সহিহ বুখারী > খুমুস পৃথক না করেই বন্দীগনের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর অনুগ্রহ।
সহিহ বুখারী ৩১৩৯
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَارُكُمْ جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنْ نَارِ جَهَنَّمَ ". قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنْ كَانَتْ لَكَافِيَةً. قَالَ " فُضِّلَتْ عَلَيْهِنَّ بِتِسْعَةٍ وَسِتِّينَ جُزْءًا، كُلُّهُنَّ مِثْلُ حَرِّهَا "."
জুবাইর ইব্নু মুতয়িম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদরের যুদ্ধে বন্দীদের ব্যাপারে বলেন, ‘যদি মুতয়িম ইব্নু আদী (রাঃ) জীবিত থাকতেন আর আমার নিকট এ সকল নোংরা লোকের জন্যে সুপারিশ করতেন, তবে আমি তাঁর সন্মানার্থে এদের মুক্ত করে দিতাম।’
সহিহ বুখারী > খুমুস ইমামের জন্য, অধিকার রয়েছে আত্মীয়গনের কাউকে বাদ দিয়ে কাউকে প্রদানের।
সহিহ বুখারী ৩১৪০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، سَمِعَ عَطَاءً، يُخْبِرُ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ يَعْلَى، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ عَلَى الْمِنْبَرِ {وَنَادَوْا يَا مَالِكُ }.
জুবাইর ইব্নু মুতঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এবং ‘উসমান ইব্নু ‘আফ্ফান (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বানূ মুত্তালিবকে দিয়েছেন, আর আমাদের বাদ দিয়েছেন। অথচ আমরা এবং তারা আপনার সঙ্গে একই স্তরে সম্পর্কিত। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বানূ মুত্তালিব ও বানূ হাশিম একই স্তরের। লায়স (রহঃ) বলেন, ইউনুস (রহঃ) আমাকে এ হাদীসটিতে আরো বেশি বলেছেন যে, জুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ আবদ শাম্স ও বানূ নাওফালকে অংশ দেননি। ইবনু ইসহাক (রহঃ) বলেন, আবদ শাম্স, হাশিম ও মুত্তালিব একই মায়ের গর্ভজাত সহোদর ভাই। তাঁদের মাতা হলেন আতিকা বিনতু মুররা আর নাওফাল ছিলেন তাদের বৈমাত্রেয় ভাই।