সহিহ বুখারী > আম্মার ও হুযাইফা (রাঃ)-এর মর্যাদা।

সহিহ বুখারী ৩৭৪২

حدثنا مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن المغيرة عن إبراهيم عن علقمة قال قدمت الشأم فصليت ركعتين ثم قلت اللهم يسر لي جليسا صالحا فأتيت قوما فجلست إليهم فإذا شيخ قد جاء حتى جلس إلى جنبي قلت من هذا قالوا أبو الدرداء فقلت إني دعوت الله أن ييسر لي جليسا صالحا فيسرك لي قال ممن أنت قلت من أهل الكوفة قال أوليس عندكم ابن أم عبد صاحب النعلين والوساد والمطهرة وفيكم الذي أجاره الله من الشيطان يعني على لسان نبيه أوليس فيكم صاحب سر النبي صلى الله عليه وسلم الذي لا يعلمه أحد غيره ثم قال كيف يقرأ عبد الله والليل إذا يغشٰى (الليل) فقرأت عليه والليل إذا يغشٰىوالنهار إذا تجلٰى والذكر والأنثٰى (الليل :1-3) قال والله لقد أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم من فيه إلى في

মালিক ইব্‌নু ইসমাঈল (রহঃ) ‘আলকামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গমন করলাম। দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলাম, হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেককার সাথী মিলিয়ে দিন। অতঃপর আমি একটি জামা‘আতের নিকট এসে তাদের নিকট বসলাম। তখন একজন বৃদ্ধ লোক এসে আমার পাশেই বসলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা উত্তরে বললেন, ইনি আবূ দারদা (রাঃ)। আমি তখন তাঁকে বললাম, একজন নেক্কার সঙ্গীর জন্য আমি আল্লাহর নিকট দু’আ করেছিলাম। আল্লাহ আপনাকে মিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেন, তুমি কোথাকার অধিবাসী? আমি বললাম, আমি কুফার অধিবাসী। তিনি বললেন, (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর) জুতা, বালিশ এবং উযূর পাত্র বহনকারী সর্বক্ষণের সহচর ইবনু উম্মু ‘আবদ (রাঃ) কি তোমাদের ওখানে নেই? তোমাদের মাঝে কি ঐ ব্যক্তি নেই যাকে আল্লাহ শয়তান হতে নিরাপত্তা দান করেছেন? [অর্থাৎ আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)] তোমাদের মধ্যে কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গোপন তথ্যবিদ লোকটি নেই? যিনি ছাড়া অন্য কেউ এসব রহস্য জানেন না। অর্থাৎ হুযাইফাহ (রাঃ) অতঃপর তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূরাوَاللَّيْلِ কিভাবে পাঠ করতেন? তখন আমি তাকে সূরাটি পড়ে শুনালামঃ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشٰى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلّٰى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثٰى তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সূরাটি সরাসরি এভাবেই শিক্ষা দিয়েছিলেন।* (৩২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৭)

মালিক ইব্‌নু ইসমাঈল (রহঃ) ‘আলকামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গমন করলাম। দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলাম, হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেককার সাথী মিলিয়ে দিন। অতঃপর আমি একটি জামা‘আতের নিকট এসে তাদের নিকট বসলাম। তখন একজন বৃদ্ধ লোক এসে আমার পাশেই বসলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা উত্তরে বললেন, ইনি আবূ দারদা (রাঃ)। আমি তখন তাঁকে বললাম, একজন নেক্কার সঙ্গীর জন্য আমি আল্লাহর নিকট দু’আ করেছিলাম। আল্লাহ আপনাকে মিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেন, তুমি কোথাকার অধিবাসী? আমি বললাম, আমি কুফার অধিবাসী। তিনি বললেন, (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর) জুতা, বালিশ এবং উযূর পাত্র বহনকারী সর্বক্ষণের সহচর ইবনু উম্মু ‘আবদ (রাঃ) কি তোমাদের ওখানে নেই? তোমাদের মাঝে কি ঐ ব্যক্তি নেই যাকে আল্লাহ শয়তান হতে নিরাপত্তা দান করেছেন? [অর্থাৎ আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)] তোমাদের মধ্যে কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গোপন তথ্যবিদ লোকটি নেই? যিনি ছাড়া অন্য কেউ এসব রহস্য জানেন না। অর্থাৎ হুযাইফাহ (রাঃ) অতঃপর তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূরাوَاللَّيْلِ কিভাবে পাঠ করতেন? তখন আমি তাকে সূরাটি পড়ে শুনালামঃ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشٰى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلّٰى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثٰى তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সূরাটি সরাসরি এভাবেই শিক্ষা দিয়েছিলেন।* (৩২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৭)

حدثنا مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن المغيرة عن إبراهيم عن علقمة قال قدمت الشأم فصليت ركعتين ثم قلت اللهم يسر لي جليسا صالحا فأتيت قوما فجلست إليهم فإذا شيخ قد جاء حتى جلس إلى جنبي قلت من هذا قالوا أبو الدرداء فقلت إني دعوت الله أن ييسر لي جليسا صالحا فيسرك لي قال ممن أنت قلت من أهل الكوفة قال أوليس عندكم ابن أم عبد صاحب النعلين والوساد والمطهرة وفيكم الذي أجاره الله من الشيطان يعني على لسان نبيه أوليس فيكم صاحب سر النبي صلى الله عليه وسلم الذي لا يعلمه أحد غيره ثم قال كيف يقرأ عبد الله والليل إذا يغشٰى (الليل) فقرأت عليه والليل إذا يغشٰىوالنهار إذا تجلٰى والذكر والأنثٰى (الليل :1-3) قال والله لقد أقرأنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم من فيه إلى في


সহিহ বুখারী ৩৭৪৩

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن مغيرة عن إبراهيم قال ذهب علقمة إلى الشأم فلما دخل المسجد قال اللهم يسر لي جليسا صالحا فجلس إلى أبي الدرداء فقال أبو الدرداء ممن أنت قال من أهل الكوفة قال أليس فيكم أو منكم صاحب السر الذي لا يعلمه غيره يعني حذيفة قال قلت بلى قال أليس فيكم أو منكم الذي أجاره الله على لسان نبيه يعني من الشيطان يعني عمارا قلت بلى قال أليس فيكم أو منكم صاحب السواك والوساد أو السرار قال بلى قال كيف كان عبد الله يقرأوالليل إذا يغشٰى والنهار إذا تجلٰى (الليل : 1-2) قلت والذكر والأنثى قال ما زال بي هؤلاء حتى كادوا يستنزلوني عن شيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم

ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলকামাহ (রহ.) একবার সিরিয়ায় গেলেন। যখন মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি দু’আ করলেন, হে আল্লাহ্! আমাকে একজন নেক্কার সঙ্গী মিলিয়ে দিন। তখন তিনি আবূ দারদা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বসলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথাকার লোক। আমি বললাম, কুফার অধিবাসী। তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কি ঐ ব্যক্তিটি নেই যাঁকে আল্লাহ্ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জবানীতে শয়তান হতে নিরাপত্তা দান করেছেন। অর্থাৎ আম্মার (ইবনু ইয়াসির) (রাঃ)। আমি বললাম, হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গোপন তথ্যবিদ লোকটি কি নেই যিনি ছাড়া অন্য কেউ এ সব গোপন রহস্যাদি জানেন না? অর্থাৎ হুযাইফাহ (রাঃ)। আমি বললাম, হাঁ। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের মধ্যে কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিস্ওয়াক ও সামান বহনকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) নেই? আমি বললাম, হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ‘আবদুল্লাহ وَاللَّيْلِ কিভাবে পাঠ করেন। আমি বললাম وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى পড়েন। তখন তিনি বললেন, (এভাবে পড়ার কারণে) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যেভাবে শুনেছিলাম এরা (অন্যান্য সাহাবীরা) তা হতে আমাকে সরিয়ে দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। (৩২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৮)

ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলকামাহ (রহ.) একবার সিরিয়ায় গেলেন। যখন মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি দু’আ করলেন, হে আল্লাহ্! আমাকে একজন নেক্কার সঙ্গী মিলিয়ে দিন। তখন তিনি আবূ দারদা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বসলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথাকার লোক। আমি বললাম, কুফার অধিবাসী। তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কি ঐ ব্যক্তিটি নেই যাঁকে আল্লাহ্ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জবানীতে শয়তান হতে নিরাপত্তা দান করেছেন। অর্থাৎ আম্মার (ইবনু ইয়াসির) (রাঃ)। আমি বললাম, হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গোপন তথ্যবিদ লোকটি কি নেই যিনি ছাড়া অন্য কেউ এ সব গোপন রহস্যাদি জানেন না? অর্থাৎ হুযাইফাহ (রাঃ)। আমি বললাম, হাঁ। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের মধ্যে কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিস্ওয়াক ও সামান বহনকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) নেই? আমি বললাম, হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ‘আবদুল্লাহ وَاللَّيْلِ কিভাবে পাঠ করেন। আমি বললাম وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى পড়েন। তখন তিনি বললেন, (এভাবে পড়ার কারণে) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যেভাবে শুনেছিলাম এরা (অন্যান্য সাহাবীরা) তা হতে আমাকে সরিয়ে দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। (৩২৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৮)

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن مغيرة عن إبراهيم قال ذهب علقمة إلى الشأم فلما دخل المسجد قال اللهم يسر لي جليسا صالحا فجلس إلى أبي الدرداء فقال أبو الدرداء ممن أنت قال من أهل الكوفة قال أليس فيكم أو منكم صاحب السر الذي لا يعلمه غيره يعني حذيفة قال قلت بلى قال أليس فيكم أو منكم الذي أجاره الله على لسان نبيه يعني من الشيطان يعني عمارا قلت بلى قال أليس فيكم أو منكم صاحب السواك والوساد أو السرار قال بلى قال كيف كان عبد الله يقرأوالليل إذا يغشٰى والنهار إذا تجلٰى (الليل : 1-2) قلت والذكر والأنثى قال ما زال بي هؤلاء حتى كادوا يستنزلوني عن شيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী > আবু ‘উবাইদাহ ইব্‌নু জার্‌রাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।

সহিহ বুখারী ৩৭৪৪

حدثنا عمرو بن علي حدثنا عبد الأعلى حدثنا خالد عن أبي قلابة قال حدثني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن لكل أمة أمينا وإن أميننا أيتها الأمة أبو عبيدة بن الجراح

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক উম্মাতের মধ্যে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকেন আর আমার এই উম্মাতের মধ্যে বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছে আবূ ‘উবাইদাহ ইব্‌নু জার্‌রাহ (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৯)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক উম্মাতের মধ্যে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকেন আর আমার এই উম্মাতের মধ্যে বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছে আবূ ‘উবাইদাহ ইব্‌নু জার্‌রাহ (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৯)

حدثنا عمرو بن علي حدثنا عبد الأعلى حدثنا خالد عن أبي قلابة قال حدثني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن لكل أمة أمينا وإن أميننا أيتها الأمة أبو عبيدة بن الجراح


সহিহ বুখারী ৩৭৪৫

حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن صلة عن حذيفة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لأهل نجران لابعثن يعني عليكم يعني أمينا حق أمين فأشرف أصحابه فبعث أبا عبيدة رضي الله عنه

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজরানবাসীকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন; আমি এমন এক ব্যক্তিকে পাঠাব যিনি হবেন প্রকৃতই বিশ্বস্ত। একথা শুনে সাহাবায়ে কেরাম আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করতে লাগলেন। পরে তিনি [রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে পাঠালেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭০)

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজরানবাসীকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন; আমি এমন এক ব্যক্তিকে পাঠাব যিনি হবেন প্রকৃতই বিশ্বস্ত। একথা শুনে সাহাবায়ে কেরাম আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করতে লাগলেন। পরে তিনি [রসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)-কে পাঠালেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭০)

حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا شعبة عن أبي إسحاق عن صلة عن حذيفة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لأهل نجران لابعثن يعني عليكم يعني أمينا حق أمين فأشرف أصحابه فبعث أبا عبيدة رضي الله عنه


সহিহ বুখারী > মুস’আব ইব্‌নু উমায়র (রাঃ)-এর উল্লেখ।

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

সহিহ বুখারী > হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর মর্যাদা।

সহিহ বুখারী ৩৭৪৬

حدثنا صدقة حدثنا ابن عيينة حدثنا أبو موسى عن الحسن سمع أبا بكرة سمعت النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر والحسن إلى جنبه ينظر إلى الناس مرة وإليه مرة ويقول ابني هذا سيد ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি, ঐ সময় হাসান (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার উপস্থিত লোকদের দিকে আবার হাসান (রাঃ)-এর দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমার এ সন্তান হচ্ছে নেতা। আল্লাহ তা’আলা তাঁর মাধ্যমে বিবাদমান দু’দল মুসলমানের মধ্যে সমঝোতা করিয়ে দিবেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭১)

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি, ঐ সময় হাসান (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার উপস্থিত লোকদের দিকে আবার হাসান (রাঃ)-এর দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমার এ সন্তান হচ্ছে নেতা। আল্লাহ তা’আলা তাঁর মাধ্যমে বিবাদমান দু’দল মুসলমানের মধ্যে সমঝোতা করিয়ে দিবেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭১)

حدثنا صدقة حدثنا ابن عيينة حدثنا أبو موسى عن الحسن سمع أبا بكرة سمعت النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر والحسن إلى جنبه ينظر إلى الناس مرة وإليه مرة ويقول ابني هذا سيد ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين


সহিহ বুখারী ৩৭৪৭

حدثنا مسدد حدثنا المعتمر قال سمعت أبي قال حدثنا أبو عثمان عن أسامة بن زيد رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يأخذه والحسن ويقول اللهم إني أحبهما فأحبهما أو كما قال

উসামা ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এবং হাসান (রাঃ)-কে এক সঙ্গে কোলে তুলে নিয়ে বলতেন, হে আল্লাহ! আমি এদের দু’জনকে ভালবাসি, আপনিও এদেরকে ভালবাসুন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭২)

উসামা ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এবং হাসান (রাঃ)-কে এক সঙ্গে কোলে তুলে নিয়ে বলতেন, হে আল্লাহ! আমি এদের দু’জনকে ভালবাসি, আপনিও এদেরকে ভালবাসুন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭২)

حدثنا مسدد حدثنا المعتمر قال سمعت أبي قال حدثنا أبو عثمان عن أسامة بن زيد رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يأخذه والحسن ويقول اللهم إني أحبهما فأحبهما أو كما قال


সহিহ বুখারী ৩৭৪৯

حدثنا حجاج بن المنهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي قال سمعت البراء قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم والحسن بن علي على عاتقه يقول اللهم إني أحبه فأحبه

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাসানকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্কন্ধের উপর দেখেছি। সে সময় তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বলেছিলেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাস। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৪)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাসানকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্কন্ধের উপর দেখেছি। সে সময় তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বলেছিলেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাস। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৪)

حدثنا حجاج بن المنهال حدثنا شعبة قال أخبرني عدي قال سمعت البراء قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم والحسن بن علي على عاتقه يقول اللهم إني أحبه فأحبه


সহিহ বুখারী ৩৭৪৮

حدثني محمد بن الحسين بن إبراهيم قال حدثني حسين بن محمد حدثنا جرير عن محمد عن أنس بن مالك أتي عبيد الله بن زياد برأس الحسين عليه السلام فجعل في طست فجعل ينكت وقال في حسنه شيئا فقال أنس كان أشبههم برسول الله صلى الله عليه وسلم وكان مخضوبا بالوسمة

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইব্‌নু যিয়াদের সামনে হুসাইন (রাঃ)-এর মস্তক আনা হল এবং একটি বড় পাত্রে তা রাখা হল। তখন ইব্‌নু যিয়াদ তা খুঁচাতে লাগল এবং তাঁর রূপ লাবণ্য সম্পর্কে কটূক্তি করল। আনাস (রাঃ) বললেন, হুসাইন (রাঃ) গঠন ও আকৃতিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অবয়বের সবচেয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিলেন। তাঁর চুল ও দাড়িতে ওয়াসমা দ্বারা কলপ লাগানো ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৩)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইব্‌নু যিয়াদের সামনে হুসাইন (রাঃ)-এর মস্তক আনা হল এবং একটি বড় পাত্রে তা রাখা হল। তখন ইব্‌নু যিয়াদ তা খুঁচাতে লাগল এবং তাঁর রূপ লাবণ্য সম্পর্কে কটূক্তি করল। আনাস (রাঃ) বললেন, হুসাইন (রাঃ) গঠন ও আকৃতিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অবয়বের সবচেয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিলেন। তাঁর চুল ও দাড়িতে ওয়াসমা দ্বারা কলপ লাগানো ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৩)

حدثني محمد بن الحسين بن إبراهيم قال حدثني حسين بن محمد حدثنا جرير عن محمد عن أنس بن مالك أتي عبيد الله بن زياد برأس الحسين عليه السلام فجعل في طست فجعل ينكت وقال في حسنه شيئا فقال أنس كان أشبههم برسول الله صلى الله عليه وسلم وكان مخضوبا بالوسمة


সহিহ বুখারী ৩৭৫০

حدثنا عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني عمر بن سعيد بن أبي حسين عن ابن أبي مليكة عن عقبة بن الحارث قال رأيت أبا بكر وحمل الحسن وهو يقول بأبي شبيه بالنبي ليس شبيه بعلي وعلي يضحك

‘উকবাহ ইব্‌নু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি হাসান (রাঃ)-কে কোলে তুললেন এবং বলতে লাগলেন, এ-ত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সদৃশ, ‘আলীর সদৃশ নয়। তখন ‘আলী (রাঃ) হাসছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৫)

‘উকবাহ ইব্‌নু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি হাসান (রাঃ)-কে কোলে তুললেন এবং বলতে লাগলেন, এ-ত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সদৃশ, ‘আলীর সদৃশ নয়। তখন ‘আলী (রাঃ) হাসছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৫)

حدثنا عبدان أخبرنا عبد الله قال أخبرني عمر بن سعيد بن أبي حسين عن ابن أبي مليكة عن عقبة بن الحارث قال رأيت أبا بكر وحمل الحسن وهو يقول بأبي شبيه بالنبي ليس شبيه بعلي وعلي يضحك


সহিহ বুখারী ৩৭৫১

حدثني يحيى بن معين وصدقة قالا أخبرنا محمد بن جعفر عن شعبة عن واقد بن محمد عن أبيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال أبو بكر ارقبوا محمدا صلى الله عليه وسلم في أهل بيته

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টি তাঁর পরিবারবর্গের (প্রতি সদাচরণের) মাধ্যমে অর্জন কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৬)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টি তাঁর পরিবারবর্গের (প্রতি সদাচরণের) মাধ্যমে অর্জন কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৬)

حدثني يحيى بن معين وصدقة قالا أخبرنا محمد بن جعفر عن شعبة عن واقد بن محمد عن أبيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال أبو بكر ارقبوا محمدا صلى الله عليه وسلم في أهل بيته


সহিহ বুখারী ৩৭৫২

حدثني إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام بن يوسف عن معمر عن الزهري عن أنس وقال عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري أخبرني أنس قال لم يكن أحد أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم من الحسن بن علي

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারে হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ)-এর চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না। ‘আবদুর রায্‌যাক (রহঃ)...আনাস (রাঃ) হতে একইভাবে বর্ণিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারে হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ)-এর চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না। ‘আবদুর রায্‌যাক (রহঃ)...আনাস (রাঃ) হতে একইভাবে বর্ণিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৭)

حدثني إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام بن يوسف عن معمر عن الزهري عن أنس وقال عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري أخبرني أنس قال لم يكن أحد أشبه بالنبي صلى الله عليه وسلم من الحسن بن علي


সহিহ বুখারী ৩৭৫৩

حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن محمد بن أبي يعقوب سمعت ابن أبي نعم سمعت عبد الله بن عمر وسأله عن المحرم قال شعبة أحسبه يقتل الذباب فقال أهل العراق يسألون عن الذباب وقد قتلوا ابن ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال النبي صلى الله عليه وسلم هما ريحانتاي من الدنيا

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে ইরাকের এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইহরামের অবস্থায় মশা-মাছি মারা যাবে কি? তিনি বললেন, ইরাকবাসী মশা-মাছি মারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে অথচ তারা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাতিকে হত্যা করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) আমার নিকট দুনিয়ায় যেন দুটি ফুল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৮)

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে ইরাকের এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইহরামের অবস্থায় মশা-মাছি মারা যাবে কি? তিনি বললেন, ইরাকবাসী মশা-মাছি মারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে অথচ তারা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাতিকে হত্যা করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) আমার নিকট দুনিয়ায় যেন দুটি ফুল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৮)

حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن محمد بن أبي يعقوب سمعت ابن أبي نعم سمعت عبد الله بن عمر وسأله عن المحرم قال شعبة أحسبه يقتل الذباب فقال أهل العراق يسألون عن الذباب وقد قتلوا ابن ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال النبي صلى الله عليه وسلم هما ريحانتاي من الدنيا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00