সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: মাদইয়ান বাসীদের প্রতি তাদের ভাই শু‘আইবকে পাঠিয়েছিলাম। (আ‘রাফ: ৮৫, হুদ: ৪৮ ও ‘আনকাবূত: ৩৬)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: আর ইউনূসও ছিলেন রাসূলদের একজন … তারপর একটি মাছ তাকে গিলে ফেলল, তখন তিনি নিজেকে তিরস্কার করতে লাগলেন। (আস্‌সাফফাত: ১৩৯-১৪২)

সহিহ বুখারী ৩৪১২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني الأعمش،‏.‏ حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يقولن أحدكم إني خير من يونس ‏"‏‏.‏ زاد مسدد ‏"‏ يونس بن متى ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে যে, আমি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইউনুস (‘আঃ) হতে উত্তম। মুসাদ্দাদ (রহঃ) অতিরিক্ত বললেন, ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা।

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে যে, আমি অর্থাৎ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইউনুস (‘আঃ) হতে উত্তম। মুসাদ্দাদ (রহঃ) অতিরিক্ত বললেন, ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني الأعمش،‏.‏ حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يقولن أحدكم إني خير من يونس ‏"‏‏.‏ زاد مسدد ‏"‏ يونس بن متى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৬

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، سمعت حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينبغي لعبد أن يقول أنا خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার থেকে উত্তম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন বান্দার জন্যই এ কথা বলা সমীচীন নয় যে, আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার থেকে উত্তম।

حدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، سمعت حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا ينبغي لعبد أن يقول أنا خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৩

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما ينبغي لعبد أن يقول إني خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏ ونسبه إلى أبيه‏.‏

ইব্‌নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো জন্য এ কথা বলা উচিত নয় যে, নিশ্চয়ই আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা হতে উত্তম। আর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (ইউনুসকে) তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কিত করেছেন।

ইব্‌নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কারো জন্য এ কথা বলা উচিত নয় যে, নিশ্চয়ই আমি (মুহাম্মাদ) ইউনুস ইব্‌নু মাত্তা হতে উত্তম। আর নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (ইউনুসকে) তাঁর পিতার দিকে সম্পর্কিত করেছেন।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما ينبغي لعبد أن يقول إني خير من يونس بن متى ‏"‏‏.‏ ونسبه إلى أبيه‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৫

See previous Hadith

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আর আমি এ কথাও বলি না যে কোন ব্যক্তি ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার চেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আর আমি এ কথাও বলি না যে কোন ব্যক্তি ইউনুস ইব্‌নু মাত্তার চেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ৩৪১৪

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال بينما يهودي يعرض سلعته أعطي بها شيئا كرهه‏.‏ فقال لا والذي اصطفى موسى على البشر، فسمعه رجل من الأنصار فقام، فلطم وجهه، وقال تقول والذي اصطفى موسى على البشر، والنبي صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا فذهب إليه، فقال أبا القاسم، إن لي ذمة وعهدا، فما بال فلان لطم وجهي‏.‏ فقال ‏"‏ لم لطمت وجهه ‏"‏‏.‏ فذكره، فغضب النبي صلى الله عليه وسلم حتى رئي في وجهه، ثم قال ‏"‏ لا تفضلوا بين أنبياء الله، فإنه ينفخ في الصور، فيصعق من في السموات ومن في الأرض، إلا من شاء الله، ثم ينفخ فيه أخرى، فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش، فلا أدري أحوسب بصعقته يوم الطور أم بعث قبلي -‏ ولا أقول إن أحدا أفضل من يونس بن متى"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক ইয়াহূদী তার কিছু দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির জন্য পেশ করছিল, তার বিনিময়ে তাকে এমন কিছু দেয়া হলো যা সে পছন্দ করল না। তখন সে বলল, না! সেই সত্তার কসম, যে মূসা (‘আঃ) –কে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এ কথাটি একজন আনসারী শুনলেন, তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। আর তার মুখের উপর এক চড় মারলেন। আর বললেন, তুমি বলছো , সেই সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন অথচ নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে অবস্থান করছেন। তখন সে ইয়াহূদী লোকটি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট গেলো এবং বলল, হে আবুল কাসিম! নিশ্চয়ই আমার জন্য নিরাপত্তা এবং অঙ্গীকার রয়েছে অর্থাৎ আমি একজন যিম্মী। অমুক ব্যক্তি কী কারণে আমার মুখে চড় মারলো? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি তার মুখে চড় মারলে? আনসারী লোকটি ঘটনা বর্ণনা করলো। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমনকি তাঁর চেহারায় তা দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র নবী‎গণের মধ্যে কাউকে কারো উপর মর্যাদা দান করো না। কেননা কিয়ামতের দিন যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন আল্লাহ্‌ যাকে চাইবেন সে ছাড়া আসমান ও যমীনের বাকী সবাই বেহুশ হয়ে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয়বার তাতে ফুঁক দেয়া হবে। তখন সর্বপ্রথম আমাকেই উঠানো হবে। তখনই আমি দেখতে পাব মূসা (‘আঃ) আরশ ধরে রয়েছেন। আমি জানি না, তূর পর্বতের ঘটনার দিন তিনি যে বেহুশ হয়েছিলেন, এটা কি তারই বিনিময়, না আমার আগেই তাঁকে বেহুশি থেকে উঠানো হয়েছে?

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক ইয়াহূদী তার কিছু দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির জন্য পেশ করছিল, তার বিনিময়ে তাকে এমন কিছু দেয়া হলো যা সে পছন্দ করল না। তখন সে বলল, না! সেই সত্তার কসম, যে মূসা (‘আঃ) –কে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন। এ কথাটি একজন আনসারী শুনলেন, তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। আর তার মুখের উপর এক চড় মারলেন। আর বললেন, তুমি বলছো , সেই সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানব জাতির উপর মর্যাদা দান করেছেন অথচ নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে অবস্থান করছেন। তখন সে ইয়াহূদী লোকটি নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট গেলো এবং বলল, হে আবুল কাসিম! নিশ্চয়ই আমার জন্য নিরাপত্তা এবং অঙ্গীকার রয়েছে অর্থাৎ আমি একজন যিম্মী। অমুক ব্যক্তি কী কারণে আমার মুখে চড় মারলো? তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি তার মুখে চড় মারলে? আনসারী লোকটি ঘটনা বর্ণনা করলো। তখন নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। এমনকি তাঁর চেহারায় তা দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র নবী‎গণের মধ্যে কাউকে কারো উপর মর্যাদা দান করো না। কেননা কিয়ামতের দিন যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন আল্লাহ্‌ যাকে চাইবেন সে ছাড়া আসমান ও যমীনের বাকী সবাই বেহুশ হয়ে যাবে। অতঃপর দ্বিতীয়বার তাতে ফুঁক দেয়া হবে। তখন সর্বপ্রথম আমাকেই উঠানো হবে। তখনই আমি দেখতে পাব মূসা (‘আঃ) আরশ ধরে রয়েছেন। আমি জানি না, তূর পর্বতের ঘটনার দিন তিনি যে বেহুশ হয়েছিলেন, এটা কি তারই বিনিময়, না আমার আগেই তাঁকে বেহুশি থেকে উঠানো হয়েছে?

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال بينما يهودي يعرض سلعته أعطي بها شيئا كرهه‏.‏ فقال لا والذي اصطفى موسى على البشر، فسمعه رجل من الأنصار فقام، فلطم وجهه، وقال تقول والذي اصطفى موسى على البشر، والنبي صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا فذهب إليه، فقال أبا القاسم، إن لي ذمة وعهدا، فما بال فلان لطم وجهي‏.‏ فقال ‏"‏ لم لطمت وجهه ‏"‏‏.‏ فذكره، فغضب النبي صلى الله عليه وسلم حتى رئي في وجهه، ثم قال ‏"‏ لا تفضلوا بين أنبياء الله، فإنه ينفخ في الصور، فيصعق من في السموات ومن في الأرض، إلا من شاء الله، ثم ينفخ فيه أخرى، فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش، فلا أدري أحوسب بصعقته يوم الطور أم بعث قبلي -‏ ولا أقول إن أحدا أفضل من يونس بن متى"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: আর তাদেরকে সমুদ্র তীরবর্তী জনপদবাসীদের সম্বন্ধে জিজ্ঞেস কর। যখন তারা শনিবার সীমালঙ্ঘন করতো। ( আ’রাফ ১৬৩)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণী: আমি দাউদকে ‘যাবুর’ দিয়েছি। (বনী ইসরাঈল ৫৫)

সহিহ বুখারী ৩৪১৭

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ خفف على داود ـ عليه السلام ـ القرآن، فكان يأمر بدوابه فتسرج، فيقرأ القرآن قبل أن تسرج دوابه، ولا يأكل إلا من عمل يده ‏"‏‏.‏ رواه موسى بن عقبة عن صفوان، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাউদ (‘আঃ)-এর জন্য কুরআন (যাবুর) তেলাওয়াত সহজ করে দেয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর পশুযানে গদি বাঁধার আদেশ করতেন, তখন তার উপর গদি বাঁধা হতো। অতঃপর তাঁর পশুযানের উপর গদি বাঁধার পূর্বেই তিনি যাবুর তিলাওয়াত করে শেষ করে ফেলতেন। তিনি নিজ হাতে উপার্জন করেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। মূসা ইব্‌নু 'উকবা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাউদ (‘আঃ)-এর জন্য কুরআন (যাবুর) তেলাওয়াত সহজ করে দেয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর পশুযানে গদি বাঁধার আদেশ করতেন, তখন তার উপর গদি বাঁধা হতো। অতঃপর তাঁর পশুযানের উপর গদি বাঁধার পূর্বেই তিনি যাবুর তিলাওয়াত করে শেষ করে ফেলতেন। তিনি নিজ হাতে উপার্জন করেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। মূসা ইব্‌নু 'উকবা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ خفف على داود ـ عليه السلام ـ القرآن، فكان يأمر بدوابه فتسرج، فيقرأ القرآن قبل أن تسرج دوابه، ولا يأكل إلا من عمل يده ‏"‏‏.‏ رواه موسى بن عقبة عن صفوان، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৯

حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم أنبأ أنك تقوم الليل وتصوم ‏"‏‏.‏ فقلت نعم‏.‏ فقال ‏"‏ فإنك إذا فعلت ذلك هجمت العين ونفهت النفس، صم من كل شهر ثلاثة أيام، فذلك صوم الدهر ـ أو كصوم الدهر ‏"‏‏.‏ قلت إني أجد بي ـ قال مسعر يعني ـ قوة‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود ـ عليه السلام ـ وكان يصوم يوما، ويفطر يوما، ولا يفر إذا لاقى ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আম্‌র ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি জ্ঞাত হইনি যে, তুমি রাত ভর ‘ইবাদত এবং দিন ভর সওম পালন কর! আমি বললাম হাঁ। তিনি বললেন, যদি তুমি এমন কর; তবে তোমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে যাবে এবং দেহ ক্লান্ত হয়ে যাবে। কাজেই প্রতিমাসে তিনদিন সওম পালন কর। তাহলে তা সারা বছরের সওমের সমতুল্য হয়ে যাবে। আমি বললাম, আমি আমার মধ্যে আরও অধিক পাই। মিসআর (রাঃ) বলেন, এখানে শক্তি বুঝানো হয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (‘আঃ)-এর নিয়মে সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন বিরত থাকতেন। আর শত্রুর মুখোমুখী হলে তিনি কখনও পালিয়ে যেতেন না।

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আম্‌র ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি জ্ঞাত হইনি যে, তুমি রাত ভর ‘ইবাদত এবং দিন ভর সওম পালন কর! আমি বললাম হাঁ। তিনি বললেন, যদি তুমি এমন কর; তবে তোমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে যাবে এবং দেহ ক্লান্ত হয়ে যাবে। কাজেই প্রতিমাসে তিনদিন সওম পালন কর। তাহলে তা সারা বছরের সওমের সমতুল্য হয়ে যাবে। আমি বললাম, আমি আমার মধ্যে আরও অধিক পাই। মিসআর (রাঃ) বলেন, এখানে শক্তি বুঝানো হয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (‘আঃ)-এর নিয়মে সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন বিরত থাকতেন। আর শত্রুর মুখোমুখী হলে তিনি কখনও পালিয়ে যেতেন না।

حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم أنبأ أنك تقوم الليل وتصوم ‏"‏‏.‏ فقلت نعم‏.‏ فقال ‏"‏ فإنك إذا فعلت ذلك هجمت العين ونفهت النفس، صم من كل شهر ثلاثة أيام، فذلك صوم الدهر ـ أو كصوم الدهر ‏"‏‏.‏ قلت إني أجد بي ـ قال مسعر يعني ـ قوة‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود ـ عليه السلام ـ وكان يصوم يوما، ويفطر يوما، ولا يفر إذا لاقى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৩৪১৮

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره وأبا، سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو ـ رضى الله عنهما ـ قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أقول والله لأصومن النهار ولأقومن الليل ما عشت‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنت الذي تقول والله لأصومن النهار ولأقومن الليل ما عشت ‏"‏ قلت قد قلته‏.‏ قال ‏"‏ إنك لا تستطيع ذلك، فصم وأفطر، وقم ونم، وصم من الشهر ثلاثة أيام، فإن الحسنة بعشر أمثالها، وذلك مثل صيام الدهر ‏"‏‏.‏ فقلت إني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ فصم يوما وأفطر يومين ‏"‏‏.‏ قال قلت إني أطيق أفضل من ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم يوما وأفطر يوما، وذلك صيام داود، وهو عدل الصيام ‏"‏‏.‏ قلت إني أطيق أفضل منه يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ لا أفضل من ذلك ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানান হল যে, আমি বলছি, আল্লাহ্‌র কসম! আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন অবশ্যই আমি অবিরত দিনে সওম পালন করবো আর রাতে ‘ইবাদাতে রত থাকবো। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তুমিই কি বলেছো, ‘আল্লাহ্‌র শপথ! আমি যতদিন বাঁচবো, ততদিন দিনে সওম পালন করবো এবং রাতে ‘ইবাদাতে মশগুল থাকবো। আমি আরয করলাম, আমিই তা বলেছি। তিনি বললেন, সেই শক্তি তোমার নেই। কাজেই সওমও পালন কর, ইফ্‌তারও কর। রাতে ‘ইবাদতও কর এবং ঘুমও যাও। আর প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন কর। কেননা প্রতিটি নেক কাজের কমপক্ষে দশগুণ সওয়াব পাওয়া যায়। আর এটা সারা বছর সওম পালন করার সমান। তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এর থেকেও বেশী সওম পালন করার ক্ষমতা রাখি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সওম পালন কর আর দু’দিন ইফতার কর।  তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এ থেকেও অধিক পালন করার শক্তি রাখি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সওম পালন কর আর একদিন বিরতি দাও। এটা দাউদ (‘আঃ)-এর সওম পালন করার নিয়ম। আর এটাই সওম পালনের উত্তম নিয়ম। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এ থেকেও অধিক শক্তি রাখি। তিনি বললেন, এ থেকে বেশী কিছু নেই।

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানান হল যে, আমি বলছি, আল্লাহ্‌র কসম! আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন অবশ্যই আমি অবিরত দিনে সওম পালন করবো আর রাতে ‘ইবাদাতে রত থাকবো। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তুমিই কি বলেছো, ‘আল্লাহ্‌র শপথ! আমি যতদিন বাঁচবো, ততদিন দিনে সওম পালন করবো এবং রাতে ‘ইবাদাতে মশগুল থাকবো। আমি আরয করলাম, আমিই তা বলেছি। তিনি বললেন, সেই শক্তি তোমার নেই। কাজেই সওমও পালন কর, ইফ্‌তারও কর। রাতে ‘ইবাদতও কর এবং ঘুমও যাও। আর প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন কর। কেননা প্রতিটি নেক কাজের কমপক্ষে দশগুণ সওয়াব পাওয়া যায়। আর এটা সারা বছর সওম পালন করার সমান। তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এর থেকেও বেশী সওম পালন করার ক্ষমতা রাখি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সওম পালন কর আর দু’দিন ইফতার কর।  তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এ থেকেও অধিক পালন করার শক্তি রাখি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সওম পালন কর আর একদিন বিরতি দাও। এটা দাউদ (‘আঃ)-এর সওম পালন করার নিয়ম। আর এটাই সওম পালনের উত্তম নিয়ম। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এ থেকেও অধিক শক্তি রাখি। তিনি বললেন, এ থেকে বেশী কিছু নেই।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن سعيد بن المسيب، أخبره وأبا، سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو ـ رضى الله عنهما ـ قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أقول والله لأصومن النهار ولأقومن الليل ما عشت‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنت الذي تقول والله لأصومن النهار ولأقومن الليل ما عشت ‏"‏ قلت قد قلته‏.‏ قال ‏"‏ إنك لا تستطيع ذلك، فصم وأفطر، وقم ونم، وصم من الشهر ثلاثة أيام، فإن الحسنة بعشر أمثالها، وذلك مثل صيام الدهر ‏"‏‏.‏ فقلت إني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ فصم يوما وأفطر يومين ‏"‏‏.‏ قال قلت إني أطيق أفضل من ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم يوما وأفطر يوما، وذلك صيام داود، وهو عدل الصيام ‏"‏‏.‏ قلت إني أطيق أفضل منه يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ لا أفضل من ذلك ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00