সহিহ বুখারী > স্বামী আছে এমন নারীর স্বামী ব্যতীত অন্যের জন্য হিবা করা বা দাস মুক্ত করা। নির্বোধ না হলে বৈধ, নির্বোধ হলে অবৈধ।

সহিহ বুখারী ২৫৯০

حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله، عن أسماء ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله ما لي مال إلا ما أدخل على الزبير فأتصدق‏.‏ قال ‏ "‏ تصدقي، ولا توعي فيوعى عليك ‏"‏‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যুবায়ের (রাঃ) আমার নিকট যে সম্পদ রাখেন, সেগুলো ছাড়া আমার নিজের কোন সম্পদ নেই। এমতাবস্থায় আমি কি সদকা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ সদকা করতে পার। লুকিয়ে রাখবে না। তাহলে তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখা হবে।

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যুবায়ের (রাঃ) আমার নিকট যে সম্পদ রাখেন, সেগুলো ছাড়া আমার নিজের কোন সম্পদ নেই। এমতাবস্থায় আমি কি সদকা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ সদকা করতে পার। লুকিয়ে রাখবে না। তাহলে তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখা হবে।

حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله، عن أسماء ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله ما لي مال إلا ما أدخل على الزبير فأتصدق‏.‏ قال ‏ "‏ تصدقي، ولا توعي فيوعى عليك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৫৯১

حدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا هشام بن عروة، عن فاطمة، عن أسماء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أنفقي ولا تحصي فيحصي الله عليك، ولا توعي فيوعي الله عليك ‏"‏‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খরচ কর, আর হিসাব করতে যেওনা, তাহলে আল্লাহ্‌ তোমার বেলায় হিসাব করে দিবেন। লুকিয়ে রেখ না, নইলে আল্লাহও তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখবেন।

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খরচ কর, আর হিসাব করতে যেওনা, তাহলে আল্লাহ্‌ তোমার বেলায় হিসাব করে দিবেন। লুকিয়ে রেখ না, নইলে আল্লাহও তোমার ব্যাপারে লুকিয়ে রাখবেন।

حدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا هشام بن عروة، عن فاطمة، عن أسماء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أنفقي ولا تحصي فيحصي الله عليك، ولا توعي فيوعي الله عليك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৫৯৩

حدثنا حبان بن موسى، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد سفرا أقرع بين نسائه، فأيتهن خرج سهمها خرج بها معه، وكان يقسم لكل امرأة منهن يومها وليلتها، غير أن سودة بنت زمعة وهبت يومها وليلتها، لعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تبتغي بذلك رضا رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের মনস্থ করলে স্ত্রীগণের মধ্যে কুরআর ব্যবস্থা করতেন। যার নাম আসত তিনি তাঁকে নিয়েই সফরে বের হতেন। এছাড়া প্রত্যেক স্ত্রীর জন্য একদিন একরাত নির্দিষ্ট করে দিতেন। তবে সাওদা বিনতে যাম‘আহ (রাঃ) নিজের দিন ও রাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) -কে দান করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টি কামনা করতেন।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের মনস্থ করলে স্ত্রীগণের মধ্যে কুরআর ব্যবস্থা করতেন। যার নাম আসত তিনি তাঁকে নিয়েই সফরে বের হতেন। এছাড়া প্রত্যেক স্ত্রীর জন্য একদিন একরাত নির্দিষ্ট করে দিতেন। তবে সাওদা বিনতে যাম‘আহ (রাঃ) নিজের দিন ও রাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) -কে দান করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টি কামনা করতেন।

حدثنا حبان بن موسى، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد سفرا أقرع بين نسائه، فأيتهن خرج سهمها خرج بها معه، وكان يقسم لكل امرأة منهن يومها وليلتها، غير أن سودة بنت زمعة وهبت يومها وليلتها، لعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تبتغي بذلك رضا رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ২৫৯২

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن يزيد، عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس أن ميمونة بنت الحارث ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أنها، أعتقت وليدة ولم تستأذن النبي صلى الله عليه وسلم، فلما كان يومها الذي يدور عليها فيه قالت أشعرت يا رسول الله أني أعتقت وليدتي قال ‏"‏ أوفعلت ‏"‏‏.‏ قالت نعم‏.‏ قال ‏"‏ أما إنك لو أعطيتيها أخوالك كان أعظم لأجرك ‏"‏‏.‏ وقال بكر بن مضر عن عمرو عن بكير عن كريب إن ميمونة أعتقت.

মায়মূনাহ বিনতে হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুমতি ব্যতীত তিনি আপন বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। অতঃপর তার ঘরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -র অবস্থানের দিন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি জানেন না আমি আমার বাঁদী মুক্ত করে দিয়েছি? তিনি বললেন, তুমি কি তা করেছ? মায়মূনাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, শুন! তুমি যদি তোমার মামাদেরকে এটা দান করতে তাহলে তোমার জন্য বেশি নেকির কাজ হত। (২৫৯৪) অন্য সনদে বাকর ইবনু মুযার (রহঃ) ----কুরায়ব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, মায়মূনাহ (রাঃ) গোলাম মুক্ত করেছেন।

মায়মূনাহ বিনতে হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুমতি ব্যতীত তিনি আপন বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। অতঃপর তার ঘরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -র অবস্থানের দিন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি জানেন না আমি আমার বাঁদী মুক্ত করে দিয়েছি? তিনি বললেন, তুমি কি তা করেছ? মায়মূনাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, শুন! তুমি যদি তোমার মামাদেরকে এটা দান করতে তাহলে তোমার জন্য বেশি নেকির কাজ হত। (২৫৯৪) অন্য সনদে বাকর ইবনু মুযার (রহঃ) ----কুরায়ব (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, মায়মূনাহ (রাঃ) গোলাম মুক্ত করেছেন।

حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن يزيد، عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس أن ميمونة بنت الحارث ـ رضى الله عنها ـ أخبرته أنها، أعتقت وليدة ولم تستأذن النبي صلى الله عليه وسلم، فلما كان يومها الذي يدور عليها فيه قالت أشعرت يا رسول الله أني أعتقت وليدتي قال ‏"‏ أوفعلت ‏"‏‏.‏ قالت نعم‏.‏ قال ‏"‏ أما إنك لو أعطيتيها أخوالك كان أعظم لأجرك ‏"‏‏.‏ وقال بكر بن مضر عن عمرو عن بكير عن كريب إن ميمونة أعتقت.


সহিহ বুখারী > প্রথমে হাদিয়া দিয়ে শুরু করবে।

সহিহ বুখারী ২৫৯৪

وقال بكر عن عمرو، عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس إن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أعتقت وليدة لها فقال لها ‏ "‏ ولو وصلت بعض أخوالك كان أعظم لأجرك

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী মায়মূনাহ (রাঃ) তাঁর এক বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাঁকে বললেন, তুমি যদি একে তোমার মামাদের কাউকে দিয়ে দিতে তবে তোমার অধিক পুণ্য হত।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী মায়মূনাহ (রাঃ) তাঁর এক বাঁদীকে মুক্ত করে দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন তাঁকে বললেন, তুমি যদি একে তোমার মামাদের কাউকে দিয়ে দিতে তবে তোমার অধিক পুণ্য হত।

وقال بكر عن عمرو، عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس إن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أعتقت وليدة لها فقال لها ‏ "‏ ولو وصلت بعض أخوالك كان أعظم لأجرك


সহিহ বুখারী ২৫৯৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران الجوني، عن طلحة بن عبد الله ـ رجل من بني تيم بن مرة ـ عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله، إن لي جارين فإلى أيهما أهدي قال ‏ "‏ إلى أقربهما منك بابا ‏"‏‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। এ দু’জনের কাকে আমি হাদিয়া দিব? তিনি ইরশাদ করলেন, এ দু’জনের মাঝে যার দরজা তোমার বেশি নিকটে।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। এ দু’জনের কাকে আমি হাদিয়া দিব? তিনি ইরশাদ করলেন, এ দু’জনের মাঝে যার দরজা তোমার বেশি নিকটে।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران الجوني، عن طلحة بن عبد الله ـ رجل من بني تيم بن مرة ـ عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قلت يا رسول الله، إن لي جارين فإلى أيهما أهدي قال ‏ "‏ إلى أقربهما منك بابا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কারণবশতঃ হাদিয়া কবুল না করা।

সহিহ বুখারী ২৫৯৬

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أنه، سمع الصعب بن جثامة الليثي،، وكان، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يخبر أنه أهدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم حمار وحش وهو بالأبواء ـ أو بودان ـ وهو محرم فرده، قال صعب فلما عرف في وجهي رده هديتي قال ‏ "‏ ليس بنا رد عليك، ولكنا حرم ‏"‏‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহাবী সা‘আব ইবনু জাস্‌সামা লাইসী (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তিনি একটি বন্য গাধা হাদিয়া দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ইহরাম অবস্থায় আবওয়াহ কিংবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। কাজেই তিনি সেটা ফিরিয়ে দিলেন। সা‘আব (রাঃ) বলেন, যখন তিনি আমার চেহারায় হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়ার ছাপ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে তোমার হাদিয়া ফিরিয়ে দিতাম না।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহাবী সা‘আব ইবনু জাস্‌সামা লাইসী (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তিনি একটি বন্য গাধা হাদিয়া দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি ইহরাম অবস্থায় আবওয়াহ কিংবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। কাজেই তিনি সেটা ফিরিয়ে দিলেন। সা‘আব (রাঃ) বলেন, যখন তিনি আমার চেহারায় হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়ার ছাপ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় না থাকলে তোমার হাদিয়া ফিরিয়ে দিতাম না।

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أخبره أنه، سمع الصعب بن جثامة الليثي،، وكان، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يخبر أنه أهدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم حمار وحش وهو بالأبواء ـ أو بودان ـ وهو محرم فرده، قال صعب فلما عرف في وجهي رده هديتي قال ‏ "‏ ليس بنا رد عليك، ولكنا حرم ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী ২৫৯৭

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن أبي حميد الساعدي ـ رضى الله عنه ـ قال استعمل النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من الأزد يقال له ابن اللتبية على الصدقة، فلما قدم قال هذا لكم، وهذا أهدي لي‏.‏ قال ‏ "‏ فهلا جلس في بيت أبيه أو بيت أمه، فينظر يهدى له أم لا والذي نفسي بيده لا يأخذ أحد منه شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على رقبته، إن كان بعيرا له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ـ ثم رفع بيده، حتى رأينا عفرة إبطيه ـ اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت ثلاثا ‏"‏‏.‏

আবূ হুমায়দ সা‘ইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযদ গোত্রের ইবনু উতবিয়া নামের এক লোককে সদকা সংগ্রহের কাজে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি ফিরে এসে বললেন, এগুলো আপনাদের আর এগুলো আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তার বাবার ঘরে কিংবা তার মায়ের ঘরে কেন বসে থাকল না। তখন সে দেখতে পেত, তাকে কেউ হাদিয়া দেয় কি দেয়না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, সদকার মাল হতে স্বল্প পরিমাণও যে আত্মসাৎ করবে, সে তা কাঁধে করে কিয়ামাত দিবসে উপস্থিত হবে। সেটা উট হলে তার আওয়াজ করবে, আর গাভী হলে হাম্বা হাম্বা রব করবে আর বকরী হলে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে থাকবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’হাত এই পরিমাণ উঠালেন যে, আমরা তার দুই বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি তিনবার বললেন, হে আল্লাহ্‌! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি। হে আল্লাহ্‌ আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?

আবূ হুমায়দ সা‘ইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযদ গোত্রের ইবনু উতবিয়া নামের এক লোককে সদকা সংগ্রহের কাজে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি ফিরে এসে বললেন, এগুলো আপনাদের আর এগুলো আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে তার বাবার ঘরে কিংবা তার মায়ের ঘরে কেন বসে থাকল না। তখন সে দেখতে পেত, তাকে কেউ হাদিয়া দেয় কি দেয়না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম, সদকার মাল হতে স্বল্প পরিমাণও যে আত্মসাৎ করবে, সে তা কাঁধে করে কিয়ামাত দিবসে উপস্থিত হবে। সেটা উট হলে তার আওয়াজ করবে, আর গাভী হলে হাম্বা হাম্বা রব করবে আর বকরী হলে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে থাকবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’হাত এই পরিমাণ উঠালেন যে, আমরা তার দুই বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি তিনবার বললেন, হে আল্লাহ্‌! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি। হে আল্লাহ্‌ আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن أبي حميد الساعدي ـ رضى الله عنه ـ قال استعمل النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من الأزد يقال له ابن اللتبية على الصدقة، فلما قدم قال هذا لكم، وهذا أهدي لي‏.‏ قال ‏ "‏ فهلا جلس في بيت أبيه أو بيت أمه، فينظر يهدى له أم لا والذي نفسي بيده لا يأخذ أحد منه شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على رقبته، إن كان بعيرا له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ـ ثم رفع بيده، حتى رأينا عفرة إبطيه ـ اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت ثلاثا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > হাদিয়া পাঠিয়ে দিয়ে বা হাদিয়া পাঠিয়ে দেয়ার ওয়াদা করে তা পৌঁছানোর পূর্বেই মৃত্যু হলে।

সহিহ বুখারী ২৫৯৮

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ابن المنكدر، سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو جاء مال البحرين أعطيتك هكذا ثلاثا ‏"‏‏.‏ فلم يقدم حتى توفي النبي صلى الله عليه وسلم، فأمر أبو بكر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم عدة أو دين فليأتنا‏.‏ فأتيته فقلت إن النبي صلى الله عليه وسلم وعدني‏.‏ فحثى لي ثلاثا‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইন হতে মাল এসে পৌঁছলে তোমাকে আমি এভাবে তিনবার দিব, কিন্তু মাল আসার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু হল। পরে আবূ বক্‌র (রাঃ) ঘোষককে ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কারো জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকলে কিংবা কারো কোন ঋণ থাকলে সে যেন আমার নিকট আসে। এ ঘোষণা শুনে আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন তিনি আমাকে আঁজলা ভরে তিনবার দিলেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, বাহরাইন হতে মাল এসে পৌঁছলে তোমাকে আমি এভাবে তিনবার দিব, কিন্তু মাল আসার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু হল। পরে আবূ বক্‌র (রাঃ) ঘোষককে ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কারো জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকলে কিংবা কারো কোন ঋণ থাকলে সে যেন আমার নিকট আসে। এ ঘোষণা শুনে আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তখন তিনি আমাকে আঁজলা ভরে তিনবার দিলেন।

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ابن المنكدر، سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو جاء مال البحرين أعطيتك هكذا ثلاثا ‏"‏‏.‏ فلم يقدم حتى توفي النبي صلى الله عليه وسلم، فأمر أبو بكر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم عدة أو دين فليأتنا‏.‏ فأتيته فقلت إن النبي صلى الله عليه وسلم وعدني‏.‏ فحثى لي ثلاثا‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00