সহিহ বুখারী > অন্যায়ের উপর সন্ধিবদ্ধ হলে তা বাতিল।

সহিহ বুখারী ২৬৯৫

حدثنا آدم، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، رضى الله عنهما قالا جاء أعرابي فقال يا رسول الله اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقام خصمه فقال صدق، اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقال الأعرابي إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فقالوا لي على ابنك الرجم‏.‏ ففديت ابني منه بمائة من الغنم ووليدة، ثم سألت أهل العلم، فقالوا إنما على ابنك جلد مائة وتغريب عام‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله، أما الوليدة والغنم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، وأما أنت يا أنيس ـ لرجل ـ فاغد على امرأة هذا فارجمها ‏"‏‏.‏ فغدا عليها أنيس فرجمها‏.‏

আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেন যে, এক বেদুঈন এসে বলল’ ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন।’ তখন তার প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্ মোতাবেক ফয়সালা করুন।’ পরে বেদুইন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে।’ লোকেরা আমাকে বললোঃ তোর ছেলের উপর রাজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে। তখন আমার ছেলেকে একশ ‘বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ’বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে।’ সব শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্‌ মোতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ’বেত্রাঘাত সহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে।’ আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ‘হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে এবং তাকে রাজম করবে।’ উনাইস তার নিকট গেলেন এবং তাকে রজম করলেন।

আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেন যে, এক বেদুঈন এসে বলল’ ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন।’ তখন তার প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্ মোতাবেক ফয়সালা করুন।’ পরে বেদুইন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে।’ লোকেরা আমাকে বললোঃ তোর ছেলের উপর রাজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে। তখন আমার ছেলেকে একশ ‘বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ’বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে।’ সব শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্‌ মোতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ’বেত্রাঘাত সহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে।’ আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ‘হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে এবং তাকে রাজম করবে।’ উনাইস তার নিকট গেলেন এবং তাকে রজম করলেন।

حدثنا آدم، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، رضى الله عنهما قالا جاء أعرابي فقال يا رسول الله اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقام خصمه فقال صدق، اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقال الأعرابي إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فقالوا لي على ابنك الرجم‏.‏ ففديت ابني منه بمائة من الغنم ووليدة، ثم سألت أهل العلم، فقالوا إنما على ابنك جلد مائة وتغريب عام‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله، أما الوليدة والغنم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، وأما أنت يا أنيس ـ لرجل ـ فاغد على امرأة هذا فارجمها ‏"‏‏.‏ فغدا عليها أنيس فرجمها‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৯৬

حدثنا آدم، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، رضى الله عنهما قالا جاء أعرابي فقال يا رسول الله اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقام خصمه فقال صدق، اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقال الأعرابي إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فقالوا لي على ابنك الرجم‏.‏ ففديت ابني منه بمائة من الغنم ووليدة، ثم سألت أهل العلم، فقالوا إنما على ابنك جلد مائة وتغريب عام‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله، أما الوليدة والغنم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، وأما أنت يا أنيس ـ لرجل ـ فاغد على امرأة هذا فارجمها ‏"‏‏.‏ فغدا عليها أنيس فرجمها‏.‏

আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেন যে, এক বেদুঈন এসে বলল’ ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন।’ তখন তার প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্ মোতাবেক ফয়সালা করুন।’ পরে বেদুইন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে।’ লোকেরা আমাকে বললোঃ তোর ছেলের উপর রাজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে। তখন আমার ছেলেকে একশ ‘বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ’বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে।’ সব শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্‌ মোতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ’বেত্রাঘাত সহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে।’ আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ‘হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে এবং তাকে রাজম করবে।’ উনাইস তার নিকট গেলেন এবং তাকে রজম করলেন।

আবূ হুরায়রা ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলেন যে, এক বেদুঈন এসে বলল’ ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন।’ তখন তার প্রতিপক্ষ দাঁড়িয়ে বলল, ‘সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্ মোতাবেক ফয়সালা করুন।’ পরে বেদুইন বলল, ‘আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে।’ লোকেরা আমাকে বললোঃ তোর ছেলের উপর রাজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে। তখন আমার ছেলেকে একশ ‘বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ‘তোমার ছেলের উপর একশ’বেত্রাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে।’ সব শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ্‌ মোতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ’বেত্রাঘাত সহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে।’ আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ‘হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে এবং তাকে রাজম করবে।’ উনাইস তার নিকট গেলেন এবং তাকে রজম করলেন।

حدثنا آدم، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، رضى الله عنهما قالا جاء أعرابي فقال يا رسول الله اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقام خصمه فقال صدق، اقض بيننا بكتاب الله‏.‏ فقال الأعرابي إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فقالوا لي على ابنك الرجم‏.‏ ففديت ابني منه بمائة من الغنم ووليدة، ثم سألت أهل العلم، فقالوا إنما على ابنك جلد مائة وتغريب عام‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله، أما الوليدة والغنم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، وأما أنت يا أنيس ـ لرجل ـ فاغد على امرأة هذا فارجمها ‏"‏‏.‏ فغدا عليها أنيس فرجمها‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৯৭

حدثنا يعقوب، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن القاسم بن محمد، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أحدث في أمرنا هذا ما ليس فيه فهو رد ‏"‏‏.‏ رواه عبد الله بن جعفر المخرمي وعبد الواحد بن أبي عون عن سعد بن إبراهيم‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এ শরী‘আতে নাই এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা প্রত্যাখ্যাত [১]।’ ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু জা‘ফর মাখরামী (রহঃ) ও ‘আবদুল ওয়াহিদ ইব্‌নু আবূ ‘আউন, সা‘দ ইব্‌নু ইব্‌রাহীম (রহঃ) হতে তা বর্ণনা করেছেন।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এ শরী‘আতে নাই এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা প্রত্যাখ্যাত [১]।’ ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু জা‘ফর মাখরামী (রহঃ) ও ‘আবদুল ওয়াহিদ ইব্‌নু আবূ ‘আউন, সা‘দ ইব্‌নু ইব্‌রাহীম (রহঃ) হতে তা বর্ণনা করেছেন।

حدثنا يعقوب، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن القاسم بن محمد، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أحدث في أمرنا هذا ما ليس فيه فهو رد ‏"‏‏.‏ رواه عبد الله بن جعفر المخرمي وعبد الواحد بن أبي عون عن سعد بن إبراهيم‏.‏


সহিহ বুখারী > কিভাবে সন্ধিপত্র লেখা হবে? অমুকের পুত্র অমুক এবং অমুকের পুত্র অমুক লিখাতে হবে। গোত্র বা বংশের উল্লেখ না করলেও ক্ষতি নেই।

সহিহ বুখারী ২৬৯৮

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال لما صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل الحديبية كتب علي بينهم كتابا فكتب محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال المشركون لا تكتب محمد رسول الله، لو كنت رسولا لم نقاتلك‏.‏ فقال لعلي ‏ "‏ امحه ‏"‏‏.‏ فقال علي ما أنا بالذي أمحاه‏.‏ فمحاه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده، وصالحهم على أن يدخل هو وأصحابه ثلاثة أيام، ولا يدخلوها إلا بجلبان السلاح، فسألوه ما جلبان السلاح فقال القراب بما فيه‏.‏

বারা‘ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়াতে (মক্কাবাসীদের সঙ্গে) সন্ধি করার সময় ‘আলী (রাঃ) উভয় পক্ষের মাঝে এক চুক্তিপত্র লিখলেন। তিনি লিখলেন, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। মুশরিকরা বলল, ‘মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ’ লিখবে না। আপনি রসূল হলে আপনার সঙ্গে লড়াই করতাম না?’ তখন তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেন, ‘ওটা মুছে দাও’। ‘আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তা মুছব না।’ তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তা মুছে দিলেন এবং এই শর্তে তাদের সঙ্গে সন্ধি করলেন যে, তিনি এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীরা তিন দিনের জন্য মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং জুলুব্বান ---- ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। তারা জিজ্ঞেস করল, ---- মানে কী? তিনি বললেন, ‘জুলুব্বান’ মানে ভিতরে তরবারীসহ খাপ।’

বারা‘ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়াতে (মক্কাবাসীদের সঙ্গে) সন্ধি করার সময় ‘আলী (রাঃ) উভয় পক্ষের মাঝে এক চুক্তিপত্র লিখলেন। তিনি লিখলেন, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। মুশরিকরা বলল, ‘মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ’ লিখবে না। আপনি রসূল হলে আপনার সঙ্গে লড়াই করতাম না?’ তখন তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেন, ‘ওটা মুছে দাও’। ‘আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তা মুছব না।’ তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তা মুছে দিলেন এবং এই শর্তে তাদের সঙ্গে সন্ধি করলেন যে, তিনি এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীরা তিন দিনের জন্য মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং জুলুব্বান ---- ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। তারা জিজ্ঞেস করল, ---- মানে কী? তিনি বললেন, ‘জুলুব্বান’ মানে ভিতরে তরবারীসহ খাপ।’

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال لما صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل الحديبية كتب علي بينهم كتابا فكتب محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقال المشركون لا تكتب محمد رسول الله، لو كنت رسولا لم نقاتلك‏.‏ فقال لعلي ‏ "‏ امحه ‏"‏‏.‏ فقال علي ما أنا بالذي أمحاه‏.‏ فمحاه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده، وصالحهم على أن يدخل هو وأصحابه ثلاثة أيام، ولا يدخلوها إلا بجلبان السلاح، فسألوه ما جلبان السلاح فقال القراب بما فيه‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬৯৯

حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء ـ رضى الله عنه ـ قال اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة، فأبى أهل مكة أن يدعوه يدخل مكة، حتى قاضاهم على أن يقيم بها ثلاثة أيام، فلما كتبوا الكتاب كتبوا هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقالوا لا نقر بها، فلو نعلم أنك رسول الله ما منعناك، لكن أنت محمد بن عبد الله‏.‏ قال ‏"‏ أنا رسول الله وأنا محمد بن عبد الله ‏"‏‏.‏ ثم قال لعلي ‏"‏ امح رسول الله ‏"‏‏.‏ قال لا، والله لا أمحوك أبدا، فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الكتاب، فكتب هذا ما قاضى عليه محمد بن عبد الله، لا يدخل مكة سلاح إلا في القراب، وأن لا يخرج من أهلها بأحد، إن أراد أن يتبعه، وأن لا يمنع أحدا من أصحابه أراد أن يقيم بها‏.‏ فلما دخلها، ومضى الأجل أتوا عليا، فقالوا قل لصاحبك اخرج عنا فقد مضى الأجل‏.‏ فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فتبعتهم ابنة حمزة يا عم يا عم‏.‏ فتناولها علي فأخذ بيدها، وقال لفاطمة عليها السلام دونك ابنة عمك، احمليها‏.‏ فاختصم فيها علي وزيد وجعفر، فقال علي أنا أحق بها وهى ابنة عمي‏.‏ وقال جعفر ابنة عمي وخالتها تحتي‏.‏ وقال زيد ابنة أخي‏.‏ فقضى بها النبي صلى الله عليه وسلم لخالتها‏.‏ وقال ‏"‏ الخالة بمنزلة الأم ‏"‏‏.‏ وقال لعلي ‏"‏ أنت مني وأنا منك ‏"‏‏.‏ وقال لجعفر ‏"‏ أشبهت خلقي وخلقي ‏"‏‏.‏ وقال لزيد ‏"‏ أنت أخونا ومولانا

বারা‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যিলকাদ মাসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরাহ্‌র উদ্দেশ্যে বের হলেন। কিন্তু মক্কাবাসীরা তাঁকে মক্কা প্রবেশের জন্য ছেড়ে দিতে অস্বীকার করল। অবশেষে এই শর্তে তাদের সঙ্গে ফয়সালা করলেন যে, তিনদিন সেখানে অবস্থান করবেন। সন্ধিপত্র লিখতে গিয়ে মুসলিমরা লিখলেন, এ সন্ধিপত্র সম্পাদন করেছেন, ‘আল্লাহ্‌র রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।’ তারা (মুশরিকরা) বলল, ‘আমরা তাঁর রিসালাত স্বীকার করি না। আমরা যদি জানতাম যে, আপনি আল্লাহ্‌র রসূল তাহলে আপনাকে বাধা দিতাম না। তবে আপনি হলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌র পুত্র মুহাম্মদ।’ তিনি বললেন, ‘আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং ‘আবদুল্লাহ্‌র পুত্র মুহাম্মদ।’ অতঃপর তিনি আলী (রাঃ)–কে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল শব্দটি মুছে দাও। তিনি বললেন, ‘না। আল্লাহ্‌র কসম, আমি আপনাকে কখনো মুছব না।’ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন চুক্তিপত্রটি নিলেন এবং লিখলেন, ‘এ সন্ধিপত্র মুহাস্মদ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ সম্পন্ন করেন- খাপবদ্ধ অস্ত্র ব্যতীত আর কিছু নিয়ে তিনি মক্কায় প্রবেশ করবেন না। মক্কাবাসীদের কেউ তাঁর সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি বের করে নিবেন না। আর তাঁর সঙ্গীদের কেউ মক্কায় থাকতে চাইলে তাঁকে বাধা দিবেন না।’ তিনি যখন মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেল, তখন তারা এসে আলী (রাঃ)-কে বলল, ‘তোমার সঙ্গীকে আমাদের এখান হতে বের হতে বল। কেননা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন ৷ তখন হামযাহ্‌র কন্যা হে চাচা, হে চাচা, বলে তাদের পেছনে পেছনে চলল। আলী (রাঃ) তাকে হাত ধরে নিয়ে এলেন এবং ফাতিমাহকে বললেন, ‘এই নাও, তোমার চাচার মেয়েকে। আমি ওকে তুলে এনেছি।’ ‘আলী, যায়দ ও জা‘ফর (রাঃ) তাকে নেয়ার ব্যাপারে বিতর্কে প্রবৃত্ত হলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তার অধিক হক্‌দার। কারণ সে আমার চাচার মেয়ে। জা‘ফর (রাঃ) বললেন, সে আমার চাচার মেয়ে এবং তার খালা আমার স্ত্রী।’ যায়দ (রাঃ) বললেন, ‘সে আমার ভাইয়ের মেয়ে।’ অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালার পক্ষে ফয়সালা দিলেন এবং বললেন, ‘খালা মায়ের স্থান অধিকারিণী।’ আর ‘আলীকে বললেন, ‘আমি তোমার এবং তুমি আমার।’ জা‘ফরকে বললেন, ‘তুমি আকৃতি ও প্রকৃতিতে আমার সদৃশ। আর যায়দকে বললেন, ‘তুমি তো আমাদের ভাই ও আযাদকৃত গোলাম।’

বারা‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যিলকাদ মাসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরাহ্‌র উদ্দেশ্যে বের হলেন। কিন্তু মক্কাবাসীরা তাঁকে মক্কা প্রবেশের জন্য ছেড়ে দিতে অস্বীকার করল। অবশেষে এই শর্তে তাদের সঙ্গে ফয়সালা করলেন যে, তিনদিন সেখানে অবস্থান করবেন। সন্ধিপত্র লিখতে গিয়ে মুসলিমরা লিখলেন, এ সন্ধিপত্র সম্পাদন করেছেন, ‘আল্লাহ্‌র রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।’ তারা (মুশরিকরা) বলল, ‘আমরা তাঁর রিসালাত স্বীকার করি না। আমরা যদি জানতাম যে, আপনি আল্লাহ্‌র রসূল তাহলে আপনাকে বাধা দিতাম না। তবে আপনি হলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌র পুত্র মুহাম্মদ।’ তিনি বললেন, ‘আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং ‘আবদুল্লাহ্‌র পুত্র মুহাম্মদ।’ অতঃপর তিনি আলী (রাঃ)–কে বললেন, আল্লাহ্‌র রসূল শব্দটি মুছে দাও। তিনি বললেন, ‘না। আল্লাহ্‌র কসম, আমি আপনাকে কখনো মুছব না।’ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন চুক্তিপত্রটি নিলেন এবং লিখলেন, ‘এ সন্ধিপত্র মুহাস্মদ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ সম্পন্ন করেন- খাপবদ্ধ অস্ত্র ব্যতীত আর কিছু নিয়ে তিনি মক্কায় প্রবেশ করবেন না। মক্কাবাসীদের কেউ তাঁর সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি বের করে নিবেন না। আর তাঁর সঙ্গীদের কেউ মক্কায় থাকতে চাইলে তাঁকে বাধা দিবেন না।’ তিনি যখন মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেল, তখন তারা এসে আলী (রাঃ)-কে বলল, ‘তোমার সঙ্গীকে আমাদের এখান হতে বের হতে বল। কেননা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন ৷ তখন হামযাহ্‌র কন্যা হে চাচা, হে চাচা, বলে তাদের পেছনে পেছনে চলল। আলী (রাঃ) তাকে হাত ধরে নিয়ে এলেন এবং ফাতিমাহকে বললেন, ‘এই নাও, তোমার চাচার মেয়েকে। আমি ওকে তুলে এনেছি।’ ‘আলী, যায়দ ও জা‘ফর (রাঃ) তাকে নেয়ার ব্যাপারে বিতর্কে প্রবৃত্ত হলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তার অধিক হক্‌দার। কারণ সে আমার চাচার মেয়ে। জা‘ফর (রাঃ) বললেন, সে আমার চাচার মেয়ে এবং তার খালা আমার স্ত্রী।’ যায়দ (রাঃ) বললেন, ‘সে আমার ভাইয়ের মেয়ে।’ অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালার পক্ষে ফয়সালা দিলেন এবং বললেন, ‘খালা মায়ের স্থান অধিকারিণী।’ আর ‘আলীকে বললেন, ‘আমি তোমার এবং তুমি আমার।’ জা‘ফরকে বললেন, ‘তুমি আকৃতি ও প্রকৃতিতে আমার সদৃশ। আর যায়দকে বললেন, ‘তুমি তো আমাদের ভাই ও আযাদকৃত গোলাম।’

حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء ـ رضى الله عنه ـ قال اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في ذي القعدة، فأبى أهل مكة أن يدعوه يدخل مكة، حتى قاضاهم على أن يقيم بها ثلاثة أيام، فلما كتبوا الكتاب كتبوا هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فقالوا لا نقر بها، فلو نعلم أنك رسول الله ما منعناك، لكن أنت محمد بن عبد الله‏.‏ قال ‏"‏ أنا رسول الله وأنا محمد بن عبد الله ‏"‏‏.‏ ثم قال لعلي ‏"‏ امح رسول الله ‏"‏‏.‏ قال لا، والله لا أمحوك أبدا، فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الكتاب، فكتب هذا ما قاضى عليه محمد بن عبد الله، لا يدخل مكة سلاح إلا في القراب، وأن لا يخرج من أهلها بأحد، إن أراد أن يتبعه، وأن لا يمنع أحدا من أصحابه أراد أن يقيم بها‏.‏ فلما دخلها، ومضى الأجل أتوا عليا، فقالوا قل لصاحبك اخرج عنا فقد مضى الأجل‏.‏ فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فتبعتهم ابنة حمزة يا عم يا عم‏.‏ فتناولها علي فأخذ بيدها، وقال لفاطمة عليها السلام دونك ابنة عمك، احمليها‏.‏ فاختصم فيها علي وزيد وجعفر، فقال علي أنا أحق بها وهى ابنة عمي‏.‏ وقال جعفر ابنة عمي وخالتها تحتي‏.‏ وقال زيد ابنة أخي‏.‏ فقضى بها النبي صلى الله عليه وسلم لخالتها‏.‏ وقال ‏"‏ الخالة بمنزلة الأم ‏"‏‏.‏ وقال لعلي ‏"‏ أنت مني وأنا منك ‏"‏‏.‏ وقال لجعفر ‏"‏ أشبهت خلقي وخلقي ‏"‏‏.‏ وقال لزيد ‏"‏ أنت أخونا ومولانا


সহিহ বুখারী > মুশরিকদের সঙ্গে সন্ধি।

সহিহ বুখারী ২৭০২

حدثنا مسدد، حدثنا بشر، حدثنا يحيى، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال انطلق عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود بن زيد إلى خيبر، وهى يومئذ صلح‏.‏

সাহ্‌ল ইব্‌নু আবূ হাসমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খায়বার সন্ধিবদ্ধ থাকাকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু সাহ্‌ল ও মুহাইয়াসা ইব্‌নু মাস‘উদ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) খায়বার গিয়েছিলেন।

সাহ্‌ল ইব্‌নু আবূ হাসমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খায়বার সন্ধিবদ্ধ থাকাকালে ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু সাহ্‌ল ও মুহাইয়াসা ইব্‌নু মাস‘উদ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) খায়বার গিয়েছিলেন।

حدثنا مسدد، حدثنا بشر، حدثنا يحيى، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال انطلق عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود بن زيد إلى خيبر، وهى يومئذ صلح‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭০০

وقال موسى بن مسعود حدثنا سفيان بن سعيد، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال صالح النبي صلى الله عليه وسلم المشركين يوم الحديبية على ثلاثة أشياء على أن من أتاه من المشركين رده إليهم، ومن أتاهم من المسلمين لم يردوه، وعلى أن يدخلها من قابل ويقيم بها ثلاثة أيام، ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح السيف والقوس ونحوه‏.‏ فجاء أبو جندل يحجل في قيوده فرده إليهم‏.‏ قال لم يذكر مؤمل عن سفيان أبا جندل وقال إلا بجلب السلاح‏.‏

বারা’ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার দিন মুশরিকদের সঙ্গে তিনটি বিষয়ে সন্ধি করেছিলেন। তা হলো- মুশরিকরা কেউ (মুসলিম হয়ে) তাঁর নিকট এলে তিনি তাকে তাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। মুসলিমদের কেউ (মুরতাদ হয়ে) তাদের নিকট গেলে তারা তাকে ফিরিয়ে দিবে না। আর তিনি আগামী বছর মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিন দিন অবস্থান করবেন। কোষবদ্ধ তরবারি, ধনুক ও এ রকম কিছু ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। ইতোমধ্যে আবূ জান্দাল (রাঃ) শিকল পরা অবস্থায় লাফিয়ে লাফিয়ে তাঁর নিকট এল। তাকে তিনি তাদের নিকট ফিরিয়ে দিলেন। (১৭৮১) আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, মুআম্মাল (রহঃ) সুফিয়ান (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আবূ জান্দালের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি “কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া” এটুকু উল্লেখ করেছেন।

বারা’ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার দিন মুশরিকদের সঙ্গে তিনটি বিষয়ে সন্ধি করেছিলেন। তা হলো- মুশরিকরা কেউ (মুসলিম হয়ে) তাঁর নিকট এলে তিনি তাকে তাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন। মুসলিমদের কেউ (মুরতাদ হয়ে) তাদের নিকট গেলে তারা তাকে ফিরিয়ে দিবে না। আর তিনি আগামী বছর মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিন দিন অবস্থান করবেন। কোষবদ্ধ তরবারি, ধনুক ও এ রকম কিছু ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। ইতোমধ্যে আবূ জান্দাল (রাঃ) শিকল পরা অবস্থায় লাফিয়ে লাফিয়ে তাঁর নিকট এল। তাকে তিনি তাদের নিকট ফিরিয়ে দিলেন। (১৭৮১) আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, মুআম্মাল (রহঃ) সুফিয়ান (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আবূ জান্দালের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি “কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া” এটুকু উল্লেখ করেছেন।

وقال موسى بن مسعود حدثنا سفيان بن سعيد، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب ـ رضى الله عنهما ـ قال صالح النبي صلى الله عليه وسلم المشركين يوم الحديبية على ثلاثة أشياء على أن من أتاه من المشركين رده إليهم، ومن أتاهم من المسلمين لم يردوه، وعلى أن يدخلها من قابل ويقيم بها ثلاثة أيام، ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح السيف والقوس ونحوه‏.‏ فجاء أبو جندل يحجل في قيوده فرده إليهم‏.‏ قال لم يذكر مؤمل عن سفيان أبا جندل وقال إلا بجلب السلاح‏.‏


সহিহ বুখারী ২৭০১

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا فليح، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج معتمرا، فحال كفار قريش بينه وبين البيت، فنحر هديه، وحلق رأسه بالحديبية، وقاضاهم على أن يعتمر العام المقبل، ولا يحمل سلاحا عليهم إلا سيوفا، ولا يقيم بها إلا ما أحبوا، فاعتمر من العام المقبل فدخلها كما كان صالحهم، فلما أقام بها ثلاثا أمروه أن يخرج فخرج‏.‏

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরার উদ্দেশে বহির্গত হলেন। কিন্তু কুরাইশ কাফিররা তাঁর ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াল। তখন তিনি হুদায়বিয়াতে তাঁর হাদী কুরবানী করলেন, তাঁর মাথা মুড়ালেন এবং তাদের সঙ্গে সন্ধি করলেন যে, আগামী বছর তিনি ‘উমরাহ করবেন আর তরবারি ব্যতীত অন্য কোন অস্ত্র বহন করবেন না। আর তারা যতদিন চাইবে তার বেশি সেখানে থাকবেন না। পরের বছর তিনি ‘উমরাহ করলেন এবং তাদের সঙ্গে সন্ধি মোতাবেক প্রবেশ করলেন। তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করলেন। তারা তাঁকে বেরিয়ে যেতে বললে, তিনি বেরিয়ে গেলেন।

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরার উদ্দেশে বহির্গত হলেন। কিন্তু কুরাইশ কাফিররা তাঁর ও বাইতুল্লাহ্‌র মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াল। তখন তিনি হুদায়বিয়াতে তাঁর হাদী কুরবানী করলেন, তাঁর মাথা মুড়ালেন এবং তাদের সঙ্গে সন্ধি করলেন যে, আগামী বছর তিনি ‘উমরাহ করবেন আর তরবারি ব্যতীত অন্য কোন অস্ত্র বহন করবেন না। আর তারা যতদিন চাইবে তার বেশি সেখানে থাকবেন না। পরের বছর তিনি ‘উমরাহ করলেন এবং তাদের সঙ্গে সন্ধি মোতাবেক প্রবেশ করলেন। তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করলেন। তারা তাঁকে বেরিয়ে যেতে বললে, তিনি বেরিয়ে গেলেন।

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا فليح، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج معتمرا، فحال كفار قريش بينه وبين البيت، فنحر هديه، وحلق رأسه بالحديبية، وقاضاهم على أن يعتمر العام المقبل، ولا يحمل سلاحا عليهم إلا سيوفا، ولا يقيم بها إلا ما أحبوا، فاعتمر من العام المقبل فدخلها كما كان صالحهم، فلما أقام بها ثلاثا أمروه أن يخرج فخرج‏.‏


সহিহ বুখারী > ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে সন্ধি।

সহিহ বুখারী ২৭০৩

حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني حميد، أن أنسا، حدثهم أن الربيع ـ وهى ابنة النضر ـ كسرت ثنية جارية، فطلبوا الأرش وطلبوا العفو، فأبوا فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم بالقصاص‏.‏ فقال أنس بن النضر أتكسر ثنية الربيع يا رسول الله لا والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنيتها فقال ‏"‏ يا أنس كتاب الله القصاص ‏"‏‏.‏ فرضي القوم وعفوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ‏"‏‏.‏ زاد الفزاري عن حميد عن أنس فرضي القوم وقبلوا الأرش‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রুবাইয়্যি বিনতে নাযর (রাঃ) এক কিশোরীর সামনের দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছিল। তারা ক্ষতিপূরণ চাইল আর অপরপক্ষ ক্ষমা চাইল। তারা অস্বীকার করল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। তিনি কিসাসের আদেশ দিলেন। আনাস ইব্‌নু নাযর (রাঃ) তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! রুবাইয়্যি-এর দাঁত ভাঙ্গা হবে? না, যিনি আপনাকে সত্য সহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম তাঁর দাঁত ভাঙ্গা হবে না।’ তিনি বললেন, ‘হে আনাস, আল্লাহ্‌র বিধান হল কিসাস।’ অতঃপর বাদীপক্ষ রাজী হয় এবং ক্ষমা করে দেয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্‌র বান্দাদের মধ্যে এমন বান্দাও রয়েছেন যে, আল্লাহ্‌র নামে কোন কসম করলে তা পূরণ করেন। ফাযারী (রহঃ) হুমায়দ (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করতে গিয়ে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন লোকেরা রাজী হল এবং ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করল।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রুবাইয়্যি বিনতে নাযর (রাঃ) এক কিশোরীর সামনের দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছিল। তারা ক্ষতিপূরণ চাইল আর অপরপক্ষ ক্ষমা চাইল। তারা অস্বীকার করল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। তিনি কিসাসের আদেশ দিলেন। আনাস ইব্‌নু নাযর (রাঃ) তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! রুবাইয়্যি-এর দাঁত ভাঙ্গা হবে? না, যিনি আপনাকে সত্য সহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম তাঁর দাঁত ভাঙ্গা হবে না।’ তিনি বললেন, ‘হে আনাস, আল্লাহ্‌র বিধান হল কিসাস।’ অতঃপর বাদীপক্ষ রাজী হয় এবং ক্ষমা করে দেয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্‌র বান্দাদের মধ্যে এমন বান্দাও রয়েছেন যে, আল্লাহ্‌র নামে কোন কসম করলে তা পূরণ করেন। ফাযারী (রহঃ) হুমায়দ (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করতে গিয়ে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন লোকেরা রাজী হল এবং ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করল।

حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني حميد، أن أنسا، حدثهم أن الربيع ـ وهى ابنة النضر ـ كسرت ثنية جارية، فطلبوا الأرش وطلبوا العفو، فأبوا فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم بالقصاص‏.‏ فقال أنس بن النضر أتكسر ثنية الربيع يا رسول الله لا والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنيتها فقال ‏"‏ يا أنس كتاب الله القصاص ‏"‏‏.‏ فرضي القوم وعفوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ‏"‏‏.‏ زاد الفزاري عن حميد عن أنس فرضي القوم وقبلوا الأرش‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00