সহিহ বুখারী > হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তি : আমার এ ছেলেটি একজন নেতা। সম্ভবত আল্লাহ্‌ এর মাধ্যমে দু‘টি বড় দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন করাবেন।

সহিহ বুখারী ২৭০৪

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن أبي موسى، قال سمعت الحسن، يقول استقبل والله الحسن بن علي معاوية بكتائب أمثال الجبال فقال عمرو بن العاص إني لأرى كتائب لا تولي حتى تقتل أقرانها‏.‏ فقال له معاوية ـ وكان والله خير الرجلين ـ أى عمرو إن قتل هؤلاء هؤلاء وهؤلاء هؤلاء من لي بأمور الناس من لي بنسائهم، من لي بضيعتهم فبعث إليه رجلين من قريش من بني عبد شمس عبد الرحمن بن سمرة وعبد الله بن عامر بن كريز، فقال اذهبا إلى هذا الرجل فاعرضا عليه، وقولا له، واطلبا إليه‏.‏ فأتياه، فدخلا عليه فتكلما، وقالا له، فطلبا إليه، فقال لهما الحسن بن علي إنا بنو عبد المطلب، قد أصبنا من هذا المال، وإن هذه الأمة قد عاثت في دمائها‏.‏ قالا فإنه يعرض عليك كذا وكذا ويطلب إليك ويسألك‏.‏ قال فمن لي بهذا قالا نحن لك به‏.‏ فما سألهما شيئا إلا قالا نحن لك به‏.‏ فصالحه، فقال الحسن ولقد سمعت أبا بكرة يقول رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر والحسن بن علي إلى جنبه، وهو يقبل على الناس مرة وعليه أخرى ويقول ‏ "‏ إن ابني هذا سيد، ولعل الله أن يصلح به بين فئتين عظيمتين من المسلمين ‏"‏‏.‏ قال لي علي بن عبد الله إنما ثبت لنا سماع الحسن من أبي بكرة بهذا الحديث‏.‏

হাসান (বাসরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র কসম, হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) পর্বত প্রমাণ সেনাদল নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর মুখোমুখী হলেন। আম্‌র ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি এমন সেনাদল দেখতে পাচ্ছি যারা প্রতিপক্ষকে হত্যা না করে ফিরে যাবে না। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তখন বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আর (মু‘আবিয়াহ ও ‘আম্‌র ইব্‌নুল ‘আস) (রাঃ) উভয়ের মধ্যে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ছিলেন উত্তম ব্যক্তি– ‘হে ‘আমর! এরা ওদের এবং ওরা এদের হত্যা করলে, আমি কাকে দিয়ে লোকের সমস্যার সমাধান করব? তাদের নারীদের কে তত্ত্বাবধান করবে? তাদের দুর্বল ও শিশুদের কে রক্ষণাবেক্ষণ করবে? অতঃপর তিনি কুরায়শের বানূ আবদে শাম্‌স্‌ শাখার দু’ব্যক্তি ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু সামুরাহ ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আম্‌র (রাঃ)-কে হাসান (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তোমরা উভয়ে এ ব্যক্তিটির নিকট যাও এবং তাঁর নিকট (সন্ধির) প্রস্তাব পেশ করো, তাঁর সঙ্গে আলোচনা কর ও তাঁর বক্তব্য জানতে চেষ্টা কর।’ তাঁরা তাঁর নিকট রয়ে গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বললেন, আলাপ-আলোচনা করলেন এবং তাঁর বক্তব্য জানলেন। হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) তাদের বললেন , ‘আমরা ‘আবদুল মুত্তালিবের সন্তান, এই সম্পদ (বায়তুল মালের) আমরা পেয়েছি আর এরা রক্তপাতে লিপ্ত হয়েছে।’ তারা উভয়ে বললেন, [মু‘আবিয়াহ (রাঃ)] আপনার নিকট এরূপ বক্তব্য পেশ করেছেন। আর আপনার বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন ও সন্ধি কামনা করেছেন। তিনি বললেন, ‘এ দায়িত্ব কে নিবে?’ তারা (তার জবাবে) বললেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি।’ অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলেন। হাসান (বসরী) (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি : ‘রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি মিম্বরের উপর দেখেছি, হাসান বিন ‘আলী (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার লোকদের দিকে আরেকবার তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, আমার এ সন্তান একজন নেতা। সম্ভবত তার মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তা‘আলা মুসলমানদের দু‘টি বড় দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।’ আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, ‘আলী ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ আমাকে বলেছেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমেই আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে হাসানের শোনা কথা আমাদের নিকট প্রমানিত হয়েছে।

হাসান (বাসরী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র কসম, হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) পর্বত প্রমাণ সেনাদল নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর মুখোমুখী হলেন। আম্‌র ইব্‌নু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি এমন সেনাদল দেখতে পাচ্ছি যারা প্রতিপক্ষকে হত্যা না করে ফিরে যাবে না। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তখন বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আর (মু‘আবিয়াহ ও ‘আম্‌র ইব্‌নুল ‘আস) (রাঃ) উভয়ের মধ্যে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ছিলেন উত্তম ব্যক্তি– ‘হে ‘আমর! এরা ওদের এবং ওরা এদের হত্যা করলে, আমি কাকে দিয়ে লোকের সমস্যার সমাধান করব? তাদের নারীদের কে তত্ত্বাবধান করবে? তাদের দুর্বল ও শিশুদের কে রক্ষণাবেক্ষণ করবে? অতঃপর তিনি কুরায়শের বানূ আবদে শাম্‌স্‌ শাখার দু’ব্যক্তি ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু সামুরাহ ও ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আম্‌র (রাঃ)-কে হাসান (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তোমরা উভয়ে এ ব্যক্তিটির নিকট যাও এবং তাঁর নিকট (সন্ধির) প্রস্তাব পেশ করো, তাঁর সঙ্গে আলোচনা কর ও তাঁর বক্তব্য জানতে চেষ্টা কর।’ তাঁরা তাঁর নিকট রয়ে গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বললেন, আলাপ-আলোচনা করলেন এবং তাঁর বক্তব্য জানলেন। হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) তাদের বললেন , ‘আমরা ‘আবদুল মুত্তালিবের সন্তান, এই সম্পদ (বায়তুল মালের) আমরা পেয়েছি আর এরা রক্তপাতে লিপ্ত হয়েছে।’ তারা উভয়ে বললেন, [মু‘আবিয়াহ (রাঃ)] আপনার নিকট এরূপ বক্তব্য পেশ করেছেন। আর আপনার বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন ও সন্ধি কামনা করেছেন। তিনি বললেন, ‘এ দায়িত্ব কে নিবে?’ তারা (তার জবাবে) বললেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি।’ অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলেন। হাসান (বসরী) (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি : ‘রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি মিম্বরের উপর দেখেছি, হাসান বিন ‘আলী (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার লোকদের দিকে আরেকবার তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, আমার এ সন্তান একজন নেতা। সম্ভবত তার মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তা‘আলা মুসলমানদের দু‘টি বড় দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।’ আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, ‘আলী ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ আমাকে বলেছেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমেই আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে হাসানের শোনা কথা আমাদের নিকট প্রমানিত হয়েছে।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن أبي موسى، قال سمعت الحسن، يقول استقبل والله الحسن بن علي معاوية بكتائب أمثال الجبال فقال عمرو بن العاص إني لأرى كتائب لا تولي حتى تقتل أقرانها‏.‏ فقال له معاوية ـ وكان والله خير الرجلين ـ أى عمرو إن قتل هؤلاء هؤلاء وهؤلاء هؤلاء من لي بأمور الناس من لي بنسائهم، من لي بضيعتهم فبعث إليه رجلين من قريش من بني عبد شمس عبد الرحمن بن سمرة وعبد الله بن عامر بن كريز، فقال اذهبا إلى هذا الرجل فاعرضا عليه، وقولا له، واطلبا إليه‏.‏ فأتياه، فدخلا عليه فتكلما، وقالا له، فطلبا إليه، فقال لهما الحسن بن علي إنا بنو عبد المطلب، قد أصبنا من هذا المال، وإن هذه الأمة قد عاثت في دمائها‏.‏ قالا فإنه يعرض عليك كذا وكذا ويطلب إليك ويسألك‏.‏ قال فمن لي بهذا قالا نحن لك به‏.‏ فما سألهما شيئا إلا قالا نحن لك به‏.‏ فصالحه، فقال الحسن ولقد سمعت أبا بكرة يقول رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر والحسن بن علي إلى جنبه، وهو يقبل على الناس مرة وعليه أخرى ويقول ‏ "‏ إن ابني هذا سيد، ولعل الله أن يصلح به بين فئتين عظيمتين من المسلمين ‏"‏‏.‏ قال لي علي بن عبد الله إنما ثبت لنا سماع الحسن من أبي بكرة بهذا الحديث‏.‏


সহিহ বুখারী > আপোস মীমাংসার ব্যাপারে ইমাম পরামর্শ দিবেন কি?

সহিহ বুখারী ২৭০৬

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الأعرج، قال حدثني عبد الله بن كعب بن مالك، عن كعب بن مالك، أنه كان له على عبد الله بن أبي حدرد الأسلمي مال، فلقيه فلزمه حتى ارتفعت أصواتهما، فمر بهما النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ يا كعب ‏"‏‏.‏ فأشار بيده كأنه يقول النصف‏.‏ فأخذ نصف ما عليه وترك نصفا‏.‏

কা‘ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ হাদরাদ আল-আসলামীর কাছে তার কিছু মাল পাওনা ছিল। রাবী বলেন, একবার তার সাক্ষাৎও পেলেন এবং তাকে ধরলেন, এমনকি তাদের আওয়াজ চড়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, ওহে কা‘ব, অতঃপর হাতের ইশারায় তিনি যেন জানালেন, অর্ধেক। তারপর তিনি তার পাওনা নিলেন আর অর্ধেক ছেড়ে দিলেন।

কা‘ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ হাদরাদ আল-আসলামীর কাছে তার কিছু মাল পাওনা ছিল। রাবী বলেন, একবার তার সাক্ষাৎও পেলেন এবং তাকে ধরলেন, এমনকি তাদের আওয়াজ চড়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, ওহে কা‘ব, অতঃপর হাতের ইশারায় তিনি যেন জানালেন, অর্ধেক। তারপর তিনি তার পাওনা নিলেন আর অর্ধেক ছেড়ে দিলেন।

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الأعرج، قال حدثني عبد الله بن كعب بن مالك، عن كعب بن مالك، أنه كان له على عبد الله بن أبي حدرد الأسلمي مال، فلقيه فلزمه حتى ارتفعت أصواتهما، فمر بهما النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ يا كعب ‏"‏‏.‏ فأشار بيده كأنه يقول النصف‏.‏ فأخذ نصف ما عليه وترك نصفا‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭০৫

حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن أبي الرجال، محمد بن عبد الرحمن أن أمه، عمرة بنت عبد الرحمن قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ تقول سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوت خصوم بالباب عالية أصواتهما، وإذا أحدهما يستوضع الآخر، ويسترفقه في شىء وهو يقول والله لا أفعل‏.‏ فخرج عليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أين المتألي على الله لا يفعل المعروف ‏"‏‏.‏ فقال أنا يا رسول الله، وله أى ذلك أحب‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার দরজায় ঝগড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন; দু‘জন তাদের আওয়াজ উচ্চ করেছিল। তাদের একজন আরেকজনের নিকট ঋণের কিছু মাফ করে দেয়ার এবং সহানুভূতি দেখানোর অনুরোধ করেছিল। আর অপর ব্যক্তি বলছিল, ‘না, আল্লাহ্‌র কসম! আমি তা করব না।’ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনের কাছে এলেন এবং বললেন, সৎ কাজ করবে না বলে যে আল্লাহ্‌র নামে কসম করেছে, সে ব্যক্তিটি কোথায়? সে বলল, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি। সে যা পছন্দ করবে তার জন্য তা-ই হবে।’

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার দরজায় ঝগড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন; দু‘জন তাদের আওয়াজ উচ্চ করেছিল। তাদের একজন আরেকজনের নিকট ঋণের কিছু মাফ করে দেয়ার এবং সহানুভূতি দেখানোর অনুরোধ করেছিল। আর অপর ব্যক্তি বলছিল, ‘না, আল্লাহ্‌র কসম! আমি তা করব না।’ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনের কাছে এলেন এবং বললেন, সৎ কাজ করবে না বলে যে আল্লাহ্‌র নামে কসম করেছে, সে ব্যক্তিটি কোথায়? সে বলল, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি। সে যা পছন্দ করবে তার জন্য তা-ই হবে।’

حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن أبي الرجال، محمد بن عبد الرحمن أن أمه، عمرة بنت عبد الرحمن قالت سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ تقول سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوت خصوم بالباب عالية أصواتهما، وإذا أحدهما يستوضع الآخر، ويسترفقه في شىء وهو يقول والله لا أفعل‏.‏ فخرج عليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أين المتألي على الله لا يفعل المعروف ‏"‏‏.‏ فقال أنا يا رسول الله، وله أى ذلك أحب‏.‏


সহিহ বুখারী > মানুষের মধ্যে মীমাংসা এবং ন্যায় বিচার করার ফযীলত।

সহিহ বুখারী ২৭০৭

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كل سلامى من الناس عليه صدقة، كل يوم تطلع فيه الشمس يعدل بين الناس صدقة ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘মানুষের প্রতিটি হাতের জোড়ার জন্য তার উপর সদকা রয়েছে। সূর্য উঠে এমন প্রত্যেক দিন মানুষের মধ্যে সুবিচার করাও সদকা।’

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘মানুষের প্রতিটি হাতের জোড়ার জন্য তার উপর সদকা রয়েছে। সূর্য উঠে এমন প্রত্যেক দিন মানুষের মধ্যে সুবিচার করাও সদকা।’

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كل سلامى من الناس عليه صدقة، كل يوم تطلع فيه الشمس يعدل بين الناس صدقة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ইমাম বিবাদ মীমাংসা করে নেয়ার নির্দেশ দেয়ার পরও তা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে যথার্থ হুকুম জারী করতে হবে।

সহিহ বুখারী ২৭০৮

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن الزبير، كان يحدث أنه خاصم رجلا من الأنصار قد شهد بدرا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج من الحرة كانا يسقيان به كلاهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير ثم أرسل إلى جارك ‏"‏‏.‏ فغضب الأنصاري فقال يا رسول الله آن كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ اسق ثم احبس حتى يبلغ الجدر ‏"‏‏.‏ فاستوعى رسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ حقه للزبير، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل ذلك أشار على الزبير برأى سعة له وللأنصاري، فلما أحفظ الأنصاري رسول الله صلى الله عليه وسلم استوعى للزبير حقه في صريح الحكم‏.‏ قال عروة قال الزبير والله ما أحسب هذه الآية نزلت إلا في ذلك ‏{‏فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم‏}‏ الآية‏.‏

যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এক আনসারীর সঙ্গে বিবাদ করেছিলেন, যিনি বদরে শরীক ছিলেন। তিনি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে প্রস্তরময় যমীনের একটি নালা সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তারা উভয়ে সে নালা হতে পানি সেচ করতেন। তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে বললেন, ‘হে যুবাইর! তুমি প্রথমে পানি সেচবে। অতঃপর তোমার প্রতিবেশির দিকে পানি ছেড়ে দিবে।’ আনসারী তখন রেগে গেল এবং বললো, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে আপনার ফুফুর ছেলে হওয়ার কারণে?’ এতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারার রঙ বদলে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, ‘তুমি সেচ কর, অতঃপর পানি আটকে রাখ, বাঁধ বরাবর পৌঁছা পর্যন্ত’। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ)-কে তার পূর্ণ হক দিলেন। এর আগে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন যা আনসারীর জন্য সুবিধাজনক ছিল। কিন্তু আনসারী আল্লাহ্‌র রসূলকে রাগান্বিত করলে সুস্পষ্ট নির্দেশের মাধ্যমে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি তার পূর্ণ হক দান করলেন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, যুবাইর (রাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ্‌র কসম!‍ আমার নিশ্চিত ধারণা যে (আল্লাহ্‌র বাণী) : কিন্তু না, আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা মুমিন হবে না যতক্ষণ তারা তাদের নিজেদের বিবাদে আপনাকে বিচারক হিসাবে মান্য না করে- (সুরা আন-নিসাঃ ৬৫) আয়াতটি সে ব্যাপারেই নাযিল হয়েছিল।’

যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এক আনসারীর সঙ্গে বিবাদ করেছিলেন, যিনি বদরে শরীক ছিলেন। তিনি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে প্রস্তরময় যমীনের একটি নালা সম্পর্কে অভিযোগ করলেন। তারা উভয়ে সে নালা হতে পানি সেচ করতেন। তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে বললেন, ‘হে যুবাইর! তুমি প্রথমে পানি সেচবে। অতঃপর তোমার প্রতিবেশির দিকে পানি ছেড়ে দিবে।’ আনসারী তখন রেগে গেল এবং বললো, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে আপনার ফুফুর ছেলে হওয়ার কারণে?’ এতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারার রঙ বদলে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, ‘তুমি সেচ কর, অতঃপর পানি আটকে রাখ, বাঁধ বরাবর পৌঁছা পর্যন্ত’। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ)-কে তার পূর্ণ হক দিলেন। এর আগে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন যা আনসারীর জন্য সুবিধাজনক ছিল। কিন্তু আনসারী আল্লাহ্‌র রসূলকে রাগান্বিত করলে সুস্পষ্ট নির্দেশের মাধ্যমে যুবাইর (রাঃ)-কে তিনি তার পূর্ণ হক দান করলেন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, যুবাইর (রাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ্‌র কসম!‍ আমার নিশ্চিত ধারণা যে (আল্লাহ্‌র বাণী) : কিন্তু না, আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা মুমিন হবে না যতক্ষণ তারা তাদের নিজেদের বিবাদে আপনাকে বিচারক হিসাবে মান্য না করে- (সুরা আন-নিসাঃ ৬৫) আয়াতটি সে ব্যাপারেই নাযিল হয়েছিল।’

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن الزبير، كان يحدث أنه خاصم رجلا من الأنصار قد شهد بدرا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج من الحرة كانا يسقيان به كلاهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير ثم أرسل إلى جارك ‏"‏‏.‏ فغضب الأنصاري فقال يا رسول الله آن كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ اسق ثم احبس حتى يبلغ الجدر ‏"‏‏.‏ فاستوعى رسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ حقه للزبير، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل ذلك أشار على الزبير برأى سعة له وللأنصاري، فلما أحفظ الأنصاري رسول الله صلى الله عليه وسلم استوعى للزبير حقه في صريح الحكم‏.‏ قال عروة قال الزبير والله ما أحسب هذه الآية نزلت إلا في ذلك ‏{‏فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم‏}‏ الآية‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00