন এমন এক দেশে যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বহুদূরে এবং সর্বদা শত্রু বেষ্টিত হাবশা দেশে। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উদ্দেশেই ছিল আমাদের এ হিজরাত আল্লাহ্‌র কসম! আমি কোন খাবার খাবো না, পানিও পান করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি যা বলেছেন তা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে না জানাব। সেখানে আমাদেরকে কষ্ট দেয়া হত, ভয় দেখানো হত। শীঘ্রই আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এসব কথা বলল এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তবে আল্লাহ্‌র কসম! আমি মিথ্যা বলব না, পেঁচিয়ে বলব না, বাড়িয়েও কিছু বলব না। [৩১৩৬] (আ.প্র. ৩৯০৬, ই.ফা. ৩৯১০)

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة حدثنا بريد بن عبد الله عن أبي بردة عن أبي موسى رضي الله عنه قال بلغنا مخرج النبي صلى الله عليه وسلم ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين إليه أنا وأخوان لي أنا أصغرهم أحدهما أبو بردة والآخر أبو رهم إما قال بضع وإما قال في ثلاثة وخمسين أو اثنين وخمسين رجلا من قومي فركبنا سفينة فألقتنا سفينتنا إلى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن أبي طالب فأقمنا معه حتى قدمنا جميعا فوافقنا النبي صلى الله عليه وسلم حين افتتح خيبر وكان أناس من الناس يقولون لنا يعني لأهل السفينة سبقناكم بالهجرة ودخلت أسماء بنت عميس وهي ممن قدم معنا على حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زائرة وقد كانت هاجرت إلى النجاشي فيمن هاجر فدخل عمر على حفصة وأسماء عندها فقال عمر حين رأى أسماء من هذه قالت أسماء بنت عميس قال عمر الحبشية هذه البحرية هذه قالت أسماء نعم قال سبقناكم بالهجرة فنحن أحق برسول الله صلى الله عليه وسلم منكم فغضبت وقالت كلا والله كنتم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يطعم جائعكم ويعظ جاهلكم وكنا في دار أو في أرض البعداء البغضاء بالحبشة وذلك في الله وفي رسوله صلى الله عليه وسلم وايم الله لا أطعم طعاما ولا أشرب شرابا حتى أذكر ما قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن كنا نؤذى ونخاف وسأذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم وأسأله والله لا أكذب ولا أزيغ ولا أزيد عليه


সহিহ বুখারী ৪২৩২

قال أبو بردة عن أبي موسى قال النبي صلى الله عليه وسلم إني لأعرف أصوات رفقة الأشعريين بالقرآن حين يدخلون بالليل وأعرف منازلهم من أصواتهم بالقرآن بالليل وإن كنت لم أر منازلهم حين نزلوا بالنهار ومنهم حكيم إذا لقي الخيل أو قال العدو قال لهم إن أصحابي يأمرونكم أن تنظروهم

আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে আরো বর্ণনা করেনে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আশ'আরী গোত্রের লোকেরা রাতের বেলায় এলেও আমি তাদেরকে তাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ দিয়েই চিনতে পারি এবং রাতের বেলায় তাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ শুনেই আমি তাদের বাড়িঘর চিনতি পারি। যদিও আমি দিবাভাগে তাদেরকে নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করতে দেখিনি। হাকীম ছিলেন আশ'আরীদের একজন। যন তিনি কোন দল কিংবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) কোন দুশমনের মুখোমুখী হতেন তখন তিনি তাদেরকে বলতেন, আমার সাথীরা তোমাদের বলেছেন, যেন তোমরা তাঁদের জন্য অপেক্ষা কর। [মুসলিম ৪৪/৩১, হাঃ ২৪৯৯] (আ.প্র ৩৯০৬, ই.ফা. ৩৯১০)

আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে আরো বর্ণনা করেনে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আশ'আরী গোত্রের লোকেরা রাতের বেলায় এলেও আমি তাদেরকে তাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ দিয়েই চিনতে পারি এবং রাতের বেলায় তাদের কুরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ শুনেই আমি তাদের বাড়িঘর চিনতি পারি। যদিও আমি দিবাভাগে তাদেরকে নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করতে দেখিনি। হাকীম ছিলেন আশ'আরীদের একজন। যন তিনি কোন দল কিংবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) কোন দুশমনের মুখোমুখী হতেন তখন তিনি তাদেরকে বলতেন, আমার সাথীরা তোমাদের বলেছেন, যেন তোমরা তাঁদের জন্য অপেক্ষা কর। [মুসলিম ৪৪/৩১, হাঃ ২৪৯৯] (আ.প্র ৩৯০৬, ই.ফা. ৩৯১০)

قال أبو بردة عن أبي موسى قال النبي صلى الله عليه وسلم إني لأعرف أصوات رفقة الأشعريين بالقرآن حين يدخلون بالليل وأعرف منازلهم من أصواتهم بالقرآن بالليل وإن كنت لم أر منازلهم حين نزلوا بالنهار ومنهم حكيم إذا لقي الخيل أو قال العدو قال لهم إن أصحابي يأمرونكم أن تنظروهم


সহিহ বুখারী ৪২৩৩

إسحاق بن إبراهيم سمع حفص بن غياث حدثنا بريد بن عبد الله عن أبي بردة عن أبي موسى قال قدمنا على النبي صلى الله عليه وسلم بعد أن افتتح خيبر فقسم لنا ولم يقسم لأحد لم يشهد الفتح غيرنا.

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের পরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে পৌঁছলাম। তিনি আমাদের জন্য গানীমাতের মাল বণ্টন করেছেন। আমাদের ব্যতীত বিজয়ে অংশ নেয়নি এমন কারোর জন্য তিনি (খাইবারের গানীমাত) বণ্টন করেননি। [৩১৩৬] (আ.প্র. ৩৯০৭, ই.ফা. ৩৯১১)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের পরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে পৌঁছলাম। তিনি আমাদের জন্য গানীমাতের মাল বণ্টন করেছেন। আমাদের ব্যতীত বিজয়ে অংশ নেয়নি এমন কারোর জন্য তিনি (খাইবারের গানীমাত) বণ্টন করেননি। [৩১৩৬] (আ.প্র. ৩৯০৭, ই.ফা. ৩৯১১)

إسحاق بن إبراهيم سمع حفص بن غياث حدثنا بريد بن عبد الله عن أبي بردة عن أبي موسى قال قدمنا على النبي صلى الله عليه وسلم بعد أن افتتح خيبر فقسم لنا ولم يقسم لأحد لم يشهد الفتح غيرنا.


সহিহ বুখারী ৪২৩৫

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر قال أخبرني زيد عن أبيه أنه سمع عمر بن الخطاب رضي الله عنه يقول أما والذي نفسي بيده لولا أن أترك آخر الناس ببانا ليس لهم شيء ما فتحت علي قرية إلا قسمتها كما قسم النبي صلى الله عليه وسلم خيبر ولكني أتركها خزانة لهم يقتسمونها.

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মনে রেখ! সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যদি পরবর্তী বংশধরদের নিঃস্ব ও রিক্ত-হস্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকত তা হলে আমি আমার সকল বিজিত এলাকা ঐভাবে বণ্টন করে দিতাম যেভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বণ্টন করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা তাদের জন্য গচ্ছিত রেখে যাচ্ছি যেন পরবর্তী বংশধরগণ তা নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিতে পারে। [২৩৩৪] (আ.প্র. ৩৯০৯, ই.ফা. ৩৯১৩)

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মনে রেখ! সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যদি পরবর্তী বংশধরদের নিঃস্ব ও রিক্ত-হস্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকত তা হলে আমি আমার সকল বিজিত এলাকা ঐভাবে বণ্টন করে দিতাম যেভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বণ্টন করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা তাদের জন্য গচ্ছিত রেখে যাচ্ছি যেন পরবর্তী বংশধরগণ তা নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিতে পারে। [২৩৩৪] (আ.প্র. ৩৯০৯, ই.ফা. ৩৯১৩)

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر قال أخبرني زيد عن أبيه أنه سمع عمر بن الخطاب رضي الله عنه يقول أما والذي نفسي بيده لولا أن أترك آخر الناس ببانا ليس لهم شيء ما فتحت علي قرية إلا قسمتها كما قسم النبي صلى الله عليه وسلم خيبر ولكني أتركها خزانة لهم يقتسمونها.


সহিহ বুখারী ৪২৩৬

محمد بن المثنى حدثنا ابن مهدي عن مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر رضي الله عنه قال لولا آخر المسلمين ما فتحت عليهم قرية إلا قسمتها كما قسم النبي صلى الله عليه وسلم خيبر.

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পরবর্তী মুসলিমদের উপর আমার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাদের (মুজাহিদগণের) বিজিত এলাকাগুলো তাদেঁর মধ্যে সেভাবে বণ্টন করে দিতাম যেভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বণ্টন করে দিয়েছিলেন। [২৩৩৪] (আ.প্র. ৩৯১০, ই.ফা. ৩৯১৪)

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পরবর্তী মুসলিমদের উপর আমার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাদের (মুজাহিদগণের) বিজিত এলাকাগুলো তাদেঁর মধ্যে সেভাবে বণ্টন করে দিতাম যেভাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বণ্টন করে দিয়েছিলেন। [২৩৩৪] (আ.প্র. ৩৯১০, ই.ফা. ৩৯১৪)

محمد بن المثنى حدثنا ابن مهدي عن مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر رضي الله عنه قال لولا آخر المسلمين ما فتحت عليهم قرية إلا قسمتها كما قسم النبي صلى الله عليه وسلم خيبر.


সহিহ বুখারী ৪২৩৭

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال سمعت الزهري وسأله إسماعيل بن أمية قال أخبرني عنبسة بن سعيد أن أبا هريرة رضي الله عنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله قال له بعض بني سعيد بن العاص لا تعطه فقال أبو هريرة هذا قاتل ابن قوقل فقال وا عجباه لوبر تدلى من قدوم الضأن

আমবাসা ইবনু সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে (খাইবার যুদ্ধের গানীমাতের) অংশ চাইলেন। তখন বনূ সা'ঈদ ইবনু আস গোত্রের জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, না, তাকে (অংশ) দিবেন না। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এ লোক তো ইবনু কাওকালের হত্যাকারী। কথাটি শুনে সে ব্যক্তি বলল, পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফিয়ে পড়া (উড়ে এসে জুড়ে বসা) বুনো বিড়ালের কথায় আশ্চর্যবোধ করছি। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১১, ই.ফা. ৩৯১৫ প্রথমাংশ)

আমবাসা ইবনু সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে (খাইবার যুদ্ধের গানীমাতের) অংশ চাইলেন। তখন বনূ সা'ঈদ ইবনু আস গোত্রের জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, না, তাকে (অংশ) দিবেন না। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এ লোক তো ইবনু কাওকালের হত্যাকারী। কথাটি শুনে সে ব্যক্তি বলল, পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফিয়ে পড়া (উড়ে এসে জুড়ে বসা) বুনো বিড়ালের কথায় আশ্চর্যবোধ করছি। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১১, ই.ফা. ৩৯১৫ প্রথমাংশ)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال سمعت الزهري وسأله إسماعيل بن أمية قال أخبرني عنبسة بن سعيد أن أبا هريرة رضي الله عنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله قال له بعض بني سعيد بن العاص لا تعطه فقال أبو هريرة هذا قاتل ابن قوقل فقال وا عجباه لوبر تدلى من قدوم الضأن


সহিহ বুখারী ৪২৩৮

ويذكر عن الزبيدي عن الزهري قال أخبرني عنبسة بن سعيد أنه سمع أبا هريرة يخبر سعيد بن العاص قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم أبان على سرية من المدينة قبل نجد قال أبو هريرة فقدم أبان وأصحابه على النبي صلى الله عليه وسلم بخيبر بعد ما افتتحها وإن حزم خيلهم لليف قال أبو هريرة قلت يا رسول الله لا تقسم لهم قال أبان وأنت بهذا يا وبر تحدر من رأس ضأن فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا أبان اجلس فلم يقسم لهم. قال أبو عبد الله الضال : السدر.

যুবাইদী-যুহরী-'আমবাসাহ ইবনু সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সা'ঈদ ইবনু আস (রাঃ)-কে সংবাদ দিচ্ছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবান [ইবনু সা'ঈদ (রাঃ)]-এর নেতৃত্বে একটি সৈন্যদল মাদীনাহ থেকে নাজদের দিকে পাঠিয়েছিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বিজয়ের পর সেখানে অবস্থঅনকালে আবান (রাঃ) এ তাঁর সঙ্গীগণ সেখানে এসে তাঁর [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর] সঙ্গে মিলিত হলেন। তাদের ঘোড়াগুলোর লাগাম ছিল খেজুরের ছালের তৈরি। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাদেরকে কোন অংশ দিবেন না। তখন আবান (রাঃ) বরলেন, পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফিয়ে পড়া বুনো বিড়াল, তোমাকেই দেয়া হবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবান! বস। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে (আবান ও তার সঙ্গীদেরকে) অংশ দিলেন না। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১১, ই.ফা. ৩৯১৫)

যুবাইদী-যুহরী-'আমবাসাহ ইবনু সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সা'ঈদ ইবনু আস (রাঃ)-কে সংবাদ দিচ্ছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবান [ইবনু সা'ঈদ (রাঃ)]-এর নেতৃত্বে একটি সৈন্যদল মাদীনাহ থেকে নাজদের দিকে পাঠিয়েছিলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার বিজয়ের পর সেখানে অবস্থঅনকালে আবান (রাঃ) এ তাঁর সঙ্গীগণ সেখানে এসে তাঁর [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর] সঙ্গে মিলিত হলেন। তাদের ঘোড়াগুলোর লাগাম ছিল খেজুরের ছালের তৈরি। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাদেরকে কোন অংশ দিবেন না। তখন আবান (রাঃ) বরলেন, পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফিয়ে পড়া বুনো বিড়াল, তোমাকেই দেয়া হবে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আবান! বস। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে (আবান ও তার সঙ্গীদেরকে) অংশ দিলেন না। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১১, ই.ফা. ৩৯১৫)

ويذكر عن الزبيدي عن الزهري قال أخبرني عنبسة بن سعيد أنه سمع أبا هريرة يخبر سعيد بن العاص قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم أبان على سرية من المدينة قبل نجد قال أبو هريرة فقدم أبان وأصحابه على النبي صلى الله عليه وسلم بخيبر بعد ما افتتحها وإن حزم خيلهم لليف قال أبو هريرة قلت يا رسول الله لا تقسم لهم قال أبان وأنت بهذا يا وبر تحدر من رأس ضأن فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا أبان اجلس فلم يقسم لهم. قال أبو عبد الله الضال : السدر.


সহিহ বুখারী ৪২৩৯

موسى بن إسماعيل حدثنا عمرو بن يحيى بن سعيد قال أخبرني جدي أن أبان بن سعيد أقبل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فقال أبو هريرة يا رسول الله هذا قاتل ابن قوقل وقال أبان لأبي هريرة واعجبا لك وبر تدأدأ من قدوم ضأن ينعى علي امرا أكرمه الله بيدي ومنعه أن يهينني بيده.

আম্‌র ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সা'ইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দাদা [সা'ঈদ ইবনু আমর ইবনু সা'ঈদ ইবনুল আস (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, আবান ইবনু সা'ঈদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সালাম দিলেন। তখন আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ তো ইবনু কাওকাল (রাঃ)-এর হত্যাকারী! তখন আবান (রাঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বললেন, দান পর্বতের চূড়া থেকে হঠাৎ নেমে আসা বুনো বিড়ালের কথায় আশ্চর্য হচ্ছি! সে এমন এক লোকের ব্যাপারে আমাকে দোষারাপ করছে যাকে আল্লাহ আমার হাত দিয়ে সম্মানিত করেছেন (শাহাদাত দান করেছেন)। আর তাঁর হাত দিয়ে লাঞ্ছিত হওয়া থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন [৫৩]। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১২, ই.ফা. ৩৯১৬)

আম্‌র ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সা'ইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দাদা [সা'ঈদ ইবনু আমর ইবনু সা'ঈদ ইবনুল আস (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, আবান ইবনু সা'ঈদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সালাম দিলেন। তখন আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ তো ইবনু কাওকাল (রাঃ)-এর হত্যাকারী! তখন আবান (রাঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বললেন, দান পর্বতের চূড়া থেকে হঠাৎ নেমে আসা বুনো বিড়ালের কথায় আশ্চর্য হচ্ছি! সে এমন এক লোকের ব্যাপারে আমাকে দোষারাপ করছে যাকে আল্লাহ আমার হাত দিয়ে সম্মানিত করেছেন (শাহাদাত দান করেছেন)। আর তাঁর হাত দিয়ে লাঞ্ছিত হওয়া থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন [৫৩]। [২৮২৭] (আ.প্র. ৩৯১২, ই.ফা. ৩৯১৬)

موسى بن إسماعيل حدثنا عمرو بن يحيى بن سعيد قال أخبرني جدي أن أبان بن سعيد أقبل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فقال أبو هريرة يا رسول الله هذا قاتل ابن قوقل وقال أبان لأبي هريرة واعجبا لك وبر تدأدأ من قدوم ضأن ينعى علي امرا أكرمه الله بيدي ومنعه أن يهينني بيده.


সহিহ বুখারী ৪২৪২

محمد بن بشار حدثنا حرمي حدثنا شعبة قال أخبرني عمارة عن عكرمة عن عائشة رضي الله عنها قالت لما فتحت خيبر قلنا الآن نشبع من التمر.

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের পর আমরা বলাবলি করলাম, এখন আমরা পরিতৃপ্তির সঙ্গে খেজুর খেতে পারব। (আ.প্র. ৩৯১৪, ই.ফা. ৩৯১৮)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের পর আমরা বলাবলি করলাম, এখন আমরা পরিতৃপ্তির সঙ্গে খেজুর খেতে পারব। (আ.প্র. ৩৯১৪, ই.ফা. ৩৯১৮)

محمد بن بشار حدثنا حرمي حدثنا شعبة قال أخبرني عمارة عن عكرمة عن عائشة رضي الله عنها قالت لما فتحت خيبر قلنا الآن نشبع من التمر.


সহিহ বুখারী ৪২৪৩

الحسن حدثنا قرة بن حبيب حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال ما شبعنا حتى فتحنا خيبر.

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয় করার পূর্ব পর্যন্ত আমরা তৃপ্ত হয়ে খেতে পাইনি [৫৫]। (আ.প্র. ৩৯১৫, ই.ফা. ৩৯১৯)

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার বিজয় করার পূর্ব পর্যন্ত আমরা তৃপ্ত হয়ে খেতে পাইনি [৫৫]। (আ.প্র. ৩৯১৫, ই.ফা. ৩৯১৯)

الحسن حدثنا قرة بن حبيب حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال ما شبعنا حتى فتحنا خيبر.


সহিহ বুখারী ৪২৩৪

عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن مالك بن أنس قال حدثني ثور قال حدثني سالم مولى ابن مطيع أنه سمع أبا هريرة رضي الله عنه يقول افتتحنا خيبر ولم نغنم ذهبا ولا فضة إنما غنمنا البقر والإبل والمتاع والحوائط ثم انصرفنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى ومعه عبد له يقال له مدعم أهداه له أحد بني الضباب فبينما هو يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر حتى أصاب ذلك العبد فقال الناس هنيئا له الشهادة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بل والذي نفسي بيده إن الشملة التي أصابها يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا فجاء رجل حين سمع ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم بشراك أو بشراكين فقال هذا شيء كنت أصبته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি কিন্তু গানীমাত হিসেবে আমরা সোনা, রূপা কিছুই পাইনি। আমরা গানীমাত হিসেবে পেয়েছিলাম গরু, উট, বিভিন্ন দ্রব্য-সামগ্রী এবং ফলের বাগান। (যুদ্ধ শেষে) আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ওয়াদিউল কুরা পর্যন্ত ফিরে এরাম। তাঁর [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] সঙ্গে ছিল মিদআম নামে তাঁর একট গোলাম। বানী যিবাব (রাঃ)-এর এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এটি হাদিয়া দিয়েছিল। এক সময়ে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাওদা নামানোর কাজে ব্যস্ত ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে অজ্ঞাত একটি তীর ছুটে এসে তার গায়ে পড়ল। তাতে গোলামটি মারা গেল। তখন লোকেরা বলতে লাগল, কী আনন্দদায়ক তার এ শাহাদাত! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আচ্ছা? সেই মহান সত্তার কসম! তাঁর হাতে আমার প্রাণ, বণ্টনের আগে খাইবারের গানীমাত থেকে যে চাদরখানা তুলে নিয়েছিল সেটি আগুন হয়ে অবশ্যই তাকে দগ্ধ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ কথা শুনে আরেক লোক একটি অথবা দু'টি জুতার ফিতা নিয়ে এসে বলল, এ জিনিসটি আমি বণ্টনের আগেই নিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ একটি অথবা দু'টি ফিতাও হয়ে যেত আগুনের (ফিতা)। [৫২] [৬৭০৭; মুসলিম ১/৪৯, হাঃ ১১৫] (আ.প্র ৩৯০৮, ই.ফা. ৩৯১২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধে আমরা জয়ী হয়েছি কিন্তু গানীমাত হিসেবে আমরা সোনা, রূপা কিছুই পাইনি। আমরা গানীমাত হিসেবে পেয়েছিলাম গরু, উট, বিভিন্ন দ্রব্য-সামগ্রী এবং ফলের বাগান। (যুদ্ধ শেষে) আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ওয়াদিউল কুরা পর্যন্ত ফিরে এরাম। তাঁর [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] সঙ্গে ছিল মিদআম নামে তাঁর একট গোলাম। বানী যিবাব (রাঃ)-এর এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এটি হাদিয়া দিয়েছিল। এক সময়ে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাওদা নামানোর কাজে ব্যস্ত ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে অজ্ঞাত একটি তীর ছুটে এসে তার গায়ে পড়ল। তাতে গোলামটি মারা গেল। তখন লোকেরা বলতে লাগল, কী আনন্দদায়ক তার এ শাহাদাত! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আচ্ছা? সেই মহান সত্তার কসম! তাঁর হাতে আমার প্রাণ, বণ্টনের আগে খাইবারের গানীমাত থেকে যে চাদরখানা তুলে নিয়েছিল সেটি আগুন হয়ে অবশ্যই তাকে দগ্ধ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ কথা শুনে আরেক লোক একটি অথবা দু'টি জুতার ফিতা নিয়ে এসে বলল, এ জিনিসটি আমি বণ্টনের আগেই নিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ একটি অথবা দু'টি ফিতাও হয়ে যেত আগুনের (ফিতা)। [৫২] [৬৭০৭; মুসলিম ১/৪৯, হাঃ ১১৫] (আ.প্র ৩৯০৮, ই.ফা. ৩৯১২)

عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن مالك بن أنس قال حدثني ثور قال حدثني سالم مولى ابن مطيع أنه سمع أبا هريرة رضي الله عنه يقول افتتحنا خيبر ولم نغنم ذهبا ولا فضة إنما غنمنا البقر والإبل والمتاع والحوائط ثم انصرفنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى ومعه عبد له يقال له مدعم أهداه له أحد بني الضباب فبينما هو يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر حتى أصاب ذلك العبد فقال الناس هنيئا له الشهادة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بل والذي نفسي بيده إن الشملة التي أصابها يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا فجاء رجل حين سمع ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم بشراك أو بشراكين فقال هذا شيء كنت أصبته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.


সহিহ বুখারী ৪২২২

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت عن البراء وعبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهم أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم فأصابوا حمرا فطبخوها فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم أكفئوا القدور

বারাআ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবার যুদ্ধে) তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা গাধার গোশত পেলেন। তাঁরা তা রান্না করলেন। এমন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৫, ৪২২৩, ৪২২৫, ৪২২৬, ৫৫২৫; মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৮, আহমাদ ১৮৬৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৩)

বারাআ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবার যুদ্ধে) তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা গাধার গোশত পেলেন। তাঁরা তা রান্না করলেন। এমন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৫, ৪২২৩, ৪২২৫, ৪২২৬, ৫৫২৫; মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৮, আহমাদ ১৮৬৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৩)

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت عن البراء وعبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهم أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم فأصابوا حمرا فطبخوها فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم أكفئوا القدور


সহিহ বুখারী ৪২২১

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت عن البراء وعبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهم أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم فأصابوا حمرا فطبخوها فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم أكفئوا القدور

বারাআ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবার যুদ্ধে) তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা গাধার গোশত পেলেন। তাঁরা তা রান্না করলেন। এমন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৫, ৪২২৩, ৪২২৫, ৪২২৬, ৫৫২৫; মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৮, আহমাদ ১৮৬৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৩)

বারাআ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খাইবার যুদ্ধে) তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা গাধার গোশত পেলেন। তাঁরা তা রান্না করলেন। এমন সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণাকারী ঘোষণা করলেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৫, ৪২২৩, ৪২২৫, ৪২২৬, ৫৫২৫; মুসলিম ৩৪/৫, হাঃ ১৯৩৮, আহমাদ ১৮৬৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৩)

حجاج بن منهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي بن ثابت عن البراء وعبد الله بن أبي أوفى رضي الله عنهم أنهم كانوا مع النبي صلى الله عليه وسلم فأصابوا حمرا فطبخوها فنادى منادي النبي صلى الله عليه وسلم أكفئوا القدور


সহিহ বুখারী ৪২২৪

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا عدي بن ثابت سمعت البراء وابن أبي أوفى رضي الله عنهم يحدثان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يوم خيبر وقد نصبوا القدور أكفئوا القدور

আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি বারাআ এবং ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, খাইবারের দিন তাঁরা গাধার গোশত রান্না করার জন্য ডেকচি বসিয়েছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৩, ৩৩৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৪)

আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি বারাআ এবং ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, খাইবারের দিন তাঁরা গাধার গোশত রান্না করার জন্য ডেকচি বসিয়েছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৩, ৩৩৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৪)

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا عدي بن ثابت سمعت البراء وابن أبي أوفى رضي الله عنهم يحدثان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يوم خيبر وقد نصبوا القدور أكفئوا القدور


সহিহ বুখারী ৪২২৩

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا عدي بن ثابت سمعت البراء وابن أبي أوفى رضي الله عنهم يحدثان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يوم خيبر وقد نصبوا القدور أكفئوا القدور

আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি বারাআ এবং ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, খাইবারের দিন তাঁরা গাধার গোশত রান্না করার জন্য ডেকচি বসিয়েছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৩, ৩৩৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৪)

আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেন) আমি বারাআ এবং ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, খাইবারের দিন তাঁরা গাধার গোশত রান্না করার জন্য ডেকচি বসিয়েছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ডেকচিগুলো উল্টে ফেল। [৩১৫৩, ৩৩৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০৪)

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا عدي بن ثابت سمعت البراء وابن أبي أوفى رضي الله عنهم يحدثان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يوم خيبر وقد نصبوا القدور أكفئوا القدور


সহিহ বুখারী ৪২৩১

فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا قال فما قلت له قالت قلت له كذا وكذا قال ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شيء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو بردة قالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন, তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ‘উমার (রাঃ) এই কথা বলেছেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কী উত্তর দিয়েছ? আসমা (রাঃ) বললেনঃ আমি তাঁকে এই এই বলেছি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (এ ব্যাপারে) তোমাদের চেয়ে ‘উমার (রাঃ) আমার প্রতি অধিক হক রাখে না। কারণ ‘উমার (রাঃ) এবং তাঁর সাথীরা একটি হিজরাত লাভ করেছে, আর তোমরা যারা জাহাজে হিজরাতকারী ছিলে তারা দু’টি হিজরাত লাভ করেছ। আসমা (রাঃ) বলেন, এ ঘটনার পর আমি আবূ মূসা (রাঃ) এবং জাহাজযোগে হিজরাতকারী অন্যদেরকে দেখেছি যে, তাঁরা সদলবলে এসে আমার নিকট থেকে এ হাদীসখানা শুনতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সম্পর্কে যে কথাটি বলেছিলেন সে কথাটির চেয়ে তাঁদের কাছে দুনিয়ার অন্য কোন জিনিস অধিকতর প্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা [আশ‘আরী (রাঃ)]-কে দেখেছি, তিনি বারবার আমার নিকট হতে এ হাদীসটি শুনতে চাইতেন। [মুসলিম ৪৪/৪১, হাঃ ২৫০২, ২৫০৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১০)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন, তখন আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ‘উমার (রাঃ) এই কথা বলেছেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কী উত্তর দিয়েছ? আসমা (রাঃ) বললেনঃ আমি তাঁকে এই এই বলেছি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (এ ব্যাপারে) তোমাদের চেয়ে ‘উমার (রাঃ) আমার প্রতি অধিক হক রাখে না। কারণ ‘উমার (রাঃ) এবং তাঁর সাথীরা একটি হিজরাত লাভ করেছে, আর তোমরা যারা জাহাজে হিজরাতকারী ছিলে তারা দু’টি হিজরাত লাভ করেছ। আসমা (রাঃ) বলেন, এ ঘটনার পর আমি আবূ মূসা (রাঃ) এবং জাহাজযোগে হিজরাতকারী অন্যদেরকে দেখেছি যে, তাঁরা সদলবলে এসে আমার নিকট থেকে এ হাদীসখানা শুনতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সম্পর্কে যে কথাটি বলেছিলেন সে কথাটির চেয়ে তাঁদের কাছে দুনিয়ার অন্য কোন জিনিস অধিকতর প্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। আবূ বুরদাহ (রাঃ) বলেন যে, আসমা (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ মূসা [আশ‘আরী (রাঃ)]-কে দেখেছি, তিনি বারবার আমার নিকট হতে এ হাদীসটি শুনতে চাইতেন। [মুসলিম ৪৪/৪১, হাঃ ২৫০২, ২৫০৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯০৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১০)

فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا نبي الله إن عمر قال كذا وكذا قال فما قلت له قالت قلت له كذا وكذا قال ليس بأحق بي منكم وله ولأصحابه هجرة واحدة ولكم أنتم أهل السفينة هجرتان قالت فلقد رأيت أبا موسى وأصحاب السفينة يأتوني أرسالا يسألوني عن هذا الحديث ما من الدنيا شيء هم به أفرح ولا أعظم في أنفسهم مما قال لهم النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو بردة قالت أسماء فلقد رأيت أبا موسى وإنه ليستعيد هذا الحديث مني


সহিহ বুখারী ৪২৪০

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة أن فاطمة عليها السلام بنت النبي صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد في هذا المال وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كان عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة منها شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد النبي صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها وكان لعلي من الناس وجه حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن يبايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا أحد معك كراهية لمحضر عمر فقال عمر لا والله لا تدخل عليهم وحدك فقال أبو بكر وما عسيتهم أن يفعلوا بي والله لآتينهم فدخل عليهم أبو بكر فتشهد علي فقال إنا قد عرفنا فضلك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نرى لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبا حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فلم آل فيها عن الخير ولم أترك أمرا رأيت رسول الله يصنعه فيها إلا صنعته فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة فلما صلى أبو بكر الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي فعظم حق أبي بكر وحدث أنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا نرى لنا في هذا الأمر نصيبا فاستبد علينا فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت وكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতেমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি মদিনা্ ও ফাদাক-এ অবস্থিত ফাই (বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত সম্পদ) এবং খাইবারের খুমুসের (পঞ্চমাংশ) অবশিষ্ট থেকে মিরাসী স্বত্ব চেয়ে পাঠালেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উত্তরে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, আমাদের (নাবীদের) কোন ওয়ারিশ হয় না, আমরা যা ছেড়ে যাব তা সদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে। অবশ্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরগণ এ সম্পত্তি থেকে ভরণ-পোষণ চালাতে পারবেন। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদাকাহ তাঁর জীবদ্দশায় যে অবস্থায় ছিল আমি সে অবস্থা থেকে এতটুকুও পরিবর্তন করব না। এ ব্যাপারে তিনি যেভাবে ব্যবহার করে গেছেন আমিও ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করব। এ কথা বলে আবূ বাকর (রাঃ) ফাতেমাহ (রাঃ)-কে এ সম্পদ থেকে কিছু দিতে অস্বীকার করলেন। এতে ফাতিমাহ (রাঃ) (মানবোচিত কারণে) আবূ বাকর (রাঃ)-এর উপর নাখোশ হলেন এবং তাঁর থেকে সম্পর্কহীন থাকলেন। তাঁর মৃত্যু অবধি তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বলেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। তিনি ইন্তিকাল করলে তাঁর স্বামী ‘আলী (রাঃ) রাতের বেলা তাঁকে দাফন করেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কেও এ খবর দিলেন না এবং তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করে নেন।[১] ফাতেমাহ (রাঃ)-এর জীবিত অবস্থায় লোকজনের মনে ‘আলী (রাঃ)-এর মর্যাদা ছিল। ফাতিমাহ (রাঃ) ইন্তিকাল করলে ‘আলী (রাঃ) লোকজনের চেহারায় অসন্তুষ্টির চিহ্ন দেখতে পেলেন। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে সমঝোতা ও তাঁর কাছে বাইআতের ইচ্ছা করলেন। এ ছয় মাসে তাঁর পক্ষে বাই‘আত গ্রহণের সুযোগ হয়নি। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আপনি আমার কাছে আসুন। (এটা জানতে পেরে) ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একা একা তাঁর কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তাঁরা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে বলে তোমরা আশঙ্কা করছ? আল্লাহর কসম! আমি তাঁদের কাছে যাব। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। ‘আলী (রাঃ) তাশাহুদ পাঠ করে বললেন, আমরা আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ আপনাকে যা কিছু দান করেছেন সে সম্পর্কে ওয়াকেবহাল। আর যে কল্যাণ (অর্থাৎ খিলাফাত) আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন সে ব্যাপারেও আমরা আপনার উপর হিংসা পোষণ করি না। তবে খিলাফাতের ব্যাপারে আপনি আমাদের উপর নিজস্ব মতামতের প্রাধান্য দিচ্ছেন অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটাত্মীয় হিসেবে খিলাফাতের কাজে আমাদেরও কিছু পরামর্শ দেয়ার অধিকার আছে। এ কথায় আবূ বাকর (রাঃ)-এর চোখ থেকে অশ্রু উপচে পড়ল। এরপর তিনি যখন আলোচনা আরম্ভ করলেন তখন বললেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার কাছে আমার নিকটাত্মীয় চেয়েও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মীয়বর্গ অধিক প্রিয়। আর এ সম্পদগুলোতে আমার এবং আপনাদের মধ্যে যে মতবিরোধ হয়েছে সে ব্যাপারেও আমি কল্যাণকর পথ অনুসরণে পিছপা হইনি। বরং এ ক্ষেত্রেও আমি কোন কাজ পরিত্যাগ করিনি যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে করতে দেখেছি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেনঃ যুহরের পর আপনার হাতে বাই‘আত গ্রহণের ওয়াদা রইল। যুহরের সালাত আদায়ের পর আবূ বাকর (রাঃ) মিম্বারে বসে তাশাহুদ পাঠ করলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ)-এর বর্তমান অবস্থা এবং বাই‘আত গ্রহণে তার দেরি করার কারণ ও তাঁর পেশকৃত আপত্তিগুলো তিনি বর্ণনা করলেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তাশাহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বললেন, তিনি যা কিছু করেছেন তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা কিংবা আল্লাহ প্রদত্ত তাঁর মর্যাদাকে অস্বীকার করার জন্য করেননি। (তিনি বলেন) তবে আমরা ভেবেছিলাম যে, এ ব্যাপারে আমাদেরও পরামর্শ দেয়ার অধিকার থাকবে। অথচ তিনি [আবূ বাকর (রাঃ)] আমাদের পরামর্শ ত্যাগ করে স্বাধীন মতের উপর রয়ে গেছেন। তাই আমরা মানসিক কষ্ট পেয়েছিলাম। মুসলিমগণ আনন্দিত হয়ে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) আমর বিল মা‘রূফ-এর পানে ফিরে আসার কারণে মুসলিমগণ আবার তাঁর নিকটবর্তী হতে শুরু করলেন। [৩০৯২, ৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১৭)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতেমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি মদিনা্ ও ফাদাক-এ অবস্থিত ফাই (বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত সম্পদ) এবং খাইবারের খুমুসের (পঞ্চমাংশ) অবশিষ্ট থেকে মিরাসী স্বত্ব চেয়ে পাঠালেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উত্তরে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, আমাদের (নাবীদের) কোন ওয়ারিশ হয় না, আমরা যা ছেড়ে যাব তা সদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে। অবশ্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরগণ এ সম্পত্তি থেকে ভরণ-পোষণ চালাতে পারবেন। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদাকাহ তাঁর জীবদ্দশায় যে অবস্থায় ছিল আমি সে অবস্থা থেকে এতটুকুও পরিবর্তন করব না। এ ব্যাপারে তিনি যেভাবে ব্যবহার করে গেছেন আমিও ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করব। এ কথা বলে আবূ বাকর (রাঃ) ফাতেমাহ (রাঃ)-কে এ সম্পদ থেকে কিছু দিতে অস্বীকার করলেন। এতে ফাতিমাহ (রাঃ) (মানবোচিত কারণে) আবূ বাকর (রাঃ)-এর উপর নাখোশ হলেন এবং তাঁর থেকে সম্পর্কহীন থাকলেন। তাঁর মৃত্যু অবধি তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বলেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। তিনি ইন্তিকাল করলে তাঁর স্বামী ‘আলী (রাঃ) রাতের বেলা তাঁকে দাফন করেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কেও এ খবর দিলেন না এবং তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করে নেন।[১] ফাতেমাহ (রাঃ)-এর জীবিত অবস্থায় লোকজনের মনে ‘আলী (রাঃ)-এর মর্যাদা ছিল। ফাতিমাহ (রাঃ) ইন্তিকাল করলে ‘আলী (রাঃ) লোকজনের চেহারায় অসন্তুষ্টির চিহ্ন দেখতে পেলেন। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে সমঝোতা ও তাঁর কাছে বাইআতের ইচ্ছা করলেন। এ ছয় মাসে তাঁর পক্ষে বাই‘আত গ্রহণের সুযোগ হয়নি। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আপনি আমার কাছে আসুন। (এটা জানতে পেরে) ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একা একা তাঁর কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তাঁরা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে বলে তোমরা আশঙ্কা করছ? আল্লাহর কসম! আমি তাঁদের কাছে যাব। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। ‘আলী (রাঃ) তাশাহুদ পাঠ করে বললেন, আমরা আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ আপনাকে যা কিছু দান করেছেন সে সম্পর্কে ওয়াকেবহাল। আর যে কল্যাণ (অর্থাৎ খিলাফাত) আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন সে ব্যাপারেও আমরা আপনার উপর হিংসা পোষণ করি না। তবে খিলাফাতের ব্যাপারে আপনি আমাদের উপর নিজস্ব মতামতের প্রাধান্য দিচ্ছেন অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটাত্মীয় হিসেবে খিলাফাতের কাজে আমাদেরও কিছু পরামর্শ দেয়ার অধিকার আছে। এ কথায় আবূ বাকর (রাঃ)-এর চোখ থেকে অশ্রু উপচে পড়ল। এরপর তিনি যখন আলোচনা আরম্ভ করলেন তখন বললেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার কাছে আমার নিকটাত্মীয় চেয়েও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মীয়বর্গ অধিক প্রিয়। আর এ সম্পদগুলোতে আমার এবং আপনাদের মধ্যে যে মতবিরোধ হয়েছে সে ব্যাপারেও আমি কল্যাণকর পথ অনুসরণে পিছপা হইনি। বরং এ ক্ষেত্রেও আমি কোন কাজ পরিত্যাগ করিনি যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে করতে দেখেছি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেনঃ যুহরের পর আপনার হাতে বাই‘আত গ্রহণের ওয়াদা রইল। যুহরের সালাত আদায়ের পর আবূ বাকর (রাঃ) মিম্বারে বসে তাশাহুদ পাঠ করলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ)-এর বর্তমান অবস্থা এবং বাই‘আত গ্রহণে তার দেরি করার কারণ ও তাঁর পেশকৃত আপত্তিগুলো তিনি বর্ণনা করলেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তাশাহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বললেন, তিনি যা কিছু করেছেন তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা কিংবা আল্লাহ প্রদত্ত তাঁর মর্যাদাকে অস্বীকার করার জন্য করেননি। (তিনি বলেন) তবে আমরা ভেবেছিলাম যে, এ ব্যাপারে আমাদেরও পরামর্শ দেয়ার অধিকার থাকবে। অথচ তিনি [আবূ বাকর (রাঃ)] আমাদের পরামর্শ ত্যাগ করে স্বাধীন মতের উপর রয়ে গেছেন। তাই আমরা মানসিক কষ্ট পেয়েছিলাম। মুসলিমগণ আনন্দিত হয়ে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) আমর বিল মা‘রূফ-এর পানে ফিরে আসার কারণে মুসলিমগণ আবার তাঁর নিকটবর্তী হতে শুরু করলেন। [৩০৯২, ৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১৭)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة أن فاطمة عليها السلام بنت النبي صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد في هذا المال وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كان عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة منها شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد النبي صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها وكان لعلي من الناس وجه حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن يبايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا أحد معك كراهية لمحضر عمر فقال عمر لا والله لا تدخل عليهم وحدك فقال أبو بكر وما عسيتهم أن يفعلوا بي والله لآتينهم فدخل عليهم أبو بكر فتشهد علي فقال إنا قد عرفنا فضلك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نرى لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبا حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فلم آل فيها عن الخير ولم أترك أمرا رأيت رسول الله يصنعه فيها إلا صنعته فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة فلما صلى أبو بكر الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي فعظم حق أبي بكر وحدث أنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا نرى لنا في هذا الأمر نصيبا فاستبد علينا فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت وكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف.


সহিহ বুখারী ৪২৪১

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة أن فاطمة عليها السلام بنت النبي صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد في هذا المال وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كان عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة منها شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد النبي صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها وكان لعلي من الناس وجه حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن يبايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا أحد معك كراهية لمحضر عمر فقال عمر لا والله لا تدخل عليهم وحدك فقال أبو بكر وما عسيتهم أن يفعلوا بي والله لآتينهم فدخل عليهم أبو بكر فتشهد علي فقال إنا قد عرفنا فضلك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نرى لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبا حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فلم آل فيها عن الخير ولم أترك أمرا رأيت رسول الله يصنعه فيها إلا صنعته فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة فلما صلى أبو بكر الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي فعظم حق أبي بكر وحدث أنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا نرى لنا في هذا الأمر نصيبا فاستبد علينا فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت وكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতেমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি মদিনা্ ও ফাদাক-এ অবস্থিত ফাই (বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত সম্পদ) এবং খাইবারের খুমুসের (পঞ্চমাংশ) অবশিষ্ট থেকে মিরাসী স্বত্ব চেয়ে পাঠালেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উত্তরে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, আমাদের (নাবীদের) কোন ওয়ারিশ হয় না, আমরা যা ছেড়ে যাব তা সদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে। অবশ্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরগণ এ সম্পত্তি থেকে ভরণ-পোষণ চালাতে পারবেন। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদাকাহ তাঁর জীবদ্দশায় যে অবস্থায় ছিল আমি সে অবস্থা থেকে এতটুকুও পরিবর্তন করব না। এ ব্যাপারে তিনি যেভাবে ব্যবহার করে গেছেন আমিও ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করব। এ কথা বলে আবূ বাকর (রাঃ) ফাতেমাহ (রাঃ)-কে এ সম্পদ থেকে কিছু দিতে অস্বীকার করলেন। এতে ফাতিমাহ (রাঃ) (মানবোচিত কারণে) আবূ বাকর (রাঃ)-এর উপর নাখোশ হলেন এবং তাঁর থেকে সম্পর্কহীন থাকলেন। তাঁর মৃত্যু অবধি তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বলেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। তিনি ইন্তিকাল করলে তাঁর স্বামী ‘আলী (রাঃ) রাতের বেলা তাঁকে দাফন করেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কেও এ খবর দিলেন না এবং তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করে নেন।[১] ফাতেমাহ (রাঃ)-এর জীবিত অবস্থায় লোকজনের মনে ‘আলী (রাঃ)-এর মর্যাদা ছিল। ফাতিমাহ (রাঃ) ইন্তিকাল করলে ‘আলী (রাঃ) লোকজনের চেহারায় অসন্তুষ্টির চিহ্ন দেখতে পেলেন। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে সমঝোতা ও তাঁর কাছে বাইআতের ইচ্ছা করলেন। এ ছয় মাসে তাঁর পক্ষে বাই‘আত গ্রহণের সুযোগ হয়নি। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আপনি আমার কাছে আসুন। (এটা জানতে পেরে) ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একা একা তাঁর কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তাঁরা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে বলে তোমরা আশঙ্কা করছ? আল্লাহর কসম! আমি তাঁদের কাছে যাব। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। ‘আলী (রাঃ) তাশাহুদ পাঠ করে বললেন, আমরা আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ আপনাকে যা কিছু দান করেছেন সে সম্পর্কে ওয়াকেবহাল। আর যে কল্যাণ (অর্থাৎ খিলাফাত) আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন সে ব্যাপারেও আমরা আপনার উপর হিংসা পোষণ করি না। তবে খিলাফাতের ব্যাপারে আপনি আমাদের উপর নিজস্ব মতামতের প্রাধান্য দিচ্ছেন অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটাত্মীয় হিসেবে খিলাফাতের কাজে আমাদেরও কিছু পরামর্শ দেয়ার অধিকার আছে। এ কথায় আবূ বাকর (রাঃ)-এর চোখ থেকে অশ্রু উপচে পড়ল। এরপর তিনি যখন আলোচনা আরম্ভ করলেন তখন বললেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার কাছে আমার নিকটাত্মীয় চেয়েও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মীয়বর্গ অধিক প্রিয়। আর এ সম্পদগুলোতে আমার এবং আপনাদের মধ্যে যে মতবিরোধ হয়েছে সে ব্যাপারেও আমি কল্যাণকর পথ অনুসরণে পিছপা হইনি। বরং এ ক্ষেত্রেও আমি কোন কাজ পরিত্যাগ করিনি যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে করতে দেখেছি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেনঃ যুহরের পর আপনার হাতে বাই‘আত গ্রহণের ওয়াদা রইল। যুহরের সালাত আদায়ের পর আবূ বাকর (রাঃ) মিম্বারে বসে তাশাহুদ পাঠ করলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ)-এর বর্তমান অবস্থা এবং বাই‘আত গ্রহণে তার দেরি করার কারণ ও তাঁর পেশকৃত আপত্তিগুলো তিনি বর্ণনা করলেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তাশাহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বললেন, তিনি যা কিছু করেছেন তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা কিংবা আল্লাহ প্রদত্ত তাঁর মর্যাদাকে অস্বীকার করার জন্য করেননি। (তিনি বলেন) তবে আমরা ভেবেছিলাম যে, এ ব্যাপারে আমাদেরও পরামর্শ দেয়ার অধিকার থাকবে। অথচ তিনি [আবূ বাকর (রাঃ)] আমাদের পরামর্শ ত্যাগ করে স্বাধীন মতের উপর রয়ে গেছেন। তাই আমরা মানসিক কষ্ট পেয়েছিলাম। মুসলিমগণ আনন্দিত হয়ে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) আমর বিল মা‘রূফ-এর পানে ফিরে আসার কারণে মুসলিমগণ আবার তাঁর নিকটবর্তী হতে শুরু করলেন। [৩০৯২, ৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১৭)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতেমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিত্যক্ত সম্পত্তি মদিনা্ ও ফাদাক-এ অবস্থিত ফাই (বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত সম্পদ) এবং খাইবারের খুমুসের (পঞ্চমাংশ) অবশিষ্ট থেকে মিরাসী স্বত্ব চেয়ে পাঠালেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উত্তরে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, আমাদের (নাবীদের) কোন ওয়ারিশ হয় না, আমরা যা ছেড়ে যাব তা সদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে। অবশ্য মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরগণ এ সম্পত্তি থেকে ভরণ-পোষণ চালাতে পারবেন। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদাকাহ তাঁর জীবদ্দশায় যে অবস্থায় ছিল আমি সে অবস্থা থেকে এতটুকুও পরিবর্তন করব না। এ ব্যাপারে তিনি যেভাবে ব্যবহার করে গেছেন আমিও ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করব। এ কথা বলে আবূ বাকর (রাঃ) ফাতেমাহ (রাঃ)-কে এ সম্পদ থেকে কিছু দিতে অস্বীকার করলেন। এতে ফাতিমাহ (রাঃ) (মানবোচিত কারণে) আবূ বাকর (রাঃ)-এর উপর নাখোশ হলেন এবং তাঁর থেকে সম্পর্কহীন থাকলেন। তাঁর মৃত্যু অবধি তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বলেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। তিনি ইন্তিকাল করলে তাঁর স্বামী ‘আলী (রাঃ) রাতের বেলা তাঁকে দাফন করেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কেও এ খবর দিলেন না এবং তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করে নেন।[১] ফাতেমাহ (রাঃ)-এর জীবিত অবস্থায় লোকজনের মনে ‘আলী (রাঃ)-এর মর্যাদা ছিল। ফাতিমাহ (রাঃ) ইন্তিকাল করলে ‘আলী (রাঃ) লোকজনের চেহারায় অসন্তুষ্টির চিহ্ন দেখতে পেলেন। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে সমঝোতা ও তাঁর কাছে বাইআতের ইচ্ছা করলেন। এ ছয় মাসে তাঁর পক্ষে বাই‘আত গ্রহণের সুযোগ হয়নি। তাই তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আপনি আমার কাছে আসুন। (এটা জানতে পেরে) ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একা একা তাঁর কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, তাঁরা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবে বলে তোমরা আশঙ্কা করছ? আল্লাহর কসম! আমি তাঁদের কাছে যাব। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। ‘আলী (রাঃ) তাশাহুদ পাঠ করে বললেন, আমরা আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ আপনাকে যা কিছু দান করেছেন সে সম্পর্কে ওয়াকেবহাল। আর যে কল্যাণ (অর্থাৎ খিলাফাত) আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন সে ব্যাপারেও আমরা আপনার উপর হিংসা পোষণ করি না। তবে খিলাফাতের ব্যাপারে আপনি আমাদের উপর নিজস্ব মতামতের প্রাধান্য দিচ্ছেন অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটাত্মীয় হিসেবে খিলাফাতের কাজে আমাদেরও কিছু পরামর্শ দেয়ার অধিকার আছে। এ কথায় আবূ বাকর (রাঃ)-এর চোখ থেকে অশ্রু উপচে পড়ল। এরপর তিনি যখন আলোচনা আরম্ভ করলেন তখন বললেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার কাছে আমার নিকটাত্মীয় চেয়েও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মীয়বর্গ অধিক প্রিয়। আর এ সম্পদগুলোতে আমার এবং আপনাদের মধ্যে যে মতবিরোধ হয়েছে সে ব্যাপারেও আমি কল্যাণকর পথ অনুসরণে পিছপা হইনি। বরং এ ক্ষেত্রেও আমি কোন কাজ পরিত্যাগ করিনি যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে করতে দেখেছি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেনঃ যুহরের পর আপনার হাতে বাই‘আত গ্রহণের ওয়াদা রইল। যুহরের সালাত আদায়ের পর আবূ বাকর (রাঃ) মিম্বারে বসে তাশাহুদ পাঠ করলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ)-এর বর্তমান অবস্থা এবং বাই‘আত গ্রহণে তার দেরি করার কারণ ও তাঁর পেশকৃত আপত্তিগুলো তিনি বর্ণনা করলেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে তাশাহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বললেন, তিনি যা কিছু করেছেন তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা কিংবা আল্লাহ প্রদত্ত তাঁর মর্যাদাকে অস্বীকার করার জন্য করেননি। (তিনি বলেন) তবে আমরা ভেবেছিলাম যে, এ ব্যাপারে আমাদেরও পরামর্শ দেয়ার অধিকার থাকবে। অথচ তিনি [আবূ বাকর (রাঃ)] আমাদের পরামর্শ ত্যাগ করে স্বাধীন মতের উপর রয়ে গেছেন। তাই আমরা মানসিক কষ্ট পেয়েছিলাম। মুসলিমগণ আনন্দিত হয়ে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন। এরপর ‘আলী (রাঃ) আমর বিল মা‘রূফ-এর পানে ফিরে আসার কারণে মুসলিমগণ আবার তাঁর নিকটবর্তী হতে শুরু করলেন। [৩০৯২, ৩০৯৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯১৭)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة أن فاطمة عليها السلام بنت النبي صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد في هذا المال وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كان عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة منها شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد النبي صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها وكان لعلي من الناس وجه حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن يبايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا أحد معك كراهية لمحضر عمر فقال عمر لا والله لا تدخل عليهم وحدك فقال أبو بكر وما عسيتهم أن يفعلوا بي والله لآتينهم فدخل عليهم أبو بكر فتشهد علي فقال إنا قد عرفنا فضلك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نرى لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبا حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فلم آل فيها عن الخير ولم أترك أمرا رأيت رسول الله يصنعه فيها إلا صنعته فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة فلما صلى أبو بكر الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي فعظم حق أبي بكر وحدث أنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا نرى لنا في هذا الأمر نصيبا فاستبد علينا فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت وكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00