সহিহ বুখারী > ত্বল্হা ইব্‌নু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ)-এর উল্লেখ।

সহিহ বুখারী ৩৭২২

حدثني محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن أبيه عن أبي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما

আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা’দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)

আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা’দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)

حدثني محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن أبيه عن أبي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما


সহিহ বুখারী ৩৭২৩

حدثني محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن أبيه عن أبي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما

আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা’দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)

আবূ ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং যোগদান করেছিলেন, তন্মধ্যে এক যুদ্ধে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সময় ত্বলহা ও সা’দ (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। আবূ ‘উসমান (রাঃ) তাঁদের উভয় হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫২)

حدثني محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا معتمر عن أبيه عن أبي عثمان قال لم يبق مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الأيام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد عن حديثهما


সহিহ বুখারী ৩৭২৪

حدثنا مسدد حدثنا خالد حدثنا ابن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم قال رأيت يد طلحة التي وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم قد شلت

কাইস ইব্‌নু আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রহঃ)-এর ঐ হাতকে অবশ অবস্থায় দেখেছি, যে হাত দিয়ে (উহুদ যুদ্ধে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রক্ষা করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৩)

কাইস ইব্‌নু আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ত্বলহা (রহঃ)-এর ঐ হাতকে অবশ অবস্থায় দেখেছি, যে হাত দিয়ে (উহুদ যুদ্ধে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রক্ষা করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৩)

حدثنا مسدد حدثنا خالد حدثنا ابن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم قال رأيت يد طلحة التي وقى بها النبي صلى الله عليه وسلم قد شلت


সহিহ বুখারী > সা’দ ইব্‌নু আবূ ওক্কাস যুহরীর (রাঃ) মর্যাদা।

সহিহ বুখারী ৩৭২৫

حدثني محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم أبويه يوم أحد

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ওহুদ যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করেছিলেন, (তোমার উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৪)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ওহুদ যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করেছিলেন, (তোমার উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৪)

حدثني محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى قال سمعت سعيد بن المسيب قال سمعت سعدا يقول جمع لي النبي صلى الله عليه وسلم أبويه يوم أحد


সহিহ বুখারী ৩৭২৬

حدثنا مكي بن إبراهيم حدثنا هاشم بن هاشم عن عامر بن سعد عن أبيه قال لقد رأيتني وأنا ثلث الإسلام

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমাকে খুব ভালভাবে জানি, ইসলাম গ্রহণ করার ব্যাপারে আমি ছিলাম তৃতীয় ব্যক্তি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৫)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমাকে খুব ভালভাবে জানি, ইসলাম গ্রহণ করার ব্যাপারে আমি ছিলাম তৃতীয় ব্যক্তি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৫)

حدثنا مكي بن إبراهيم حدثنا هاشم بن هاشم عن عامر بن سعد عن أبيه قال لقد رأيتني وأنا ثلث الإسلام


সহিহ বুখারী ৩৭২৭

حدثني إبراهيم بن موسى أخبرنا ابن أبي زائدة حدثنا هاشم بن هاشم بن عتبة بن أبي وقاص قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن أبي وقاص يقول ما أسلم أحد إلا في اليوم الذي أسلمت فيه ولقد مكثت سبعة أيام وإني لثلث الإسلام تابعه أبو أسامة حدثنا هاشم

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহণ করি সেদিন [এর পূর্বে খাদীজাহ (রাঃ) ও আবূ বকর (রাঃ) ব্যতীত] অন্য কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। আমি সাতদিন এমনিভাবে অতিবাহিত করেছি যে, আমি ইসলাম গ্রহণে তৃতীয় জন ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৬)

সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যেদিন আমি ইসলাম গ্রহণ করি সেদিন [এর পূর্বে খাদীজাহ (রাঃ) ও আবূ বকর (রাঃ) ব্যতীত] অন্য কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। আমি সাতদিন এমনিভাবে অতিবাহিত করেছি যে, আমি ইসলাম গ্রহণে তৃতীয় জন ছিলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৬)

حدثني إبراهيم بن موسى أخبرنا ابن أبي زائدة حدثنا هاشم بن هاشم بن عتبة بن أبي وقاص قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سمعت سعد بن أبي وقاص يقول ما أسلم أحد إلا في اليوم الذي أسلمت فيه ولقد مكثت سبعة أيام وإني لثلث الإسلام تابعه أبو أسامة حدثنا هاشم


সহিহ বুখারী ৩৭২৮

حدثنا عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن إسماعيل عن قيس قال سمعت سعدا يقول إني لاول العرب رمى بسهم في سبيل الله وكنا نغزو مع النبي صلى الله عليه وسلم وما لنا طعام إلا ورق الشجر حتى إن أحدنا ليضع كما يضع البعير أو الشاة ما له خلط ثم أصبحت بنو أسد تعزرني على الإسلام لقد خبت إذا وضل عملي وكانوا وشوا به إلى عمر قالوا لا يحسن يصلي

কায়েস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’দ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আরবদের মধ্যে আমিই সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ্‌র রাস্তায় প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছে। আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকেই লড়াই করেছি। তখন গাছের পাতা ছাড়া আমাদের কোন খাবার ছিল না। এমনকি আমাদের উট অথবা ছাগলের মত বড়ির ন্যায় মল ত্যাগ করতে হত। আর এখন বনূ আসাদ আমাকে ইসলামের ব্যাপারে লজ্জা দিচ্ছে। আমি তখন অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হব এবং আমার আমলসমূহ নষ্ট হবে। বনূ আসাদ ‘উমার (রাঃ) এর নিকট সা’দ (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যথা নিয়মে সলাত আদায় না করার অভিযোগ করেছিল। আবূ আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন ইসলামের তৃতীয় ব্যক্তি দ্বারা তিনি বলতে চান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যারা প্রথমে ইসলাম এনেছিল আমি এদের তিন জনের তৃতীয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৭)

কায়েস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’দ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আরবদের মধ্যে আমিই সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ্‌র রাস্তায় প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছে। আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকেই লড়াই করেছি। তখন গাছের পাতা ছাড়া আমাদের কোন খাবার ছিল না। এমনকি আমাদের উট অথবা ছাগলের মত বড়ির ন্যায় মল ত্যাগ করতে হত। আর এখন বনূ আসাদ আমাকে ইসলামের ব্যাপারে লজ্জা দিচ্ছে। আমি তখন অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হব এবং আমার আমলসমূহ নষ্ট হবে। বনূ আসাদ ‘উমার (রাঃ) এর নিকট সা’দ (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যথা নিয়মে সলাত আদায় না করার অভিযোগ করেছিল। আবূ আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন ইসলামের তৃতীয় ব্যক্তি দ্বারা তিনি বলতে চান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যারা প্রথমে ইসলাম এনেছিল আমি এদের তিন জনের তৃতীয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৭)

حدثنا عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن إسماعيل عن قيس قال سمعت سعدا يقول إني لاول العرب رمى بسهم في سبيل الله وكنا نغزو مع النبي صلى الله عليه وسلم وما لنا طعام إلا ورق الشجر حتى إن أحدنا ليضع كما يضع البعير أو الشاة ما له خلط ثم أصبحت بنو أسد تعزرني على الإسلام لقد خبت إذا وضل عملي وكانوا وشوا به إلى عمر قالوا لا يحسن يصلي


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতাগণের বর্ণনা।

সহিহ বুখারী ৩৭২৯

حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني علي بن حسين أن المسور بن مخرمة قال إن عليا خطب بنت أبي جهل فسمعت بذلك فاطمة فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يزعم قومك أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكح بنت أبي جهل فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد يقول أما بعد أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني وصدقني وإن فاطمة بضعة مني وإني أكره أن يسوءها والله لا تجتمع بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وبنت عدو الله عند رجل واحد فترك علي الخطبة وزاد محمد بن عمرو بن حلحلة عن ابن شهاب عن علي بن الحسين عن مسور سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وذكر صهرا له من بني عبد شمس فأثنى عليه في مصاهرته إياه فأحسن قال حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ জেহেলের কন্যাকে ‘আলী (রাঃ) বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে পাঠালেন। ফাতিমা (রাঃ) এই খবর শুনতে পেয়ে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আপনার গোত্রের লোকজন মনে করে যে, আপনি আপনার মেয়েদের সম্মানে রাগান্বিত হন না। ‘আলী তো আবূ জেহেলের কন্যাকে বিবাহ করতে প্রস্তুত। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে প্রস্তুত হলেন। (মিসওয়ার বলেন) তিনি যখন হাম্‌দ ও সানা পাঠ করেন, তখন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, আমি আবূল আ’স ইব্‌নু রাবির নিকট আমার মেয়েকে শাদী দিয়েছিলাম। সে আমার সঙ্গে যা বলেছে সত্যই বলেছে। আর ফাতিমা (রাঃ) আমার টুকরা; তাঁর কোন কষ্ট হোক তা আমি কখনও পছন্দ করি না। আল্লাহ্‌র কসম, আল্লাহ্‌র রসূলের মেয়ে এবং আল্লাহ্‌র দুশমনের মেয়ে একই লোকের নিকট একত্রিত হতে পারে না। ‘আলী (রাঃ) তাঁর বিবাহের প্রস্তাব উঠিয়ে নিলেন। মুহাম্মাদ ইব্‌নু আমার ইব্‌নু হালহালা (রহঃ)......মিস্‌ওয়ার (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করে বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বনী আবদে শামস গোত্রে তাঁর এক জামাতার ব্যাপারে অত্যন্ত প্রশংসা করতে শুনেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে আমাকে যা বলেছে- সত্য বলেছে। যা ওয়াদা করেছে, তা পূর্ণ করেছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৮)

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ জেহেলের কন্যাকে ‘আলী (রাঃ) বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে পাঠালেন। ফাতিমা (রাঃ) এই খবর শুনতে পেয়ে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আপনার গোত্রের লোকজন মনে করে যে, আপনি আপনার মেয়েদের সম্মানে রাগান্বিত হন না। ‘আলী তো আবূ জেহেলের কন্যাকে বিবাহ করতে প্রস্তুত। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে প্রস্তুত হলেন। (মিসওয়ার বলেন) তিনি যখন হাম্‌দ ও সানা পাঠ করেন, তখন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, আমি আবূল আ’স ইব্‌নু রাবির নিকট আমার মেয়েকে শাদী দিয়েছিলাম। সে আমার সঙ্গে যা বলেছে সত্যই বলেছে। আর ফাতিমা (রাঃ) আমার টুকরা; তাঁর কোন কষ্ট হোক তা আমি কখনও পছন্দ করি না। আল্লাহ্‌র কসম, আল্লাহ্‌র রসূলের মেয়ে এবং আল্লাহ্‌র দুশমনের মেয়ে একই লোকের নিকট একত্রিত হতে পারে না। ‘আলী (রাঃ) তাঁর বিবাহের প্রস্তাব উঠিয়ে নিলেন। মুহাম্মাদ ইব্‌নু আমার ইব্‌নু হালহালা (রহঃ)......মিস্‌ওয়ার (রহঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করে বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বনী আবদে শামস গোত্রে তাঁর এক জামাতার ব্যাপারে অত্যন্ত প্রশংসা করতে শুনেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে আমাকে যা বলেছে- সত্য বলেছে। যা ওয়াদা করেছে, তা পূর্ণ করেছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৮)

حدثنا أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال حدثني علي بن حسين أن المسور بن مخرمة قال إن عليا خطب بنت أبي جهل فسمعت بذلك فاطمة فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يزعم قومك أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكح بنت أبي جهل فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد يقول أما بعد أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني وصدقني وإن فاطمة بضعة مني وإني أكره أن يسوءها والله لا تجتمع بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وبنت عدو الله عند رجل واحد فترك علي الخطبة وزاد محمد بن عمرو بن حلحلة عن ابن شهاب عن علي بن الحسين عن مسور سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وذكر صهرا له من بني عبد شمس فأثنى عليه في مصاهرته إياه فأحسن قال حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুক্তিপ্রাপ্ত গোলাম যায়দ ইব্‌নু হারিসাহ্‌ (রাঃ)-এর মর্যাদা।

সহিহ বুখারী ৩৭৩০

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم بعثا وأمر عليهم أسامة بن زيد فطعن بعض الناس في إمارته فقال النبي صلى الله عليه وسلم أن تطعنوا في إمارته فقد كنتم تطعنون في إمارة أبيه من قبل وايم الله إن كان لخليقا للإمارة وإن كان لمن أحب الناس إلي وإن هذا لمن أحب الناس إلي بعده

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সেনাবাহিনী পাঠানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং উসামা ইব্‌নু যায়দ (রাঃ)-কে উক্ত বাহিনীর নেতা মনোনীত করেন। কিছু সংখ্যক লোক তাঁর নেতৃত্বের উপর মন্তব্য প্রকাশ করতে লাগলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার নেতৃত্বের প্রতি তোমরা সমালোচনা করছ। ইতোপূর্বে তার পিতার নেতৃত্বের প্রতিও তোমরা সমালোচনা করেছ। আল্লাহ্‌র কসম, নিশ্চয়ই সে নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি ছিল এবং আমার প্রিয় পাত্রদের একজন ছিল। অতঃপর তার পুত্র আমার প্রিয় পাত্রদের একজন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৯)

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সেনাবাহিনী পাঠানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং উসামা ইব্‌নু যায়দ (রাঃ)-কে উক্ত বাহিনীর নেতা মনোনীত করেন। কিছু সংখ্যক লোক তাঁর নেতৃত্বের উপর মন্তব্য প্রকাশ করতে লাগলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার নেতৃত্বের প্রতি তোমরা সমালোচনা করছ। ইতোপূর্বে তার পিতার নেতৃত্বের প্রতিও তোমরা সমালোচনা করেছ। আল্লাহ্‌র কসম, নিশ্চয়ই সে নেতৃত্বের জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি ছিল এবং আমার প্রিয় পাত্রদের একজন ছিল। অতঃপর তার পুত্র আমার প্রিয় পাত্রদের একজন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৫৯)

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم بعثا وأمر عليهم أسامة بن زيد فطعن بعض الناس في إمارته فقال النبي صلى الله عليه وسلم أن تطعنوا في إمارته فقد كنتم تطعنون في إمارة أبيه من قبل وايم الله إن كان لخليقا للإمارة وإن كان لمن أحب الناس إلي وإن هذا لمن أحب الناس إلي بعده


সহিহ বুখারী ৩৭৩১

حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن عروة عن عائشة رضي الله عنها قالت دخل علي قائف والنبي شاهد وأسامة بن زيد وزيد بن حارثة مضطجعان فقال إن هذه الأقدام بعضها من بعض قال فسر بذلك النبي صلى الله عليه وسلم وأعجبه فأخبر به عائشة

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক কায়িফ (রেখা চিহ্নে অভিজ্ঞ) ব্যক্তি আসে, সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন। উসামা (রাঃ) ও তাঁর পিতা শুয়েছিলেন। কায়িফ বলে উঠল, এ পাগুলো একটি অন্যটির অংশ। রাবী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অত্যন্ত খুশি হলেন এবং ‘আয়িশা (রাঃ)-কেও এ খবর জানালেন। [১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬০)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক কায়িফ (রেখা চিহ্নে অভিজ্ঞ) ব্যক্তি আসে, সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন। উসামা (রাঃ) ও তাঁর পিতা শুয়েছিলেন। কায়িফ বলে উঠল, এ পাগুলো একটি অন্যটির অংশ। রাবী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অত্যন্ত খুশি হলেন এবং ‘আয়িশা (রাঃ)-কেও এ খবর জানালেন। [১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬০)

حدثنا يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن عروة عن عائشة رضي الله عنها قالت دخل علي قائف والنبي شاهد وأسامة بن زيد وزيد بن حارثة مضطجعان فقال إن هذه الأقدام بعضها من بعض قال فسر بذلك النبي صلى الله عليه وسلم وأعجبه فأخبر به عائشة


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00