সহিহ বুখারী > সঙ্গীদের মাঝে কাউকে হাদিয়া করা হলে সেই তার হকদার।

সহিহ বুখারী ২৬০৯

حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أخذ سنا فجاء صاحبه يتقاضاه فقال ‏"‏ إن لصاحب الحق مقالا ‏"‏‏.‏ ثم قضاه أفضل من سنه وقال ‏"‏ أفضلكم أحسنكم قضاء ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দিষ্ট বয়সের একটি উট ধার নিয়েছিলেন। কিছুদিন পর উটের মালিক এসে তাগাদা দিল। সাহাবীগণও তাকে কিছু বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, পাওনাদারদের কিছু বলার হক আছে। অতঃপর তিনি তাকে তার উটের চেয়ে উত্তম উট পরিশোধ করলেন এবং বললেন, ভালভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দিষ্ট বয়সের একটি উট ধার নিয়েছিলেন। কিছুদিন পর উটের মালিক এসে তাগাদা দিল। সাহাবীগণও তাকে কিছু বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, পাওনাদারদের কিছু বলার হক আছে। অতঃপর তিনি তাকে তার উটের চেয়ে উত্তম উট পরিশোধ করলেন এবং বললেন, ভালভাবে ঋণ পরিশোধকারী ব্যক্তিই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।

حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أخذ سنا فجاء صاحبه يتقاضاه فقال ‏"‏ إن لصاحب الحق مقالا ‏"‏‏.‏ ثم قضاه أفضل من سنه وقال ‏"‏ أفضلكم أحسنكم قضاء ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬১০

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن عمرو، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فكان على بكر لعمر صعب، فكان يتقدم النبي صلى الله عليه وسلم فيقول أبوه يا عبد الله لا يتقدم النبي صلى الله عليه وسلم أحد‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بعنيه ‏"‏‏.‏ فقال عمر هو لك‏.‏ فاشتراه ثم قال ‏"‏ هو لك يا عبد الله، فاصنع به ما شئت ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) একটি বেয়াড়া উটে সাওয়ার ছিলেন। উটটি বারবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগে যাচ্ছিল। আর তার পিতা ‘উমার (রাঃ) তাকে বলছিলেন, হে ‘আবদুল্লাহ! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগে চলা কারো জন্য উচিত নয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন এটা আমার নিকট বিক্রয় কর। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এটাতো আপনার। তখন তিনি সেটা ক্রয় করে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! এটা তোমার। কাজেই এটা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পার।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) একটি বেয়াড়া উটে সাওয়ার ছিলেন। উটটি বারবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগে যাচ্ছিল। আর তার পিতা ‘উমার (রাঃ) তাকে বলছিলেন, হে ‘আবদুল্লাহ! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগে চলা কারো জন্য উচিত নয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন এটা আমার নিকট বিক্রয় কর। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এটাতো আপনার। তখন তিনি সেটা ক্রয় করে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! এটা তোমার। কাজেই এটা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পার।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن عمرو، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فكان على بكر لعمر صعب، فكان يتقدم النبي صلى الله عليه وسلم فيقول أبوه يا عبد الله لا يتقدم النبي صلى الله عليه وسلم أحد‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بعنيه ‏"‏‏.‏ فقال عمر هو لك‏.‏ فاشتراه ثم قال ‏"‏ هو لك يا عبد الله، فاصنع به ما شئت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > উষ্ট্রারোহীকে সেই উষ্ট্রটি দান করা হলে তা বৈধ।

সহিহ বুখারী ২৬১১

وقال الحميدي حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، وكنت على بكر صعب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعمر ‏"‏ بعنيه ‏"‏‏.‏ فابتاعه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد الله ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম আর আমি (আমার পিতার) একটি বেয়াড়া উটের উপর সাওয়ার ছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমরকে বললেন, এটা আমার নিকট বেচে দাও। তিনি তা বেচে দিলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ, এটা তোমার।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম আর আমি (আমার পিতার) একটি বেয়াড়া উটের উপর সাওয়ার ছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমরকে বললেন, এটা আমার নিকট বেচে দাও। তিনি তা বেচে দিলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ, এটা তোমার।

وقال الحميدي حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، وكنت على بكر صعب فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعمر ‏"‏ بعنيه ‏"‏‏.‏ فابتاعه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هو لك يا عبد الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > পরিধেয় হিসেবে অপছন্দনীয় কিছু হাদিয়া দেয়া।

সহিহ বুখারী ২৬১৪

حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت زيد بن وهب، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال أهدى إلى النبي صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فلبستها، فرأيت الغضب في وجهه، فشققتها بين نسائي‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন। আমি তা পরিধান করলাম। তাঁর মুখমণ্ডলে গোস্বার ভাব দেখতে পেয়ে আমি আমার মহিলাদের মাঝে তা ভাগ করে দিয়ে দিলাম।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন। আমি তা পরিধান করলাম। তাঁর মুখমণ্ডলে গোস্বার ভাব দেখতে পেয়ে আমি আমার মহিলাদের মাঝে তা ভাগ করে দিয়ে দিলাম।

حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا شعبة، قال أخبرني عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت زيد بن وهب، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال أهدى إلى النبي صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فلبستها، فرأيت الغضب في وجهه، فشققتها بين نسائي‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬১২

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأى عمر بن الخطاب حلة سيراء عند باب المسجد فقال يا رسول الله لو اشتريتها فلبستها يوم الجمعة وللوفد قال ‏"‏ إنما يلبسها من لا خلاق له في الآخرة ‏"‏‏.‏ ثم جاءت حلل فأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم عمر منها حلة، وقال أكسوتنيها وقلت في حلة عطارد ما قلت‏.‏ فقال ‏"‏ إني لم أكسكها لتلبسها ‏"‏‏.‏ فكسا عمر أخا له بمكة مشركا‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) মাসজিদের দ্বার প্রান্তে একজোড়া রেশমী বস্ত্র দেখে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটা যদি আপনি ক্রয় করে নেন এবং তা জুমু‘আর দিনে ও প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতেন। তখন তিনি বললেন, এতো সে-ই পরিধান করে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। পরে কিছু রেশমী জোড়া আসলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান থেকে ‘উমার (রাঃ) -কে এক জোড়া দান করলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনি এটা আমাকে পরিধান করতে দিলেন অথচ (আগে) রেশমী কাপড় সম্পর্কে আপনি যা বলার বলেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমিতো এটা তোমাকে পরিধানের জন্য দেইনি। তখন ‘উমার (রাঃ) তা মক্কার তার এক মুশরিক ভাইকে দিয়ে দিলেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) মাসজিদের দ্বার প্রান্তে একজোড়া রেশমী বস্ত্র দেখে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটা যদি আপনি ক্রয় করে নেন এবং তা জুমু‘আর দিনে ও প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতেন। তখন তিনি বললেন, এতো সে-ই পরিধান করে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। পরে কিছু রেশমী জোড়া আসলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান থেকে ‘উমার (রাঃ) -কে এক জোড়া দান করলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আপনি এটা আমাকে পরিধান করতে দিলেন অথচ (আগে) রেশমী কাপড় সম্পর্কে আপনি যা বলার বলেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমিতো এটা তোমাকে পরিধানের জন্য দেইনি। তখন ‘উমার (রাঃ) তা মক্কার তার এক মুশরিক ভাইকে দিয়ে দিলেন।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأى عمر بن الخطاب حلة سيراء عند باب المسجد فقال يا رسول الله لو اشتريتها فلبستها يوم الجمعة وللوفد قال ‏"‏ إنما يلبسها من لا خلاق له في الآخرة ‏"‏‏.‏ ثم جاءت حلل فأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم عمر منها حلة، وقال أكسوتنيها وقلت في حلة عطارد ما قلت‏.‏ فقال ‏"‏ إني لم أكسكها لتلبسها ‏"‏‏.‏ فكسا عمر أخا له بمكة مشركا‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬১৩

حدثنا محمد بن جعفر أبو جعفر، حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم بيت فاطمة فلم يدخل عليها، وجاء علي فذكرت له ذلك فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إني رأيت على بابها سترا موشيا ‏"‏‏.‏ فقال ‏"‏ ما لي وللدنيا ‏"‏‏.‏ فأتاها علي فذكر ذلك لها فقالت ليأمرني فيه بما شاء‏.‏ قال ترسل به إلى فلان‏.‏ أهل بيت بهم حاجة‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ফাতিমাহ্‌র ঘরে গেলেন। কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করলেন না। ‘আলী (রাঃ) ঘরে এলে ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) তাকে ঘটনা জানালেন। তিনি আবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি নিবেদন করলেন। তখন তিনি বললেন, আমি তার দরজায় নকশা করা পর্দা ঝুলতে দেখেছি। দুনিয়ার চাকচিক্যের সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক? ‘আলী (রাঃ) ফাতিমাহ্‌র নিকট এসে ঘটনা খুলে বললেন। ফাতিমাহ (রাঃ) বললেন, তিনি আমাকে এ সম্পর্কে যা ইচ্ছা নির্দেশ দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অমুক পরিবারের অমুকের নিকট এটা পাঠিয়ে দাও; তাদের প্রয়োজন আছে।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ফাতিমাহ্‌র ঘরে গেলেন। কিন্তু ভিতরে প্রবেশ করলেন না। ‘আলী (রাঃ) ঘরে এলে ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) তাকে ঘটনা জানালেন। তিনি আবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি নিবেদন করলেন। তখন তিনি বললেন, আমি তার দরজায় নকশা করা পর্দা ঝুলতে দেখেছি। দুনিয়ার চাকচিক্যের সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক? ‘আলী (রাঃ) ফাতিমাহ্‌র নিকট এসে ঘটনা খুলে বললেন। ফাতিমাহ (রাঃ) বললেন, তিনি আমাকে এ সম্পর্কে যা ইচ্ছা নির্দেশ দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অমুক পরিবারের অমুকের নিকট এটা পাঠিয়ে দাও; তাদের প্রয়োজন আছে।

حدثنا محمد بن جعفر أبو جعفر، حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم بيت فاطمة فلم يدخل عليها، وجاء علي فذكرت له ذلك فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إني رأيت على بابها سترا موشيا ‏"‏‏.‏ فقال ‏"‏ ما لي وللدنيا ‏"‏‏.‏ فأتاها علي فذكر ذلك لها فقالت ليأمرني فيه بما شاء‏.‏ قال ترسل به إلى فلان‏.‏ أهل بيت بهم حاجة‏.‏


সহিহ বুখারী > মুশরিকদের দেয়া হাদিয়া গ্রহণ করা

সহিহ বুখারী ২৬১৫

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أهدي للنبي صلى الله عليه وسلم جبة سندس، وكان ينهى عن الحرير، فعجب الناس منها فقال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده لمناديل سعد بن معاذ في الجنة أحسن من هذا ‏"‏‏.‏ وقال سعيد عن قتادة، عن أنس، إن أكيدر دومة أهدى إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একটি রেশমী জুব্বা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। এতে সহাবীগন খুশী হলেন। তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একটি রেশমী জুব্বা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। এতে সহাবীগন খুশী হলেন। তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أهدي للنبي صلى الله عليه وسلم جبة سندس، وكان ينهى عن الحرير، فعجب الناس منها فقال ‏ "‏ والذي نفس محمد بيده لمناديل سعد بن معاذ في الجنة أحسن من هذا ‏"‏‏.‏ وقال سعيد عن قتادة، عن أنس، إن أكيدر دومة أهدى إلى النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬১৬

See previous Hadith

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দুমার উকাইদির নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাদিয়া দিয়েছিলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দুমার উকাইদির নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাদিয়া দিয়েছিলেন।

See previous Hadith


সহিহ বুখারী ২৬১৭

حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن يهودية، أتت النبي صلى الله عليه وسلم بشاة مسمومة، فأكل منها فجيء بها فقيل ألا نقتلها‏.‏ قال ‏ "‏ لا ‏"‏‏.‏ فما زلت أعرفها في لهوات رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে বিষ মিশানো বকরী নিয়ে এল। সেখান হতে কিছু অংশ তিনি খেলেন, অতঃপর মহিলাকে হাযির করা হল। তখন বলা হল, আপনি কি একে হত্যা করবেন না? তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালুতে আমি বরাবরই বিষক্রিয়ার আলামত দেখতে পেতাম।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে বিষ মিশানো বকরী নিয়ে এল। সেখান হতে কিছু অংশ তিনি খেলেন, অতঃপর মহিলাকে হাযির করা হল। তখন বলা হল, আপনি কি একে হত্যা করবেন না? তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালুতে আমি বরাবরই বিষক্রিয়ার আলামত দেখতে পেতাম।

حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أن يهودية، أتت النبي صلى الله عليه وسلم بشاة مسمومة، فأكل منها فجيء بها فقيل ألا نقتلها‏.‏ قال ‏ "‏ لا ‏"‏‏.‏ فما زلت أعرفها في لهوات رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ২৬১৮

حدثنا أبو النعمان، حدثنا المعتمر بن سليمان، عن أبيه، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل مع أحد منكم طعام ‏"‏‏.‏ فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه، فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بيعا أم عطية ـ أو قال ـ أم هبة ‏"‏‏.‏ قال لا، بل بيع‏.‏ فاشترى منه شاة، فصنعت وأمر النبي صلى الله عليه وسلم بسواد البطن أن يشوى، وايم الله ما في الثلاثين والمائة إلا قد حز النبي صلى الله عليه وسلم له حزة من سواد بطنها، إن كان شاهدا أعطاها إياه، وإن كان غائبا خبأ له، فجعل منها قصعتين، فأكلوا أجمعون، وشبعنا، ففضلت القصعتان، فحملناه على البعير‏.‏ أو كما قال‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা একশ’ ত্রিশজন ব্যক্তি ছিলাম। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কারো সঙ্গে কি খাবার আছে? দেখা গেল, এক ব্যক্তির সঙ্গে এক সা’ কিংবা তার কমবেশী পরিমাণ খাদ্য আছে। সে আটা গোলানো হল। অতঃপর দীর্ঘ দেহী এলোমেলো চুলওয়ালা এক মুশরিক এক পাল বকরী হাঁকিয়ে নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন- বিক্রি করবে, না উপহার দিবে? সে বলল : না, বরং বিক্রি করব। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট হতে একটা বকরী কিনে নিলেন। সেটাকে যব্‌হ করা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বকরীর কলিজা ভুনা করার আদেশ দিলেন। আল্লাহর কসম! একশ’ ত্রিশজনের প্রত্যেককে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই কলিজার কিছু কিছু করে দিলেন। উপস্থিতদের হাতে দিলেন; আর অনুপস্থিত ছিল তার জন্য তুলে রাখলেন। অতঃপর দু’টি পাত্রে তিনি গোশত ভাগ করে রাখলেন। সবাই পরিতৃপ্ত হয়ে খেল। আর উভয় পাত্রে কিছু উদ্বৃত্ত রয়ে গেল। সেগুলো আমরা উটের পিঠে উঠিয়ে নিলাম। অথবা রাবী যা বললেন।

‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমরা একশ’ ত্রিশজন ব্যক্তি ছিলাম। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কারো সঙ্গে কি খাবার আছে? দেখা গেল, এক ব্যক্তির সঙ্গে এক সা’ কিংবা তার কমবেশী পরিমাণ খাদ্য আছে। সে আটা গোলানো হল। অতঃপর দীর্ঘ দেহী এলোমেলো চুলওয়ালা এক মুশরিক এক পাল বকরী হাঁকিয়ে নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন- বিক্রি করবে, না উপহার দিবে? সে বলল : না, বরং বিক্রি করব। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট হতে একটা বকরী কিনে নিলেন। সেটাকে যব্‌হ করা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বকরীর কলিজা ভুনা করার আদেশ দিলেন। আল্লাহর কসম! একশ’ ত্রিশজনের প্রত্যেককে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই কলিজার কিছু কিছু করে দিলেন। উপস্থিতদের হাতে দিলেন; আর অনুপস্থিত ছিল তার জন্য তুলে রাখলেন। অতঃপর দু’টি পাত্রে তিনি গোশত ভাগ করে রাখলেন। সবাই পরিতৃপ্ত হয়ে খেল। আর উভয় পাত্রে কিছু উদ্বৃত্ত রয়ে গেল। সেগুলো আমরা উটের পিঠে উঠিয়ে নিলাম। অথবা রাবী যা বললেন।

حدثنا أبو النعمان، حدثنا المعتمر بن سليمان، عن أبيه، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل مع أحد منكم طعام ‏"‏‏.‏ فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه، فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بيعا أم عطية ـ أو قال ـ أم هبة ‏"‏‏.‏ قال لا، بل بيع‏.‏ فاشترى منه شاة، فصنعت وأمر النبي صلى الله عليه وسلم بسواد البطن أن يشوى، وايم الله ما في الثلاثين والمائة إلا قد حز النبي صلى الله عليه وسلم له حزة من سواد بطنها، إن كان شاهدا أعطاها إياه، وإن كان غائبا خبأ له، فجعل منها قصعتين، فأكلوا أجمعون، وشبعنا، ففضلت القصعتان، فحملناه على البعير‏.‏ أو كما قال‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00