সহিহ বুখারী > মাযলুমের বদ-দোয়াকে ভয় করা এবং তা থেকে বেঁচে থাকা।

সহিহ বুখারী ২৪৪৮

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا وكيع، حدثنا زكرياء بن إسحاق المكي، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن، فقال ‏ "‏ اتق دعوة المظلوم، فإنها ليس بينها وبين الله حجاب ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান এবং তাকে বলেন, মাযলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা, তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান এবং তাকে বলেন, মাযলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা, তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا وكيع، حدثنا زكرياء بن إسحاق المكي، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن، فقال ‏ "‏ اتق دعوة المظلوم، فإنها ليس بينها وبين الله حجاب ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কেউ কারো উপর জুলুম করে এবং মাযলুম ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দেয় এর পরও সে অত্যাচারের কথা প্রকাশ করতে পারবে কি ?

সহিহ বুখারী ২৪৪৯

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كانت له مظلمة لأحد من عرضه أو شىء فليتحلله منه اليوم، قبل أن لا يكون دينار ولا درهم، إن كان له عمل صالح أخذ منه بقدر مظلمته، وإن لم تكن له حسنات أخذ من سيئات صاحبه فحمل عليه ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله قال إسماعيل بن أبي أويس إنما سمي المقبري لأنه كان نزل ناحية المقابر‏.‏ قال أبو عبد الله وسعيد المقبري هو مولى بني ليث، وهو سعيد بن أبي سعيد، واسم أبي سعيد كيسان‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুমের জন্য দায়ী থাকে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোন দীনার বা দিরহাম থাকবে না। সে দিন তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট থেকে নেয়া হবে আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, ইসমাঈল ইবনু উয়াইস (রহঃ) বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ) কবরস্থানের পার্শ্বে অবস্থান করতেন বলে আল-মাকবুরী বলা হত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) এও বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী হলেন বনূ লাইসের আযাদকৃত গোলাম। ইনি হলেন সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ। আর আবূ সাঈদের নাম হলো কায়সান।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুমের জন্য দায়ী থাকে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোন দীনার বা দিরহাম থাকবে না। সে দিন তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট থেকে নেয়া হবে আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, ইসমাঈল ইবনু উয়াইস (রহঃ) বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ) কবরস্থানের পার্শ্বে অবস্থান করতেন বলে আল-মাকবুরী বলা হত। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) এও বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী হলেন বনূ লাইসের আযাদকৃত গোলাম। ইনি হলেন সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ। আর আবূ সাঈদের নাম হলো কায়সান।

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كانت له مظلمة لأحد من عرضه أو شىء فليتحلله منه اليوم، قبل أن لا يكون دينار ولا درهم، إن كان له عمل صالح أخذ منه بقدر مظلمته، وإن لم تكن له حسنات أخذ من سيئات صاحبه فحمل عليه ‏"‏‏.‏ قال أبو عبد الله قال إسماعيل بن أبي أويس إنما سمي المقبري لأنه كان نزل ناحية المقابر‏.‏ قال أبو عبد الله وسعيد المقبري هو مولى بني ليث، وهو سعيد بن أبي سعيد، واسم أبي سعيد كيسان‏.‏


সহিহ বুখারী > যদি কেউ কারো যুল্‌ম বা অন্যায় মাফ করে দেয়, তবে সেই যুল্‌মের জন্য পুনরায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা চলবে না।

সহিহ বুখারী ২৪৫০

حدثنا محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها – ‏{‏وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا أو إعراضا‏}‏ قالت الرجل تكون عنده المرأة، ليس بمستكثر منها، يريد أن يفارقها، فتقول أجعلك من شأني في حل‏.‏ فنزلت هذه الآية في ذلك‏.

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“কোন স্ত্রী যদি স্বামীর অবজ্ঞা ও উপেক্ষার ভয় করে” - (আন-নিসা : ১২৮) আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে বেশি যাওয়া-আসা করত না বরং তাকে পরিত্যাগ অর্থাৎ তালাক দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করত। [১৯] এ অবস্থায় স্ত্রী বলল, আমি তোমাকে আমার ব্যাপারে দায়মুক্ত করে দিলাম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“কোন স্ত্রী যদি স্বামীর অবজ্ঞা ও উপেক্ষার ভয় করে” - (আন-নিসা : ১২৮) আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে বেশি যাওয়া-আসা করত না বরং তাকে পরিত্যাগ অর্থাৎ তালাক দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করত। [১৯] এ অবস্থায় স্ত্রী বলল, আমি তোমাকে আমার ব্যাপারে দায়মুক্ত করে দিলাম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।

حدثنا محمد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها – ‏{‏وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا أو إعراضا‏}‏ قالت الرجل تكون عنده المرأة، ليس بمستكثر منها، يريد أن يفارقها، فتقول أجعلك من شأني في حل‏.‏ فنزلت هذه الآية في ذلك‏.


সহিহ বুখারী > যদি কোন ব্যক্তি কাউকে কোন বিষয়ে অনুমতি প্রদান করে, তাকে মাফ করে, কিন্তু কি পরিমাণ ক্ষমা করল বা কতটুকুর জন্য অনুমতি প্রদান করল তা উল্লেখ না করে।

সহিহ বুখারী ২৪৫১

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي بشراب، فشرب منه وعن يمينه غلام وعن يساره الأشياخ، فقال للغلام ‏ "‏ أتأذن لي أن أعطي هؤلاء ‏"‏‏.‏ فقال الغلام لا والله يا رسول الله لا أوثر بنصيبي منك أحدا‏.‏ قال فتله رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده‏.‏

সাহল ইবনু সা‘দ সায়াদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু পানীয় দ্রব্য আনা হল। তিনি তা থেকে কিছুটা পান করলেন। তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডান দিকে বসা ছিল একটি বালক, আর বাম দিকে ছিলেন বয়োজ্যেষ্ঠরা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বালকটিকে বললেন, এ বয়োজ্যেষ্ঠদেরকে দেয়ার জন্য তুমি আমাকে অনুমতি দিবে কি? তখন বালকটি বলল, না, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! আমি আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য আমার অংশে কাউকে অগ্রাধিকার দিব না। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানির পেয়ালাটা তার হাতে ঠেলে দিলেন।

সাহল ইবনু সা‘দ সায়াদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু পানীয় দ্রব্য আনা হল। তিনি তা থেকে কিছুটা পান করলেন। তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডান দিকে বসা ছিল একটি বালক, আর বাম দিকে ছিলেন বয়োজ্যেষ্ঠরা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বালকটিকে বললেন, এ বয়োজ্যেষ্ঠদেরকে দেয়ার জন্য তুমি আমাকে অনুমতি দিবে কি? তখন বালকটি বলল, না, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! আমি আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য আমার অংশে কাউকে অগ্রাধিকার দিব না। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানির পেয়ালাটা তার হাতে ঠেলে দিলেন।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن أبي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي بشراب، فشرب منه وعن يمينه غلام وعن يساره الأشياخ، فقال للغلام ‏ "‏ أتأذن لي أن أعطي هؤلاء ‏"‏‏.‏ فقال الغلام لا والله يا رسول الله لا أوثر بنصيبي منك أحدا‏.‏ قال فتله رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00